Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রচলিত ছকে মৌসুমি বায়ু চরিত্র বোঝা যাচ্ছে না
শান্তনু বসু

মৌসুমি বায়ু ১৫-১৮ অক্টোবরের আগে প্রত্যাহৃত হচ্ছে না—এই পূর্বাভাসে আবহবিদরা বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁরা আরও হিসেব করে দেখেছেন, বিগত ১০০ বছরের মধ্যে এবছরই (২০১৯) ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) বা স্কাইমেটের পূর্বাভাসকে ভুল প্রতিপন্ন করেছে। সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে ১১০ শতাংশ। আর, অক্টোবরের হিসেব ধরলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৩০ শতাংশ। বাঙালির অতি প্রিয় দুর্গাপুজো বিপর্যস্ত হয়েছে। বিহারের বন্যা বর্ণনাতীত বিপর্যয় ডেকে নিয়ে এসেছে। আর, কর্ণাটকে বন্যার রেশ থেকেছে দেড়মাসেরও বেশি। এই বিপর্যয়ের মধ্যেই ৩ অক্টোবর কর্ণাটকে ভারী বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৩৫.৬ মিমি। চিকমাগালুরে ২৪ মিমি বৃষ্টিপাত হয় আর মেলিনা হৃলুভাথি তালুকে বৃষ্টিপাত হয় ১০৬ মিমি।
কিন্তু, বিস্ময়ের কথাটি হল প্রশান্ত মহাসাগর এবং অতলান্তিক মহাসাগরে চিরপরিচিত এল নিনো এবং লা নিনা দিয়েও এই মৌসুমি বায়ুর চরিত্রকে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। গত তাপমাত্রার চেয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেশি হলেই এল নিনোর আবির্ভাব ঘটে এবং মৌসুমি বৃষ্টিপাত নেতিবাচক হয়ে যায় আর বিপরীতে ‘লা নিনা’ ঘটলে স্বাভাবিক কিংবা প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে। কিন্তু, ১৯৯৭ সালকে বিবেচনায় আনলে দেখা যাবে, ‘এল নিনো’ সত্ত্বেও যে-বছর স্বাভাবিক মৌসুমি বৃষ্টিপাত ঘটেছে।
আরও তথ্য হল, ২০১৬ সালকে ধরা হয়েছিল ‘লা নিনা’ বছর। অর্থাৎ উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাতের বছর। কিন্তু, দীর্ঘকালীন গড় বৃষ্টিপাতের হিসেবে (এলপিএ) যে-বছর বৃষ্টিপাত ছিল ৯৭ শতাংশ আর সেই বছরই খরা দেখা দিয়েছিল পাঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাত এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলে। ২০১৯-এর এই উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাতের নিরিখেই অতীতের এই সব তথ্যকে সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে।
১৮৭১ সাল থেকে তথ্য সংগ্রহে দেখা গেছে যে, জুনে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি ৩০ শতাংশ কিংবা তার বেশি হলে বছর-শেষে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতই ছিল প্রবণতা। আর, চলতি বছরে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি ছিল ৩৩ শতাংশ, যা পূরণ করা যাবে না বলেই মনে করা হয়েছিল। কারণ, এতটা ঘাটতি অতীতে কখনোই পূরণ করা যায়নি। ২০১৯-এ তার ব্যতিক্রম ঘটে। জুন-পরবর্তী তিনমাসে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বরে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পায় ৫০ শতাংশের বেশি। মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রঘু মুর্তেগুড্ডে বলেছেন, মৌসুমি বৃষ্টিপাতের শুরু, প্রত্যাহার, বর্ষার স্থায়িত্ব, বর্ষার অদৃশ্য হওয়া সবকিছুতেই এক বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। আর এরই সঙ্গে চরম বৃষ্টিপাতের ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে। চরম বৃষ্টিপাত নিয়ে সর্বসম্মত কোনও সংজ্ঞা নেই। ২৪ ঘণ্টায় ১২ সেমি-র বেশি বৃষ্টিপাত হলে, সেটাকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত বলা হবে। আর সেই একই সময়ে ২৫ সেমি বৃষ্টিপাত হলে তাকে বলা হবে চরম বৃষ্টিপাত।
এলডোরাডো জলবায়ু সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বিগত ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে পৃথিবীর যে ১৫টি জায়গায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে তার মধ্যে ৮টিই ভারতে। গুজরাতের নালিয়া শহরে বৃষ্টিপাত ঘটে ১০.৩ ইঞ্চি, তারপরেই সেই গুজরাতের ওখাতে ৬.৫৪ ইঞ্চি, রাজকোটে ৫.৮৩ ইঞ্চি এবং মহারাষ্ট্রের মহাবালেশ্বরে ৫.৫৯ ইঞ্চি, আর কেরলের কোচিতে ৪.৯৭ ইঞ্চি, আলাপ্পুঝাতে ৪.৪৫ ইঞ্চি এবং কোঝিকোড়ে ৪.৫৭ ইঞ্চি উল্লেখযোগ্য। আরও একটি তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ভারতে ১৩টি রাজ্যে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৮০০ শতাংশের বেশি! ব্যাপারটি কল্পনাতীত হলেও প্রাকৃতিক বাস্তব। পরিবেশবিদরা এর কারণকে সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের উপরেই নিয়ে ফেলেছেন। এবং, সতর্ক করেছেন এই বলে যে, এটাই নতুন বাস্তব। এই নতুন বাস্তবকে স্বীকার করে নিলে বোঝা যাবে, কেন গুজরাতের সৌরাষ্ট্র এবং কচ্ছ বা রাজস্থানে ২৪ ঘণ্টায় ১০০০ শতাংশের বেশি বৃষ্টিপাত হয়! সৌরাষ্ট্রে ১১ আগস্ট ১,৮৪৪ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে আর রাজস্থানের কোনও কোনও অংশে ১৯ জুন বৃষ্টিপাত হয়েছে ১,৩০৪ শতাংশের বেশি। এই অস্বাভাবিক একদিনের বৃষ্টিপাত রেকর্ড সৃষ্টি করেছে হিমাচলপ্রদেশেও। ২০১১-র পর এবছরের ১৮ আগস্ট এখানে বৃষ্টি হয় ১,০৬৪ শতাংশ আর পাঞ্জাবে ওই একই দিনে বৃষ্টিপাত ১,৩০০ শতাংশেরও বেশি!
খুব অল্প সময়ে অত্যধিক বৃষ্টিপাতের নজির আছে তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, জম্মু ও কাশ্মীর এবং গোয়াতে। আর, এই রাজ্যগুলোর বেশিরভাগই বন্যাদুর্গত। দিল্লির ডাউন টু আর্থ জানিয়েছে, হিমালয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেড়ে যাবে ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যে-কারণে ২০৩০-এর মধ্যে প্রাকৃতিক বিপর্যয় অর্থাৎ বন্যা ও খরা বাড়বে ২-১২ শতাংশ। বেড়ে চলবে হড়পা বান বা ফ্লাশ ফ্লাড ও ভূধস। যেটা এখন কেরলে ঘটছে। পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, বিগত বারো বছরের মধ্যে ২০১৯-এ মৌসুমি বৃষ্টিপাতের অগ্রগতি ছিল ধীরতম আর সেটা ঘটেছে জুনে। জুনেই বিগত ৭ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতের ঘাটতি দেখা যায়। কিন্তু, তার চেয়েও যেটা বিস্ময়কর তথ্য সেটা হল, দেশের নানা প্রান্তে যখন খরা পরিস্থিতি চলেছে তখন উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে ৭২ ঘণ্টা টানা বৃষ্টিতে ভয়ানক বন্যা দেখা যায় এবং ১৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ দুর্গত হয়ে পড়ে। ২০১৬-তে মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানে খরা চললেও জুলাই-আগস্টে সেখানে বন্যা দেখা দেয় আবার বিহার ও অসমে তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খরা দেখা দিয়েছিল। গত শতকে গোটা বিশ্বের মৌসুমি বৃষ্টিপাতের খামখেয়ালি চরিত্রে এক বিপজ্জনক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টিপাতের দিনগুলোর সংখ্যা কমছে কিন্তু বৃষ্টিপাতের তীব্রতা সেটা একদিনেই ১০-১৫ সেমি হয়ে যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, গোটা বিশ্বের ৫০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত ঘটেছে মাত্র ১১ দিনে। ‘নেচার কমিউনিকেশন’ জার্নালে মন্তব্য করা হয়েছে, ১৯৫০-২০১৫ এই ৬৬ বছরে মধ্য ভারতে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা তিন গুণ হয়ে গিয়েছে। আবার এই মন্তব্যও করা হয়েছে যে, ভারতের এক-একটি অংশে দিনে ১৫ সেমি বৃষ্টিপাত হওয়ার পরেও যেখানে মৌসুমি বৃষ্টিপাত দুর্বল হয়ে যাওয়ার চিহ্ন ধরা পড়েছে।
২০১৯-এর এই উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত আবহাওয়াবিদদের হিসেবেই ছিল না। উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত ভূগর্ভস্থ জলস্তরকে পুনরুজ্জীবিত করবে সন্দেহ নেই, কিন্তু আগামী বছর যদি আরও দেরিতে কেরলে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে, ভারতের কৃষি আবার অনিশ্চয়তায় চলে যাবে। চলতি বছরের উদ্বৃত্ত জলকে ধরে রাখা হয়েছে—এমন সুখবর কিন্তু নেই।
 লেখক মালদহে চাঁচল কলেজের অধ্যাপক 
একটি কাল্পনিক স্মরণসভা
সন্দীপন বিশ্বাস

সাদা কাপড়ে মোড়া মঞ্চজুড়ে সারি সারি চেয়ার-টেবিল। টেবিলের উপরে ফুলদানিতে সাদা ফুল। মঞ্চের একপাশে বড় একটি ছবি। তাতে সাদা মালা দেওয়া। শোকস্তব্ধ পরিবেশ। আজ এখানে প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশনের স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সমাজের গণ্যমান্য সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনেকেই এসেছেন।  
বিশদ

মূল্যবোধের রাজনীতি ও
মহারাষ্ট্রের কুর্সির লড়াই
হিমাংশু সিংহ

আজকের নির্বাচনী রাজনীতি যে কতটা পঙ্কিল ও নোংরা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের মহারাষ্ট্র। সঙ্কীর্ণ স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের নেশায় ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আজ মরিয়া। মহারাষ্ট্রের ফল বেরনোর পর গত তিন সপ্তাহের রাজনীতির নাটকীয় ওঠাপড়া সেই অন্ধকার দিকটাকেই বড় প্রকট করে তুলেছে। ভোটের ফল ও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তা নিয়ে দুই পুরনো জোট শরিকের দ্বন্দ্ব যে দেশের বাণিজ্য পীঠস্থান মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রকে এমন নজিরবিহীন সঙ্কটে ফেলবে, তা কে জানত? যে জোট পাঁচ বছর ধরে রাজ্য শাসন করল এবং এবারও গরিষ্ঠতা পেল, সেই জোটই ভেঙে খান খান!
বিশদ

17th  November, 2019
ঘর ওয়াপসি ও কিছু প্রশ্ন
তন্ময় মল্লিক

 ঘর ওয়াপসি। ঘরে ফেরা। ‘ভাইজান’ সিনেমার ছোট্ট মুন্নির ঘরে ফেরার কাহিনীর দৌলতে ‘ঘর ওয়াপসি’ এখন আমবাঙালির অতি পরিচিত শব্দ। সেই পরিচিত শব্দটি অতি পরিচিতির মর্যাদা পেয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের ঘন ঘন জার্সি বদলের দৌলতে।
বিশদ

16th  November, 2019
জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

 সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। বিশদ

16th  November, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

15th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হবু শিক্ষকদের নিয়োগ করার আগে বহু চাকরিদাতা সংস্থাই তাঁদের ডিগ্রি যাচাই করে নেয়। এনসিটিই বা ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশনের মাধ্যমেই তা করা হয়। এতদিন এর জন্য একটি পোর্টাল চালু করেছিল এনসিটিই।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি গেমস-এর আসর বসতে চলেছে কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং (কিট)-এর ক্যাম্পাসে। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এই আসর বসবে। সাংবাদিক বৈঠক ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিরাট কোহলিরা কলকাতায় আসার আগে দিন-রাতের টেস্টটিকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার জন্য তৎপর সিএবি। প্রতিদিন বিকেলে সংস্থার পক্ষ থেকে নতুন কিছু আয়োজনের ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একদিকে, সোনার দামবৃদ্ধি। অন্যদিকে, আর্থিক মন্দা। সব মিলিয়ে সোনার বাজার মোটেই ভালো গেল না দেশে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের প্রকাশিত তথ্য বলছে, চলতি বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে সোনার যে চাহিদা দেখা গিয়েছে, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

কর্মপ্রার্থীদের নতুন কর্ম সংস্থানের সুযোগ আছে। সরকারি বা আধাসরকারি ক্ষেত্রে কর্ম পাওয়ার সুযোগ আছে। ব্যর্থ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭২৭: অম্বরের মহারাজা দ্বিতীয় জয়সিং জয়পুর শহর প্রতিষ্ঠা করলেন
১৯০১: পরিচালক ও অভিনেতা ভি শান্তারামের জন্ম
১৯৭৩: ভারতের জাতীয় পশু হল বাঘ
১৯৭৮: পরিচালক ও অভিনেতা ধীরেন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু
 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০২ টাকা ৭৩.৫৬ টাকা
পাউন্ড ৯০.০৫ টাকা ৯৪.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৩ টাকা ৮১.২৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
17th  November, 2019

দিন পঞ্জিকা

১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার, ষষ্ঠী ২৮/৮ রাত্রি ৫/১০। পুষ্যা ৪১/৫ রাত্রি ১০/২১। সূ উ ৫/৫৪/৪৩, অ ৪/৪৮/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/২১ মধ্যে পুনঃ ৮/৪৮ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ১০/৫৬ মধ্যে পুনঃ ২/২৪ গতে ৩/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৬ গতে ৮/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৫ গতে ৩/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৩ গতে ১১/২১ মধ্যে। 
১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার, ষষ্ঠী ২৪/১৭/৩৬ দিবা ৩/৩৯/২৭। পুষ্যা ৩৯/১৯/৩৪ রাত্রি ৯/৪০/১৫, সূ উ ৫/৫৬/২৫, অ ৪/৪৮/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩২ মধ্যে ও ৮/৫৮ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ১১/১ মধ্যে ও ২/৩৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে, বারবেলা ২/৫/৪৫ গতে ৩/২৭/১৮ মধ্যে, কালবেলা ৭/১৭/৫৮ গতে ৮/৩৯/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৪/১১ গতে ১১/২২/৩৮ মধ্যে।
২০ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কোচবিহারে মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

05:36:00 PM

খড়্গপুরের এসডিপিও সুকমল দাসকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন 

05:34:00 PM

হাসপাতালে ভর্তি নুসরত জাহান
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা সংসদ সদস্য ...বিশদ

04:58:35 PM

কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে অপারেশন করা হয়েছে: মমতা 

04:46:00 PM

মিথ্যে কথা বলা ছাড়া কোনও কাজ করছে না বিজেপি: মমতা 

04:43:00 PM

৩ দলকেই বাংলা থেকে বিদায় নিতে হবে: মমতা 

04:41:00 PM