গল্পের পাতা
 

গি ফ ট

তপন বন্দ্যোপাধ্যায়: মা সেদিন বলল, বুম্বা সামনেই নতুন বছর।
বুম্বা জানে নতুন বছর মানে নববর্ষ। মা প্রতি বছরই তাকে শেখায়। নববর্ষ এলে বুম্বার একশো মজা। তার মানে বাবা বাড়ি ফিরবে। অনেক কিছু গিফ্‌ট আনবে বাবা!
বুম্বা লাফিয়ে ওঠে, মা, বাবা কী গিফট আনবে এবার?
মা বলল, সবুর কর। এলেই দেখতে পাবি কী নিয়ে এল তোর বাবা।
বাবা বাড়িতে ফেরে বছরে দুবার, একবার পুজোয়, একবার নববর্ষের আগে। প্রতিবারই থাকে দশ-বারো দিন করে। বুম্বা আর তার মাকে নিয়ে বাবা ব্যস্ত থাকে সেই ক’দিন। এখানে-ওখানে বেড়াতে নিয়ে যায়। কোনও আত্মীয়বাড়িতে, একদিন সিনেমা দেখতেও। বুম্বা যা চায় কিনে কেটে দেয়।
বাবা যখনই আসে, ব্যাগ ভরতি করে খেলনাপাতি- খাবার-বই নিয়ে আসে বুম্বার জন্য। বাড়িতে ঢুকে, বুম্বাকে একটু আদর করে, মেঝেয় ব্যাগ-বাক্স রেখে খুলতে আরম্ভ করে সেগুলো। বুম্বা তখন দাঁড়িয়ে থাকে নিঃশ্বাস বন্ধ করে। কী বেরবে ব্যাগ থেকে। কী বেরবে বাক্স থেকে।
পুজোর সময় একরকম গিফ্‌ট, নববর্ষে আর একরকম গিফ্‌ট।
কয়েকদিন খুব হইচই করে আবার একদিন সকালে উঠে হাতে-কাঁধে ব্যাগ-বাক্স নিয়ে চলে যায় বহু দূরে কোথাও।
বাসে করে, ট্রেনে করে, জাহাজে করে বুম্বার বাবা চলে যায় সেই কোন দূরদেশে, সাত-সমুদ্দুর পেরিয়ে কোথায় না কোথায় যায়, সে দেশ বুম্বা চেনে না, শুধু জানে সেখানে পাওয়া যায় হরেক রকমের খেলনা, কত রকমের নোনতা-মিষ্টি খাবার। রঙিন বইও কত যে, তার পাতায় পাতায় কত রং-বেরঙের ছবি।
বাবা চলে যাওয়ার সময় খুব মন খারাপ হয়ে যায় বুম্বার। মাও কান্নাকাটি করে বিছানায় মুখ গুঁ‌঩জে। বাবা তার সঙ্গে মায়ের মাথায়ও হাত বুলিয়ে বলে, ধুর, বোকার মতো কেউ মন খারাপ করে। কাজে না গেলে সারা বছর তোমরা খাবে কী! আবার আসব শিগগির। আসার সময় কত কিছু নিয়ে আসব।
বাবা চলে গেলে মা খেতে বসতেই চায় না! খেলেও সামান্য একটু খায়। বেশিটাই একটু একটু করে তুলে দেয় বুম্বার মুখে। ক’দিন ধরে খাবারগুলো খায় বুম্বা। বাবা চলে গেলে মা যেন আরও একটু রোগা হয়ে যায়।
বাবা চলে গেলে বুম্বারও যে খেতে খুব ভালো লাগে তা নয়। তবে বাবা যে নতুন খেলনাপাতি নিয়ে আসে, সেগুলো মেঝেয় ছড়িয়ে নিয়ে বসে খেলে কতবার করে। যেন ওই খেলনাপাতির মধ্যেই লুকিয়ে থাকে বাবার ভালোবাসা।
খেলনাগুলো সাজায়, আর তাদের সঙ্গে কথা বলে। যেন নিজের সঙ্গে কথা বলে বুম্বা। তাদের নিয়ে বসে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। যেন খেলনাগুলোর সঙ্গে থাকা মানে বাবার সাহচর্য পাওয়া। একটা খেলনা আছে, সোলজার। তার হাতে মস্ত বন্দুক। তখন বুম্বাও একজন সোলজার। মনে মনে যুদ্ধ করে প্রতিপক্ষর সঙ্গে। একটা খেলনা আছে সান্তা ক্লজ, কী সুন্দর লাল টুকটুকে পোশাক তার। সে নাকি বড়দিনে এসে মোজার ভিতর অনেক খেলনা, খাবারদাবার রেখে যায়! বুম্বা ভাবে তার বাবাই তো একজন সান্তা ক্লজ।
আবার বাবা কখনও নিয়ে আসে রঙিন ছবির বই। বইগুলো ভালো, কিন্তু সবই ইংরেজিতে লেখা। সেই বই এখনও পড়তে পারে না সে। নিশ্চয় আরও বড় হয়ে পড়বে গল্পগুলো। শুধু বইগুলো নাড়েচাড়ে, ছবি দেখে। ছবি দেখে, বইগুলোর অচেনা অক্ষর থেকে তৈরি করে নিজের ইচ্ছেমতো গল্প।
একটা ছবিতে দেখল আকাশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে অবিরত টহল দিয়ে যাচ্ছে সাদা মেঘের দল, অমনি তাদের সঙ্গে গল্প করে নেয় দু দণ্ড। বলল, ও মেঘ, একটু দাঁড়াও, তোমার পিঠে তুলে নিয়ে যাও। আমার বাবা যে দেশে থাকে, খুব ইচ্ছে করছে সেখানে যেতে।
একটা ছবিতে দেখল সবুজ মাঠের ভিতর লাফিয়ে বেড়াতে থাকা ঘাসফড়িংদের, অমনি ইচ্ছে হল তার সঙ্গে দীর্ঘ ভাব জমাতে। বলে, এসো, দু’দণ্ড গল্প করি। বাবার জন্য আমার খুব মন খারাপ।
একটা ছবি দেখল সুন্দর একটা নদীর ধারে বাংলোবাড়ি। অমনি মনে মনে সেই বাড়ির মধ্যে চলে গেল মায়ের হাত ধরে। গিয়ে দেখল, সেখানে বসে আছে তার বাবা। অমনি বাবাকে জড়িয়ে ধরে বলল, তুমি কখন এসেছ? আমাকে বলোনি তো!
একটা ছবিতে দেখল, একটা পালতোলা নৌকো ভেসে চলেছে মস্ত নদীতে। অমনি উঠে বসল সেই নৌকোয়। একটা ছবিতে দেখল একটা ট্রাক চলেছে মাল বোঝাই করে। অমনি উঠে বসতে চেয়েছে সেই ট্রাক ড্রাইভারের পাশের সিটে। ট্রাকটা নিশ্চয়ই বাবার দেশে যাবে।
কখনও বুম্বার ইচ্ছে জাগে ঘুমের ভিতর মন ভালো করে দেওয়া স্বপ্ন দেখে। বাবার সঙ্গে সারা রাত গল্প করে চলেছে। দেশবিদেশের কত গল্প।
দিনের বেলায় একা একা জাবর কাটে এত সব স্বপ্নের।
অপেক্ষা করে বাবা কবে আবার নতুন বই নিয়ে আসবে। অপেক্ষা করে নববর্ষে বাবা আসবে, বাবার সঙ্গে বেড়াতে যাবে।
নববর্ষের মজা একরকম, পুজোর মজা আর একরকম। পুজোয় একটু বেশি মজা। চারদিনই বাবা আর মায়ের হাত ধরে ঘুরে ঘুরে পুজো দেখা। বিশাল মণ্ডপ আর প্রতিমা দেখা।
তবে নববর্ষের মজাও কম নয়।
নববর্ষের ঠিক আগে অনেকগুলো লাল-সবুজ কার্ড আসে। সেই কার্ড হাতে করে সে বাবার সঙ্গে যায় অনেক-অনেক দোকানে। তিন-চারটে মুদির দোকান দুটো স্টেশনারি। সেই দোকানগুলোয় গেলে তারা খুব খাতির করে বাবাকে, বাবার সঙ্গে তার হাতেও তুলে দেয় লাল-সবুজ শরবতের গেলাস। বুম্বা বেশ তারিয়ে তারিয়ে খায়। শরবত শেষ হলে কোনও দোকানে লাড্ডু, কোনও দোকানে বালুসাই, কোনও দোকানে অমৃতি। সব দোকানেই বাবা কিছু কিছু করে টাকা দেয়। সারা মাস ধরে সব জিনিসপত্র ধারে নিয়ে আসে মা, তার জন্যই।
তাই মাসের পর মাস মা বাবার ফেরার জন্য অপেক্ষা করে মা। এক-দুদিন দেরি হলেই মায়ের মুখ ব্যাজার।
মায়ের মন খারাপের কারণগুলো বুম্বা বোঝে। বাবা বাড়িতে না-থাকায় মায়ের ঘাড়েই পড়ে সংসারের যাবতীয় ঝক্কি। বুম্বা দেখে মা কী কষ্ট করে বাজার থেকে বয়ে আনে বাজারের ব্যাগ, দোকানের জিনিসপত্র। লাইন দিয়ে মিটিয়ে আসে ইলেকট্রিকের বিল। কখনও বুম্বাকে নিয়ে যায়, কখনও আবার ঘরের মধ্যে রেখে যায়। বলে, খবরদার, আমি ছাড়া বাইরে থেকে কেউ এলে দরজা খুলবিনে।
বুম্বা চুপ করে বসে থাকে ঘরের মধ্যে। এক-একদিন একরকম খেলা করে নিজেকে ব্যস্ত রাখে। যখন কোনও খেলাই পছন্দ হয় না, একা-একা নানা কিছু ভাবে।
এই তো আগের নববর্ষের আগে থেকে একটা-দুটো করে লাল কার্ড, সবুজ কার্ড আসছিল বুম্বাদের ঘরে। কার্ডগুলো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে বুম্বা লাফাতে থাকে আনন্দে।
নববর্ষে খুব আনন্দ করেছে বাবাকে নিয়ে। কত দোকানে ঘুরেছে। যে দোকানেই যায়, বাবা একতাড়া করে নোট তুলে দেয় দোকানির হাতে, তারা বাবাকে কত যত্নআত্তি করে, বুম্বাকে বলে, ‘আর এক গেলাস সরবত দেবো?’ বুম্বা জোরে জোরে ঘাড় নাড়ে, বলে, নাহ্‌, আর পারছি না! সব মিলিয়ে চার গেলাস হয়ে গেল এর মধ্যে।
নববর্ষের পর বাবা আবার চলে গেছে ব্যাগ-বাক্স হাতে কাঁধে নিয়ে। আবার হা-পিত্যেশ করে বসে থাকা পুজো পর্যন্ত। কিন্তু দিন যেন কাটেই না!
এক একটা দিন যায়, আর বুম্বা গোনে ঠিক আর কতদিন বাকি বাবা আসতে!
মা-ও রোজ উলটে-পালটে দেখে ক্যালেন্ডারের পাতা। কখনও একটা পেন দিয়ে দাগ দেয় ক্যালেন্ডারের পাতায় লাল-নীল সংখ্যাগুলোর উপর।
বুম্বা মা’কে বারবার জিজ্ঞাসা করে, বাবা কবে আসবে, মা? বাবা, কবে—
অন্য অন্য দিন মায়ের মুখে হাসি থাকে না, বলে, আসবে আসবে। আর বেশি দেরি নেই রে!
এদিন হাসি-হাসি মুখে বলল, এই তো সামনের মঙ্গলবার ষষ্ঠী। ঠিক তার আগের দিন আসে প্রতিবার।
বুম্বা আবার ক্যালেন্ডারের সামনে দাঁড়ায়। ডিঙি মেরে দেখতে চেষ্টা করে কবে সেই ষষ্ঠী। লাল ছবিঅলা দিনগুলো দেখে বোঝার চেষ্টা করে আর ঠিক কতদিন বাকি বাবা আসতে!
— মা, বাবাকে বলেছিলাম একটা হাওয়াই জাহাজ কিনে আনতে।
বুম্বার হাসি হাসি মুখ দেখে মা বলল, তাই নাকি? বলেছিলি?
— হ্যাঁ তো।
— হাওয়াই জাহাজের কথা জানলি কী করে?
— কেন? ওই নীল রঙের বইটাতে কী সুন্দর করে আঁকা!
— কই দেখি? কোথায় দেখলি হাওয়াই জাহাজ?
বুম্বা অমনি ঘরের ভেতর গিয়ে নিয়ে আসে নানা রঙের মস্ত বইটা। তার পাতায় পাতায় কত রকমের নৌকো, কত রকমের জাহাজ! আর শুধু সমুদ্র আর সমুদ্রের ছবি। সমুদ্রের জলের রং-ই বা কতরকম!
সেই বইয়ের মাঝামাঝি খুলে বুম্বা বলল, দ্যাখো, মা, এইটা—
তার মা ঝুঁকে পড়ে দেখতে থাকে নীল-মেরুন-সবুজ রঙের পাল তোলা এক চমৎকার জাহাজ। মায়ের নিবিষ্ট মুখের দিকে তাকিয়ে বুম্বা বলল, বাবা কি এরকম জাহাজে চড়ে চলে যায় প্রত্যেকবার?
মা চুপ করে থাকে। কিছুক্ষণ পর বলে, আমি কী করে জানব?
বুম্বা জাহাজের ছবিটা আরও অনেকটা সময় ধরে দেখে বলল, বাবা কবে আসবে..., মা?
— এই তো আর ক’দিন পর।
বুম্বা হঠাৎ ধৈর্য হারিয়ে বলল, বাবাটা যে কী! গেলে আর আসতে চায় না!
মায়ের বুক থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে।
বুম্বা আবার বলল, বাবা যদি এখানে একটা চাকরি করত, কী মজাই না হত!
মায়ের বুক থেকে আবার একটা দীর্ঘশ্বাস।
নির্দিষ্ট দিনের দু’দিন আগেই ঘরে ফিরে এল বাবা। দরজায় কড়া নাড়া শুনেই লাফিয়ে উঠল বুম্বা। মা-ও মুখে আলো ফুটিয়ে তাড়াতাড়ি দরজা খুলে দেখল—
বুম্বার বাবা দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু অন্যবারের মতো হাসি হাসি মুখে নয়, অভিব্যক্তিতে কালি ঢেলে দিয়েছে কেউ।
বুম্বাও লক্ষ করল বাবার সারা মুখে দুঃখ-দুঃখ ছায়া। সঙ্গে প্রতিবারের মতো মোটা ব্যাগ নেই। আছে একটা সুটকেশ, সেটা খুলতে তাতে বাবার জামাকাপড়েই ভরতি।
তিনজনের কেউ কোনও কথা বলছিল না। ঘরের হাওয়া কীরকম ভারী আর মন খারাপের।
বুম্বা শুনল বাবা সেই দূর দেশে যে কোম্পানির হয়ে কাজ করছিল, তারা ব্যাবসায় ফেল মেরে কোথায় যেন পালিয়ে গেছে। কোনও কর্মীই কয়েক মাসের মাইনে পায়নি।
বাবা একেবারে চলে এসেছে এ দেশে। থাকবে বুম্বা আর মায়ের সঙ্গে।
মা তো এরকমটাই চেয়েছিল, কিন্তু বাবার চাকরি চলে যাক তা তো চায়নি!
বুম্বা বুঝল এবার পুজোয় আর কোনও আনন্দ হবে না, কোথাও ঘুরতে যাওয়া হবে না, হই হই করে যাওয়া হবে না পুজোর প্যান্ডেলগুলোয়।
প্রতিবার বাবা অনেক কিছুই উপহার হিসেবে নিয়ে আসে, এবার বুম্বাকে কোলে নিয়ে ধরা গলায় বলল, ‘এবার কিছু গিফট আনতে পারিনি, বাবা।
বুম্বা বাবার কোলে মুখ গুঁজে বলল, কেন বাবা, তুমি ফিরে এসেছ। তুমিই তো আমার গিফট।
30th  April, 2017
বুঝিবে ফাজিল অঙ্ক শুভঙ্কর ভনে 

আমরা একটি সিরিজ শুরু করছি— ‘কিংবদন্তির নায়ক-নায়িকা’। আমরা কথা প্রসঙ্গে এমন সব পুরুষ মহিলার নাম কথা প্রসঙ্গে নিয়ে থাকি, যাঁরা খুব যেন পরিচিত, কিন্তু তাঁদের সম্পর্কে এমন কিছুই জানি না। তাঁদের ঘিরে নানান গল্পগুজব গড়ে উঠেছে। বিশদ

28th  May, 2017
বাংলা নাটক 

স্বপ্নময় চক্রবর্তী:  কলকাতায় একটা যাত্রাপাড়া আছে, ওখানে বিভিন্ন যাত্রা কোম্পানিগুলির অফিস, ওখান থেকেই বুকিং হয়। রিহার্সাল কোথায় হয় জানি না। রবীন্দ্র সরণির নতুন বাজার থেকে আহেরিটোলার মোড় পর্যন্ত ৩০০-৩৫০ মিটার দূরত্বের মধ্যে এখনও কমপক্ষে ৩০-৩৫টি যাত্রাদলের গদি রয়েছে।
বিশদ

28th  May, 2017
মারুবেহাগ
 

ভাস্কর গুপ্ত:   ১  সাড়ে সাতটা বেজেছে। টিভি’টা বন্ধ করে বারান্দায় এসে দাঁড়ায় সুনীপা। তিনতলার এই দু’কামরার ছোট্ট ফ্ল্যাটের বারান্দাটাও সেই মাপে। তবুও এই বারান্দাটা খুব পছন্দের সুনীপার।
বিশদ

28th  May, 2017
গুরুর নির্দেশে শবসাধনায় বসলেন তারানাথ 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়:  হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। আর মাত্র কয়েক ঘন্টা। তারপরই শুরু হবে এক নতুন জীবন। তারাপীঠে আসার পর থেকে তারানাথও খুব প্রয়োজন ছাড়া গুরুর কাছ ছাড়া হচ্ছেন না এবং বামদেবও চাইছেন শিষ্য তাঁর আশেপাশেই থাকুন।
বিশদ

21st  May, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ 
সাতক্ষীরের দীপ্তিময় মল্লিক

 অমর মিত্র: দীপ্তিময়, দীপ্তি মল্লিকের বয়স ৭৫-এর মতো। তিনি পিতৃপুরুষের ভিটে ছাড়েননি। দীপ্তি মল্লিকের সঙ্গে আমার দেখা বাংলাদেশের সাতক্ষীরেয় আমার পিতৃপুরুষের ফেলে আসা ভিটে দেখতে গিয়ে। তিনি শিক্ষক ছিলেন। একটি কন্যা এবং এক পুত্র।
বিশদ

21st  May, 2017
সন্ধ্যাতারা 

পাপিয়া ভট্টাচার্য:  সেন্ট্রালের সামনে ওকে নামিয়ে দিয়ানা বলল, ‘সরি বনি, আমি আর ওয়েট করব না। তুমি ঠিকঠাক চলে যেও। ফোন করব। সরি এগেইন।’
গ্যাসচালিত ধোঁয়াহীন বাইকটা ঝড়ের বেগে বেরিয়ে যাবার পর খেয়াল হল তার, ইস, আবারও সেই একই ভুল।
বিশদ

21st  May, 2017
তিথির সঙ্গে কিছুক্ষণ 

আশিস ঘোষ:  ঠিক সন্ধের শুরুতে তিথি এল। কখন থেকে দাঁড়িয়ে আছি। কত বাস, মিনিবাস, ট্যাক্সি দাঁড়াল। লোকজন ওঠানামা করল। তিথি আর আসে না। ক্লান্ত বিরক্ত হয়ে চলে যাব কিনা ভাবছি, এমন সময় তিথি এল। ঠিক সন্ধের শুরুতে। বিশদ

14th  May, 2017
গানের ভিতর দিয়ে 

স্বপ্নময় চক্রবর্তী:  বাঙালির মনন বাংলা গানকে বলেছে তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে। বাংলা গান এসেছে নবনব রূপে। কিন্তু কানে এসেছে প্রাণে নয়। সেই কবিওয়ালাদের গান থেকে রামপ্রসাদ-নিধুবাবু হয়ে সলিল চৌধুরি হয়ে আজকের ব্যান্ডের গান পর্যন্ত নব নব রূপেই এসেছে।
বিশদ

14th  May, 2017
ইতিহাসের আলোছায়ায় 
টোডার মল

বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়: টোডার মল ছিলেন আকবর বাদশার প্রথম রেভিনিউ মিনিস্টার এবং দক্ষ ভূমি ও ভূমিরাজস্ব ব্যবস্থার যথার্থ রূপকার। তাঁর জন্ম হয়েছিল লাহোরে। অতি সাধারণ পরিবারে জন্ম। বাদশার কাজে তিনি যোগ দেন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া। বিশদ

14th  May, 2017
জ্বলন্ত চিতায় তারামাকে দর্শন করলেন তারানাথ  

পর্ব-১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়:  মাসটা কার্তিক। বেশ ঠাণ্ডাও পড়েছে। প্রায় বাহাত্তর ঘন্টা ট্রেন- সফর করে বীরভূমের মল্লারপুর স্টেশনে এসে নামলেন ব্রহ্মচারী প্রমথেশ। রামপুরহাটের আগের স্টেশনটিই মল্লারপুর। বিশদ

07th  May, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির শ্লথতা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে বিস্তর। আর সেকারণেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির জন্য এক বছর আগে পুলিশকে দেওয়া হয়েছিল চারটি গাড়ি। এই গাড়িগুলি ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির উপযোগী যাবতীয় পরিকাঠামোয় সজ্জিত। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দক্ষিণ কলকাতার নেতাজিনগরে তোলাবাজির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের নাম সুশান্ত মাহাত। অভিযোগ, সে নেতাজিনগর থানার ৮বি, নাকতলা রোডে গত ২৬ মে সকাল ১১টা নাগাদ একটি বহুতলে কাজ চলার সময় কলকাতা পুরসভার স্বীকৃত ‘প্লাম্বার’ নিলয় ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ময়ূরেশ্বরের বড়তুড়িগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় নয়া মোড়। শুধুমাত্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই নয়, খুনের পিছনে কাজ করেছে পুরানো আক্রোশও। ধৃতদের জেরা করে এমনটাই পুলিশ জানতে পেরেছে। উল্লেখ্য, শনিবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে আসগর আলি নামে ...

সিওল, ২৯ মে: তিন সপ্তাহের মধ্যে ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া। জাপানের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি তাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলে আছড়ে পড়েছে। স্কাড মিসাইলটি ৪৫০ কিলোমিটার আকাশপথ ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭০ টাকা ৬৫.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৮ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭০.৮৭ টাকা ৭৩.২৩ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

 ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী দিবা ৮/৪৭, পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১১/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৪৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ পুনঃ ৯/২১-১২/০ পুনঃ ৩/৩১-৪/২৫, বারবেলা ৬/৩৬-৮/১৫ পুনঃ ১/১৩-২/৫৩, কালরাত্রি ৭/৩২-৮/৫৩।
১৫ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী ২/১৯/৫, পুষ্যানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৫/২৮/৪৩, সূ উ ৪/৫৪/৪৫, অ ৬/১২/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪/১৯, ৯/২০/৪২-১২/০/১৬, ৩/৩৩/২-৪/২৬/১৩ রাত্রি ৬/৫৫/২৫, ১১/৫৫/৫-২/৩/৩১, বারবেলা ৬/৩৪/২৯-৮/১৪/১৩, কালবেলা ১/১৩/২৪-২/৫৩/৮, কালরাত্রি ৭/৩২/৫২-৮/৫৩/৮।
৩ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় (৯৭.৮%) শুভম সিংহ ও সুরজিৎ লোহার (বাঁকুড়া জেলা স্কুল) 

10:48:15 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মাণ পানিগ্রাহি ( হুগলি কলেজিয়েট স্কুল) 

10:45:00 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় (৯৮.৪%) ময়াঙ্ক চট্টোপাধ্যায় (মাহেশ শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাভবন), উপমন্যু চক্রবর্তী (নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন) 

10:39:06 AM

সাফল্যের নিরিখে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর 

10:15:00 AM

সংসদের ওয়েবসাইটে এবার জেলাওয়াড়ি সেরাদের নাম ও স্কুলের নাম প্রকাশিত হবে 

10:13:00 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে পাশের হার ৮৪.২০% 

10:11:00 AM






বিশেষ নিবন্ধ
এবারই প্রথম নয়, ’৯৯-এ কারগিল যুদ্ধেও পাক সেনারা নৃশংসতার নজির রেখেছিল
সীমান্তরক্ষায় অনেকদিন কাটানো পোড়খাওয়া এক ক্যাপ্টেন একদিন দার্শনিকের ঢঙে বললেন, আমরা এটুকুই বুঝি—যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন মানে ...
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...