বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
খেলা
 

‘ডায়মন্ড’ মোহন বাগানকে হারিয়ে ডুরান্ড জয় অন্যতম সেরা সাফল্য

ডুরান্ড কাপ। ভারতের প্রাচীনতম ফুটবল প্রতিযোগিতা। ১৮৮৮ সালে শুরু। ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার প্রাক্তন বিদেশ সচিবের নামে (মোর্টিমার ডুরান্ড) সেনাবাহিনী আয়োজন করে এই টুর্নামেন্ট। শুরু সিমলায়। মাঝে নয়াদিল্লিতে দীর্ঘদিন বসেছে এই আসর। পরের কয়েক বছর গোয়াতেও হয় ডুরান্ড কাপ। ২০১৯ সালের পর এবারও কলকাতায় হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্ট। এবার ১৩০তম সংস্করণ। এই প্রতিযোগিতার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অনেক ঘটনা। শুধুমাত্র বর্তমানের পাঠকদের জন্য স্মৃতি রোমন্থনে ব্যস্ত প্রাক্তন তারকারা। আজ অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করলেন আইএম বিজয়ন। শুনলেন জয় চৌধুরি।

আমি ছিলাম জিপসি ফুটবলার। ১৯ বছরের দীর্ঘ ক্লাব কেরিয়ারে ছ’টি ক্লাবে খেলেছি। দুই দফায় পাঁচ বছর জেসিটিতে। তিন দফায় চার বছর ছিলাম মোহন বাগানে। ইস্ট বেঙ্গলের জার্সি পরেছি দু’টি মরশুম। এফসি কোচিনে তিন বছর। কেরল পুলিস ছাড়া সব দলের হয়েই খেলেছি ডুরান্ডে। ১৯৯৬ এবং ১৯৯৭ সালে ডুরান্ডে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি জেসিটি ও এফসি কোচিনের হয়ে।  দু’টি খেতাবের মধ্যে আমি এফসি কোচিনের হয়ে ডুরান্ড জয়কেই আগে রাখব। কারণ ফাইনালে আমরা হারিয়েছিলাম অমল দত্তর ‘ডায়মন্ড’মোহন বাগানকে। ওই মরশুমে ফেডারেশন কাপের সেমি-ফাইনালে ইস্ট বেঙ্গলের কাছে ১-৪ গোলে বিধস্ত হলেও তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে চার্চিল ব্রার্দাসকে ছ’গোলে হারিয়েছিল অমলদার দল। গুয়াহাটির ওই ম্যাচ নিয়ে প্রবল হইচই হয়েছিল ভারতীয় ফুটবলে।
ফেড কাপের শেষ চারে হারলেও কলকাতা লিগে দুই সপ্তাহের মধ্যে ইস্ট বেঙ্গলকে হারিয়েছিল ‘ডায়মন্ড টিম’। কলকাতা লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েই ডুরান্ডে এসেছিল খেলতে। মোহন বাগান আর অমলদার তখন দারুণ রমরমা! স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে তখন সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে অমলদা  বক্তব্য রাখছেন! ডায়মন্ড সিস্টেমের কথা বললেই দিল্লির সাংবাদিকরা আম্বেদকর স্টেডিয়ামের দোতলায় বসে খেলা দেখার পরামর্শ  দিতেন। ওদের মুখে অমলদার আক্রমণাত্মক কথাবার্তা শুনে আমরাও ফাইনালের আগে তেতে গিয়েছিলাম। ডুরান্ড ফাইনালে  সত্যজিৎ-বাসুদেব-চিমা-দীপেন্দুদের দাঁড়াতে দিইনি। ফাইনালে জিতেছিলাম ৩-১ গোলে। যা আমার ১৯ বছরের ক্লাব ফুটবলের সেরা সাফল্য। রামন বিজয়নের গোলে আমার ভূমিকা ছিল। দ্বিতীয় ও তৃতীয় গোলটি ছিল আমার ও ফ্রাইডের। খেলেছিলাম উইথড্রল স্ট্রাইকার হিসেবে। সেবার ডুরান্ড সেমি-ফাইনালে আমরা জেসিটির বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও জিতেছিলাম। যা ফাইনালের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল। তাই ১৯৯৭ এর ডুরান্ড কাপ কোনওদিন ভুলব না। তার আগেই নেপাল স্যাফ গেমসে নায়িমদার কোচিংয়ে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। ডুরান্ড চলাকালীন খেলোয়াড় বাছতে দিল্লিতেই ছিলেন উনি। ডুরান্ড চলাকালীনই তিনি স্যাফ কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ‘ট্রিট’ দিয়েছিলেন করিমস হোটেলে। ১৯৯৬ সালে ইরাকের অয়েল ক্লাবকে হারিয়ে ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। আমার পাস থেকেই জয়সূচক গোলটি করেছিল স্টিফেন আবারোহি।

26th     September,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021