Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

হোয়াইট হাউসে ভূতের ভয়! 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ঘটনা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এসেছেন হোয়াইট হাউসে। সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় ক্লান্ত শরীর। স্নান সেরে সোজা নিজের ঘরে। পরনে কোনও পোশাক নেই। নিজের মতো করে পাওয়া সময়টাকে আরও একটু উপভোগ করতে ধরালেন একটা চুরুট। সেই চুরুটে কয়েকটা টান দিয়েছেন কি দেননি, অমনি চার্চিল আবিষ্কার করলেন, ফায়ারপ্লেসের পাশে বিষণ্ণ চেহারা নিয়ে বসে আছেন আব্রাহাম লিঙ্কন! যেন যুদ্ধ-উন্মত্ত পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভীষণ চিন্তিত। এভাবে একেবারে জন্মদিনের পোশাকে লিঙ্কনের সামনে পড়ে যাওয়ায় চার্চিল তো লজ্জায় মাটির সঙ্গে প্রায় মিশে যান। কিন্তু সেই লজ্জা কর্পূরের মতো উবে গিয়ে সেখানে ভর করল অন্য আতঙ্ক— আব্রাহাম লিঙ্কন! তিনি তো মারা গিয়েছেন সেই ১৮৬৫ সালের এপ্রিলে! এই কি তাহলে আব্রাহাম লিঙ্কনের সেই বিখ্যাত ভূত? অনেকেই বলেন, চার্চিল নাকি একটুও ভয় না পেয়ে লিঙ্কনের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘শুভ সন্ধ্যা, মিস্টার প্রেসিডেন্ট। আমাকে একেবারে অপ্রস্তুত অবস্থায় পেয়ে গেলেন দেখছি!’
শুধু চার্চিল নয়, হোয়াইট হাউসে লিঙ্কনের ভূত অনেকেই দেখেছেন বলে মার্কিন মুলুকে কত গল্প। ভূত আছে না নেই তা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। তবে ভয় পেতে বোধহয় আমরা একটু ভালোই বাসি। তাই ভয়ে দু’হাত দিয়ে চোখ ঢেকে আঙুলের ফাঁক দিয়ে হরর ফিল্মের সবচেয়ে ভয়ানক দৃশ্যটাও আমরা মিস করতে চাই না। তবে হরর ফিল্মে ভূত দেখা আর বাস্তবে কোনও ‘ভৌতিক’ ঘটনা প্রত্যক্ষ করার মধ্যে বিস্তর ফারাক আছে। যে ফারাকটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন হোয়াইট হাউসের বাসিন্দারা। হোয়াইট হাউসের আশপাশের অনেকেই আজও বলেন যে, লিঙ্কনের বেডরুমের বাতিগুলো মাঝে মাঝে হঠাৎ জ্বলে উঠত, কখনও বা দেখা যেত রুমটির তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে। অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ফার্স্ট লেডি, রাষ্ট্রীয় অতিথি, কর্তা-কর্মচারীও হোয়াইট হাউসে বিভিন্ন সময়ে ভূত দেখেছেন বলে দাবি করেছেন। সরাসরি ভূত না দেখলেও কেউ কেউ ভূতুড়ে আওয়াজ তো পেয়েছেনই। এদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ভূত আব্রাহাম লিঙ্কনই। লিঙ্কন রাষ্ট্রপতি থাকাকালীনই হোয়াইট হাউসে তাঁর ছেলে উইলি মারা যান। উইলির আত্মাকেও নাকি মাঝেমধ্যেই দেখতে পাওয়া যায় সেই ওয়াশিংটন ডিসির ১৬০০ পেনসিলভেনিয়া অ্যাভিনিউর বাড়িতে। আর এক প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের প্রিয় ঘর ছিল ‘রোজ রুম’। এই রোজ রুমেই নাকি জ্যাকসনের অট্টহাসি আর শ্বাস-প্রশ্বাসের আওয়াজ শুনেছেন কেউ কেউ। সেই কারণেই হয়তো প্রেসিডেন্ট হেনরি ট্রুম্যান স্ত্রীকে একবার বলেছিলেন, ‘আমি পৃথিবীর এক জঘন্য জায়গায় থাকি।’
হোয়াইট হাউসের দ্য ইয়েলো ওভাল রুম ছিল প্রেসিডেন্ট লিঙ্কনের ব্যক্তিগত লাইব্রেরি। এটি তাঁর বেশ পছন্দের ছিল। রুমটির জানালায় প্রায়ই লিঙ্কন দাঁড়িয়ে থাকেন। লিঙ্কনের ভূত প্রথম দেখেছিলেন প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজের স্ত্রী গ্রেস কুলিজ। প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসনের স্ত্রী লেডি বার্ড জনসনও লিঙ্কনের ভূত দেখেছিলেন। তবে ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্টের সময়ই হোয়াইট হাউসে লিঙ্কনের আত্মার দাপাদাপি ছিল সবচেয়ে বেশি! ওই সময়টাতেই লিঙ্কনের ভূত দেখার ঘটনা সবচেয়ে বেশি বার ঘটে। লিঙ্কনের শোওয়ার ঘরটিকে পাঠকক্ষ বানিয়েছিলেন ফার্স্ট লেডি এলিনর রুজভেল্ট। একদিন সেখানে গভীর রাত পর্যন্ত পড়াশোনা করতে গিয়ে লিঙ্কনের ভূত দেখার অভিজ্ঞতা হয় তাঁর। লিঙ্কনের ভূত যে শুধু ফার্স্ট লেডিদের ব্যাপারে আগ্রহী ছিল, তা কিন্তু নয়। হোয়াইট হাউসের আতিথ্য নেওয়া নেদারল্যান্ডসের তখনকার রানি উইলহেলমিনার দরজায় টোকা মেরেছিলেন সেই বিখ্যাত লম্বাটে হ্যাট মাথায় দেওয়া প্রেসিডেন্ট! চার্চিলের ভূতদর্শনের কথা তো আগেই শুনেছিলেন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে ভয় না পেলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আর সে রাতে ওই রুমে থাকতে রাজি হননি।
১৭৯৭-১৮০১ সালের ঘটনা। মার্কিন রাষ্ট্রপতি হিসেবে হোয়াইট হাউসে বসবাস করেছিলেন জন অ্যাডামস ও সেই সময়ের ফার্স্ট লেডি অ্যাবেগেইল অ্যাডামস। তখন ওয়াশিংটন ডিসি ছিল জলাবদ্ধ এক ছোট্ট শহর। হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুম ছিল জামাকাপড় শুকানোর জন্যে উপযুক্ত উষ্ণতম জায়গা। তাই অ্যাবেগেইল অ্যাডামস জামাকাপড় ধোয়ার পর হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে এসে সেগুলোকে শুকোতেন। কিন্তু ফার্স্ট লেডির মৃত্যুর পর এখনও অনেকেই তাঁকে ওইভাবে কাপড় শুকোতে দিতে ছুটোছুটি করে ইস্ট রুমের দিকে ভেজা কাপড়ের বালতি হাতে নিয়ে যেতে দেখেছেন। মাঝে মাঝে ভেজা কাপড়ের গন্ধ এবং সাবানের সুবাস ভেসে আসে বলে ওখানকার পরিচারিকাদের অভিমত। হোয়াইট হাউসে প্রথম সেই ভূতের দেখা পান প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ট্যাফট। হোয়াইট হাউসে প্রবেশের উত্তর-দ্বারে মাঝে মাঝে পাহারারত অবস্থায় এমন সব দারোয়ানদের দেখা যায় যারা নাকি বেঁচে নেই। এমন সব দারোয়ানের মধ্যে একজন হল অ্যানি স্যুরাট। যাকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যকবার দেখা গিয়েছে। ১৮৬৫ সালে লিঙ্কনের গুপ্তহত্যার সময় অ্যানি স্যুরাটের মা মারা যান। তাই স্যুরাটের ভূতকে উত্তরদ্বারে দেখা যায় তাঁর মায়ের মুক্তি প্রার্থনারত অবস্থায়। কী ভয়ঙ্কর ভাবুন?
উইলিয়াম হেনরি হ্যারিসন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বল্পতম সময়ের প্রেসিডেন্ট। কারণ, তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই নিউমোনিয়াতে ভুগে মারা যান। কথিত আছে যে, এখনও পর্যন্ত হ্যারিসনের ভূতের অস্তিত্ব মিলেছে ওভাল হাউসের উপরের চিলেকোঠায়। পরবর্তী সময়ে কয়েকজন প্রেসিডেন্ট বলেছেন যে, তাঁরা নাকি মাঝে মাঝে চিলেকোঠা থেকেই অদ্ভুত রকমের শব্দ শুনতে পেতেন। শুধুমাত্র হ্যারিসনের ভূতই চিলেকোঠায় একা নয়, ট্রুম্যান প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন এক সিকিউরিটি গার্ড বলেছিলেন যে, তিনি চিলেকোঠা থেকে কাউকে যেন বলতে শুনেছেন, ‘আমিই বার্নস’, ‘আমিই বার্নস’...। কে বা কারা এরকম শব্দ করত আজও রহস্য। তবে শোনা যায়, হোয়াইট হাউসের জমির মালিক ছিলেন এই ডেভিড বার্ন। কথিত আছে, ১৭৯০ সালে ডেভিড বার্নস নামে সেই ভদ্রলোকের জমিতে জোর করে তৈরি হয়েছিল হোয়াইট হাউস। এখনও নাকি বাড়ির কয়েকটি ঘরে শোনা যায় সেই অশরীরীর গলার স্বর। ‘আমিই বার্নস’, বলতে বলতে নাকি এ ঘর, সে ঘর ঘুরে বেড়ায় সেই আওয়াজ।
প্রেসিডেন্টের প্রেস কনফারেন্স হয় রোজ গার্ডেনে। যা টিভিতে আমরা নিয়মিত দেখে থাকি। ১৮ শতকের ফার্স্ট লেডি ডলি মেডিসন নাকি রোজ গার্ডেন প্রতিষ্ঠা করেন। এর এক শতক পর ফার্স্ট লেডি ইলেন উইলসন গার্ডেনটি উৎখাতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কর্মীরা রিপোর্ট করেন, ডলির আত্মা নাকি গার্ডেনে ঘুরে বেড়ায়। হোয়াইট হাউসকে নিয়ে এসব ভূতুড়ে গল্প মার্কিন মুলুকে বেশ প্রচলিত। প্রেসিডেন্ট টেডি রুজভেল্ট, হার্বাট হোভার এবং ডিউড আইজেনহোয়ার থেকে শুরু করে প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি জ্যাকুই কেনেডি ও লিডবার্ড জনসন এবং সুসান ফোর্ড, ম্যারুইন রেগ্যানের মতো প্রভাবশালী প্রেসিডেন্টের সন্তানরাও এই তিক্ত ভৌতিক অভিজ্ঞতার শিকার বলে দাবি করেন ওয়াশিংটনের অনেক বাসিন্দাই। তবে হোয়াইট হাউসের ভৌতিক পরিবেশ নিয়ে বারাক ওবামার অভিজ্ঞতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রথম দিকে ওবামাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কোনও প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ওবামাকে কোনও পরামর্শ দিয়েছেন কি না? ওবামা বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, আমি প্রাক্তন প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে দেখা করেছি।’ তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞেস করা হয়, কোনও মৃত প্রেডিডেন্ট তাঁকে কোনও পরামর্শ দিয়েছেন কি না? তখন ওবামা হেসে বলেন, ‘না, তাদের কারও সঙ্গে আমার দেখা হয়নি।’
অবশ্য শুধু হোয়াইট হাউসই নয়, গোটা মার্কিন মুলুক জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অনেক ভূতের বাড়ি। এরকমই এক ভূতুড়ে বাড়ি হল হলিউডের রুজভেল্ট হোটেল। পুরনো দিনের বহু নামী চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব এক সময় থেকেছেন এই হোটেলে। তাদের কেউ কেউ এখনও মায়া কাটাতে পারেনি এখানকার আতিথেয়তার। এদের অনেককেই দেখা যায় এই হোটেলে, মৃত্যুর বহু বছর পরেও। যেমন এই হোটেলে এক সময় থেকেছেন মেরিলিন মনরো। তার পছন্দের ঘরটিতে ছিল একটি আয়না। অনেক পরে কেউ কেউ নাকি ওই আয়নায় মনরোর প্রতিবিম্ব দেখেছেন। অথচ, চকিতে ঘাড় ঘুরিয়ে কাউকেই দেখা যায়নি! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি ভূতের বাড়ির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ফিলাডেলফিয়ার ফিলজফিক্যাল সোসাইটির পাঠাগার। বিখ্যাত লেখক, দার্শনিক ও বিজ্ঞানী বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের আত্মা নাকি এখানে রাতে বইপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করে। নিউ অরলিয়ন্স শহরের অনেক পুরনো বাড়ির সঙ্গেই জড়িয়ে আছে বহু জলদস্যুর অতৃপ্ত আত্মার ইতিহাস। তাদের অনেকেই আজও ফিরে ফিরে আসে। ন্যাশভিলের পুরনো এক গান রেকর্ডিং স্টুডিওতে আবার দেখা যেত এলভিস প্রেসলির ভূত। সেই স্টুডিও ভেঙে এখন তৈরি হয়েছে নতুন একটি টিভি প্রোডাকশন হাউস। সেখানেও অবাধ চলাফেরা এলভিসের আত্মার। যতবারই এলভিসের নাম উচ্চারিত হয়, ততবারই নাকি অশৈলী কাণ্ড ঘটে সেখানে। কখনও বাল্ব ফেটে যায়, কখনও বা মিউজিক সিস্টেমের মধ্য দিয়ে বের হয় ভূতুড়ে শব্দ, আবার কখনও বা সোজা দাঁড় করানো জিনিসপত্র উল্টে যায়।
আমেরিকার আরও একটি গা হিম করা ভূতের বাড়ি হল নিউ জার্সির বার্লিংটন কাউন্টি প্রিজন মিউজিয়াম। এক সময় এখানে ছিল জেল। সেখানকার এক বন্ধ ঘর থেকে নাকি গোঙানি আর শিকলের আওয়াজ শুনতে পান পাহারাদাররা। পরে এই জেলকে সংস্কার করে মিউজিয়াম তৈরি করা হয়। সেসময় কর্মচারীরাও নানা অভিযোগ করতে থাকে। প্রায়ই নাকি তাদের কাজকর্মের দরকারি যন্ত্রপাতি অদৃশ্য হয়ে যায়, শোনা যায় বিকট চিৎকার, কখনও বা ঘরের তাপমাত্রা বেড়ে বা কমে যায়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৮৩৩ সালে এখানে ফাঁসি হয়েছিল জোয়েল ক্লো নামে এক খুনির। জোয়েলের ভূতই নাকি এসব কাণ্ড ঘটাত। অনেকেই মনে করে,এসবই হ্যালুসিনেশনের প্রভাব। তবে এসব গল্প বিশ্বাস করতে দোষ কোথায়। যাঁরা ভূতে বিশ্বাস করেন না, তাঁরা অনেকেই এসব গল্প বলে উড়িয়ে দিতে পারেন। তবে হোয়াইট হাউস ঘিরে যে একটু গা ছমছমে ব্যাপার আছে তা অস্বীকার করি কী করে!
মৃণালকান্তি দাস
ছবি: সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে 
13th  October, 2019
নতুন পৃথিবী গড়বো আমরা 

ছোট্ট বন্ধুরা কেমন আছো? দীর্ঘ লকডাউনে বাড়িতে স্কুলের অনলাইন ক্লাসের চাপে ক্লান্ত হয়ে পড়ছো? অবসর সময় ভালো মতো কাটছে না? তবে শোনো, আজ তোমাদের একটা ভালো খবর দিই।   বিশদ

31st  May, 2020
ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় 

লাতিন শব্দ ‘ভাইরাস’-এর অর্থ হল ‘বিষ’। এই বিষ যুগে যুগে মানুষের জীবনকে বিষিয়ে তুলেছে। তেমনই যুগে যুগে মানুষ পরাস্ত করেছে এমন ভয়াবহ শত্রুকেও। আজ গোটা দুনিয়া অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, কবে নভেল করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা হাতের মুঠোয় আসবে। বিজ্ঞানীরা বসে নেই, দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন এই মহা মূল্যবান ধন্বন্তরি হাতের মুঠোয় আনার জন্য। সেইরকম ভয়ঙ্কর সব ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের যুদ্ধের বহু ইতিহাস রয়েছে বিশ্বজুড়ে। 
বিশদ

31st  May, 2020
মার্কশিট
এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে
খুঁটিয়ে পড়ো প্রতিটি অধ্যায়

আজ আমরা সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত 'চতুরঙ্গ' প্রবন্ধসংগ্রহের অন্তর্গত 'মামদোর পুনর্জন্ম' প্রবন্ধের অংশবিশেষ 'নব নব সৃষ্টি' পাঠ্যাংশটি থেকে প্রাবন্ধিকের কয়েকটি বিশেষ মত সম্পর্কে জানব এবং সে বিষয়টি নবমশ্রেণীরই অন্যান্য পাঠের সঙ্গে মিলিয়ে দেখব।
বিশদ

31st  May, 2020
বাঘ পড়েছিল শান্তিনিকেতনে 

পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়: রবীন্দ্রনাথ গান বেঁধেছিলেন, ‘আমাদের শান্তিনিকেতন/ সে যে সব হতে আপন/ তার আকাশ ভরা কোলে / মোদের দোলে হৃদয় দোলে, / মোরা বারে বারে দেখি তারে নিত্যই নূতন।’ সত্যিই ছিল সার্থকনামা, যথার্থ অর্থেই ‘শান্তিনিকেতন’।  বিশদ

31st  May, 2020
চিরবিদ্রোহী রণক্লান্ত 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তুলতে অনেকে অনেক স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। আগামী ২৫ মে তাঁর জন্মদিন। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়।
বিশদ

24th  May, 2020
চোখের যত্ন নাও 

রোজ অনলাইন ক্লাসের জেরে তোমাদের চোখে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। একটু সতর্ক হলেই কিন্তু এসব সমস্যা এড়ানো যায়। সেরকম ১০টি জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন দিশা আই হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ ভাস্কর ভট্টাচার্য। লিখেছেন স্নেহাশিস সাউ।
বিশদ

24th  May, 2020
স্কুলে অনলাইন পড়াশোনাই
এখন একমাত্র উপায় 

লকডাউনের মধ্যেও পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যেতে স্কুলে চলছে অনলাইন ক্লাস। এর ভালো মন্দ নিয়ে আলোচনা করলেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীরা। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কমলিনী চক্রবর্তী। 
বিশদ

24th  May, 2020
ছোটদের রান্নাঘর 

করোনার দাপটে স্কুল বন্ধ। সুতরাং বাড়ি থেকে বেরিয়ে এটা ওটা খাওয়ারও জো নেই। তাই বলে কি লকডাউনে কোনও ভালো খাবারই চেখে দেখার সুযোগ হবে না? চিন্তা নেই, ছোটদের রান্নাঘর - এ শুধু তোমাদের জন্যই চারটি লোভনীয় রেসিপি দিয়েছেন ৬ বালিগঞ্জ প্লেসের কর্ণধার ও শেফ সুশান্ত সেনগুপ্ত এবং হলিডে ইন হোটেলের কর্পোরেট শেফ জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। 
বিশদ

17th  May, 2020
খেলাচ্ছলে যোগাভ্যাস 

বাইরে বেরনো বন্ধ! তাতে কী, এই সুযোগে বাড়িতে বড়দের সঙ্গী হয়ে খেলতে খেলতে কয়েকটি যোগাসন ও প্রাণায়াম শিখে নিতে পারো। এতে শরীর ও মন থাকবে চনমনে, বাড়বে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা। পরামর্শ দিয়েছেন যোগাচার্য প্রেমসুন্দর দাস। লিখেছেন স্নেহাশিস সাউ। 
বিশদ

17th  May, 2020
পুনুর বন্ধু ডাকু 

কার্তিক ঘোষ: পুনু তখন সবে একটু মুখধরা হয়ে উঠেছে বাবা-মা’র।
বাবা তখন বাড়ি ফিরে এসেছেন কলকাতা থেকে।
দোকানের চাকরিটা গেছে!
বিশদ

17th  May, 2020
বইয়ের নেশায় বুঁদ 

লক ডাউনের সুযোগে ভালো বই পড়ার নেশায় মেতে ওঠো তোমরা। কোন বয়সে কেমন বই পড়বে তার একটা ধারণা দিলেন কমলিনী চক্রবর্তী।  
বিশদ

10th  May, 2020
ইন্দ্রজা, ফুড হ্যাবিটটা
এবার পালটে ফেলো 

ডাঃ অমিতাভ ভট্টাচার্য: ইন্দ্রজার কথা দিয়েই শুরু করি। এই এক মাসে কেমন যেন পাল্টে গিয়েছে মেয়েটা। ভাবসাব দেখে তো রমা আর ইন্দ্রজিতের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। তাদের একমাত্র মেয়ে যে এমন লক্ষ্মীমন্ত হয়ে উঠবে, এ যে তারা স্বপ্নেও ভাবেনি।  
বিশদ

10th  May, 2020
সত্যজিতের ছেলেবেলা, ছেলেবেলার

সত্যজিৎ রায়ের শততম জন্মবর্ষে ছোট্ট সত্যজিতের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের সত্যজিৎকে দেখার চেষ্টা করলেন অতনু বিশ্বাস। 
বিশদ

10th  May, 2020
বন্দি জীবনে সঙ্গী সিনেমা

 লকডাউনে বাড়িতে বসে পড়াশুনো আর গল্পের বই পড়ার পাশাপাশি দেখে নাও দশটি দুর্দান্ত সিনেমা। তোমাদের জন্য বেছে দিলেন স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী। বিশদ

03rd  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনে দেশের সর্বত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি আটকে রয়েছে। ব্যতিক্রম নয় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রও। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তাদের চিন্তা বাড়িয়েছে দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম তৈরি হতে চলা ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনার দাপটে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরা পেশাদার ব্যক্তিদের জীবিকার সংস্থান করে দিতে উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এঁদের জন্য তথ্যভাণ্ডার তৈরি করে নিয়োগকারী সংস্থা, রাজ্য সরকার এবং বণিকসভাগুলিকে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: বৃহস্পতিবার মালদহে তিনজনের মৃত্যু হল বজ্রপাতে। তাঁরা হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের বাসিন্দা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতরা হলেন বিনু ওঁরাও (৫৫), সুলতান আহমেদ (২৩) ও মিঠু কর্মকার (৩৩)। বিনুর বাড়ি বাইশা গ্রামে। সুলতানের বাড়ি নারায়ণপুর গ্রামে ও মিঠুর বাড়ি দক্ষিণ ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে আচমকা লকডাউন শুরু হওয়ায় বিভিন্ন রা঩জ্যে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষ আটকে পড়েছিলেন। এখন প্রতিদিন সেই ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক, কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম

04th  June, 2020


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৪ টাকা ৭৬.৪৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.১৩ টাকা ৯৬.৪৪ টাকা
ইউরো ৮৩.২২ টাকা ৮৬.৩১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ৪৯/২৮ রাত্রি ১২/৪২। অনুরাধা নক্ষত্র ২৯/৩১ অপঃ ৪/৪৪। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১২, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৩২। অমৃতযোগ দিবা ১২/১ গতে ২/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/২২ মধ্যে পুনক্ষ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ১/১। অনুরাধা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/১২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৬ গতে ২/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে ও ১২/৪২ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৬ গতে ১১/৩৬ মধ্যে কালরাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/১৬ মধ্যে।
১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী 
আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস। সেই উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ট্যুইটারে ...বিশদ

10:46:00 AM

কলেজ স্ট্রিটে ভেঙে পড়ল দোতলা বাড়ি 
কলেজ স্ট্রিটে ভেঙে পড়ল একটি দোতলা বাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে আজ ...বিশদ

10:37:19 AM

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬,৯৮,৬২০ 
গোটা বিশ্বে এখন করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৬৬ লক্ষ ৯৮ ...বিশদ

09:37:03 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯,৮৫১, মৃত ২৭৩
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৮৫১ ...বিশদ

09:29:00 AM

ভক্তকূলকে ব্রাত্য রেখেই এবার পুরীতে শুরু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা
পুরীতে ১৪৪ ধারা জারি রেখে শুরু হয়েছে প্রভু জগন্নাথ দেবের ...বিশদ

09:10:00 AM

যাদবপুর আর্টসেও বাড়ি বসে পরীক্ষা 
কলা বিভাগেও লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে না। বাড়িতে বসে হোম ...বিশদ

09:04:04 AM