Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

রসগোল্লার ভূতভোজন 
দেবল দেববর্মা

এই গল্পটা শুনেছিলাম আমার বাবার মুখে, তা সে বহুকাল আগের কথা। তখন এত বাস-ট্রাক বা ছোটখাট লরি যাকে কলকাতার লোকে এখন ছোটহাতি বলে, সে-সবের এমন রমরমা ছিল না। আর গ্রামাঞ্চলের কথা আলাদা। সেখানে পদব্রজে যাওয়া ছাড়া গত্যন্তর নেই। গাড়ি বলতে গো-শকট। বাবা চাকরি করতেন পুলিস ডিপার্টমেন্টে। লম্বা-চওড়া চেহারা। ছাতি, তা কম নয়, প্রায় পঞ্চাশ ইঞ্চির কাছাকাছি। তখনকার দিনে পঞ্চান্ন বছরেই রিটায়ারমেন্ট ছিল। অর্থাৎ অবসর নিতে হতো। বাবাও একদিন পুলিসের চাকরি থেকে রিটায়ার করে আমাদের গ্রামের বাড়িতে ফিরে এলেন। পুলিসে কাজ করার সময় বাবার একজন বিশ্বস্ত আর্দালি ছিল। বাবা যেখানেই বদলি হতেন তাকেও সেখানে বদলি করে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা বাবাই করতেন। লোকটির নাম জয়নাল— জয়নাল সিং, বাড়ি বোধহয় সম্ভবত ইউ.পি-র কোনও গ্রামে। যে কোনও ভাবেই হোক জয়নাল বাংলার পুলিস ফোর্সে কাজ পেয়ে গেল। এবং তার পর থেকে ছায়ার মতো বাবার সঙ্গে এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় ঘুরেছে।
বাবার রিটায়ারমেন্ট করার সময় জয়নাল এসে বলল,— বাবার সঙ্গে সে-ও চাকরি থেকে অবসর নিতে চায়, শুধু তাই নয়, রিটায়ার করে সে বাবার সঙ্গে আমাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে থাকবে বলে জানাল। কারণ তার তিন কুলে কেউ আছে বলে জয়নাল অন্তত মনে করতে পারল না। বাবার সঙ্গে জয়নালও আমাদের গ্রামের বাড়িতে এসে পরিবারের একজন সদস্য হয়ে গেল।
জয়নালকে পেয়ে বাবার অবশ্য অনেক সুবিধে হয়েছিল। আমাদের জমিজমা, খেত-খামার যা ছিল জয়নাল সবই দেখে নিল। তারপর চাষ-বাসের তদারকি, শুনো জমিতে রবিশস্যের ঠিকমতো ফলন কিংবা ফলের গাছে সময়ে ফল হচ্ছে কি না সবই সে দেখাশুনো করতে লাগল। এরই মধ্যে হঠাৎ একদিন জমি-জমা সংক্রান্ত কাজে বাবাকে সোনামুখী যেতে হল। বলা বাহুল্য জয়নালও তার সঙ্গী হল। সোনামুখীতে ছোট-বড় অনেক সরকারি অফিস, থানা, ব্যাঙ্ক, হাইস্কুল, বড় পোস্ট-অফিস সবই আছে, বাবা যে অফিসে কাজের জন্য গিয়েছিলেন সেই অফিসার সেদিন অন্য কাজে বাঁকুড়া গিয়েছিলেন। হেড-ক্লার্ক বলল— বাঁকুড়া গেলেও সাহেব নিশ্চয় বেলা তিনটের মধ্যে ফিরে আসবেন। কিন্তু বিকেল গড়িয়ে সন্ধে হতে চলল, অফিস ছুটির সময় প্রায় অতিক্রান্ত। কিন্তু সাহেব মানে সেই অফিসারের দেখা নেই। খবর নিয়ে জানা গেল পথের মধ্যে হঠাৎ বাসটার কল-কব্জা বিগড়ে যেতেই মেকানিকের অপেক্ষায় বাসসুদ্ধ সবাই হা-পিত্যেশ করে বসে রয়েছে। কখন, কতক্ষণ পরে যে বাস আবার চালু হবে তা কেউ বলতে পারবে না।
অগত্যা গ্রামে ফেরা ছাড়া উপায় নেই। সন্ধে প্রায় নেমেছে, রাত্তিরটা হয়তো কোনও দোকানের দাওয়ায় শুয়ে কাটিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু সারারাত্তির মশার কামড়। তারপর উপবাস। ব্যাপারটা বাবার ঠিক মনঃপূত হয়নি, বাবার কাছে একটা পকেট-ঘড়ি থাকত। সেটা বের করে বাবা দেখলেন প্রায় ছ’টা বাজে। এখনই রওনা দিলে ঘণ্টা চার বাদে নিশ্চয় বাড়ি পৌঁছানো যাবে।
জয়নাল শুনে বলল— ‘বাবু, আজ ভরা অমাবস্যা। এই রাত্তিরবেলা দশ মাইল রাস্তা পেরিয়ে বাড়ি যাবেন?’
বাবা তার আশঙ্কাকে নস্যাৎ করে দিয়ে বললেন, — ‘এতদিন পুলিসে কাজ করেও তোর দেখছি ভূতের ভয় যায়নি।’
তারপরই ওকে তাড়া দিয়ে বললেন, —‘চল চল, বেরিয়ে পড়া যাক। রাত দশটার মধ্যে নিশ্চয় বাড়ি পৌঁছে যাব।’
রওনা হবার আগে বাবা সোনামুখী বাজারের বড় ময়রার দোকান থেকে টেনিস বল সাইজের পঁচিশটা রসগোল্লা কিনলেন। তখন সস্তাগণ্ডার দিন। পঁচিশটা বড় সাইজের রসগোল্লার দাম কত নিয়েছিল বাবার মুখে সে কথা শুনলেও এখন আর মনে নেই। মিষ্টির হাঁড়িটা এক কাঁধে বসিয়ে জয়নাল সামনে হাঁটতে লাগল। তার পিছনে বাবা, হাতে সেই তেল চুকচুকে হাতচারেক লম্বা শক্তপোক্ত লাঠি।
সোনামুখী ছাড়িয়ে দু’জনে পায়ে-চলা পথ ধরে হাঁটতে শুরু করল। দু-পাশে গাছপালা, জঙ্গল। প্রায় ঘণ্টা দেড় হাঁটবার পর কোচডি গ্রামটা পিছনে পড়ে রইল। গ্রামের শেষে কোচডির মহাশ্মশান। সেটা পেরিয়ে আসার পরই বাবার মনে হল, রসগোল্লার হাঁড়িটা ডান কাঁধে নিয়ে হাঁটার সময় জয়নাল যেন টলছে। একবার ডান দিকে রাস্তার একপাশে আবার তারপরই রাস্তার বাঁদিকে চলে যাচ্ছে। ওর এই টলটলায়মান অবস্থা দেখে বাবা খুব অবাক হলেন। তবে জয়নাল যে নেশা-টেশা করে একথা তিনি কস্মিনকালেও শোনেননি। তবে?
জিজ্ঞেস করতেই জয়নাল পিছন ফিরল। বলল— ‘বাবু কোচডির শ্মশানটা পেরিয়ে আসার পরই কারা যেন আমার সঙ্গে হাঁটছে। কখনও আমাকে ঠেলে ডান দিকে নিয়ে যাচ্ছে আবার কখনও বাঁ-দিকে টানছে। মনে হয় ওদের নজর এই রসগোল্লার হাঁড়িটার ওপর। আমার কাঁধের ওপর থেকে যদি এই রসগোল্লার হাঁড়িটা মাটিতে ফেলে দিতে পারে তাহলেই ওদের ইচ্ছেটা পূর্ণ হয়। রসগোল্লাগুলি সব ওদের দখলে চলে যাবে।’
‘তার মানে?’ বাবা সোজাসুজি শুধোলেন, —‘ওরা কি তোমার কাছে রসগোল্লা খেতে চেয়েছে?’
‘মনে হয় তাই।’ জয়নাল জবাব দিল, বলল— ‘আমি যদি কয়েকটা রসগোল্লা ওদের দিকে ছুঁড়ে দিই তাহলে হয়তো ওরা আমার সঙ্গ ত্যাগ করবে। কিন্তু আমি ব্যাটাদের একটি রসগোল্লাও দিচ্ছিনে। তা সে ওরা যা পারে করুক।’
কিন্তু ওই টলটলায়মান অবস্থায় জয়নালকে হাঁটতে দেখে বাবা নিজেই ওর কাঁধের হাঁড়িটা নামিয়ে তার মধ্যে হাত ঢুকিয়ে গোটা চার রসগোল্লা বের করে দুটো পিছনে আর দুটো-দুপাশে ছুঁড়ে দিলেন। ব্যাস! এরপরই জয়নাল ফের সোজা হয়ে হাঁটতে লাগল। ওর ওই টলটলায়মান অবস্থা আর রইল না। বাড়ি পৌঁছতেই ওই এক হাঁড়ি রসগোল্লা দেখে মা তো বেজায় খুশি, কিন্তু হাঁড়ির মুখটা এমন খোলা কেন? জিজ্ঞেস করতেই কোচডির মহাশ্মশান থেকে পথের ঘটনা সবিস্তারে বাবা শুনিয়ে দিলেন মাকে। আর তাই শুনেই মায়ের হাসিখুশি মুখের আনন্দভাব সব কোথায় মিলিয়ে গেল, মা বলল, —‘না-না। ওই রসগোল্লার হাঁড়িতে যখন ভূতের নজর পড়েছে, তখন ওটা আর আমি ঘরে তুলছিনে। বলা যায় না রাত্তিরে হয়তো তেনারা দল বেঁধে রসগোল্লার খোঁজে ওই হাঁড়ির ওপর চড়াও হতে পারে।’ মা আরও বলল, —‘তার চেয়ে বরং এক কাজ করো। জয়নাল আর তুমি দু’জনে মিলে এই রসগোল্লার হাঁড়িটা শ্মশানে রেখে দিয়ে এসো। ইচ্ছে হলে তেনারা এসে পাঁচালের শ্মশানেই ভূতভোজন করবেন।’
অত রাত্তিরে জয়নালকে সঙ্গে নিয়ে বাবা ওই রসগোল্লার হাঁড়িটা বাঁধের পাড়ে গাঁয়ের শ্মশানে রেখে দিয়ে এল। তারপর মুখহাত ধুয়ে খাওয়াদাওয়া সেরে দু’জনে দিব্যি ঘুমিয়ে পড়ল।
রহস্যটা জানা গেল পরদিন খুব ভোরে। দিনের আলো ভালো করে ফোটার আগেই ঘুম থেকে ওঠা বাবার চিরকালের অভ্যেস, তখনও পাখপাখালি রব শুরু করেনি। আলো আর আঁধারে মেশা ভোর। বাবার কী খেয়াল হল তার সেই তেল চুকচুকে লাঠিটা নিয়ে চলে গেলেন বাঁধের পাড়ে শ্মশানে, মিষ্টির হাঁড়িটার কী পরিণতি হল সেটা জানতে তার খুবই ইচ্ছে ছিল।
শ্মশানে পা দিয়েই বাবা তো হতবাক। মিষ্টির হাঁড়িটা যেমন ছিল তেমনি অক্ষত রয়েছে। শুধু টেনিস বল সাইজের রসগোল্লাগুলি সাফ। হাঁড়ির ভিতরে একটাও পড়ে নেই।
কিন্তু অতগুলি টেনিস বল সাইজের রসগোল্লা গেল কোথায়? তবে কি অমানিশার গভীর রাতে কোচডির মহাশ্মশান থেকে তেনারা এসে রসগোল্লার ভূতভোজন করেছেন?
অথবা আরও ভোরে গ্রামের কোনও মানুষ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাঁধের পাড়ে এসে হাঁড়ির রসগোল্লাগুলিতে চক্ষুদান করে চম্পট দিয়েছে।
স্বীকার করছি এই রহস্যের সমাধান বাবা কিংবা জয়নাল কেউ করতে পারেনি। 
01st  September, 2019
ছায়াছবিতে বাংলার বীর বিপ্লবী

স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস পড়তে গিয়ে তোমরা নিশ্চয়ই আমাদের দেশের বিপ্লবীদের কথা জেনেছ। তাঁদের জীবন নিয়ে বেশ কিছু সিনেমা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের আগে এই সব বরেণ্য বিপ্লবীদের সংগ্রাম নিয়ে তৈরি সিনেমার কথায় ড. শঙ্কর ঘোষ।
বিশদ

09th  August, 2020
ইন্টারনেট স্লো?
কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাচ্ছে?

চিন্তা নেই, স্লো ইন্টারনেট এবং বারবার কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার সমাধানে তোমাদের জন্য রইল কয়েকটি টিপস। বিশদ

09th  August, 2020
ভয় কখনও হয়? 
শমীন্দ্র ভৌমিক

—পিসেমশাই! এই দুপুর রোদে হন্তদন্ত হয়ে ছুটলে কোথায়? কেমন একটু ভয়ের ছাপ তোমার মুখে?
—কই না তো?
—বললে হবে? তুমি দিলদার হাসি নিয়ে তোওবা থাকো পিসে। আজ মনটা একটু বিচলতি যেন!
—হ্যাঁরে। তোকে ঠিক বোঝাতে পারব না।  
বিশদ

02nd  August, 2020
ও করোনা 
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সাগরপারের সাহেবসুবো ...
চকচকে খুব, ধপধপে আর ফর্সা!
ও করোনা, তাদের মেরে
বিলেত ছেড়ে দেখতে এলি বর্ষা? 
বিশদ

02nd  August, 2020
মন ভালো তো সব ভালো 

প্রায় সাড়ে চার মাস হয়ে গেল তোমরা গৃহবন্দি। এই অবস্থায় মন ভালো থাকার কথাও নয়। কিন্তু মন ভালো না থাকলে কোনও কাজই তোমরা ঠিক মতো করতে পারবে না। কীভাবে মন ভালো রাখা সম্ভব তার একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ দেবাঞ্জন পান।
বিশদ

02nd  August, 2020
মার্কশিট 

তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল। 
বিশদ

02nd  August, 2020
বহু দূরের বন্ধু নিওওয়াইজ 

সূর্য অস্ত গেলেই দেখা দিচ্ছে বিরল অতিথি নিওওয়াইজ নামে ধূমকেতু। আপাতত খালি চোখেই দেখা যাচ্ছে তাকে। কোথা থেকে এল এই ধূমকেতু? কোন বিস্ময়ই বা লুকিয়ে রেখেছে নিজের বুকে? এমপি বিড়লা তারামণ্ডলের অধিকর্তা ডঃ দেবীপ্রসাদ দুয়ারি জানালেন সায়ন নস্করকে। 
বিশদ

26th  July, 2020
শিল্পবিপ্লব, উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ অধ্যায়টি গুরুত্ব দিয়ে পড়ো 

তোমাদের জন্য চলছে জনপ্রিয় বিভাগ মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় নবম শ্রেণীর ইতিহাস। পরামর্শে বিধাননগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষিকা রীনা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

26th  July, 2020
স্যালাড মারি অ্যান্টোনিট (৫ জনের জন্য) 

লাল বাঁধাকপির সরু লম্বা কুচি ১০০গ্রাম, ক্যাপসিকাম কুচি ৫০গ্রাম, স্প্রিং অনিয়ন (সবুজ অংশ) ১ ইঞ্চি করে কাটা, পার্সলে পাতাকুচি ১চা চামচ, কেপারস ১ চা চামচ, খোসা ছাড়ানো পেস্তা বাদাম ২ চা চামচ, বালসামিক ভিনিগার ১ টেবিল চামচ, অলিভ অয়েল বা স্যালাড অয়েল-১ টেবিল চামচ, সর্ষে গুঁড়ো ১\৪চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো ১\৪চামচ, লবণ ১\৪চামচ, মিক্সিং বোল-২টি, সার্ভিং ডিশ ৫টি, চামচ ১টি।  বিশদ

26th  July, 2020
স্ট্রবেরি সরবেট (৫ জনের জন্য) 

স্ট্রবেরি টুকরো ৩০টি, মধু ৩ টেবিল চামচ, ফ্রেশ পুদিনা পাতা ২ চা চামচ, স্কুপার ১টি, ডেজার্ট সার্ভিং কাচের গ্লাস ৫টি, টিফিন বক্স ১টি, কাপড়ের ন্যাপকিন ১টি। প্রণালী: প্রথমে খুব ভালোভাবে জল দিয়ে স্ট্রবেরিগুলো ধুয়ে নিতে হবে। স্ট্রবেরির সবুজ পাতাগুলো ফেলে দিতে হবে। এরপর সাবধানে সব স্ট্রবেরিগুলোকে লম্বাভাবে অর্ধেক করে কেটে নিতে হবে।  বিশদ

26th  July, 2020
প ছ ন্দে র ব ই, প ছ ন্দে র ব ই
আঙ্কল পোজারের মজাদার কাণ্ডকারখানা

জেরোম ক্লাপকা জেরোম (১৮৫৯-১৯২৭) আজ পরিচিত মুখ্যত ‘থ্রি মেন ইন অ্যা বোট’-এর স্রষ্টা হিসেবে। ‘হাসি মজা পনেরো’ বইটি যদি ‘থ্রি মেন ইন অ্যা বোট’-এর ভাষান্তর হয়, তাহলে তার এই নামকরণের মানে কী? বইটি হাতে পাওয়ার পর এমনই একটা প্রশ্ন জেগেছিল আমার মনে। 
বিশদ

19th  July, 2020
বিষয়গুলিকে ভালোবাসতে হবে 

এবার মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থান পেয়েছে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের (উচ্চ মাধ্যমিক) ছাত্র অরিত্র মাইতি। কীভাবে পড়াশোনা করলে তার মতো ভালো ফল করতে পারবে জেনে নাও তার কাছ থেকেই। 
বিশদ

19th  July, 2020
বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হলে ভালো হতো 

আমি বরোদায় থাকি। নীভ প্রেপ স্কুলে জুনিয়র কেজিতে পড়ি। করোনা ভাইরাসের কারণে আমাদের স্কুল অনেকদিন বন্ধ। এখন বাড়িতেই তাই কম্পিউটার স্কুলে পড়াশোনা করছি। সবাই বলছে অনলাইন ক্লাস। সেসব আমি জানি না। আমাদের এখন কম্পিউটার স্কুলেই পড়াশোনা হচ্ছে। 
বিশদ

19th  July, 2020
কফি আর কেক বানাতে শিখেছি 

লকডাউনের শুরুতে খুব মজায় ছিলাম। স্কুলে যাওয়ার তাড়া নেই। তাই তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার বালাই নেই। তবে কিছুদিন পর এই মজা সাজা হয়ে গেল। চার দেওয়ালে বন্দি। বাড়ির বাইরে পা রাখার জো নেই। উইকএন্ডে বাবা, মা, ভাইয়ের সঙ্গে মলে যাওয়া নেই। বন্ধুদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ নেই।  
বিশদ

19th  July, 2020
একনজরে
 চেন্নাইয়ে জন্মেছিলেন দুই বোন। নিজেদের সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের যোগ রাখতে কমলা এবং তাঁর বোন মায়ার ‘সংস্কৃত’ নাম রেখেছিলেন তাঁদের মা। ছোটবেলায় কমলার জীবনের অনেকটা অংশ ...

ওড়িশার সেই লাল গাঁজা এখান থেকে ম্যাটাডর, ছোট গাড়িতে লোড হয়ে চলে যাচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো ভিন রাজ্যে। ...

 সরাসরি স্কুল-কলেজে গিয়ে ক্লাস করা সম্ভব না হলেও অনলাইনে ক্লাসের উপর জোর দিয়েছে প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ...

আবাসনের নীচেই পাওয়া গেল বৃদ্ধের রক্তাক্ত মৃতদেহ। বুধবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাগান থানা এলাকার নারকেলডাঙা মেন রোডের একটি আবাসনে। মৃতের নাম রামকিশোর কেজরিওয়াল (৭৩)। তিনি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। পেশাগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। শিল্পী কলাকুশলীদের ক্ষেত্রে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৯৯: ইংরেজ পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৩: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু ।
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৭৫ টাকা ৯৯.১৪ টাকা
ইউরো ৮৬.১০ টাকা ৮৯.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী ১৯/১৬ দিবা ১২/৫৯। রোহিণীনক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬/২৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৯ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী দিবা ৯/৪৫। রোহিণীনক্ষত্র রাত্রি ৩/২৫। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১০/২২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৬ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ২,৯৩৬
গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২,৯৩৬ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাসের ...বিশদ

12-08-2020 - 08:58:00 PM

উত্তরপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৫৮৩ 
উত্তরপ্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৫৮৩ জন । ...বিশদ

12-08-2020 - 07:55:50 PM

৪৫ হাজারে দু মাসের সন্তানকেই বিক্রি করে দিল মা
৪৫ হাজারে নিজের দু’মাসের ছেলেকেই বিক্রি করে দিল মা। ঘটনাটি ...বিশদ

12-08-2020 - 07:32:03 PM

কর্ণাটকে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৭,৮৮৩ 
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭,৮৮৩ জন । ...বিশদ

12-08-2020 - 07:31:00 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯,৫৯৭ 
অন্ধ্রপ্রদেশে খুব দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। গত ...বিশদ

12-08-2020 - 07:02:02 PM

ফের মা হচ্ছেন করিনা কাপুর
ফের মা হচ্ছেন করিনা কাপুর খান। অর্থাৎ সইফ-করিনার পরিবারে আসতে ...বিশদ

12-08-2020 - 06:43:00 PM