Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

রসগোল্লার ভূতভোজন 
দেবল দেববর্মা

এই গল্পটা শুনেছিলাম আমার বাবার মুখে, তা সে বহুকাল আগের কথা। তখন এত বাস-ট্রাক বা ছোটখাট লরি যাকে কলকাতার লোকে এখন ছোটহাতি বলে, সে-সবের এমন রমরমা ছিল না। আর গ্রামাঞ্চলের কথা আলাদা। সেখানে পদব্রজে যাওয়া ছাড়া গত্যন্তর নেই। গাড়ি বলতে গো-শকট। বাবা চাকরি করতেন পুলিস ডিপার্টমেন্টে। লম্বা-চওড়া চেহারা। ছাতি, তা কম নয়, প্রায় পঞ্চাশ ইঞ্চির কাছাকাছি। তখনকার দিনে পঞ্চান্ন বছরেই রিটায়ারমেন্ট ছিল। অর্থাৎ অবসর নিতে হতো। বাবাও একদিন পুলিসের চাকরি থেকে রিটায়ার করে আমাদের গ্রামের বাড়িতে ফিরে এলেন। পুলিসে কাজ করার সময় বাবার একজন বিশ্বস্ত আর্দালি ছিল। বাবা যেখানেই বদলি হতেন তাকেও সেখানে বদলি করে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা বাবাই করতেন। লোকটির নাম জয়নাল— জয়নাল সিং, বাড়ি বোধহয় সম্ভবত ইউ.পি-র কোনও গ্রামে। যে কোনও ভাবেই হোক জয়নাল বাংলার পুলিস ফোর্সে কাজ পেয়ে গেল। এবং তার পর থেকে ছায়ার মতো বাবার সঙ্গে এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় ঘুরেছে।
বাবার রিটায়ারমেন্ট করার সময় জয়নাল এসে বলল,— বাবার সঙ্গে সে-ও চাকরি থেকে অবসর নিতে চায়, শুধু তাই নয়, রিটায়ার করে সে বাবার সঙ্গে আমাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে থাকবে বলে জানাল। কারণ তার তিন কুলে কেউ আছে বলে জয়নাল অন্তত মনে করতে পারল না। বাবার সঙ্গে জয়নালও আমাদের গ্রামের বাড়িতে এসে পরিবারের একজন সদস্য হয়ে গেল।
জয়নালকে পেয়ে বাবার অবশ্য অনেক সুবিধে হয়েছিল। আমাদের জমিজমা, খেত-খামার যা ছিল জয়নাল সবই দেখে নিল। তারপর চাষ-বাসের তদারকি, শুনো জমিতে রবিশস্যের ঠিকমতো ফলন কিংবা ফলের গাছে সময়ে ফল হচ্ছে কি না সবই সে দেখাশুনো করতে লাগল। এরই মধ্যে হঠাৎ একদিন জমি-জমা সংক্রান্ত কাজে বাবাকে সোনামুখী যেতে হল। বলা বাহুল্য জয়নালও তার সঙ্গী হল। সোনামুখীতে ছোট-বড় অনেক সরকারি অফিস, থানা, ব্যাঙ্ক, হাইস্কুল, বড় পোস্ট-অফিস সবই আছে, বাবা যে অফিসে কাজের জন্য গিয়েছিলেন সেই অফিসার সেদিন অন্য কাজে বাঁকুড়া গিয়েছিলেন। হেড-ক্লার্ক বলল— বাঁকুড়া গেলেও সাহেব নিশ্চয় বেলা তিনটের মধ্যে ফিরে আসবেন। কিন্তু বিকেল গড়িয়ে সন্ধে হতে চলল, অফিস ছুটির সময় প্রায় অতিক্রান্ত। কিন্তু সাহেব মানে সেই অফিসারের দেখা নেই। খবর নিয়ে জানা গেল পথের মধ্যে হঠাৎ বাসটার কল-কব্জা বিগড়ে যেতেই মেকানিকের অপেক্ষায় বাসসুদ্ধ সবাই হা-পিত্যেশ করে বসে রয়েছে। কখন, কতক্ষণ পরে যে বাস আবার চালু হবে তা কেউ বলতে পারবে না।
অগত্যা গ্রামে ফেরা ছাড়া উপায় নেই। সন্ধে প্রায় নেমেছে, রাত্তিরটা হয়তো কোনও দোকানের দাওয়ায় শুয়ে কাটিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু সারারাত্তির মশার কামড়। তারপর উপবাস। ব্যাপারটা বাবার ঠিক মনঃপূত হয়নি, বাবার কাছে একটা পকেট-ঘড়ি থাকত। সেটা বের করে বাবা দেখলেন প্রায় ছ’টা বাজে। এখনই রওনা দিলে ঘণ্টা চার বাদে নিশ্চয় বাড়ি পৌঁছানো যাবে।
জয়নাল শুনে বলল— ‘বাবু, আজ ভরা অমাবস্যা। এই রাত্তিরবেলা দশ মাইল রাস্তা পেরিয়ে বাড়ি যাবেন?’
বাবা তার আশঙ্কাকে নস্যাৎ করে দিয়ে বললেন, — ‘এতদিন পুলিসে কাজ করেও তোর দেখছি ভূতের ভয় যায়নি।’
তারপরই ওকে তাড়া দিয়ে বললেন, —‘চল চল, বেরিয়ে পড়া যাক। রাত দশটার মধ্যে নিশ্চয় বাড়ি পৌঁছে যাব।’
রওনা হবার আগে বাবা সোনামুখী বাজারের বড় ময়রার দোকান থেকে টেনিস বল সাইজের পঁচিশটা রসগোল্লা কিনলেন। তখন সস্তাগণ্ডার দিন। পঁচিশটা বড় সাইজের রসগোল্লার দাম কত নিয়েছিল বাবার মুখে সে কথা শুনলেও এখন আর মনে নেই। মিষ্টির হাঁড়িটা এক কাঁধে বসিয়ে জয়নাল সামনে হাঁটতে লাগল। তার পিছনে বাবা, হাতে সেই তেল চুকচুকে হাতচারেক লম্বা শক্তপোক্ত লাঠি।
সোনামুখী ছাড়িয়ে দু’জনে পায়ে-চলা পথ ধরে হাঁটতে শুরু করল। দু-পাশে গাছপালা, জঙ্গল। প্রায় ঘণ্টা দেড় হাঁটবার পর কোচডি গ্রামটা পিছনে পড়ে রইল। গ্রামের শেষে কোচডির মহাশ্মশান। সেটা পেরিয়ে আসার পরই বাবার মনে হল, রসগোল্লার হাঁড়িটা ডান কাঁধে নিয়ে হাঁটার সময় জয়নাল যেন টলছে। একবার ডান দিকে রাস্তার একপাশে আবার তারপরই রাস্তার বাঁদিকে চলে যাচ্ছে। ওর এই টলটলায়মান অবস্থা দেখে বাবা খুব অবাক হলেন। তবে জয়নাল যে নেশা-টেশা করে একথা তিনি কস্মিনকালেও শোনেননি। তবে?
জিজ্ঞেস করতেই জয়নাল পিছন ফিরল। বলল— ‘বাবু কোচডির শ্মশানটা পেরিয়ে আসার পরই কারা যেন আমার সঙ্গে হাঁটছে। কখনও আমাকে ঠেলে ডান দিকে নিয়ে যাচ্ছে আবার কখনও বাঁ-দিকে টানছে। মনে হয় ওদের নজর এই রসগোল্লার হাঁড়িটার ওপর। আমার কাঁধের ওপর থেকে যদি এই রসগোল্লার হাঁড়িটা মাটিতে ফেলে দিতে পারে তাহলেই ওদের ইচ্ছেটা পূর্ণ হয়। রসগোল্লাগুলি সব ওদের দখলে চলে যাবে।’
‘তার মানে?’ বাবা সোজাসুজি শুধোলেন, —‘ওরা কি তোমার কাছে রসগোল্লা খেতে চেয়েছে?’
‘মনে হয় তাই।’ জয়নাল জবাব দিল, বলল— ‘আমি যদি কয়েকটা রসগোল্লা ওদের দিকে ছুঁড়ে দিই তাহলে হয়তো ওরা আমার সঙ্গ ত্যাগ করবে। কিন্তু আমি ব্যাটাদের একটি রসগোল্লাও দিচ্ছিনে। তা সে ওরা যা পারে করুক।’
কিন্তু ওই টলটলায়মান অবস্থায় জয়নালকে হাঁটতে দেখে বাবা নিজেই ওর কাঁধের হাঁড়িটা নামিয়ে তার মধ্যে হাত ঢুকিয়ে গোটা চার রসগোল্লা বের করে দুটো পিছনে আর দুটো-দুপাশে ছুঁড়ে দিলেন। ব্যাস! এরপরই জয়নাল ফের সোজা হয়ে হাঁটতে লাগল। ওর ওই টলটলায়মান অবস্থা আর রইল না। বাড়ি পৌঁছতেই ওই এক হাঁড়ি রসগোল্লা দেখে মা তো বেজায় খুশি, কিন্তু হাঁড়ির মুখটা এমন খোলা কেন? জিজ্ঞেস করতেই কোচডির মহাশ্মশান থেকে পথের ঘটনা সবিস্তারে বাবা শুনিয়ে দিলেন মাকে। আর তাই শুনেই মায়ের হাসিখুশি মুখের আনন্দভাব সব কোথায় মিলিয়ে গেল, মা বলল, —‘না-না। ওই রসগোল্লার হাঁড়িতে যখন ভূতের নজর পড়েছে, তখন ওটা আর আমি ঘরে তুলছিনে। বলা যায় না রাত্তিরে হয়তো তেনারা দল বেঁধে রসগোল্লার খোঁজে ওই হাঁড়ির ওপর চড়াও হতে পারে।’ মা আরও বলল, —‘তার চেয়ে বরং এক কাজ করো। জয়নাল আর তুমি দু’জনে মিলে এই রসগোল্লার হাঁড়িটা শ্মশানে রেখে দিয়ে এসো। ইচ্ছে হলে তেনারা এসে পাঁচালের শ্মশানেই ভূতভোজন করবেন।’
অত রাত্তিরে জয়নালকে সঙ্গে নিয়ে বাবা ওই রসগোল্লার হাঁড়িটা বাঁধের পাড়ে গাঁয়ের শ্মশানে রেখে দিয়ে এল। তারপর মুখহাত ধুয়ে খাওয়াদাওয়া সেরে দু’জনে দিব্যি ঘুমিয়ে পড়ল।
রহস্যটা জানা গেল পরদিন খুব ভোরে। দিনের আলো ভালো করে ফোটার আগেই ঘুম থেকে ওঠা বাবার চিরকালের অভ্যেস, তখনও পাখপাখালি রব শুরু করেনি। আলো আর আঁধারে মেশা ভোর। বাবার কী খেয়াল হল তার সেই তেল চুকচুকে লাঠিটা নিয়ে চলে গেলেন বাঁধের পাড়ে শ্মশানে, মিষ্টির হাঁড়িটার কী পরিণতি হল সেটা জানতে তার খুবই ইচ্ছে ছিল।
শ্মশানে পা দিয়েই বাবা তো হতবাক। মিষ্টির হাঁড়িটা যেমন ছিল তেমনি অক্ষত রয়েছে। শুধু টেনিস বল সাইজের রসগোল্লাগুলি সাফ। হাঁড়ির ভিতরে একটাও পড়ে নেই।
কিন্তু অতগুলি টেনিস বল সাইজের রসগোল্লা গেল কোথায়? তবে কি অমানিশার গভীর রাতে কোচডির মহাশ্মশান থেকে তেনারা এসে রসগোল্লার ভূতভোজন করেছেন?
অথবা আরও ভোরে গ্রামের কোনও মানুষ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাঁধের পাড়ে এসে হাঁড়ির রসগোল্লাগুলিতে চক্ষুদান করে চম্পট দিয়েছে।
স্বীকার করছি এই রহস্যের সমাধান বাবা কিংবা জয়নাল কেউ করতে পারেনি। 
01st  September, 2019
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস 

চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাবেন। আজকের বিষয় থট-রিডিং।   বিশদ

মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার 

প্রতিবারের মতো এবারও ‘মামরাজ আগরওয়াল রাষ্ট্রীয় পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল মামরাজ আগরওয়াল ফাউন্ডেশন। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজভবনে অনুষ্ঠানটি হয়েছিল। এবার মোট ৯৯ জন ছাত্রছাত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়।   বিশদ

মহাপ্রলয় আসছে 

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, ষষ্ঠ মহাপ্রলয় ঘটতে আর দেরি নেই। জঙ্গল কেটে সাফ হয়ে যাচ্ছে। বাড়ছে গাড়ি, কলকারখানার সংখ্যা। দূষিত হয়ে উঠছে পরিবেশ। গলতে শুরু করেছে কুমেরু ও সুমেরুর বরফ। মহাপ্রলয় আটকাতে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। পৃথিবীর ধ্বংস আটকানোর উপায় কী? লিখেছেন সুপ্রিয় নায়েক। 
বিশদ

হোয়াইট হাউসে ভূতের ভয়! 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ঘটনা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এসেছেন হোয়াইট হাউসে। সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় ক্লান্ত শরীর। স্নান সেরে সোজা নিজের ঘরে। পরনে কোনও পোশাক নেই। নিজের মতো করে পাওয়া সময়টাকে আরও একটু উপভোগ করতে ধরালেন একটা চুরুট।  
বিশদ

13th  October, 2019
কাটিয়ে উঠে ভীতি, প্রথম দিনের স্মৃতি 

স্কুলের প্রথম দিনটি সবার কাছে একই অনুভূতি নিয়ে আসে না। কেউ ভয় পায়, কেউ বা উদ্বেগে ভোগে। কিছুদিন বাদে সব ভুলে স্কুলই হয়ে ওঠে ঘরবাড়ি। সেইরকমই কিছু অনুভূতি তোমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিল মিশ্র অ্যাকাডেমির বন্ধুরা। 
বিশদ

13th  October, 2019
হুলো ও স্কুটি
জয়ন্ত দে

হুলোর কোনওদিন মন খারাপ হয় না। ভালোই থাকে। হাসিতে, খুশিতে থাকে। কিন্তু ইদানীং মনটা বড্ড খারাপ হয়ে যাচ্ছে। চারদিকে এই অনাচার, অত্যাচার দেখে দেখে সে খুবই বিষণ্ণ হয়ে পড়ছে। হয়তো এমন হতে পারে, এটা তার বয়েসের রোগ! বয়স যত বাড়ছে, মন মেজাজ তত খারাপ হচ্ছে।  বিশদ

29th  September, 2019
স্মৃতির পুজো
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় 

পুজো এলেই হাজার স্মৃতি দেয় মনেতে হানা,
কাশের বনে হারিয়ে যেতে করত কে আর মানা!  বিশদ

29th  September, 2019
প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখার মজাই আলাদা 

‘প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখা’ এই ছিল এবারের লেখার বিষয়বস্তু। তোমাদের এত লেখা পেয়ে আমরা আপ্লুত। সেইসব মজাদার লেখার মধ্যে থেকে বেছে নিতে হয়েছে কয়েকটা। বাছাই করা লেখাগুলিই প্রকাশিত হল আজ, শিউলিস্নাত শারদ সকালে। দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে। 
বিশদ

29th  September, 2019
বিদ্যাসাগরের জন্মের দ্বিশতবর্ষ 

এই মহান মানুষটি তাদের বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। সেই বিদ্যাসাগরের জন্মের দুশো বছর উপলক্ষে তাঁকে নিয়ে লিখল মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন (মেন)-এর ছাত্ররা। 
বিশদ

22nd  September, 2019
বিদ্যাসাগরের ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

22nd  September, 2019
শ্যুটিং ফ্লোর ছেড়ে পুজোর প্যান্ডেলে 

অ্যাকশন, কাট শব্দগুলো এখন শুনতে একঘেয়ে লাগছে ছোট্ট অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। মন তাদের উড়ুউড়ু। আকাশ নীল, কাশের বনে দোলা লেগেছে। সব্বার প্ল্যানিং সারা। কে কী করবে জানাল হ য ব র ল’র বন্ধুদের। 
বিশদ

15th  September, 2019
শিউলি কুঁড়ির সকাল 
কার্তিক ঘোষ

দাপুটে কানা নদীর গা ঘেঁষে তখন বোসেদের একটাই বাড়ি। তবু সবাই বলত বোসপাড়া!
আসলে, যত রাজ্যের পড়াশোনা করা ছেলে-মেয়েরা তখন সব ওই বাড়িতেই বেশি।
কেউ কলকাতায় নামী বিজ্ঞানী, তো, কেউ ডাক্তার!
পাশের বাড়িটা বড্ড গরিব! 
বিশদ

15th  September, 2019
 ড.‌ মারিয়া মন্টেসরির জন্মদিনে জে আই এস গোষ্ঠীর অনুষ্ঠান

ড.‌ মারিয়া মন্টেসরির ১৪৯তম জন্মদিনে জেআইএস গোষ্ঠীর প্রি-স্কুল ‘‌লিটল ব্রাইট স্টারস প্লে স্কুল’‌ পথ চলা শুরু করল। গত ৩১ আগস্ট সংস্থাটি এ নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। প্রিস্কুলের পঠনপাঠনের পরিবর্তন নিয়ে একটি আলোচনাচক্রের আয়োজন করা হয়।   বিশদ

08th  September, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কালীপুজোয় আলোয় ভাসবে রাজারহাট। বেশ কয়েকটি ক্লাবের উদ্যোগে এখানে দশকের পর দশক চোখ ধাঁধানো মণ্ডপ তৈরি হয়। এবার সেই রেশের পারদকে আরও চড়িয়ে রাজারহাট-নিউটাউনের কালীপুজোয় থিমের চমক দর্শকদের মন ভরাবে। ক্লাবগুলি থিমের উদ্ভাবনীতে একে অপরকে টেক্কা দিতে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। গত বছরের অক্টোবর থেকে ৫৬টির মধ্যে দেশের জার্সিতে ৪৮টি ...

 নয়াদিল্লি, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): নাগাদের জন্য আলাদা পতাকা এবং সংবিধানের দাবি খারিজ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে দশকের পর দশক ধরে চলা শান্তি প্রক্রিয়াতেও সরকার ইতি টানতে চাইছে। ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহার পুরসভার বেশকিছু ওয়ার্ডের ভিতরের রাস্তার অবস্থা একেবারে বেহাল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাগুলি বেহাল হয়ে থাকার কারণে বাসিন্দাদের মনে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নিমতা কাণ্ড: ধৃত প্রিন্সকে আজ বারাকপুর আদালতে তুলবে পুলিস 

12:02:00 PM

দিল্লিতে কাশ্মীরি গেট মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি ব্যাগে মিলল সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার জালনোট

11:54:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:28:57 AM

উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ভূমিধস, আহত ৩, নিখোঁজ ২ 

10:25:00 AM

রায়গঞ্জে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা
 

করণদীঘির পর এবার রায়গঞ্জ শহরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা। ...বিশদ

10:21:40 AM

ওড়িশার জগৎপুরে একাধিক বেআইনি বাজি কারখানার হদিশ, গ্রেপ্তার ১২ 

10:21:00 AM