Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

প্রাণেশদার শান্তিনিকেতন
আশিস ঘোষ 

স্টাফরুমে বসেছিলাম। ঘরের টিউব লাইট খারাপ থাকায় আবছা অন্ধকার। একটু আগেই এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। একটু যেন শীত শীত ভাব। অশোক কথা বলছিল। আমাদের কয়েকজনের অফ পিরিয়ড। কোনও তাড়া নেই। আড্ডা বেশ জমে উঠেছে। এমন সময় খবর এল, প্রাণেশবাবু আর নেই। আজ সকালেই মারা গিয়েছেন।
অশোক কথা থামিয়ে উঠে দাঁড়াল। লম্বা বেঞ্চিতে দেবু আড়াআড়িভাবে বসেছিল। সোজা হয়ে বসল। হঠাৎ এমন একটা খবরে সবাই হকচকিয়ে গেলাম। হেডমাস্টারমশাই ছুটে এলেন। যাঁরা ক্লাসে ছিলেন, স্টাফরুমে এসে জড়ো হল। বাইরের লনে ছেলেদের নিয়ে মিটিং করতে হবে। ছুটির ঘণ্টা পড়ল। সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়লাম।
সেই প্রাণেশবাবু। প্রাণেশদা। লম্বা ফর্সা চেহারা। সব সময় ধুতি-পাঞ্জাবি পরতেন। এক সময়ে শান্তিনিকেতনে পড়াশোনা করেছেন। রামকিঙ্কর বেইজের নাকি ছাত্র ছিলেন। সুযোগ পেলেই শান্তিনিকেতনের গল্প শোনাতেন। মাঝে মাঝে বলতেন মানিকবাবু অর্থাৎ সত্যজিৎ রায় নাকি ওঁর সহপাঠী ছিলেন। সত্যি-মিথ্যে জানি না, শুনতে শুনতে সব আমাদের মুখস্থ। প্রায়ই বলতেন সুযোগ পেলেই শান্তিনিকেতনে চলে যাবেন। আমরা মজা করে বলতাম, আর কবে যাবে দাদা? চুল তো সব সাদা হয়ে গেল।
প্রাণেশদা গম্ভীর হয়ে যেতেন। কিন্তু রাগতেন না। বলতেন, শান্তিনিকেতনে যাওয়ার কোনও বয়স নেই। যে কোনও বয়সেই যাওয়া যায়।
প্রাণেশদার আর শান্তিনিকেতনে যাওয়া হল না। এখন শোকসভা হচ্ছে। ছেলেরা সব লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে। এক-একজন প্রাণেশবাবু সম্পর্কে বলে যাচ্ছেন। আমরা যারা পুরনো, প্রাণেশদাকে দীর্ঘদিন ধরে দেখেছি, মিশেছি, আমাদের চাইতে যারা নতুন, প্রাণেশদার সঙ্গে যাদের পরিচয় বা মেলামেশা ততটা ছিল না, তারাই যেন বেশি কথা বলতে চাইছে। দেবু আমার পাশেই ছিল। কানের কাছে মুখ এনে ফিসফিসিয়ে বলল— এভাবে আর কতক্ষণ চলবে? কিন্তু কে বলবে সে কথা? সমীরের দিকে চাইলাম। চোখাচোখি হতেই হাতের ইশারা করলাম। গরমে প্রাইমারির একটা বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। উঁচু ক্লাসের ছেলেরা ওকে ধরাধরি করে অফিস ঘরের দিকে নিয়ে গেল। সমীর হেডমাস্টারমশাইকে কী যেন বলল। উনি আমাদের দিকে চাইলেন একবার। তারপর ছেলেদের দিকে। বাঁ হাত তুলে ঘড়ি দেখলেন। এবার এক মিনিট নীরবতা। সবাই বোধহয় এই অপেক্ষাতেই ছিল। সোজা হয়ে দাঁড়াল। প্রয়াত আত্মার শান্তি কামনায় গোটা স্কুল বাড়িটা নিঝুম। পেছন দিকে আমগাছের পাতা শিরশিরিয়ে কাঁপছে। একটা কাক টেলিফোনের তারে বসে অনেকক্ষণ ধরে ডেকে যাচ্ছে। গেটের দিকে দমকা হাওয়ায় খানিকটা ধুলো উড়ল। নীরবতা শেষ হতেই, ছেলেরা লাইন করে আস্তে আস্তে চলে গেল। আমরাও আবার স্টাফরুমের দিকে গেলাম।
আমাদের এই স্কুল বাড়িটা অনেক দিনের পুরনো। কোনও এক সাহেবের বাগানবাড়ি ছিল। পুরু দেওয়ালের অনেক জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়েছে। স্টাফরুমের কড়িবরগার একটা জায়গা বেশ ঝুলে আছে। এই পুরনো বাড়ির নীচেটা ফাঁকা। সেটা নাকি গুমঘর ছিল। আমরা কিন্তু এই ঘরেই বেশ আছি। রাজনীতি, সাহিত্য, হাসি-ঠাট্টা সব কিছুই চলে। অফ-পিরিয়ডে বেঞ্চিতে টান টান হয়ে শুয়ে থাকি।
কথা হচ্ছিল শ্মশানে যাওয়া নিয়ে। কিন্তু সেখানে যেতে হলে তো স্কুলের তরফে অন্তত একটা ফুলের মালা চাই। কে আনবে? বিশেষ কাউকে উদ্দেশ্য না করেই প্রশ্নটি করলাম। সবাই চুপ। আসলে বাইরে এখন দারুণ রোদ। কে বলবে কিছুক্ষণ আগেই বৃষ্টি হয়েছিল। গরমে এখন কেউ বেরতে চাইছে না। আমিও একটু গড়িমসি করছি। আজ সন্ধ্যায় বিন্দুকে নিয়ে নন্দনে একটা সিনেমা দেখার কথা। হলের সামনেই ও দাঁড়াবে। এখন এই রোদে বেরিয়ে শরীর খারাপ করতে চাই না। সবার মুখের দিকে চাইলাম। দরজায় দাঁড়িয়ে যতীন আমাদের দিকেই চেয়েছিল। ছেলেটার বয়স কম। কিন্তু অন্যদের মতো নয়। সব কিছুতেই বেশ উৎসাহ। ওকেই বললাম, যাবে তুমি? যতীন রাজি হল। ভুবন চা নিয়ে এল। চা-বিস্কুট খেতে খেতে আবার প্রাণেশবাবুর কথা শুরু হল। পাশের ঘরের লম্বা টেবিলে পুরনো হারমোনিয়ামটা রাখা আছে। পেছনের দেওয়াল ঘেঁষে রবি ঠাকুরের আবক্ষ মূর্তি। ওই প্লাস্টার মূর্তিটা প্রাণেশদারই তৈরি। পাশের দরজা দিয়ে চাইলেই চোখ পড়ছে। চায়ে চমুক দিতে দিতে অশোক বলল— ওই হারমোনিয়াম আর মূর্তিটা দেখলেই প্রাণেশদাকে মনে পড়ে। জর্দা পান চিবুতে চিবুতে দেবু কী যেন বলতে যাচ্ছিল। বাইরে থেকে হঠাৎ একঝলক গরম হাওয়া এল। সমীর কাছাকাছি বসেছিল। আমার দিকে চেয়ে চাপা গলায় বলে উঠল— দশ-বারো বছর এই স্কুলে আছি, এর মধ্যেই চারজনকে যেতে দেখলাম। ওর কথা শেষ হতে না হতেই দপ করে আলো জ্বলে উঠল। চারদিকের মুখগুলো এবার স্পষ্ট। ব্যাগ গোছাতে গোছাতে অশোক হঠাৎ উঠে দাঁড়াল। চলি, খুব জরুরি একটা কাজ আছে। ও দরজার দিকে পা বাড়াতে যাবে, দেবু বলে বসল— কাল ছুটি থাকবে কিনা জেনে যাবি না?
জানার কী আছে? একজন শিক্ষক মারা গিয়েছেন, ছুটি তো থাকবেই। এটুকু সম্মান তাঁর নিশ্চয়ই প্রাপ্য।
—কিন্তু নোটিস দেওয়া হবে না?
—আরে, রাখ তোর নোটিস।
সত্যিই তো, একটা নোটিস দেওয়া উচিত ছিল। স্টাফরুমে বসে আড্ডা দিচ্ছি। প্রাণেশবাবুর কথা বলছি। অথচ কারুর মনেও হল না, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটা শোক প্রস্তাব লেখা উচিত।
ইতিমধ্যেই হেডমাস্টারমশাইয়ের কাছে খবরটা পৌঁছেছিল। ভদ্রলোক হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এলেন।— কী ব্যাপার? প্রথমে দেবুর গলাই শোনা গেল। — অনেকেই তো বেরিয়ে যাচ্ছে। কালকের ছুটির নোটিসটা?
ভদ্রলোক একটু যেন থমকে গেলেন।— আজকেই হাফডে হল। কাল আবার ছুটি কেন?
মুহূর্তে সবাই চুপসে গেলাম। একজন আর একজনের দিকে তাকাচ্ছি। সংস্কৃতের রমাপতি টেবিল চাপড়ে গর্জে উঠল।
—এটা কী বলছেন? আমাদের একজন প্রয়াত শিক্ষকের সম্মানে পুরো ছুটি থাকবে না? চারদিকে একবার চোখ ঘুরিয়ে হেডমাস্টারমশাই আমাদের মুখগুলো দেখার চেষ্টা করলেন। —আপনারা যদি বলেন তো ছুটি দিতেই হবে। সামনেই ছেলেদের পরীক্ষা। এভাবে ছুটি দেওয়াটা— ভদ্রলোকের কথা শেষ হতে না হতেই চিৎকার, পাল্টা চিৎকার শুরু হয়ে গেল। সবাই বলছে। কারুর কথাই বোঝা যাচ্ছে না। হেডমাস্টারমশাই কী যেন বোঝাতে চাইছেন। কেউ শুনছে না। অশোক হঠাৎ পাশের ঘর থেকে হারমোনিয়ামটা এ ঘরের টেবিলে এনে এলোপাতাড়ি ‘রিড’ টিপতে শুরু করল। বিশ্রী যান্ত্রিক শব্দ। মানুষ আর যন্ত্রের মিলিত শব্দে কড়িবরগার কিছুটা অংশ বোধহয় এবার খসে পড়বে। দেবু হঠাৎ উঠে দাঁড়াতেই ধাক্কা লেগে হারমোনিয়ামটা আর একটু হলেই নীচে পড়ে যেত।
হেডমাস্টারমাশাই বিড় বিড় করতে করতে চলে গেলেন। কোনও কথা না বলে অশোকও বেরিয়ে গেল। কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি হলেও বাইরে এখন আবার দারুণ রোদ। সবাই চুপচাপ বসে। একটু পরেই দেবু টিউশন করতে চলে গেল। সমীর বিড়বিড় করে কী যেন বলছিল। ফুলের মালা আর মোড়ক নিয়ে যতীন কখন যে দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে, খেয়াল করিনি। এবার ভেতরে এসে হারমোনিয়ামের সামনে রেখে মুখ মুছতে শুরু করল। ঘরে আমরা এখন চারজন। আমি, সমীর, নীলকমলবাবু আর যতীন। দেওয়ালের ক্যালেন্ডার মাঝে মাঝে বাইরের হাওয়ায় দুলছে। সামনের টিনের শেডে পেছনের বস্তি থেকে হঠাৎ একটা রবারের বল এসে পড়ল। বলটা লাফাতে লাফাতে এ ঘরের চৌকাঠে এসে লাগল। গড়িয়ে বাথরুমের দিকে গেল। আমরা চুপচাপ বসে। ফুলের মৃদু গন্ধে কেমন যেন নেশায় ধরছে।
—চলুন এবার যাওয়া যাক— একটু নড়েচড়ে বসে সমীর। গালে হাত দিয়ে যতীন একপাশে দাঁড়িয়ে। নীলকমলবাবু হারমোনিয়ামে একটা হাত রেখে চুপচাপ বসে। এই তো গত বছর রবীন্দ্রজয়ন্তীতে ওই হারমোনিয়ামটা বাজিয়ে প্রাণেশদা গান গেয়েছিলেন। গানের শেষে হারমোনিয়ামের রিড টিপতে টিপতে বলেছিলেন— আমি চলে গেলে এই হারমোনিয়াম আর রবি ঠাকুরের মূর্তি আমাকে মনে করিয়ে দেবে। সেই প্রাণেশদা। সুযোগ পেলেই শান্তিনিকেতনের গল্প জুড়ে দিতেন। কাদের কাছে গান শিখেছেন। ছবি আঁকা বা মূর্তির কাজ কীভাবে করতেন। সেখানকার ছাতিমতলা। শুনতে শুনতে সব আমাদের মুখস্থ। প্রায়ই বলতেন— একটা চাকরি বা কোনও সুযোগ পেলেই শান্তিনিকেতনে চলে যাবেন। খুব নাকি ইচ্ছে হয় পুরনো দিনের স্মৃতি জড়ানো জায়গাগুলো দেখতে। কথা বলতে বলতে কেমন যেন অন্যমনস্ক হয়ে যেতেন। নাম না বললেও একজন মহিলার কথাও প্রায়ই বলতেন। এক ক্লাসে একসঙ্গেই পড়াশোনা করেছেন। তিনি নাকি এখনও শান্তিনিকেতনেই আছেন। মজা করে বলতাম— তিনি কি তোমার বান্ধবী? প্রাণেশদা উত্তর দিতেন না।
এই তো সেদিন। স্কুলের টিফিনের সময় স্টাফরুমে সবাই চা খেতে খেতে আড্ডা দিচ্ছি। কয়েকদিন পরেই বাইশে শ্রাবণ। স্বাভাবিকভাবেই শান্তিনিকেতনের কথা উঠেছিল। প্রাণেশবাবু পাশের ঘরে ছিলেন। এ ঘরে এসে বললেন— একবার বাইশে শ্রাবণে শান্তিনিকেতনে যাব। কত গান, উৎসব হতো— প্রাণেশদা আরও কী যেন বলতে যাচ্ছিলেন। দেবু হঠাৎ বলে বসল— সেখানে যাবে- যাবে বলতে বলতে তো তোমার মাথার চুল পেকে আয়ু শেষ হয়ে এল—
দেবুর কথায় প্রাণেশদা চমকে উঠেছিলেন— এসব কী বলছ?
—বলব না তো কী? শান্তিনিকেতনের কথা শুনতে শুনতে কানে তো পোকা ধরে গেছে।
দেবুর কথায় প্রাণেশদার মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছিল।
—দেখো আমার শিকড় রয়েছে সেখানে। এ যে কী টান বুঝবেন না।
—বোঝার দরকার নেই। যাবে তো যাও না। সবসময় ভ্যানর-ভ্যানর ভালো লাগে না—যত্ত সব!
প্রাণেশদা বিড়বিড় করে কী যেন বললেন। হাত-পা কাঁপছিল। কোনওদিন এরকম দেখিনি। স্টাফরুম থেকে আস্তে আস্তে বেরিয়ে গেলেন। এরপর তিন দিন আর স্কুলে আসেননি। সেই প্রাণেশদা। চোখ বুজলেই যেন স্পষ্ট দেখতে পাই, পাশের ঘরে পায়চারি করছেন।

সন্ধে প্রায় ছ’টা নাগাদ বিন্দু এল। কথা মতো নন্দনের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। বিন্দু এল উল্টো দিক দিয়ে। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে?
কই না তো— ওকে আর বললাম না যে, প্রায় চল্লিশ মিনিট দাঁড়িয়ে। স্কুল থেকে শ্মশানে গিয়েছিলাম। সেখান থেকেই সোজা এখানে। হাতের ব্যাগ দিয়ে খোঁচা দেয় বিন্দু। এখনও তো মিনিট কুড়ি বাকি। চলো চা খেয়ে আসি। যেতে যেতে বিন্দুকে বললাম— আমাদের এক সহকর্মী আজ মারা গেলেন। শ্মশানে গিয়েছিলাম।
—সে কী! চলতে চলতে আমার দিকে তাকায় বিন্দু। গম্ভীর হয়ে যায়।
এদিকে আলো কম। শুকনো পাতা ছড়িয়ে। পাশের বাঁধানো পুকুর রেলিং ঘেরা। গাছের পাতায় আলোর আভাস। সিমেন্ট বাঁধানো জায়গায় পাশাপাশি বসলাম। আমার হাত ধরে বিন্দু বলল— কী ব্যাপার, কথা বলছ না?
—কী বলব? মেজাজটাই তো ভালো নেই— হাত ছাড়িয়ে বললাম— আজ আর সিনেমা দেখতে ইচ্ছে করছে না—
ও-পাশের রাস্তা কাঁপিয়ে একটা ভারী গাড়ি চলে গেল। হাত তুলে ঘড়ি দেখে বিন্দু। কিছু না বলেই মুখ নিচু করে। ওকে এখন কী করে বলি, এখানে বসে থাকতেই ইচ্ছে করছে না। কীসের যেন গন্ধ পাচ্ছি। এটা কী শ্মশানের গন্ধ? শ্মশানের একটা গন্ধ থাকে। সেখানে গেলেই পাওয়া যায়। এইরকম একটা গন্ধ যেন নাকে লেগে আছে। এই গন্ধটাই প্রাণেশদাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। কাল বাদে পরশু তো আবার স্কুল। ছেলেরা আসবে। ক্লাস চলবে। স্টাফরুমে আমাদের আড্ডাও হবে। হারমোনিয়ামটা পাশের ঘরের টেবিলে পড়ে থাকবে। বিন্দুকে এসব বলব? কিছু মনে করবে না তো?—
অনেকক্ষণ বসে থাকারও ক্লান্তি আছে। এক সময় বিন্দুকে বললাম— চল, এবার ওঠা যাক—
বিন্দু মুখ নিচু করে বসেছিল। বলামাত্রই উঠে দাঁড়াল। আমাদের সিনেমা দেখার কথা ছিল। কিন্তু সেই গন্ধটা নাকে এসে সব কেমন গোলমাল করে দিল। সিনেমা দেখার মেজাজটাই আর নেই। বিন্দু উসখুস করছে। কী গো, যাবে না?
উত্তর দিলাম না। দ্বিতীয়বার বলতেই, পকেট থেকে টিকিট দুটো বের করে বললাম— একদম ভালো লাগছে না। তুমি দেখে এস। আমি এখানেই অপেক্ষা করছি।
বিন্দু মুখ তুলে তাকাল। মুঠোয় ধরা টিকিট দেখল। তারপর মুখ গোঁজ করে গেটের দিকে হাঁটা শুরু করল। একটু পরেই রাস্তা পেরিয়ে আমরা পিজি হাসপাতালের সামনের রাস্তা ধরলাম। হাসপাতালের গেটে একটা ট্যাক্সি ঘিরে কয়েক জনের জটলা। ফাঁকা আর একটা ট্যাক্সি ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে ময়দানের দিকে ছুটে গেল। বিন্দুকে বললাম— এবার তো যেতে হয়—
—কোথায় যাবে?
—কেন বাড়িতে।
—সাততাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরবে? সিনেমাও তো দেখা হল না— বিন্দু ঘড়ি দেখল। আমার দিকে তাকাল। সামনের স্টপে একটা মিনি দাঁড়িয়ে। কেউ নামছে না, উঠছেও না। কন্ডাক্টর— ‘হাওড়া-হাওড়া’ বলে সমানে চিৎকার করছে। মিনিটার সামনে গিয়ে বিন্দু হঠাৎ থমকে দাঁড়াল।— যাই এবার?
কী বলব ভাবছি, বিন্দু মিনিটায় উঠে পড়ল। গাড়িটাও চলতে শুরু করল। মুহূর্তে অনেকটা পথ এগিয়ে গেল। আমাদের মাঝখানের দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে।
প্রাণেশদার সঙ্গেও আমাদের দূরত্ব এখন অনেকটাই। এই কালো পিচের রাস্তার মতোই তা ক্রমশ দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে। বিন্দুকে নিয়ে মিনিটা আর পাঁচটা গাড়ির ভিড়ে হারিয়ে গেছে। ওদিকে চেয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম। তারপর কোনওদিকে না তাকিয়ে, দু’দিক দিয়ে ছুটে আসা গাড়িগুলোকে অগ্রাহ্য করেই রাস্তা পেরলাম।  
16th  June, 2019
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। ষষ্ঠ কিস্তি।
বিশদ

05th  July, 2020
দু’জন  

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন ভগীরথ মিশ্র।
বিশদ

05th  July, 2020
সিনেমার মতো
প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

শিলিগুড়িতে সেটল করতে একটু সময় লাগছে শাশ্বতর। শাশ্বত মুখার্জি। কলকাতার বনেদি বাড়ির পরিবেশে মানুষ হওয়াটা কোথাও কোথাও একটু অসুবিধাজনকও বটে। মজ্জায় মজ্জায় মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা।  বিশদ

05th  July, 2020
ফেয়ার-ওয়েল
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায়
(১)

 নাইন-বি এর ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে ধীরপায়ে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে চললেন অলকানন্দা রায়চৌধুরী, ছাত্রীদের প্রিয় শিক্ষিকা ‘অলকা দি’। গতকাল রাত থেকেই হাঁটুর ব্যথাটা আবার চাগাড় দিয়েছে, পা মুড়তে বেশ কষ্ট হচ্ছে। তবে গত কয়েকদিন ধরে মনের ভিতর যে ব্যথাটা জমে রয়েছে তার কাছে এই হাঁটুর ব্যথাটা তো একেবারেই তুচ্ছ। রেলিং ধরে ধীরে ধীরে একতলার দিকে নামতে শুরু করলেন অলকা।
বিশদ

28th  June, 2020
চলার পথে
ফ্রেদরিকের চিঠি

 জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন অমর মিত্র। বিশদ

28th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব- ২৯

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। পঞ্চম কিস্তি। বিশদ

28th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব- ২৮

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। চতুর্থ কিস্তি।
বিশদ

14th  June, 2020
নিলডাউন

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।  বিশদ

14th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। তৃতীয় কিস্তি। 
বিশদ

07th  June, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

07th  June, 2020
স্বপ্নসঙ্গী 

উদয়চাঁদ বন্দ্যোপাধ্যায়: ট্রেনটা প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরি করে ঢুকল গোমো স্টেশনে। বাতানুকূল কামরা থেকে নেমে আসে তন্বী পিয়ালি। ভিড় এড়িয়ে, সঙ্গের চাকা লাগানো ব্যাগটা নিয়ে একটু সরে এসে, উদ্বিগ্ন চোখে দু’দিকে তাকায়। একটা সাধারণ পোশাক পরা যুবক পিয়ালির সামনে এসে বলে, আপনি মুখার্জি স্যারের ফরেস্ট বাংলোয় যাবেন তো?
পিয়ালি ভ্রু কুঁচকে বলে, কে তুমি?  বিশদ

31st  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
তুলসী চক্রবর্তী

পথে চলতে চলতে বহু মানুষের সঙ্গে আলাপ হয়েছে তুলসীর। বহু পেশার মানুষ দেখেছেন। তাই যে কোনও চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে অভিজ্ঞতার ঝাঁপি উপুড় করে দিতেন। নিজের দেখা মানুষের ছাঁচে ফেলে গড়ে তুলতেন চরিত্রটি। তাই তাঁর অভিনয় ওরকম স্বাভাবিক মনে হতো।
বিশদ

31st  May, 2020
ভৈরবী মা
সঙ্গীতা দাশগুপ্ত রায়

 ‘নিজে রান্নাবান্না পারেন?’ ‘নাহ, একদম আনাড়ি,’ অর্জুন হাসে। ‘তবে তো এ ব্যবস্থাই বেশ। ওনার ফেরার কোনও ঠিক থাকে না। আপনাকে ন’টায় খেতে দেব তো? আর হ্যাঁ, কোনও অসুবিধা হলে বউদি বলে ডাক দেবেন ভাই।’ একটু আন্তরিকতা ছুঁইয়ে দিয়ে যান মহিলা। বিশদ

24th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
তুলসী চক্রবর্তী

‘ওরে, আমি হলাম গিয়ে হেঁশেলবাড়ির হলুদ। ঝালে-ঝোলে-অম্বলে সবেতেই আছি। হাসতে বললে হাসব, কাঁদতে বললে কাঁদব, নাচতে বললে নাচব, দু’কলি গান গেয়ে দিতে বললে তাও পারব। হলুদ যেমন সব ব্যঞ্জনেই লাগে তেমনই আর কী! কিন্তু হলুদের কি নিজস্ব কোনও স্বাদ আছে? তাই আমার এই অভিনয়কে আমি অভিনয় বলি না গো!
বিশদ

24th  May, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থাগুলির সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা ‘সিপ’ বাবদ আদায় কমল জুন মাসে। গত মাসে গোটা দেশে সিপ-এ বিনিয়োগ হয়েছে ৭ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা। অথচ তার আগের মাসে, অর্থাৎ মে মাসে বিনিয়োগ হয়েছিল ৮ হাজার ...

 সুখেন্দু পাল, বহরমপুর: গতবারের চেয়ে এবার রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলিতে অর্থ কমিশনের টাকা অনেক কম পাঠানো হচ্ছে। কোনও কোনও পঞ্চায়েতে প্রথম কিস্তিতে গত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম টাকা পাঠানো হবে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই প্রধানরা সরব হয়েছেন। ...

বার্সেলোনা: খেতাবের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েও লড়াই জারি বার্সেলোনার। বুধবার ক্যাম্প ন্যু’য়ে লুই সুয়ারেজের করা একমাত্র গোলে কাতালন ডার্বিতে এস্প্যানিয়লকে পরাস্ত করল কিকে সেতিয়েন-ব্রিগেড। এই জয়ের ...

 জীবানন্দ বসু, কলকাতা: গত এক বছরে দেশের কম আয়ের শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ইএসআই কর্পোরেশন। এর আয় ৫ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পঠন-পাঠনে আগ্রহ বাড়লেও মন চঞ্চল থাকবে। কোনও হিতৈষী দ্বারা উপকৃত হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,
১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,
১৯৪৯- ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের জন্ম,
১৯৫০- গায়িকা পরভীন সুলতানার জন্ম,
১৯৫১- রাজনীতিক রাজনাথ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৬.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৪ টাকা ৯৭.১৪ টাকা
ইউরো ৮২.৯৩ টাকা ৮৭.৪০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৭১০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৮১০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী ১৬/৩০ দিবা ১১/৩৯। পূর্বভাদ্রপদ অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২৷ অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ১১/২৭। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে।
১৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা:ফের রেকর্ড, দেশে একদিনে আক্রান্ত ২৬,৫০৬
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন আরও ...বিশদ

09:35:40 AM

 শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন এখন সপ্তাহে ২ দিন
আগামী ১৩ জুলাই থেকে শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন সপ্তাহে তিনদিনের বদলে ...বিশদ

09:20:11 AM

কন্টেইনমেন্ট জোনে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ 
কন্টেইনমেন্ট জোনে বিভিন্ন আবাসন, বাড়ি কিংবা পাড়ার বাসিন্দাদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ...বিশদ

09:00:19 AM

ফের রেকর্ড আমেরিকায়, একদিনে আক্রান্ত ৬৫ হাজারেরও বেশি
করোনা আক্রান্ত নিয়ে ফের রেকর্ড আমেরিকায়। গত ২৪ ঘণ্টায় মার্কিন ...বিশদ

08:55:18 AM

আজ আইসিএসই, আইএসসির ফল
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, শুক্রবার দুপুর ৩টেয় প্রকাশিত হতে চলেছে ...বিশদ

08:43:37 AM

আজ থেকে বন্ধ হাইকোর্ট
আজ থেকে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারবিভাগীয় ও প্রশাসনিক কাজ বন্ধ ...বিশদ

08:30:00 AM