Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

বদলে যাওয়া
ভোট
রজত চক্রবর্তী

নির্বাচন গ্রামে-গঞ্জে-মফঃস্বলে আগে উৎসবই ছিল। তোরঙ্গ থেকে পাট ভাঙা শাড়ি পরতেন মা-মাসিরা। সেখান থেকে প্রচারে চলে এল ক্যাপশান, ‘গণতন্ত্রের মহান উৎসব নির্বাচন’। এই প্রচারের উল্টোপিঠে ছিল আরও একটি প্রচার। ‘নির্বাচন কোনও উৎসব নয়, আপনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানাবার পদ্ধতি’। নব্বইয়ের দশকে যিনি এই কথাটা প্রচার করেছিলেন তিনি টি এন সেশন। তিনি ছিলেন দেশের চিফ ইলেকশন কমিশনার, ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত। ভোট প্রক্রিয়ায় নতুন নতুন পদ্ধতি যোগ করে নির্বাচন কমিশনকে এক উচ্চতর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তিনি। সাধারণ মানুষকে ভরসা জুগিয়েছিলেন।

১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিন বছরের মধ্যেই ভাবনাটা তৈরি হয়েছিল যে, গণতন্ত্রের নিয়মানুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি স্বয়ংশাসিত সংস্থা গঠন করা প্রয়োজন। ২১ মার্চ ১৯৫০ সালে গঠিত হল নির্বাচন কমিশন। গর্বের বিষয়, প্রথম নির্বাচন কমিশনার ছিলেন একজন বাঙালি। সুকুমার সেন। তিনিই ভারতে প্রথম নির্বাচন পরিচালনা করেছিলেন। ভারতে নির্বাচন তথা ভোটগ্রহণ প্রথম শুরু হয়েছিল ২৫ অক্টোবর ১৯৫১ সালে। আর শেষ হয়েছিল ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে। চার মাস ধরে চলেছিল ভোটগ্রহণ পর্ব। কারণটা ছিল সরকারি লোকের অপ্রতুলতা। দেশ তখন সবে তৈরি হচ্ছে। স্বাধীন ভারতের প্রথম ভোট। লোকসভা আর বিধানসভা একসঙ্গে ভোট হয়েছিল দেশজুড়ে। দেশের মানুষ প্রথম নিজেরা নির্বাচন করছে তাদের শাসন ক্ষমতায় কারা বসবে। বিষয়টা যতখানি না রাজনৈতিক তার চেয়ে বেশি ছিল সাধারণ মানুষের আবেগ। মজার বিষয় ছিল, ভোটগ্রহণ করার জন্য এক একটি ভোটকর্মীর দল বুথে বুথে ঘুরে ঘুরে ভোটের আয়োজন করত। এক একটি দল, দশ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত এক বুথ থেকে অন্য বুথে গিয়ে গিয়ে ভোট নিয়েছে। প্রায় ৩৬ কোটি ভারতবাসীর মধ্যে সেই প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ১৭.৩২ কোটি ভোটার। স্বাধীন দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের সেই উচ্চারণ: আমাদের কৃষকরা চাষের কাজে যে বুদ্ধি প্রয়োগ করে, তা আমাদের বিস্মিত করে, সুতরাং এই দরিদ্র ভারতবাসী সঠিকভাবেই ভোটদান করতে পারবে, এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু কমিশন সতর্ক। ভোট দিতে গিয়ে যদি গণ্ডগোল করে ফেলে, সেই আশঙ্কায় এক একজন প্রার্থীর জন্য এক একটি ব্যালট বাক্স ছিল। ব্যালট বাক্সের গায়ে লাগানো থাকত নির্দিষ্ট দলের প্রতীক। বাক্সগুলিও নির্দিষ্ট রঙে রাঙানো থাকত। না, তখনও পর্যন্ত আঙুলের ডগায় বেগুনি কালি লাগাবার ব্যবস্থা ছিল না। ১৯৫৭ সালের ভোটেই দেখা গেল ভোটের কারচুপি। একই ভোটার অন্য অন্য নামে একাধিক ভোট দিচ্ছে। কারচুপি রুখতে তৃতীয় লোকসভা নির্বাচনে অর্থাৎ ১৯৬২ সালে প্রথম ব্যবহার হল বেগুনি কালির চিহ্ন, তর্জনীতে। বিজ্ঞানী ডঃ এম এল গোয়েল দিল্লির ন্যাশনাল ফিজিকাল ল্যাবরেটরির গবেষণাগারে আবিষ্কার করলেন এক অদ্ভুত ধরনের রাসায়নিক কালি যা রৌদ্রের অতি বেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে এলে চামড়ায় দীর্ঘস্থায়ী দাগ রেখে দেয়। সেই কালির দাগ আঙুলে নিয়ে হাসি হাসি গ্রামীণ ভারতবাসীর ছবি আজও উজ্জ্বল সরকারি প্রচারে। ওই টুকুতেই যেন আটকে গেল নির্বাচন কমিশনের কাজ। ভারতের সাধারণ নাগরিকদের কাছে নির্বাচন কমিশনের অস্তিত্ব ছিল অনেকটা কাগজের বাঘের মতো।

হঠাৎ নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় কাগজের শিরোনামে একটি নাম। তিরুনেল্লাই নারায়ন আইয়ার সেশন। সংক্ষেপে টি এন সেশন। চেয়ারে বসেই তিনি দেশকে প্রথমেই জানালেন নির্বাচন আচরণবিধি। নতুন কিছু যে করলেন তা নয়! কিন্তু তার প্রয়োগের বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করা ও মিডিয়ার মাধ্যমে সর্বজনের গোচরে আনার প্রাথমিক কাজটাই করলেন সেশন। রাজনৈতিক দলগুলিকে বোঝালেন কড়াভাবেই। আর জনগণের উদ্দেশে প্রচার করলেন: ভোট কোনও উৎসব নয়, আপনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানাবার পদ্ধতি। অফিসে তাঁর মন্ত্র ছিল, ‘Zero delay, zero deficiency’ । ১৯৫৫ সালের আইএএসের ব্যাচ। বইপ্রিয়, সত্যনিষ্ঠ মানুষটি ভালোবাসতেন জ্যোতিষশাস্ত্র। চর্চাও করতেন। জ্যোতিষীর কথার বিরুদ্ধে গিয়েই দশ মিনিটের আলাপে বিয়ে করেছিলেন জয়ালক্ষ্মীকে, ১৯৫৮ সালে। জয়ালক্ষ্মী তাঁর জীবনের শেষ সময়ে দেওয়া সাক্ষাতকারে তাঁর ষাট বছরের সঙ্গী সেশন সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘সত্যের খাতিরে উনি স্ত্রীকেও ত্যাগ করতে পারেন’। এটা যে কতখানি সত্য তা টি এন সেশনের চাকরি জীবনের দিকে তাকালেই বোঝা যাবে। একরোখা, টানটান, স্পষ্টবাদী মানুষটিকে সাধারণ মানুষ যত বেশি পছন্দ করেছে, তত বেশি অপছন্দ করেছে দেশের রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীরা। সামলেছেন নানা দায়িত্ব, নানা সময়েই। তিনি তখন মাদ্রাজের পরিবহণ দপ্তরের ডিরেক্টর। বাসের ইঞ্জিন সারানো, খুলে ফেলা ও লাগানো শিখেছিলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাস গুমটিতে, দিনের পর দিন কাটিয়ে। এমনকী, মাঝরাস্তা থেকে বাসে উঠে ড্রাইভারকে পাশে সরিয়ে দিয়ে ৮০ কিমি রাস্তা বাস চালালেন। সমস্যার ভেতরে প্রবেশ করে উৎপাটন করতে চাইতেন। দেশের প্রশাসনিক সর্বোচ্চ পদ, ক্যাবিনেট সচিব হয়েছিলেন। সততা, সাহস ও দক্ষতার সঙ্গে সামলানোর পর যোজনা কমিশনের সদস্য ছিলেন বেশ কিছুদিন। ১৯৯০ সালে চন্দ্রশেখর তখন প্রধানমন্ত্রী (সাত মাসের জন্য)। তিনি টি এন সেশনকে এই দায়িত্বে বসালেন। চিফ ইলেকশন কমিশনার অব ইন্ডিয়া। তখন সুব্রহ্ম্যণম স্বামী ছিলেন আইনমন্ত্রী। সুব্রহ্ম্যণম স্বামী যখন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়াচ্ছেন সেই সময় প্রশাসনিক কোর্স করতে গিয়েছিলেন টি এন সেশন। জহুরির চোখ সুব্রহ্ম্যণমের। তাঁর চোখ ভুল করেনি। তিনি প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখরকে টি এন সেশনের নাম প্রস্তাব করেন।

তার আগে সাধারণ মানুষ ভুলেই গিয়েছিল এই কেন্দ্রীয় স্বয়ংশাসিত সংস্থাটির অস্তিত্ব ও গুরুত্ব। একটি স্বয়ংশাসিত সংস্থা তার নিয়মের মধ্যে থেকেও কতখানি কার্যকরী হতে পারে তা দেখালেন শুধু নয়, সংস্থায় প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন। তখন সংবাদের শিরোনামে রোজ তাঁর নাম। তাঁর সরাসরি কথা বলার সাহস, বাকপটুতা, ক্ষুরধার ব্যঙ্গ তখন ট্রামে-বাসে-ট্রেনের আলোচনার বিষয়। রাজনৈতিক দলগুলি ক্রমশই খাপ্পা তাঁর আচরণে। আর সেশনের সেই মহান উক্তি, ‘আমি একটি ফুটবলের মতো। যত জোরে লাথি মারবে তত জোরে ঠিকরে আসব’। তাইই ঘটেছিল বাস্তবে। তিনি এবং তাঁর অফিসাররা গোটা দেশের জেলায় জেলায় প্রশাসনিক সভা করলেন। প্রশাসনের যেসব আধিকারিকরা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাঁদের বোঝালেন স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা। তিনিই প্রথম হাত দিলেন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে খরচ বেঁধে দেওয়ার প্রয়োগবিধি। সে ক্ষেত্রেও সংবাদ শিরোনামে ছিল তাঁর সেই অসামান্য উক্তি: ‘তু চিজ বড়ি হ্যায় ভ্রষ্ট্ ভ্রষ্ট্’। চটুল হিন্দি সিনেমার গান থেকে সংলাপ উঠে আসত তাঁর কথায়। আর রেভিনিউ সার্ভিসের দক্ষ অফিসারদের নিয়োগ করলেন দেশব্যাপী। রাজনৈতিক দলের প্রতিটি প্রার্থী তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রে খরচ করার সীমা বেঁধে দেওয়াই শুধু নয়, সেই খরচের সরকারি হিসেব রাখা এবং রাখলেন পুঙ্খানুপুঙ্খ নজরদারি। নির্বাচনের সময় নানারকম টাকা-মদ-উপহার বিলি, যথেচ্ছ গাড়ির ব্যবহার আর মুড়ি-মুরকির মতো টাকা ওড়াবার প্রথা ছিল দেশের প্রায় সব গ্রাম ও অনুন্নত অঞ্চলগুলিতে। কড়া পর্যবেক্ষণ আর কড়া শাস্তির দাওয়াই চালু হল। তিনিই প্রথম চালু করলেন ভিডিওগ্রাফি করে রাখার পদ্বতি। সমস্ত মিটিং, উত্তেজনাপ্রবণ বুথে ভোট গ্রহণ এবং নির্বাচনের সমস্ত ধাপগুলি ভিডিওগ্রাফ করে সংগ্রহে রাখার প্রচলন শুরু করলেন। ক্ষিপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক দলগুলি। মডেল কোড অব কন্ডাক্টে লিখিত প্রতিটি আদেশনামা প্রয়োগ করলেন দেশের কোণে কোণে।

১৯৯৩ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১,৪৮৮ জন নির্বাচনের প্রার্থীর নাম বাতিল করা হল শুধু নয়, খরচের তথ্য না দেওয়ার জন্য শাস্তিস্বরূপ তিন বছর তাঁরা কোনও নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না বলে ঘোষণা করা হল। সেশন নিজে ৪০,০০০টি কেস পর্যবেক্ষণ করলেন। তার থেকে ১,৪০০ প্রার্থীর ভোটে অংশগ্রহণ বাতিল করেছিলেন। রাজনৈতিক দলগুলির ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত ছিলেন তিনি। সেই সময় রাজনৈতিক দলগুলি নতুন নতুন আদেশনামায় জেরবার। তার পিছনে সদা জাগ্রত জেনারেল অবজার্ভার ও হিসেব দেখার অবজার্ভার। সেশনের কড়া কড়া নির্দেশানামায় প্রশাসন তটস্থ। দাবি উঠেছিল তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার। রাজনৈতিক দলগুলি তখন তাঁর নাম দিয়েছিল, আল-সেশন (অ্যালসেশিয়ান কুকুরের অপভ্রংশ)। টি এন সেশন স্বভাবসুলভ মজা করে এক ইন্টারভিউতে বললেন, ‘আমি একটিও কমা, কোলন, সেমি-কোলন বা ফুলস্টপ যোগ করিনি কোনও আইনে। আমি শুধুমাত্র আইনে যা আছে তার প্রয়োগ করেছি মাত্র’। আসলে ‘অবজার্ভার’ বিষয়টিকেই গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছিলেন সেশনই। নির্বাচনের সময় রাজ্যের প্রশাসন এবং রাজনৈতিক দল ব্যতিব্যস্ত ‘অবজার্ভার’ শব্দেই। দেশজুড়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ‘সেশন’ নামেই ‘সেনসেশন’ শুরু হল। শুরু হল বিষোদ্গার। ‘ডিক্টেটর সেশন’ থেকে শুরু করে ‘পাগল’, ‘পাগলা কুকুর’ নানা অপবাদ তাঁর জুটেছিল। কিন্তু তিনি অনড়। সৎ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষতা তাঁর মন্ত্র। রাজনৈতিক নেতারা, বিশেষত পার্লামেন্টের নির্বাচিত সদস্যরা তাঁকে দু’বার সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ১৯৯৩ সালে। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে তাঁদের সেই চেষ্টা। তাঁর ক্ষমতা খর্ব করার জন্য সংবিধান সংশোধন করে তিনজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম করা হল। সে সংশোধনীতে, নির্বাচন কমিশনের যে কোনও সিদ্ধান্ত কমপক্ষে দু’জনের সহমতে গ্রহণ করার কথা বলা হল। তাঁর সহযোগী দু’জনকে নিয়োগ করা হল। তাঁরা হলেন এম এস গিল এবং সি কৃষ্ণমূর্তি। সেশন সুপ্রিম কোর্টে আপিল করলেন। জিতলেন। এম এস গিল এবং কৃষ্ণমূর্তি তাঁকে সাহায্য করবে, কিন্তু একক সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশনার। এই মর্মে রায় দিল সর্বোচ্চ আদালত। সেশন ফিরে এলেন প্রবল বিক্রমে। দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করার লক্ষ্যে। যত জোরে ‘কিক’ করা হল, প্রবল বিক্রমে ‘বাউন্স ব্যাক’ করলেন তত জোরেই।

ভোটার আইডি কার্ড। ভারতের নির্বাচন ইতিহাসে একটি মাইল-ফলক। ভোটার সুরক্ষার নব বিধান। নির্বাচন কমিশনারের সর্বোচ্চ পদে আসীন হওয়ার পরেই যে বিষয়গুলি চিহ্নিত করেছিলেন সেশন, তারমধ্যে অন্যতম ছিল নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রকাশ এবং ভোটারদের নির্দ্দিষ্ট পরিচয়পত্র তৈরি করা। তার সঙ্গে ছিল নির্বাচন কেন্দ্র পুনর্গঠন (Delimitation) এবং ভোটার তালিকা ঝাড়াই-বাছাই। বাধাদান ও আপত্তি এসেছিল সব রাজনৈতিক স্তর থেকেই। প্রশ্ন তোলা হয়েছিল এই গরিব দেশে এই কাজে অনর্থক অর্থ অপচয় করছেন সেশন। আর এই অর্থ অপচয়ের অপবাদকে অগ্রাধিকার দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল সবকটি দল। যখন সেশন ঘোষণা করলেন, ভারতের সকল ভোটারদের জন্য ছবিসহ ভোটার পরিচয়পত্র তৈরি করতে হবে সরকারকে। আর তা হবে নির্বাচন কমিশনারের তত্ত্বাবধানে। ১৯৯৩ সালের মাঝামাঝি সময়ের এই ঘোষণা জানানো হল কেন্দ্রীয় সরকারকে। আঠারো মাস কেটে গেল সরকার ভোটার পরিচয়পত্র নিয়ে কোনও আইন প্রণয়ন করল না। সরকারের কোনও গরজ লক্ষ্য করলেন না সেশন। কোনও রাজনৈতিক দলেরও কোনও গরজ দেখা গেল না। অবশেষে সেশনের ঘোষণা, ‘…if voter identity cards were not issued, no election would be held after January 1, 1995.’ তাই করলেন তিনি। দেশের নানা প্রান্তে বিধানসভা ও লোকসভার উপনির্বাচনগুলি আটকে রইল। সেশন অনড়। শেষ পর্যন্ত আবার সুপ্রিম কোর্টে গেল বিষয়টি। নির্বাচন বন্ধ রাখা যায় না। সুপ্রিম কোর্ট রায় দিল সেশনের EPIC বা Electoral Photo Identity Card-এর পক্ষে। দেশজুড়ে শুরু হল ভোটার আইডি কার্ড তৈরির ধুম। বুথে বুথে লাইন। ছবি উঠছে একের পর এক ভোটারদের। কর্মযজ্ঞ। ভোটার কার্ড। ১৯৯৬ সালে সেশনের মেয়াদ উত্তীর্ণের আগেই ভারতের প্রায় দু’কোটি ভোটারের ভোটার কার্ডের কাজ শেষ করেছিলেন সেশন। তারপর তো ইতিহাস। আধার কার্ড আসার আগে ভোটার কার্ড ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকত্বের প্রমাণ। এখনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সাধারণ মানুষের কাছে টি এন সেশন অত্যন্ত জনপ্রিয় এক মানুষের নাম, কিন্তু রাজনীতির মানুষদের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তা কতটা তলানিতে ঠেকেছিল তার প্রমাণ পেলেন সেশন নিজেই। ১৯৯৭ সাল। দেশের দশম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। কংগ্রেসের প্রার্থী, কে আর নারায়ণন আর নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ালেন টি এন সেশন। চাকরি তাঁর শেষ। স্বপ্ন তাঁর, দেশকে তৈরি করবেন। আবার শুরু করলেন ঘুরে বেড়ানো একা। একক সৈনিক। যে বাড়িতে একসময় সাংবাদিকরা ভিড় করে থাকত, সেশন নিজে হাতে পরিবেশন করতেন ইডলি-ধোসা আর বাটার মিল্ক, সেই বাড়ি থেকে সরে গিয়েছে সংবাদমাধ্যমের নজর। একা সেশন প্রত্যেক রাজ্যের প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের কাছে গিয়েছিলেন। প্রত্যেকের কাছে তিনি চেয়েছিলেন আশীর্বাদ, শুভেচ্ছা ও সমর্থন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দেশকে দূর্নীতি মুক্ত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কোনও রাজনৈতিক দল তাঁকে সমর্থন করেনি। কোনও নেতার সমর্থন পাননি তিনি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হলেন কে আর নারায়ণন। মোট ভোটার ছিল ৪,৮৪৮ জন। কে আর নারায়ণন পেয়েছিলেন ৪,২৩১টি ভোট আর সেশন পেয়েছিলেন মাত্র ২৪০টি ভোট। পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪টি ভোটের মধ্যে নারায়ণন পেয়েছিলেন ২৭২ জনের সমর্থন আর সেশন পেয়েছিলেন ৫ জনের ভোট। বোঝাই যায় সরকার বা বিরোধী, সকল রাজনীতির কারবারিদের কাছে কতটা অপ্রিয় ছিলেন তিনি। সবাই বক্তৃতার মঞ্চে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনের দাবি করে বটে, কিন্তু কোনও দল কি চায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক?

তাই তো গোটা দেশে আজও চলতেই থাকে চাপান-উতোরের রাজনীতি। চলতেই থাকে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার স্বাধীনতাকে হরণ করার তাল-বেতাল রাজনীতি। এক অদ্ভুত লুকোচুরি খেলা চলে নির্বাচন কমিশান ও রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। নিত্যনতুন প্রদ্ধতির উদ্ভাবন কি এই সমস্যার সমাধান আনতে পারবে? নাকি এই সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে স্বয়ংশাসিত সংস্থা আসলে প্রকারান্তরে থেকে যাবে শাসকের শাসিত সংস্থা হিসেবে? প্রশ্নগুলো সহজ। উত্তরের অপেক্ষায় প্রায় নব্বই কোটি ভোটার। যাঁরা বুথে বুথে রোদ-জল-ধোঁয়া-বারুদ-রক্তচোখ উপেক্ষা করে দাঁড়াবেন নিজের ভোট নিজে দিতে। তর্জনীর নখের উপর দিয়ে বেগুনি রেখায় ঝরে পড়বে তাদের ঝকঝকে হাসি। কোটি, অযুত, নিযুত সরল উজ্জ্বল চোখ তাকিয়ে আছে অবাধ, নিরপেক্ষ, ও শান্তিপূর্ণ ১৭ তম লোকসভা ভোটের দিকে।
24th  March, 2019
রাজ সিংহাসন
প্রণবকুমার মিত্র

 দরবারে আসছেন মহারাজ। শিঙে, ঢাক, ঢোল, কাঁসর ঘণ্টার বাদ্যি আর তোপের শব্দ সেটাই জানান দিচ্ছে। তারপর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মহারাজ ধীর পায়ে গিয়ে বসলেন রাজ সিংহাসনে। আগেকার দিনে রূপকথার গল্পে এটাই বলা হতো।
বিশদ

08th  December, 2019
আ ম্মা হী ন তামিল রাজনীতি
রূপাঞ্জনা দত্ত

২৪ ফেব্রুয়ারি। তামিলনাড়ুর কাছে এটা একটা বিশেষ দিন। মন্দিরে মন্দিরে উপচে পড়ত ভিড়। সবার একটাই প্রার্থনা, ‘আম্মা নাল্লামাগা ইরঙ্গ’। ‘আপনি ভালো থাকুন’। ওইদিন তিনিও যেতেন মন্দিরে। নিজের জন্মদিনে ভক্তদের ভালোবাসা বিলোতে। সেটাকে অবশ্য ‘পুরাচি থালাইভি’র আশীর্বাদ বলেই গণ্য করত সবাই।   বিশদ

01st  December, 2019
অর্ধশতবর্ষে শ্বেত বিপ্লব 
কল্যাণ বসু

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে...’
রায়গুণাকর ভারতচন্দ্রের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে ঈশ্বরী পাটনীর কালজয়ী বর প্রার্থনা ছিল এটাই। ‘অন্নপূর্ণা ও ঈশ্বরী পাটনী’র এই অবিস্মরণীয় পংক্তিতে সন্তানের মঙ্গলচিন্তা যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে সন্তানের মঙ্গলার্যে বিরাট কোনও লোভ না দেখিয়ে শুধুমাত্র দুধ-ভাতের আজীবন জোগান প্রার্থনা করা। সুস্থ-সবল সন্তানের জন্য ভাতের সঙ্গে দুধের অপরিহার্যতার কথাও আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রয়েছে এই প্রার্থনায়।  
বিশদ

24th  November, 2019
অচেনা অযোধ্যা
সমৃদ্ধ দত্ত

 সরযূ নদীর নয়াঘাটে মাঝেমধ্যেই দেখা যাবে এক টানাপোড়েনের দৃশ্য। গোন্দা জেলার মানকপুর গ্রামের রমাদেবী নিজের মেয়ের সামনে হাতজোড় করে বলছেন, ‘আমাকে ছেড়ে দে রে..আমি কয়েকদিন পর আবার চলে যাব..সত্যি বলছি যাব।’ মেয়ে জানে মায়ের কথার ঠিক নেই। আজ বিশ্বাস করে ছেড়ে দিলে, সত্যিই কবে যাবে, কোনও ঠিক নেই।
বিশদ

17th  November, 2019
বিস্মৃতপ্রায় সুরেন্দ্রনাথ
রজত চক্রবর্তী

কালো পুলিস ভ্যানটা ঢুকতেই উত্তেজিত জনতা যেন তাতে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইছে। আন্দোলনের নেতৃত্বে স্বয়ং ‘বাংলার বাঘ’ আশুতোষ মুখোপাধ্যায়। হবে নাই বা কেন! বাংলার জাত্যাভিমানকে পরিচিতি দিয়েছিলেন পুলিস ভ্যানের ভিতরে বসে থাকা ব্যক্তিটিই। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ তাঁর জন্মদিন। বিশদ

10th  November, 2019
সুরেন্দ্রনাথের সাংবাদিক সত্ত্বা 
ডাঃ শঙ্করকুমার নাথ

১৮৮৩ সালে কলকাতা হাইকোর্ট ‘The Bengalee’ পত্রিকার সম্পাদক সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুদ্রাকার-প্রকাশক রামকুমার দে’র নামে রুল জারি করার নির্দেশ দিল এবং পরের দিন তা কার্যে পরিণত হল। বলা হল— ‘আদালত অবমাননা করার অপরাধে কেন জেলে যাইবেন না, তাহার কারণ প্রদর্শন করুন।’ 
বিশদ

10th  November, 2019
আরাধনা ৫০
সমৃদ্ধ দত্ত

 রবি শর্মার বাড়িতে গুরু দত্ত এসেছেন। প্রায় মধ্যরাত। এত রাতে কী ব্যাপার? রবি শর্মা চোখে জিজ্ঞাসু দৃষ্টি। গুরু দত্ত বললেন, ‘রবি আমি একটা গান চা‌ই। একটি মানুষ অনেক রাত পর্যন্ত মুশায়রার আসর থেকে বাড়ি ফিরেছে। তার সবেমাত্র বিয়ে হয়েছে। অপূর্ব সুন্দরী স্ত্রী। সেই মেয়েটি স্বামীর জন্য অপেক্ষা করে করে একসময় ঘুমিয়ে পড়েছে। স্বামী ভদ্রলোক বাড়ি ফিরে দেখছেন স্ত্রী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।
বিশদ

03rd  November, 2019
ডাকাত কালী
সুভাষচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

 কয়েকশো বছর আগের কাহিনী। তখন এখানে চারপাশে ঘন জঙ্গল। বহু জায়গায় সূর্যালোক পর্যন্ত পৌঁছত না। ছিল একাধিক হিংস্র পশুও। পাশেই সরস্বতী নদীর অববাহিকা। সেখানে বহু ডাকাতের বসবাস ছিল। বাংলার বিখ্যাত রঘু ও গগন ডাকাতও এই পথ দিয়ে ডাকাতি করতে যেতেন।
বিশদ

27th  October, 2019
মননে, শিক্ষায় পুরোপুরি বাঙালি

সুইডিশ অ্যাকাডেমি ঘোষণাটা করার পর কিছু সময়ের অপেক্ষা। আগুনের মতো খবরটা ছড়িয়ে গিয়েছিল গোটা দেশে... একজন বাঙালি, একজন ভারতীয় আরও একবার জগৎসভায় দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। অমর্ত্য সেনের পর অর্থনীতিতে নোবেল পাচ্ছেন তিনি। বিশদ

20th  October, 2019
অর্থনীতিতে নীতি
অনির্বাণ মুখোপাধ্যায়

 লেখাটা শুরু করা যেতে পারে আমার ছাত্রজীবনে রাশিবিজ্ঞানের ক্লাসে শোনা একটা গল্প দিয়ে। কোনও একসময় ইংল্যান্ডের স্কুলশিক্ষা দপ্তর ঠিক করেছিল, স্কুলের বাচ্চাদের দুধ খাইয়ে দেখবে তাদের স্বাস্থ্যের উপর তার কোনও সুপ্রভাব পড়ে কি না। সেইমতো স্কুলগুলিতে কোনও একটি ক্লাসের অর্ধেক বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো হয় এবং বাকিদের তা দেওয়া হয়নি। বিশদ

20th  October, 2019
বাহন কথা 
রজত চক্রবর্তী

আকাশে সোনার থালার মতো চাঁদ। বাড়িতে বাড়িতে দোরগোড়া থেকে লতানে ধানের শিষ। এঁকে বেঁকে চলে গিয়েছে চৌকাঠ ডিঙিয়ে, ডাইনিংয়ের পাশ দিয়ে প্রতিটি ঘরে ঘরে... এমনকী সিঁড়ির পাশ দিয়েও উঠেছে দোতলায়। ধানের শিষের পাশে পাশে ছোট্ট ছোট্ট সুন্দর পায়ের ছাপ।  
বিশদ

13th  October, 2019
প্র তি মা র বি ব র্ত ন
সোমনাথ দাস

বর্ষা আর শরৎ এখন মিলেমিশে একাকার। বিশ্ব উষ্ণায়নের কৃপাদৃষ্টিতে শহরবাসীর পক্ষে আর এই দু’টি ঋতুকে আলাদা করা সম্ভব নয়। তবে ভাদ্রের সমাপ্তি এবং আশ্বিনের সূচনা বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে এক অনাবিল আনন্দ। মা দুর্গার আগমনবার্তায় আমাদের হৃদয় নেচে ওঠে।   বিশদ

29th  September, 2019
পুজোর ফুলের যন্ত্রণা
বিশ্বজিৎ মাইতি

 বিশ্বজিৎ মাইতি: হাওড়া‑খড়্গপুর রেলওয়ে শাখার বালিচক স্টেশন। মার্চ মাসের এক শুক্রবারের সকালে বেশ কয়েকজনকে ধরেছেন টিটি। বিনা টিকিটে ট্রেন সফর। তাঁদের মধ্যে এক যুবকের হাতে গোটা চারেক বস্তা। হাতে একগুচ্ছ ব্যাগ। গাল ভর্তি দাড়ি। উসকো-খুসকো চুল। পরনে নানান দাগে ভর্তি জামা ও হাফপ্যান্ট। করুণ চোখে আচমকাই নিজের মানিব্যাগ টিটির মুখের সামনে দেখিয়ে ধরা গলায় বলল, ‘স্যার একটা টাকাও নেই। পুরো শরীর চেক করে দেখুন...।
বিশদ

22nd  September, 2019
ভো-কাট্টা

বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানোটা সমার্থক হয়ে গিয়েছে। বিশ্বকর্মা পুজো মানেই আকাশজোড়া ঘুড়ির আলপনা। অসংখ্য ঘুড়ির ভেলায় যেন স্বপ্ন ভাসে। বহু কৈশোর আর যৌবনের মাঞ্জায় লেগে আছে ঘুড়ি ওড়ানোর স্মৃতি। যে ছেলেটা কোনওদিন সকাল দেখেনি, সেও বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে সূর্য ওঠার আগেই ঘুড়ি-লাটাই নিয়ে ছাদে উঠে যায়।  
বিশদ

15th  September, 2019
একনজরে
বিএনএ, সিউড়ি ও সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: লাভপুরে একই পরিবারের তিন ভাইয়ের হত্যা মামলায় নতুন করে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিল পুলিস। নতুন করে চার্জশিটে নাম জুড়ল বিজেপি নেতা মনিরুল ইসলামের।  ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: খো খো প্রতিযোগিতায় দেশকে জিতিয়ে ঘরে ফিরলেন চুঁচুড়ার সোনার মেয়ে ঈশিতা। ঈশিতা বিশ্বাস সাউথ এশিয়ান গেমসের সোনাজয়ী ভারতীয় খো খো দলের সদস্য ছিলেন। ...

সিওল, ৮ ডিসেম্বর (এএফপি): পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রশ্নে আমেরিকার উপর চাপ বাড়াল উত্তর কোরিয়া। ফের শক্তিশালী অস্ত্রের পরীক্ষা করল কিম জং উনের দেশ। শনিবার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এই পরীক্ষাটি চালায় পিয়ংইয়ং।  ...

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: এক সপ্তাহের মাথায় দেশজুড়ে টোলপ্লাজাগুলিতে কেবলমাত্র একটি করে লেনে ছাড় দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হতে যাচ্ছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল সংগ্রহের ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা চালু করতে গেলে গাড়িতে থাকতেই হবে ফাস্ট্যাগ।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মাঝে মধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৮৩: অন্ধকবি সুরদাসের জন্ম
১৮৯৮: বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠিত হল
১৬০৮: ইংরেজ কবি জন মিলটনের জন্ম
১৯৪৬: কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর জন্ম
১৯৪৬: অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার জন্ম
২০১১: আমরি হাসপাতালে আগুন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯২.২০ টাকা ৯৫.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৫ টাকা ৮০.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  December, 2019

দিন পঞ্জিকা

২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৯/২৩ দিবা ৯/৫৪। ভরণী ৫৭/৯ শেষ রাত্রি ৫/০। সূ উ ৬/৮/৫৩, অ ৪/৪৮/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৮ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৮ গতে ১১/২ মধ্যে পুনঃ ২/৩৫ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৭/২৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ২/৮ গতে ৩/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে। 
২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৭/১০/১১ দিবা ৯/২/২২। ভরণী ৫৭/৩১/১০ শেষরাত্রি ৫/১০/২৬, সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে ও ৯/৪ গতে ১১/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩১ গতে ১১/৫ মধ্যে ও ২/৪০ গতে ৩/৩৪ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩০/৮ গতে ৮/৪৯/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৯/৩০ গতে ১১/২৯/৪০ মধ্যে।
১১ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে জেএনইউ পড়ুয়াদের মিছিলে লাঠিচার্জ করল পুলিস 

04:29:13 PM

ডোপিংয়ের অভিযোগে ওলিম্পিক থেকে চার বছরের জন্য নির্বাসিত রাশিয়া 

04:12:10 PM

কর্ণাটক বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসের হার, পরিষদীয় দলনেতার পদ থেকে পদত্যাগ সিদ্দারামাইয়ার

03:56:19 PM

৪২ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

03:50:07 PM

পানিপথ: জয়পুরে সিনেমা হলে ভাঙচুর 
হিন্দি ছবি পানিপথে মহারাজ সূরজমলের চরিত্র বিকৃত করা হয়েছে, এই ...বিশদ

03:32:17 PM

মালদহে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভাঙচুর 
আধার কার্ডের জন্য রাত থেকে লাইন দিয়েছিলেন আবেদনকারীরা। সকাল ১০টার ...বিশদ

01:57:25 PM