Bartaman Patrika
রঙ্গভূমি
 

দুটি চেয়ার কেন? 

 অগ্রজকে কীভাবে সম্মান জানাতে হয় তা শিখেছিলেন বিভাস চক্রবর্তীর থেকেই। তাঁর আসন্ন জন্মদিন উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করলেন প্রকাশ ভট্টাচার্য।

শম্ভু মিত্র, উৎপল দত্ত, অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় … বাংলা থিয়েটারে এই সব দিকপালদের পরে যাদের নাম সগর্বে উচ্চারিত হয়, তাদের মধ্যে অন্যতম বিভাস চক্রবর্তী। আমার থিয়েটার জীবনের শুরুতে বিভাসদার কী অসাধারণ সব কাজ দেখেছি! মুগ্ধ হয়েছি আর চেষ্টা করেছি শিক্ষিত হতে। ‘রাজরক্ত’, ‘চাকভাঙ্গা মধু’, ‘নাজীর বিচার’, ‘পাঁচু ও মাসী’, ‘নরক গুলজার’ ইত্যাদি। সেসব ছিল শুধু দর্শক হিসাবে দেখা আর দূর থেকে তাঁকে শ্রদ্ধা করা। ‘শোয়াইক গেলো যুদ্ধে’-র সময় আমার সৌভাগ্য হলো বিভাসদার কাছে যাওয়ার। ঐ নাটকে মুখ্য ভুমিকায় অভিনয় করার আমন্ত্রণ পেলেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। স্বাতীলেখা নান্দীকারের সদস্য, আর আমি তখন নান্দীকারের সম্পাদক। তখন শোয়াইক-এর রিহার্সালে আমি মাঝে মাঝে স্বাতীদির সঙ্গে যেতাম। কখন যে ঐ বিরাট মানুষটি আমার কাছে শুধুই বিভাসদা হয়ে গেলেন বুঝতেই পারলাম না। সেই থেকে বিভাসদার সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা। বিভাসদা মাটির মানুষ, যার সঙ্গে একটু আলাপেই খুব কাছে চলে আসা যায়।
১৯৮৮ সাল। আমি নান্দীকার ছেড়ে দিলাম। আমার সঙ্গে সোমনাথ, বিমল, পাঁচু, দীপঙ্কর, কল্যাণ, রিঙ্কু আরও অনেকে। আমরা নতুন দল তৈরি না করে নীলাভদের নান্দীপটেই যোগ দেওয়া মনস্থ করলাম। নাটক তৈরি হলো, কার্ত্তিক লাহিড়ীর লেখা ‘মঙ্গলসূত্র’। বিমল (চক্রবর্তী) তখন ‘সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি’ থেকে যুব নির্দেশক হিসাবে কিছু টাকা পেয়েছিল নতুন প্রযোজনা করার জন্য। আমরা সবাই খুবই পরিশ্রম করে নাটকটি করলাম। বিভাসদাকে অনুরোধ করলাম নাটকটি দেখার জন্য। গিরিশ মঞ্চে বিভাসদা এলেন, নাটক দেখলেন। নাটক দেখার পর কৌতুহল বশতঃ জিজ্ঞেস করলাম , ‘কেমন লাগল?’ উনি বললেন, ‘তোমাদের অনেকের বেশ ক্ষমতা আছে অভিনয় করার, গান গাওয়ার, শরীরও ভালো। তবে এরকম বাজে নাটক করো কেন? ভালো নাটক করতে পারো না?’ আমরা বললাম ভালো নাটক পাচ্ছি না তো! শুনে উনি বললেন, পড়াশোনা করো না তো। ভালো নাটক পাবে কী করে? আমার কাছে একটা নাটক আছে, কাল এসে নিয়ে যাবে আর পড়বে।’ সেই অনুযায়ী পরেরদিন বিভাসদার বাড়ি গেলাম। উনি নাটক দিলেন ‘শ্বেত সন্ত্রাস’। নাট্যকার ক্যারেল চাপেক, অনুবাদক আসিতবরন দে। আমরা পড়লাম। তারপর বিভাসদা জানতে চাইলেন, ‘পড়েছ’? আমরা বললাম, হ্যাঁ, খুব ভালো লেগেছে। উনি বললেন, তাহলে শুরু করে দাও। আমরা বললাম, আপনি যদি নির্দেশনা দেন তো আমরা করতে পারি। উনি বললেন, এই প্রযোজনা করতে অনেক খরচ হবে, তোমরা পারবে? জানতে চাইলাম, কত খরচ হবে। উনি বললেন তা প্রায় ষাট হাজার টাকা। দলে তখন টাকা নেই। কিন্তু বিভাসদা আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন এই আনন্দে আমরা রাজী হয়ে গেলাম। সবাই টাকা ধার করে নেমে পড়লাম। বিভাসদা নাটকটি সম্পাদনা করলেন, শুরু হলো মহলা। সেই সময় সামনে থেকে দেখলাম একজন বড় মাপের পরিচালকের কাজ। কীভাবে একটু একটু করে একটা প্রযোজনা তৈরি করতে হয়। উনি বললেন, মিউজিক হবে স্টক থেকে। চলো একদিন কল্যাণের বাড়ি যাই। কল্যাণদার (চৌধুরী) কাছে বহু বিদেশী মিউজিকের রেকর্ড ছিল। একদিন রেকর্ড শুনে উনি কিছু রেকর্ড বেছে রাখলেন। বললেন, রেকর্ডিংয়ের দিন এগুলো নিয়ে এস। রেকর্ডিং শুরু হলো মৌলালিতে গোবিন্দবাবুর স্টুডিওতে। মাত্র তিন ঘণ্টায় রেকর্ডিং শেষ। বিভাসদা চলে গেলেন। সেদিন আমাদের খুব মন খারাপ হয়েছিল। কারণ, এর আগে দেখেছি মিউজিক রেকর্ডিং করতে কত সময় লাগে। আজ বলতে বাধা নেই যে সেদিন মনে হয়েছিল, উনি তো আমাদের দলের নন, তাই বেশি সময় দিলেন না। কিন্তু অবিশ্বাস্য ভাবে স্টেজ রিহার্সালে দেখলাম কী সুন্দরভাবে মিউজিক নাটকের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে! সেদিন বুঝেছিলাম বিভাসদার মাথাটা কম্পিউটার। ‘শ্বেতসন্ত্রাস’ নাটকে মুখ্য চরিত্রে কল্যাণ সরখেল। সেই প্রথম ওর বড় চরিত্রে অভিনয়। কিন্তু বিভাসদার হাতে পড়ে কী সুন্দর অভিনয় করল... এবং অভিনেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হলো। শ্বেতসন্ত্রাস নাটক দেখতে শম্ভু মিত্র এলেন রবীন্দ্রসদনে। খুব প্রশংসা করলেন প্রযোজনার। প্রায় আধ ঘণ্টা উনি আমাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। উনি চলে যাওয়ার পরে, যখন আমরা সেটের সমস্ত মালপত্র তুলে বেরতে যাব, দেখি বাইরে তখনও দাঁড়িয়ে আছেন অসিত মুখোপাধ্যায়, সলিল বন্দ্যোপাধ্যায় আর দ্বিজেন বন্দ্যোপাধ্যায়। ওঁরা অপেক্ষা করছেন আমাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে। শম্ভুদা ছিলেন বলে এতক্ষণ ভিতরে যাননি। ওঁরা বললেন, তোমরা কী করে এইরকম একটা প্রযোজনা করতে পারলে? আমরা মুগ্ধ হয়ে গিয়েছি, আর সেটা তোমাদের জানাব বলেই এতক্ষণ দাঁড়িয়ে আছি। নান্দীপটকে তখন তেমন কেউ চিনত না। আমাদেরও তেমন কোনও পরিচয় ছিল না। কিন্তু এতসব দিকপাল মানুষদের প্রশংসায় আমরা বাকরূদ্ধ হয়ে গেলাম। বললাম, সবই বিভাসদার কৃতিত্ব, আমরা শুধু তাঁর আদেশ পালন করেছি। সেই প্রথম নান্দীপট পায়ের তলায় মাটি পেল, বিভাসদার পরিশ্রমে।
এরপর ১৯৯৪ সাল। বাবরি মসজিদ ধ্বংস হলো। বিভাসদা আমাদের ডেকে বললেন, ‘স্যাস’ পত্রিকায় ‘তীর্থযাত্রা’ নাটক ছাপা হয়েছে, সেটা পড়তে। নাটকটা আমরা পড়লাম। সেটাকে নাটক না বলে প্রবন্ধ বলা যায়, লিখেছেও নতুন একটি ছেলে, শেখর সমাদ্দার। উনি বললেন, চলো, এই নাটকটা করব। প্রচুর ছেলেমেয়ে দরকার। বিভাসদার নাম শুনে বহু ছেলেমেয়ে নান্দীপটে আসতে শুরু করল, শুরু হলো ‘তীর্থযাত্রা’ নাটকের রিহার্সাল। একদিন উনি বললেন, শোনো, তোমাদের দেশভাগের ইতিহাসটা জানতে হবে, শুধু সংলাপ বললে হবে না। সময়কে জানতে হবে। উনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষক ডঃ অমলেন্দু দে মহাশয়কে আমাদের দলের ঘরে নিয়ে এলেন। দুদিন উনি আমাদের ক্লাস নিয়েছিলেন। হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে দাঙ্গার ইতিহাস, স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশভাগের কথা উনি আমাদের পড়ালেন। তখন যেন নাটকটা অন্য একটা মাত্রা পেয়ে গেল আমাদের কাছে। বুঝলাম, নাটক করতে গেলে পড়াশোনাটা কত জরুরি। খুব সাফল্য পেয়েছিল সেই নাটক। অসিত মুখোপাধ্যায় নাটক দেখে বলেছিলেন, ‘এই প্রযোজনা বিভাসের পক্ষেই করা সম্ভব। আমরা কেউই এটা করতে পারতাম না।’
বেশ কিছু বছর পর আবার বিভাসদার শরণাপন্ন হলাম। নাটক করব, গিরিশ কারনাডের লেখা বিভাসদার অনুবাদ ‘অগ্নিজল’। বিভাসদা বেশ কয়েকটা রিহার্সালে এলেন। তখন আমাদের দলে ছেলেমেয়ে অনেক কমে গিয়েছে। কিছুদিন পর বিভাসদা বললেন, না, তোমাদের দিয়ে ‘অগ্নিজল’ নাটক করা যাবে না। তোমাদের দলে সেই ছেলেমেয়ে নেই। আমরা মাথায় হাত দিয়ে বসলাম। এবার তবে আমরা কী করব? আবার মুশকিল আসান হলেন বিভাসদা স্বয়ং। সাতদিনের মধ্যে উনি ইতালীর নাট্যকার দারিও ফো-র নাটক ‘আক্সিডেন্টাল ডেথ অব অ্যানার্কিস্ট’ রূপান্তর করে নিয়ে এলেন। আমাদের দলের সৌমিত্র , বিভাসদার বাড়ি গিয়ে নাটকটা লিখত। শুরু হলো ‘মৃত্যু না হত্যা’-র মহলা। বিভাসদা যে কী ভীষণ পরিশ্রম করেছিলেন তা বলার নয়। প্রত্যেকটা চরিত্র উনি অভিনয় করে দেখিয়েছিলেন। উনি যা দেখিয়েছিলেন, তার হয়তো ৬০-৭০ ভাগ আমরা করতে পেরেছিলাম আর তাতেই দর্শক মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল। নাটকের রূপসজ্জা, মঞ্চসজ্জা, আলোর ব্যবহার সব উনি নিজে সাজিয়েছিলেন। এমনকি পোশাকের কাপড় কিনতেও আমাদের সঙ্গে দোকানে দোকানে ঘুরেছিলেন। দলে তখন ছেলেমেয়ে বেশি নেই, প্রত্যেকেই অভিনয় করছে। আমার স্ত্রী রিঙ্কু সেই প্রথম বড় চরিত্রে অভিনয় করবে। আমি ভীষণ নার্ভাস। কী করবে? ঠিকমতো করতে পারবে তো? বারবার বলতাম, দেখো, বিভাসদার নাম ডুবিও না যেন। এই কথা আবার বিভাসদাকে বলে দিল রিঙ্কু। উনি খুব বকলেন, বললেন নাটকের নির্দেশক কে? আমি বলছি তুমি পারবে। সত্যিই ঐ নাটকে রিঙ্কু ভালোই অভিনয় করল। নান্দীপটও একজন অভিনেত্রী পেয়ে গেল।
তার বহুদিন পর, আবার বিভাসদা আমাদের দলে নির্দেশনা দিলেন। এবারের নাটক ‘শৃন্বন্তু কমরেডস’। কী পরিশ্রম করে উনি নাটকটার নির্দেশনা দিলেন, তা লিখে বোঝানো যাবে না। সোমনাথ মুখোপাধ্যায় নাটকটি অনুবাদ করেছিলেন। বিভাসদা সম্পাদনা করলেন আর কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে দিয়ে নাটকের গান লেখালেন। আর সেই গানে সুর দিয়ে নিজেই গাইলেন সুমন মুখোপাধ্যায়। ওই সময় এই নাটকটি খুব প্রয়োজনীয় ছিল।
বিভাসদা নান্দীপটের শুধু কয়েকটা নাটকের নির্দেশক ছিলেন না। তিনি কতভাবে যে আমাকে বা নান্দীপটকে সাহায্য করেছেন, তা এই অল্প পরিসরে লিখে শেষ করা যাবে না। ২০০৪ সালে নান্দীপটের রজতজয়ন্তী বর্ষ। আয়োজন করা হলো ‘যুব নাট্য উৎসব’। উদ্বোধন করার কথা ছিলো তাপস সেনের। কিন্তু উদ্বোধনের দিন সকালে জানতে পারলাম যে, তাপসদা অসুস্থ আসতে পারবেন না। অগত্যা আবার শরণাপন্ন হলাম বিভাসদার এবং উনি রাজী হলেন এবং উদ্বোধন করলেন। কিন্তু উদ্বোধক –এর জন্য আমাদের যা যা উপহার সামগ্রী ছিল সব তাপসদার বাড়িতে পৌঁছে দিলেন। বললেন এগুলি সব তাপসদার প্রাপ্য, আমি তো প্রক্সি দিয়েছি। এই হলেন বিভাসদা।
১৯৯২ সালে আমার বন্ধু সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের সাহায্যে ‘পদ্মা-গঙ্গা উৎসব’ করার সুযোগ পেল নান্দীপট। সোমনাথ তখন ভি এস টি কোম্পানির অফিসার। প্রচুর সাহায্য করেছিল আমাদের। বিভাসদাই এই উৎসবের নামকরণ করলেন ‘পদ্মা-গঙ্গা উৎসব’। দুই বাংলার নাটক, চলচ্চিত্র, গান নিয়ে হয়েছিল এই উৎসব। উৎসব উদ্বোধন করতে রাজি হলেন স্বয়ং শম্ভু মিত্র। উদ্বোধনের দিন মঞ্চসজ্জার দায়িত্ব ছিল আমাদের দলের সুমনের উপর। অনুষ্ঠান শুরুর আগে বিভাসদাকে মঞ্চে এনে দেখালাম যে সব ঠিক আছে কি না। মঞ্চে মাঝখানে ছিল দুটি বড় বেতের চেয়ার। উনি বললেন দুটি চেয়ার কেন? আমরা বললাম একটি শম্ভুদার আর অন্যটি আপনার। শুনেই উনি প্রচন্ড রেগে গেলেন। বললেন তোমাদের কি বোধবুদ্ধি সব হারিয়েছে? শম্ভুদা আর আমি একই চেয়ারে বসবো!! এখনই একটা চেয়ার সরিয়ে দাও। বলে উনি নিজেই শিশির মঞ্চের গ্রিন রুম থেকে একটা টিনের চেয়ার এনে মঞ্চের এককোণে রাখলেন। এইভাবে উনি অগ্রজকে সম্মান জানালেন আর আমাদেরও বোঝালেন কীভাবে অগ্রজকে সম্মান জানাতে হয়। এই ঘটনার বছর দুয়েক পরের কথা। সেদিন আমাদের দলের ঘরে ‘তীর্থযাত্রা’ নাটকের রিহার্সাল ছিল। উনি আমাকে বললেন, তুমি সাড়ে পাঁচটায় তথ্যকেন্দ্রের দোতলায় চলে আসবে, তুমি এলে আমি চলে আসব। যথারীতি আমি সাড়ে পাঁচটায় গিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। উনি মিটিং থেকে বেরিয়ে আমাকে বললেন, ‘কিছু মনে কোরো না, একটু দাঁড়াও। আমার আরও দশ মিনিট সময় লাগবে’। আমি তো দাঁড়িয়েই থাকতাম। কিন্তু উনি আমার মতো একজন সাধারণ নাট্যকর্মীকে এইভাবে সম্মান জানালেন।
বিভাস চক্রবর্তী যে কত বড় মাপের নির্দেশক, অভিনেতা, নাট্যকার তা আপনারা আমার থেকে অনেক বেশী জানেন। তা নিয়ে আলোচনা করবেন বিদগ্ধ মানুষেরা। বিভাসদা যে কতবড় সংগঠক তার দু-একটা উদাহরণ দিই। তিনি নান্দীকার থেকে বেরিয়ে থিয়েটার ওয়ার্কশপ তৈরি করলেন। আবার থিয়েটার ওয়ার্কশপের চূড়ান্ত সাফল্যের পর তিনি প্রতিষ্ঠা করলেন ‘অন্য থিয়েটার’। সেখানে শুধু নাট্য প্রযোজনাই নয়, তৈরী করলেন ‘অন্য থিয়াটার ভবন’। খুব বড় মাপের সংগঠক না হলে করা সম্ভব! তিনি শুধু নাট্যদল নয়, তৈরী করলেন ‘বঙ্গ নাট্য সংহতি’। দুঃস্থ, অসুস্থ নাট্যকর্মীদের সাহায্যের জন্য। এই সংস্থা এখনও পর্যন্ত নাট্যকর্মীদের জন্য প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা সাহায্য করতে পেরেছে। এইসব করা সম্ভব হয়েছে বিভাসদার নেতৃত্বে। এইরকম বহু ঘটনা বলা যায়, যা এই সল্প পরিসরে লেখা গেল না।
এসবই বিভাসদার থেকে শেখা। বিভাসদার থেকে আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক কিছু শিখেছি। অনেককিছু পেয়েছে আমার নাট্যদল নান্দীপটও। বিভাসদাকে পাশে না পেলে নান্দীপট আজ এই জায়গায় পৌঁছাতে পারত না। ২৩শে সেপ্টেম্বর বিভাসদার জন্মদিন। জন্মদিনে বিভাসদাকে প্রণাম। আপনি এইভাবে আমাদের পাশে থাকুন, সুস্থ থাকুন, এই কামনা করি।
21st  September, 2019
 রং ছড়ালো ইন্দ্ররঙ মহোৎসব

সাতরঙা রামধনুর মতোই রঙের জেল্লা ছড়িয়ে সমাপ্ত হল তৃতীয় ইন্দ্ররঙ মহোৎসব। অনুষ্ঠানের জাঁকজমকে, নাট্যজগতের নক্ষত্রদের উপস্থিতিতে এবং সর্বোপরি প্রতিযোগিতায় বিজেতাদের প্রাপ্ত পুরস্কারের আর্থিক মূল্যের দিক থেকে যে কোনও সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতামূলক নাট্যোৎসবকে টেক্কা দিয়েছে এই উৎসব।
বিশদ

16th  November, 2019
 এই দেশ এই সময় এই মৃত্যু উপত্যকা

সম্প্রতি মঞ্চস্থ হল পূর্বরঙ্গ নাট্যদলের সাম্প্রতিক প্রযোজনা ‘এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়’। বলা যায়, কাব্যনাট্য। যে নাটকের বিষয় ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে আধুনিক ভারতবর্ষ – পরিবর্তিত আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের হাত ধরে বদলে বদলে যাওয়া অনুভূতি, মনুষ্যত্ব আর রাজনীতি। বিশদ

16th  November, 2019
  রাজ্য বাচিক উৎসব

 বাচিক আর্টিস্ট ফোরাম গত ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর এই দু’দিন ধরে রবীন্দ্র ওকাকুরা ভবনে উদযাপন করল রাজ্য বাচিক উৎসব। উৎসবের উদ্বোধন করেন রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত। পরে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শিল্পীরা আবৃত্তি ও বাচিক অভিনয় পরিবেশন করেন।
বিশদ

16th  November, 2019
পূর্বরঙ্গের পাঁচঅধ্যায়

পাঁচটি মেয়ে। কোনও এক সময়ে এরা পরস্পরের বন্ধু ছিল। সময়ের বহমানতায় তারা ছিটকে পড়েছিল একদি ওদিক। সামাজিক সংযোগ মাধ্যমের দৌলতে ফের তারা খুঁজে পায় একে অপরকে। তাদের অন্দরের কাহিনী থেকে শুরু হয় এক নতুন অধ্যায়ের। বিশদ

16th  November, 2019
  সরস্বতী নাট্যোৎসব ২০১৯

 নেতাজিনগর সরস্বতী নাট্যশালা আয়োজিত নাট্যোৎসব শুরু হতে চলেছে তপন থিয়েটারে আগামী ২০ নভেম্বর থেকে, চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। পাঁচদিন ব্যাপী এই নাট্যোৎসবে মোট ১৭টি নাটক মঞ্চস্থ হবে। অংশগ্রহণকারী দলগুলি নাট্যজগতে যথেষ্ট পরিচিত। বিশদ

16th  November, 2019

জিয়নকাঠির উৎসব



  রানিকুঠী জিয়নকাঠি নাট্যদল আগামী ১৫-১৭ নভেম্বর, এই তিনদিন ধরে একটি নাট্যোৎসবের আয়োজন করেছে। নাট্যোৎসবটি হবে চন্দননগরের রবীন্দ্রভবনে। এই নাট্যোৎসবে অংশ নেবে বিভিন্ন জেলার নাট্যদলগুলি। বিশদ

16th  November, 2019
শুকনো কাঠে যষ্ঠিমধুর স্বাদ 

সম্প্রতি বাঁশদ্রোণী শিল্পন শিশিরমঞ্চে মঞ্চস্থ করল তাঁদের সাম্প্রতিক নাটক ‘জৈষ্ঠীমধু’। অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাব নাটক অবলম্বনে নির্মিত সম্পূর্ণ হাস্যরসাত্মক এই নাটকের সম্পাদনা ও নির্দেশনার দায়িত্বে ছিলেন সীমিকা রায়। 
বিশদ

09th  November, 2019
দর্শককে আয়নার সামনে দাঁড়ানোর চৈতন্য দেয় এ নাটক 

মানুষই মানুষকে খোঁজে। মানুষই মানুষের কাছে আশ্রয় চায়, মানুষই মানুষকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। কিন্তু যখন সময় বয়ে যায় হাতের আঙুলের ফাঁক দিয়ে, মানুষকে হতে হয় পরিস্থিতির শিকার। টানাপোড়েনের সুতো, মরে যাওয়া সম্পর্ককে বয়ে নিয়ে বেড়ানোর যন্ত্রণায় অনবরত হতে হয় ক্ষতবিক্ষত। তখনও কিন্তু মহাকাল নির্মেদ মোহহীনভাবেই বাজিয়ে চলে ঘটনার ঘণ্টা।
বিশদ

09th  November, 2019
গেমপ্ল্যানের প্রত্যাশা 

সালটা ১৯৮৯। চন্দ্রা দস্তিদার একটি নাটক লিখেছিলেন – প্রত্যাশা। পরিচালনা করেছিলেন জোছন দস্তিদার। ১৯৯১ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়েছিল সে নাটক। দীর্ঘ তিন দশক বাদে আবার ‘প্রত্যাশা’কে ফিরিয়ে আনলেন জোছন-চন্দ্রার সুযোগ্য কন্যা খেয়ালি দস্তিদার। নাটকটি প্রথম মঞ্চস্থ হতে চলেছে ২৩ নভেম্বর, সন্ধে ৭টায়, জিডি বিড়লা সভাঘরে। 
বিশদ

09th  November, 2019
খুব আফশোস হয় উত্তমকুমারের মঞ্চাভিনয়
দেখতে পারলাম না: কুলভূষণ খারবান্দা

কুলভূষণ খারবান্দা নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে মুণ্ডিত মস্তক ভয়ংকর এক ভিলেন শাকালের ছবি। রমেশ সিপ্পির ‘শান’ ছবিতে এই ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করেই তিনি রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যান সর্বভারতীয় দর্শকের কাছে। কিন্তু ক’জন জানেন যে তাঁর অভিনয়ের হাতেখড়ি নাটকের মঞ্চেই! নাটকই তাঁর প্রথম প্রেম! এই কলকাতাতেই কেটেছে তাঁর জীবনের কয়েকটি বছর। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা। ফিল্মের ব্যস্ততা স্বত্বেও যখনই সুযোগ পেয়েছেন, স্টেজে ফিরে ফিরে এসেছেন। এসেছেন নাটকের টানে। যেমন সম্প্রতি ‘পদাতিক’এর ‘আত্মকথা’র হাত ধরে মঞ্চে এবং এই কলকাতায়। রিহার্সালের টাইট সিডিউলের ফাঁকে কিছুটা সময় বের করে আলাপচারিতায় মাতলেন অজয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। 
বিশদ

09th  November, 2019
অর্ঘ্যের দশম লোকরঙ্গ নাট্যোৎসব 

কসবা অর্ঘ্য নাট্যদলের দশম বার্ষিক নাট্যোৎসব ‘লোকরঙ্গ ২০১৯’ শুরু হতে চলেছে আগামী ৮ নভেম্বর থেকে। চলবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। অ্যাকাডেমি মঞ্চে নীলাঞ্জন মিশ্রের গান দিয়ে শুরু হবে উৎসব।  বিশদ

02nd  November, 2019
থিয়েলাইটের জন্মোৎসব 

উনিশ পেরিয়ে কুড়ি বছরে পা দিল নাট্যসংস্থা থিয়েলাইট। এই উপলক্ষে তারা গত ২০ জুন অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের লেডি রানু মুখোপাধ্যায় মঞ্চে আয়োজন করেছিল এক অনুষ্ঠানের।   বিশদ

02nd  November, 2019
একলা একটা অর্জুন গাছ আর ব্যাঙথুপী 

আধুনিক বিশ্ব ধীরে ধীরে উষ্ণায়ণের করাল গ্রাসে আবদ্ধ হয়ে পড়ছে। এর থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল সবুজায়ন। ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’, ‘গাছ লাগান প্রাণ বাঁচান’, ‘সবুজ বাঁচান’ — সরকারি বিজ্ঞাপন হোর্ডিংয়েই সীমাবদ্ধ।  বিশদ

02nd  November, 2019
যাত্রাশিল্প ও টেলিপাড়ার
অ ন্দ র কা হি নী 

নান্দীপটের নাটক ‘আবৃত্ত’কে জড়িয়ে রেখেছে যাত্রা। এক সৃষ্টিশীলতার মধ্যে দিয়ে আর এক শিল্পকে স্মরণ করা। প্রায় ভগ্নপ্রায় এক বাড়ি। যে বাড়ির বাসিন্দা মাত্র চারটি প্রাণী। এক বৃদ্ধ, এক বৃদ্ধা এবং তাঁদের সন্তানসম দুই তরুণ-তরুণী। চারজনকে একত্রিত করে একসঙ্গে বেঁধে রেখেছে যাত্রা।   বিশদ

02nd  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, আরামবাগ: বিভিন্ন দাবিতে শনিবার আরামবাগে মিছিল করে সিপিএম। সিপিএমের-১ ও ২ নম্বর এরিয়া কমিটির উদ্যোগে এদিন একটি পথসভাও হয়। আরামবাগের ধামসা বাসস্ট্যান্ডে প্রথমে পথসভা ...

সংবাদদাতা, গাজোল: চড়া দামের ঠেলায় পড়ে এবার ভাতের হোটেলগুলিতেও কোপ পড়েছে ‘ফ্রি পেঁয়াজ’-এর উপর। সেইসঙ্গে চাউমিন বা এগরোলের মধ্যেও কমেছে পেঁয়াজের পরিমাণ। শসার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে জোড়াতালি।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় লজিস্টিকস বা পণ্য পরিবহণ ও মজুত রাখা সংক্রান্ত পরিকাঠামো গড়তে উৎসাহী বিশ্ব ব্যাঙ্ক। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে তাদের। ওই প্রকল্পের মাস্টার প্ল্যান আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত হতে পারে বলে শনিবার দাবি ...

ইন্দোর, ১৬ নভেম্বর: ইনিংস জয়ের হ্যাটট্রিক করে ফেলল ‘টিম ইন্ডিয়া’। গত সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্ট ইনিংসের ব্যবধানে জিতেছিল কোহলি বাহিনী। সাফল্য ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় আগ্রহ বাড়বে। মনোমতো বিষয় নিয়ে পঠন-পাঠন হবে। ব্যবসা স্থান শুভ। পৈতৃক ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস
১৮১২ - ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা জন ওয়ালটারের মৃত্যু ।
১৮৯০ -অবিভক্ত ভারতে প্রথম সিরাম ভ্যাকসিন ও পেনিসিলিন প্রস্তুতকারক বিশিষ্ট ভেষজ বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক হেমেন্দ্রনাথ ঘোষের জন্ম।
১৯৪৬ - বিশ্বে প্রথমবারের মত কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করা হয়।
১৯৬৩: ঝাড়খণ্ডে জন্মগ্রহণ করেন অভিনেত্রী মীনাক্ষি শেষাদ্রি
১৯৭১: পাকিস্তানের ক্রিকেটার ওয়াকার ইউনিসের জন্ম
১৯৮৮: এক দশকেরও বেশি সময় পর পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হল অবাধ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন বেনজির ভুট্টো

16th  November, 2019




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০২ টাকা ৭৩.৫৬ টাকা
পাউন্ড ৯০.০৫ টাকা ৯৪.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৩ টাকা ৮১.২৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ৩১/১৫ রাত্রি ৬/২৩। পুনর্বসু ৪২/৪৪ রাত্রি ১০/৫৯। সূ উ ৫/৫৪/৩, অ ৪/৪৮/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/০ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৩৯ মধ্যে।
৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ২৮/২৫/৫০ সন্ধ্যা ৫/১৭/৫৯। পুনর্বসু ৪১/৫৬/২২ রাত্রি ১০/৪২/১২, সূ উ ৫/৫৫/৩৯, অ ৪/৪৯/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০ গতে ৮/৫৭ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ৯/১৪ মধ্যে ১১/৫৩ গতে ১/৪০ মধ্যে ও ২/৩৩ গতে ৫/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ১০/০/৪৫ গতে ১১/২২/২৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/২৬ গতে ১২/৪৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/৪৫ গতে ২/৩৯/৩ মধ্যে।
১৯ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন, জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সীমান্তে পাক সেনার গোলাগুলি 

12:07:51 PM

হিমাচলের মাণ্ডিতে গাড়ি দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু 

11:25:00 AM

কসবায় বাইক দুর্ঘটনায় আরোহীর মৃত্যু, জখম আরও ১ 

10:27:59 AM

বিশাখাপত্তনমে গাড়ি দুর্ঘটনা, মৃত ১, জখম ৪ 

10:27:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল

আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:23:00 AM

আজ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা

09:39:00 AM