Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দু’টো ডোজ মানেই
বিশল্যকরণী নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাবল ডোজ। এ এক মহা কেলেঙ্কারির হাল ফ্যাশান। খবরের কাগজে দিস্তা দিস্তা লেখা চলছে, এই ৫০ কোটি মানুষের টিকাকরণ হয়ে গেল। আর একটু... তাহলেই ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। আর তারপরই মহামান্য বিজেপি সরকার তাথৈ তাথৈ করে নাচবে। সেই মর্মে রীতিমতো কর্মসূচি সাজানো শুরু হয়ে গিয়েছে! ১০০ কোটি করোনা টিকা ছুঁচে ভরে শরীরে চালান করে দিলেই হল। সে এক মেগা ইভেন্ট। জো হুজুর ভারত সরকারই যদি এমন পাহাড়প্রমাণ ঢাক বাজানোর উৎসবে কাঠি দেয়, মানুষের দোষ কী! সে তো ভাবতেই পারে, টিকা নিলেই কেল্লা ফতে। বেরিয়ে পড়ো ‘রিভেঞ্জ ট্যুরিজমে’। ঝাঁকে ঝাঁকে ভিড় জমাও পুজো মণ্ডপে। তবেই না মনের শান্তি... চোখের শান্তি! মাসখানেক যাবৎ অনলাইন-অফলাইনে দেদার শপিং হয়েছে। পুজোয় বেরতে না পারলে যে সবটাই মাটি। তাই যেতেই হবে প্যান্ডেলে। একদিন রইল উত্তরের জন্য... আর একদিন দক্ষিণ। তাতেই ম্যানেজ হয়ে যাবে। মাস্ক? বালাই নেই! ‘এত সুন্দর সেজেগুজে বেরব, মাস্ক পরলেই যে চোনা পড়ে যাবে। আর ডাবল ডোজ নেওয়ার পর মাস্ক কেন পড়ব? আমেরিকায় তো কত জায়গাতেই বলে দিয়েছে, দু’টো ডোজ নেওয়া থাকলে মাস্ক পরতে হবে না। এখানে আলাদা হবে কেন?’ বলছিলেন এক কিশোরী। উল্টোডাঙা ব্রিজ পেরিয়ে পদব্রজে চলেছেন তিনি শ্রীভূমি স্পোর্টিংয়ের উদ্দেশে। সঙ্গে মেলা সাঙ্গোপাঙ্গ। চোখ তুলে সামনের দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্রিগেড সভা রয়েছে যেন! ফারাকটা হল, এটা কোনও প্যারেড গ্রাউন্ড নয়। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের পথ। আর দিনটা সপ্তমী। কেউ যাচ্ছেন এয়ারপোর্ট... দেড় ঘণ্টা হয়ে গেল, অ্যাপোলো হাসপাতালের সামনে থেকে সবে উল্টোডাঙা পৌঁছেছেন তিনি। আর আধ ঘণ্টার মধ্যে না পৌঁছতে পারলে বিমান তাঁর জন্য অপেক্ষা করবে না। ঠিক পাশের লেনে দাঁড়িয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স। চালকের পাশের আসনে বসা প্রৌঢ় ভদ্রলোক দু’চোখ ভরা উদ্বেগ নিয়ে মাথাটা বের করে দিয়েছেন জানালার বাইরে। প্রশ্ন একটাই, আর কতক্ষণ? আধ কিলোমিটারের মধ্যে খান তিনেক এমন অ্যাম্বুলেন্স নজরে এল। এঁরা কি পুজো দেখতে বেরিয়েছেন? সবাই কি পুজো দেখতেই বেরচ্ছেন? না। তা নয়। উৎসবের আনন্দ ততক্ষণই, যতক্ষণ তা অন্যের ক্ষতির কারণ হয়ে না দাঁড়াচ্ছে। 
করোনা বিদায় নেয়নি। তা সত্ত্বেও আনন্দে মেতেছেন এঁরা... পুজো কমিটির ধারক ও বাহকেরা। তাঁরা প্রভাবশালী। তাই ২০০৯ সালের কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ হেলায় অমান্য করতে পারেন। আদালত তো জানিয়েই দিয়েছিল, কোনওভাবে মণ্ডপের উচ্চতা যেন ৪০ ফুট না ছড়ায়। তা সত্ত্বেও বছরের পর বছর বহু পুজো কমিটি ইচ্ছেমতো প্রভাব খাটিয়ে চলেছে। বেড়ে চলেছে প্যান্ডেলের উচ্চতা। থিম হচ্ছে...। আমাদের রাজ্য সরকারের পরিকাঠামো অনুযায়ী, আগুন লাগলে ১৫০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত জল দিতে পারে দমকল। কিন্তু মণ্ডপের উচ্চতা যদি ১৪৫ ফুট হয়? সেই আগুন কত দ্রুত ছড়াবে, আর তাতে দমকলের পক্ষে আদৌ জল দেওয়া সম্ভব হবে কি না, সেই অঙ্ক পুজো প্ল্যানিংয়ের সময় কেন কষে নেওয়া হবে না? এটা কি দায়বদ্ধতার নমুনা? আসলে, এক একটা পুজো কমিটির নেপথ্যে এক একজন প্রভাবশালী। আর প্রত্যেকেই লেগে পড়েছেন কম্পিটিশনে। একজন অন্যজনের ঘাড়ে দোষ ঠেলে চলেছেন... অমুক পুজোয় তো ৬০ ফুট উঁচু প্যান্ডেল হয়েছে! তমুক প্রভাবশালী ৪৫ ফুটের মণ্ডপ করেছে। তার বেলা? কেউ যদি ৪০ ফুটের উপর মণ্ডপ তৈরি করেই থাকেন, তাহলে প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নেয়নি? কেন সেই মণ্ডপের বাড়তি অংশ ভেঙে দেওয়া হয়নি? এই সবটাই তো মানুষের স্বার্থে, যে কোনও রকম বিপদ এড়ানোর উদ্দেশ্যে? দোষ চাপালেই কি প্রশাসনিক কর্তব্য মিটে যায়? ভিড়ের দাপটে একটি পুজোয় জনতার প্রবেশ অষ্টমীর রাত থেকে বন্ধ করে দেওয়া হল। তার আগের পাঁচদিনে কিন্তু যা হওয়ার হয়েই গিয়েছে। তৃতীয়া থেকে ঢল নেমেছে রাস্তায়। কোভিড বিধি রয়েছে... আছে তার ফাঁকও! সেই ফাঁক খুঁজেই জনতাকে ‘দর্শনের সুযোগ’ করে দেওয়া হয়েছে নিরন্তর। যুক্তি কী? এক পুজো কমিটির কর্তা বলছিলেন, ‘হাইকোর্ট তো বলেছে মণ্ডপের ভিতর ভিড় জমানো যাবে না। তা তো হয়নি! বাইরে ভিড় হলে আমরা কী করব?’ কিন্তু তাঁরাই তো সুচারুভাবে প্যান্ডেলের একপাশটা খোলা ছেড়ে রেখেছেন। মানুষও বাঁধভাঙা জলের মতো ছুটে গিয়েছে থিম দেখার নেশায়, ভিড় করেছে, ধাক্কাধাক্কি হয়েছে... আর ছুটি নিয়েছে সামাজিক দূরত্ব। যেন একটা এই ক’টা পুজো না দেখলে জীবনই বৃথা! মুচকি হেসেছে নিয়তি। কারণ, এই ক’দিনে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলেছে... ধীরে ধীরে। সরকারি হিসেব বলছে, ১৭ অক্টোবর রাজ্যে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৬২৪। মৃত্যু ১৪। ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ ১৬ অক্টোবর সংক্রামিত হয়েছিলেন কিন্তু ৪৪৩ জন। অর্থাৎ একদিনেই আক্রান্ত বেড়েছে ১৮১। এই পরিসংখ্যান কি যথেষ্ট উদ্বেগজনক নয়? সবচেয়ে বড় কথা, পুজো মিটেছে সদ্য। যাঁরা প্রকৃতির বিরুদ্ধে ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার লক্ষ্যে জেহাদ ঘোষণা করেছিলেন, সেই পুজোপিপাসুরা এখনও হাতেনাতে ফল পাননি। কারও সবেমাত্র উপসর্গ দেখা দিয়েছে, কেউ অপেক্ষায় রয়েছেন তিনদিন সম্পূর্ণ হওয়ার। তারপর টেস্ট করাবেন। কেউ কেউ তো আবার করোনা পরীক্ষার ধারেকাছেও যাবেন না। ডাক্তারকে ফোন করে ওষুধ জেনে নেবেন। সেই মতোই চলবে চিকিৎসা। একান্তই না পারলে গন্তব্য হাসপাতাল! কিন্তু করোনা সেই সময়টা দেবে তো? 
আতঙ্ক বাড়ছে... তৃতীয় ঢেউয়ের। কেরলে ওনাম উৎসবের ঠিক পরেই একদিনে নতুন করোনা সংক্রমণ ছিল ৩১ হাজার ৪৪৫। পজিটিভিটির হার ১৯.০৩ শতাংশ। তখন আমরা আলোচনা করেছি... আতঙ্কিত হয়েছি। আর চায়ের পেয়ালায় তুফান তুলে তখন আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তু কী ছিল? পুজো আসছে... সতর্ক হওয়া চাই। না হলে কেরলের দশা হবে আমাদেরও। কিন্তু আমরাও বোধ হয় এখন মোদিজিতে অনুপ্রাণিত... কথায় আছি। কাজে নেই। পুজোর ঢাকে কাঠি পড়া মাত্র কেরল ভুলেছি আমরা। ওনামের করোনা কাণ্ড যেন আদিম যুগের কথা! আগে এই পুজোটা তো এনজয় করি! মাথা খাটিয়ে আমরা শব্দবন্ধটা বের করেছি বটে... ‘রিভেঞ্জ ট্যুরিজম’। দেড় বছর ধরে প্রকৃতি আমাদের বাড়িতে বসিয়ে রেখেছে। আর এখন আমরা চ্যালেঞ্জ ছুড়েছি তাকে... আমাদের কাছে ডাবল ডোজ আছে। আর প্রকৃতি কিছুই করতে পারবে না। কাঁচকলা দেখিয়ে ড্যাংড্যাং করে আমরা ঘুরব, ফিরব, ফুচকা খাব। এই না হলে পুজোর আনন্দ! পুজো কমিটির হর্তাকর্তারাও সুযোগ নিয়েছেন তারই। ভিড় একটু বেশি হলেই অজুহাত রেডি, ‘ওরা তো পাড়ার লোক।’ এক একটা পাড়ায় যে এত লোক থাকতে পারে, তা এই পুজোতেই আমরা আবিষ্কার করলাম। অঞ্জলি থেকে সিঁদুর খেলা—সর্বত্রই ঠেলাঠেলি। মাস্ক পরলে আবার মা দুর্গা ঠিক মতো অঞ্জলির মন্তর শুনতে পাবে না। সিঁদুর খেলা তো যাবেই না! তাই, চালিয়ে যাও মহাশয়।  
দায়টা কার? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেবে। সেটা কাজে লাগানোর দায়িত্ব প্রশাসনের, পুজো কমিটিগুলোর। তা কি হয়েছে? পুলিসও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যেন ঠুঁটোর ভূমিকায়। এক পুলিসকর্মী বলছিলেন, ‘এত লোক... কী করব? লাঠি চালাব নাকি?’ না, লাঠি আপনি অবশ্যই চালবেন না। কিন্তু ম্যানেজমেন্ট বলে তো একটা বস্তু আছে! সেটাও কি করা যেত না? যাওয়া-আসার সব পথই মণ্ডপমুখী। সব পাগলই যেন মত্ত মাদল বাজিয়ে ছুটে চলেছে... চলেছে। পুজোয় তাদের সব ভালো... সস্তা ভালো, দামিও ভালো... কাঁসিও ভালো, ঢাকও ভালো। কিছু একটা তো হচ্ছে! ওতেই হবে। ওই ছেলেটাও পুজোয় এসেছিল কলকাতায়। বাবা আর কাকার হাত ধরে। ওরা ঢাক বাজাবে, আর ছেলেটা কাঁসর। কলকাতার পুজো নয়, পেটের টান নিয়ে এসেছিল তাকে এই শহরে। তাও দশমী হতে না হতেই তার বাড়ি যাওয়ার বায়না। এই ভিড়ে সে আর চায় না থাকতে। সে জানে, করোনা বলে একটা রোগ তার স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। এই রোগ ভিড়েই ছড়ায়। তাই আর নয়...। 
আট বছরের একটা শিশুও বোঝে এই রোগের জ্বালা। আর আমাদের মতো বুড়ো খোকারা...?
19th  October, 2021
তথ্য সুরক্ষা বিল এবং
শাসকের ‘দূরের লক্ষ্য’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এ দেশের ক্ষেত্রে যদি নজরদারি চালানোটা আইনসিদ্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো আর আড়াল-আবডালের প্রয়োজনই থাকবে না। সেটাই চাইছে কেন্দ্র। আইনি সিলমোহর। সরকার বিরোধী মতামত দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সরকারের ভাড়া করা সৈন্যরা। টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাবে গারদের ওপারে।​​​​​
বিশদ

প্রভাবশালী ধনীরা
জবাবদিহির ঊর্ধ্বে
পি চিদম্বরম

ধনীরা প্রভাবশালী হয় এবং প্রভাবশালীরা ধনী হয়। একবার প্রভাবশালী এবং ধনী হয়ে গেলে, স্পষ্টতই তারা জবাবদিহির ঊর্ধ্বে চলে যাবে। এটাই হয়েছে আজেকর বিপদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জন শেরম্যান (প্রথম অ্যান্টিট্রাস্ট অ্যাক্ট, ১৮৯০—সাধারণভাবে যেটিকে শেরম্যান আইন হিসাবে উল্লেখ করা হয়) বিশদ

29th  November, 2021
কংগ্রেসের বিকল্প তৃণমূল
হলে আপত্তি কোথায়?
হিমাংশু সিংহ

গোটা দেশে ঝিমিয়ে পড়া বিরোধীদের শুকনো গাঙে তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিপ্লবের নয়া কেতন উড়িয়ে দিয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে গোয়া। জাতীয় রাজনীতির মঞ্চেও মমতাই আজ মোদির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রতিপক্ষ।
বিশদ

28th  November, 2021
পুরভোটের সন্ত্রাসে বিপদ
বাড়ল ত্রিপুরা বিজেপির
তন্ময় মল্লিক

ত্রিপুরায় তৃণমূলকে শূন্য প্রমাণের জন্য পুরভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস করে বিজেপি নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারল। ২০২৩ সালে আর ইউনিট টেস্ট নয়, বিপ্লব দেবকে বসতে হবে বোর্ডের পরীক্ষায়। পরীক্ষকের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

27th  November, 2021
কৃষকরা সকলের জন্যই
দিলেন জীবনের শিক্ষা
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদির বিরোধীদের কাছে একটাই সুসংবাদ যে, তিনি ইতিহাস চর্চা করেন না। যদি করতেন, তাহলে বহু পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একবার ভারতের ইতিহাসের দিকে চোখ রাখতেন। খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হতো না। কারণ তাঁর হাতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে। তাঁর নিজের রাজ্যে।
বিশদ

26th  November, 2021
মোদির পিছু হটা কীসের ইঙ্গিত!
মৃণালকান্তি দাস

কে না জানে, একটি শাসকদল পিছু হটে তখনই, যখন সে বুঝতে পারে তার পায়ের তলার মাটি সরছে। পায়ের তলার মাটি একবার সরতে শুরু করলে কী হয় তা বাংলার মানুষ জানেন। সিঙ্গুরেও পিছু হটে নজির গড়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বুদ্ধবাবু ডুবেছিলেন, সিঙ্গুরের মানুষের মতামত না নিয়েই জোরজবরদস্তি জমি অধিগ্রহণ করে। মোদির ক্ষেত্রেও তাই। দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা ছাড়া কৃষিতে সংস্কারমূলক তিনটি আইন আনতে গিয়ে তিনিও ডুবেছেন।
বিশদ

25th  November, 2021
দুঃসময়ের রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী

একতারা হাতে এক বাউল এলেন। কোনও অনুরোধ ছাড়াই একটি প্রচলিত গান গেয়ে হাত পাতলেন। কিছু দেব কি দেব না ইতস্তত করছি। লোকটি আমার মন পড়ে নিলেন নিশ্চয়। কিছু দাবি করার পরিবর্তে প্রশ্ন রাখলেন, ‘বাবু, দুঃসময় কাকে বলে?’ বিশদ

24th  November, 2021
জনতার দাবি মানুন,
প্রায়শ্চিত্ত করুন
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তিনি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের নামে কুৎসা করেছেন... তাও তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী নন। কারণ, তিনি ভারতের ‘অধিনায়ক’। ভোট প্রচারে রাজ্যে রাজ্যে গিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করেছেন, শালীনতার সীমা ছাড়িয়েছেন। তাও তিনি বীর দাস নন। তিনি প্রধানমন্ত্রী। ভোট আসছে... পাঁচ রাজ্যের। মোদিতন্ত্রের রাজদণ্ড এখন কথা বলছে গণতন্ত্রের। ক্ষমা চাইছে দেশবাসীর কাছে।
বিশদ

23rd  November, 2021
আমার হিন্দুধর্ম নিয়ে খুশি
পি চিদম্বরম

হিন্দুধর্মে একটি চার্চ, একটি পোপ, একজন প্রফেট বা নবী, একটি পবিত্র গ্রন্থ বা একটিমাত্র পালনীয় আচার নেই। প্রত্যেকটিই আছে অনেকগুলি করে। একজন হিন্দুর এই বহুর মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নেওয়ার অথবা সবগুলিকেই প্রত্যাখ্যান করার স্বাধীনতা আছে। কিছু পণ্ডিত যুক্তি দিয়েছেন যে হিন্দু হয়েও একজন আস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী অথবা নাস্তিক হতে পারেন!
বিশদ

22nd  November, 2021
নির্মম ইতিহাসের
সামনে ৫৬ ইঞ্চি ছাতি
হিমাংশু সিংহ

প্রধানমন্ত্রীর এই পিছু হটা যে কৃষকদের প্রতি সমবেদনা থেকে নয়, সম্পূর্ণ ভোট পাটিগণিতের প্রয়োজনে তা আজ সূর্যের আলোর মতোই পরিষ্কার। এখানেই তিনি সম্পূর্ণ ‘এক্সপোজড’। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেও অন্নদাতা কৃষকরা আজ ভরসা রাখতে পারছেন না। এটা মোটেই সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতার পক্ষে ভালো বিজ্ঞাপন নয়। বিশদ

21st  November, 2021
দুয়ারে রেশন: দীর্ঘ
দুর্ভোগের অবসান
তন্ময় মল্লিক

রেশন তোলার দিন হলেই অযোধ্যা পাহাড়ের বাঁধঘুট গ্রামের ববিতা মুর্মু, লক্ষ্মীমণি মুর্মুদের গায়ে জ্বর আসে। সাতসকালে উঠে একমুঠো পান্তা নাকেমুখে গুঁজেই বেরিয়ে পড়া। তাড়াতাড়ি পা চালায়। পাহাড়ি পথ ভেঙে যেতে হবে সেই পাথরডিহি। পাক্কা ১১কিলোমিটার। বিশদ

20th  November, 2021
নেহরুকে অপমান ও
এক প্রচারসর্বস্ব সরকার
সমৃদ্ধ দত্ত

তিনি কোনও কৃতিত্বই অন্য কেউ নিয়ে নিক, এটা পছন্দ করেন না। তাই লক্ষ্য করা যায়, সরকারের যে কোনও বৃহৎ প্রকল্প কিংবা সাফল্যের ঘোষণা সর্বদাই প্রধানমন্ত্রী মোদি করে থাকেন টিভিতে এসে অথবা কোনও মঞ্চে। অন্য কোনও মন্ত্রীকে কোনও বড়সড় ঘোষণাই করতে দেখি না। আর সমালোচকদের তিনি কখনও গুরুত্ব দেন না। মনে করেন শত্রু।
বিশদ

19th  November, 2021
একনজরে
উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থেকে ডালখোলা পর্যন্ত ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে জোরকদমে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এই কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ...

আরও কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমের প্রবেশাধিকার। করোনা সংক্রমণের পর থেকে লোকসভা ও রাজ্যসভায় সংসদীয় কাজকর্ম কভার করার জন্য প্রেস গ্যালারিতে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। এবার করোনার প্রকোপ স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে এবং ক্রমেই সব স্বাভাবিক হওয়ার উপর কেন্দ্র যখন জোর ...

বিজেপি ছাড়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সোমবার তৃণমূলের এক অনুষ্ঠান মঞ্চে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতি সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিল। ...

হিমঘর খোলা রাখার সরকার নির্ধারিত সময়সীমা আজ মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। কিন্তু এখনও হিমঘরে ১০ লক্ষ টনের বেশি আলু মজুত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সময়সীমা বৃদ্ধি করার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গৃহসুখে মনে আনন্দ। শত্রুকে দুর্বল না ভেবে সতর্ক থাকুন। কর্মে বাধার মধ্যেই অগ্রগতির যোগ। অর্থকড়ি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর
১৮৫৮: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর জন্ম
১৮৬৬: জলের নিচে শিকাগোতে প্রথম হাইওয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়
১৮৭৪ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের জন্ম
১৯০৩ - কবি রাধারানী দেবীর জন্ম
১৯০৮: কবি বুদ্ধদেব বসুর জন্ম
১৯০৯: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তের মৃত্যু
১৯১৭: জগদীশচন্দ্র বসুর ৬০তম জন্মদিবসে কলকাতায়  বসু বিজ্ঞান মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন
১৯৩৩: নারীশিক্ষার পথপ্রদর্শক শিক্ষাবিদ মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮৪: অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবীর মৃত্যু
১৯৮৪: বিশিষ্ট তবলা শিল্পী রাধাকান্ত নন্দীর মৃত্যু
২০১২ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৯ টাকা ৭৫.৮১ টাকা
পাউন্ড ৯৮.২৪ টাকা ১০১.৬৬ টাকা
ইউরো ৮৩.০২ টাকা ৮৬.০৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী ৫০/২৭ রাত্রি ২/১৪। হস্তা নক্ষত্র ৩৬/১৭ রাত্রি ৮/৩৪। সূর্যোদয় ৬/৩/১১, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে। পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১। একাদশী  রাত্রি ৯/৫৩। হস্তা নক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
২৪ রবিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পার্কিং ফি দ্বিগুণ হচ্ছে শহরে
শহরের রাস্তায় পার্কিং ফি দ্বিগুণ হচ্ছে। প্রায় ১০ বছর পর ...বিশদ

08:29:12 AM

ছেলের অত্যাচারে আড়াই কোটির সম্পত্তি সরকারকে
ছেলের অত্যাচারে নাজেহাল হয়ে রাজ্য সরকারকে প্রায় আড়াই কোটি টাকার ...বিশদ

08:22:00 AM

আইসিএসই: পরীক্ষার প্রথম দিনেই সার্ভার বিভ্রাট
প্রশ্নপত্রে বিরাট জুজু না থাকলেও মসৃণভাবে শুরু হল না আইসিএসই ...বিশদ

08:15:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৭৫৯: নিজ মন্ত্রীর হাতেই নিহত হন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর ১৮৫৮: ...বিশদ

08:14:28 AM

শীঘ্রই শুরু হতে পারে করোনার বুস্টার ডোজ
আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যেই বাজারে আসতে পারে কোভিডের  বুস্টার ডোজ। সোমবার ...বিশদ

08:12:00 AM

আপনার আজকের দিনটি
মেষ: অর্থকড়ি উপার্জনের শুভ যোগ। বৃষ: সামাজিক কর্মে সাফল্য ও সুনাম ...বিশদ

08:05:49 AM