Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

দেশ জেনে গিয়েছে, এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। হতে পারে মার্চ-এপ্রিলে। ২০১১ এবং ২০১৬ সালের মতো ৬ দফায় ভোট হলে লম্বা সময় প্রয়োজন। অতএব ভোটের ঘোষণা আগামী মাসেই হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তৃণমূল ছাড়া বাকিরা যে এখনও যথেষ্ট দিশেহারা অবস্থায় রয়েছে তা অন্য দলগুলো নানাভাবেই বুঝিয়ে দিচ্ছে, রোজ। 
সবচেয়ে করুণ অবস্থা সিপিএমের। বামফ্রন্ট একা কিছু করতে পারবে না, সেটা তারা জানে। তাই ফের কংগ্রেসকে সঙ্গে পাওয়ার জন্য অনেক দিন ধরেই সাধ্য-সাধনা করছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র, বিমান বসুরা। প্রদেশ কংগ্রেসের বেশিরভাগ নেতারও তাতে আপত্তি ছিল না। কর্মী-সমর্থকদের চাওয়া-পাওয়ার ধার তারা কোনওদিনই ধারেননি। তবু হ্যাঁ, না—কোনওটাই বলছিলেন না প্রদেশ নেতারা। ঝুলিয়ে রেখেছিলেন অনেক দিন। হাইকমান্ডের হুকুমের দিকে তাকিয়ে। কারণ প্রদেশ নেতৃত্ব কী চায়, সেটা আবার হাইকমান্ড নামক রুগ্ন রাজবাড়ি তোয়াক্কা করে না। দিন কয়েক আগে সোনিয়া গান্ধীর মর্জির কথা রাহুলের কানে যায়। সেটা তিনি অধীর চৌধুরীকে রিলে করেন। অধীরও ঘোষণা করে দিলেন, ‘জোট হচ্ছে।’ হাত-এ ভোট দেওয়ার ‘অপরাধে’ একসময় যারা নিরীহ ভোটারের হাত পাঞ্জা থেকে কেটে নিয়েছিল, সেই দলের সঙ্গেই। আর যায় কোথায়! সিপিএম নেতারা আহ্লাদে আটখানা। যাক বাবা, সোনিয়া-রাহুল বাঁচালেন। এবার যৌথ আন্দোলন কর্মসূচিটুচি শুরু করা যাবে। 
কিন্তু আসন রফার কী হবে? বেলা বয়ে যায়। সিপিএম চটজলদি আলোচনা চায়। অমনি অধীরপন্থী কংগ্রেসিরা দাবি ভাসিয়ে দিলেন, অধীরকেই জোটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রোজেক্ট করতে হবে। তা না-হলে জোট তো শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে পিছিয়ে যাবে। কেননা, তৃণমূলের যত সমস্যাই থাক, মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়ে কোনও সমস্যা তাদের নেই। এমনকী বিজেপির মতো দাপুটে দলেরও আপাতত মূল মুসিবত হল মুখ্যমন্ত্রীর মুখ। সেই বিচারে জোট, বিজেপির থেকে এগিয়ে থাকবে এবং অন্তত এই একটা ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সমকক্ষ’ বলেও ভোটারদের সামনে গিয়ে দাঁড়াতে পারবে তারা। যাই হোক, সাধের জোটসঙ্গীর এহেন আবদারে সূর্যকান্ত মিশ্র-বিমান বসুরা প্রমাদ গুনলেন। অস্বস্তিতে পড়েছেন, বেশ বিরক্তও যে, তাও তাঁরা বুঝিয়ে দিলেন মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে। 
ভোট বড় বালাই। আলিমুদ্দিনের কর্তারা অনেক তৈলমর্দন করে অবশেষে রবিবার কংগ্রেস নেতাদের বৈঠকে বসালেন। তাতেও কী বিড়ম্বনা—যে কংগ্রেস ২০১৬-য় ৯২টা আসনে লড়েছিল, সেই তারাই এবার চেয়ে বসল ১৩০টা! বিহার ভোটে ‘দারুণ’ ফল করার সুবাদে বামেরা যখন পুনর্যৌবন অনুভব করছে, তখন পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের এই আবদার খানিকটা আস্ফালন হয়ে যাচ্ছে না কি? ২৯৪ থেকে কংগ্রেসকে যদি ১৩০ দিতে হয় তবে, বামফ্রন্ট শরিকদের কী দেওয়া হবে? জোটে যদি আরও কিছু দল ঢোকে, তাদের জন্য কী পড়ে থাকবে? আসলে সবটাই প্রেশার পলিটিক্স। ‘পুওর থার্ড’ হওয়ার স্বপ্নে মশগুল কংগ্রেস এবং সিপিএম। জোট করে ২০১৬-য় কংগ্রেস ৪৪টা এবং সিপিএম ২৬টা আসন পেয়েছিল। একা লড়ে বিজেপি পেয়েছিল ৩টে। পৃথিবী উল্টে না-গেলে এবার লড়াইটা হতে চলেছে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। উল্লেখযোগ্য বাকিদের মধ্যে কংগ্রেস ও সিপিএমের লড়াইটা সিম্পলি থার্ড পজিশনটা দখলের। তার জন্যই এই চাপ সৃষ্টির কৌশল। 
অন্যদিকে, বিজেপিও প্রেশার পলিটিক্স করছে অন্য কায়দায়। অমিত শাহ এবং জে পি নাড্ডা চাপে রাখতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁরা চান বাংলার নেত্রীকে নার্ভাস করে দিতে। নার্ভের লড়াইয়ের মাধ্যমে শেষ হাসি হাসার প্ল্যান করেছেন মোদিজির ডান হাত, বাম হাত। বছর পয়লা স্বয়ং অমিত শাহ ‘নীলবাড়ি’ দখলের টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন। কমপক্ষে ২০০ আসন চান। পার্টির ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতেই নাকি পদ্ম শিবির এতটা আশাবাদী। ২০১৯ লোকসভা ভোটের আগে শাহ বাংলার জন্য টার্গেট দিয়েছিলেন ২২। দিলীপ ঘোষরা হতাশ করেননি। ১৮টা কেন্দ্রে তাঁরা পদ্ম ফুটিয়ে ছেড়েছিলেন। ওই ভোটের নিরিখে ১২১টা বিধানসভা আসনে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। 
দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের ‘কার্যকর্তারা’ ধরে নিচ্ছেন, লোকসভা ইলেকশনের সময় বাংলায় বিজেপির যে ভিত তৈরি হয়ে গিয়েছে সেটা অটুট রয়েছে; ওইসঙ্গে গত দেড় বছরে আরও কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। নবান্ন দখলের ‘ম্যাজিক ফিগার’ হল ১৪৮। কিন্তু লাস্ট ল্যাপ পেরবার মতো ঠ্যাঙের জোর কি হয়েছে বিজেপির? এই প্রশ্নই তাড়া করে ফিরছে মোদি বাহিনীকে। রাজ্য বিজেপিকে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেও হয়তো ভরসা হচ্ছে না তাদের। অতএব শেষ কৌশল প্রেশার পলিটিক্স। 
প্রথমেই বাংলার মানুষকে শাহ খাওয়াবার চেষ্টা করলেন, ‘আমরা অন্তত ২০০’ আসন নিয়ে আসছি! মানে, ন্যূনতম প্রয়োজনের চেয়ে ঢের বেশি পাচ্ছি। কে না জানে এই হিউম্যান সাইকোলজি—‘জয়, মামার জয়’ বলতে পারার অধিক তৃপ্তি কোনও কিছুতেই খুঁজে পায় না মানুষ। ভূমিষ্ঠ হওয়াটাই একটা যুদ্ধ। ওই যুদ্ধজয়ের পর থেকেই মানুষকে নিত্য আরও অগুনতি ভয়ানক যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে এগতে হয়। সবাই জেতার জন্যই যুদ্ধ করে। কিন্তু জয় ক’জন আর পায়, ক’টা ক্ষেত্রে পায়? সীমাহীন দারিদ্র্য আর অকালমৃত্যুর মিছিলেই এর উত্তর নিহিত। তাই দুঃখী মানুষ তৃপ্তি খুঁজতে, সামনে আসা যে-কোনও জয়ের অংশীদার হতে চায়। তাতে বস্তুগত লাভ নাই-বা হল, ‘জয়ের অংশীদার আমি’—এই বোধটাই মানুষকে আরও কিছুদিন বেঁচে থাকার রসদ জোগায়। বিজেপি হাতিয়ার করতে চায় এই মনস্তত্ত্বকে। 
প্রথমে শুরু করেছিল কয়েকটা সেন্ট্রাল এজেন্সিকে দিয়ে কিছু তৃণমূল নেতার শ্রীঘরবাসের ব্যবস্থা। তারপর পাড়ায় পাড়ায় পায়ে পা বাধিয়ে বিবাদ-সংঘর্ষ। ছোট ছোট জনসভা। ক্রমে আমদানি করল দলিত বাড়িতে অন্নগ্রহণের ‘উদারতা’। অতঃপর দিল্লি থেকে একের পর এক নেতাকে এনে সভা করে ‘সমর্থক’ জড়ো করার কম্পিটিশনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে টেক্কা দেওয়ার চেষ্টা। দলবদলে উৎসাহ দেওয়া এবং কতকাংশে হয়তো বাধ্যও করা। দেড় বছর যাবৎ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরকে নজিরবিহীনভাবে ব্যবহার করা। একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদকে লাগাতার দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেই নিন্দার ঝড় বইছে। তবু কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যপাল যেন নির্বিকার। এমনকী মাঝেমধ্যে ৩৫৬ ধারারও ভয় দেখানো হচ্ছে মমতার সরকারকে। 
এসবের মধ্য দিয়ে মোদির পার্টি যখন ‘দিগ্বিজয়ের’ ব্যাপারে অনেকখানি আশাবাদী, তখনই বাংলার আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ২০০ আসন জয়ের ফানুস। ব্যাপারটাকে আরও এস্টাবলিশ করার জন্য ‘ভাবী মুখ্যমন্ত্রী’র অফিস (সিএমও) গোছানোরও একটা নকশা বাজারে ছেড়ে দিয়েছে তারা। তাদের তরফে দাবি করা হয়েছে, ২০১৪ সালে প্রথম মোদি সরকার গঠনের আগেও নাকি প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও) গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে রেখেছিল বিজেপি। এবার আরও শুরু হয়ে গিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে সামনে রেখে নবান্নের উপর নানাভাবে চাপসৃষ্টি। যেমন নিয়মিত আইনশৃঙ্খলার রিপোর্ট দাবি। রাজ্যের সিইও দপ্তরের উপর কমিশনের কড়া নজরদারি। এমনকী ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহারে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণই কায়েম করতে চায় বিজেপি। তাই রাজ্যকে একটা ‘মউ’ স্বাক্ষর করার জন্য বিস্ময়কর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে। 
এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়েও যে বিজেপি আর বিপাকে নেই—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগঠনের গোত্রে উঠে এসেছে—সেটা বুঝিয়ে দিতেই হয়তো সম্প্রতি এক নাটক করেছে তারা। বিজেপির এক এমপি দলের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দিলীপ ঘোষের নাম ঘোষণা করে বসেছেন। যদিও তা নিয়ে প্রত্যাশিত ‘ভর্ৎসনা’র কৌশলও আমরা দেখেছি। ভোটের মুখে পাল্টিবাজদের নিয়েও বিজেপির ভিতরে জোর অশান্তি চলছে। বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। সেখান থেকে তৃণমূলের প্রার্থী জননেত্রীই স্বয়ং। 
২০১৬ সালে তৃণমূল ২১১টা আসনে জিতেছিল। ১৭ জানুয়ারি অনুব্রত মণ্ডল তারাপীঠে পুজো দিয়ে মায়ের কাছে দলের জন্য ২২০টা আসন জয়ের আবেদন করেছেন। অনুব্রতর দাবি, মা সেটা মঞ্জুর করেছেন। ২০১৬-তে চেয়েছিলেন ২১০-২২০টা, মা দিয়েছিলেন ২১১। 
নার্ভের এই লড়াই আগামিদিনে আরও আকর্ষণীয় হতে চলেছে (শুধু রক্তপাত/অশান্তি না-হলেই চলবে)। আমাদের নজর সেদিকেই থাক। 
20th  January, 2021
নন্দীগ্রাম নয়, মমতার চ্যালেঞ্জ একলপ্তে ২৯১
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

মোক্ষম জবাবটা দিয়েছেন ওমর আবদুল্লা। গত শনিবার বেহালার মুচিপাড়ায় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে পশ্চিমবঙ্গটা কাশ্মীর হয়ে যাবে।’ ২০১৯ সালে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিদায় নেওয়ার পর থেকে ওমর আবদুল্লা ভালোই ভুগছেন। 
বিশদ

অর্থনীতির পাশাপাশি স্বাধীনতাও বিপন্ন
পি চিদম্বরম 

ভারতীয় অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কি না তা একটা বিতর্কের বিষয়। চলতি অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধির যে এস্টিমেট ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস অফিস (এনএসও) দিয়েছে, সরকার সেটাকে ‘সেলিব্রেট করছে’। 
বিশদ

08th  March, 2021
বাইশে উত্তরপ্রদেশে কুড়ি
দফায় ভোট হবে তো!
হিমাংশু সিংহ 

প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে শুরু করেছে। খেলেঙ্গে, লড়েঙ্গে, জিতেঙ্গে আবেগে ভাসছে নন্দীগ্রাম। সব পক্ষই বলছে, খেলা হবে। বাংলা ও বাঙালির ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়ঙ্কর নির্ণায়ক খেলা। বহিরাগত শক্তি বনাম হাসিমুখে ঘরের মেয়ের লড়াই। তবে বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়েই খেলতে হবে। তাকে আক্রান্ত করে, জখম করে নয়। 
বিশদ

07th  March, 2021
যেখানে ‘ডবল ইঞ্জিন’
সেখানেই হেরেছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

বিজেপির নেতাদের মুখে ‘ডবল ইঞ্জিন’-এর প্রশংসার ফুলঝুরি ফুটছে। তাঁরা বোঝাতে চাইছেন, কেন্দ্রে ও রাজ্যে একই দলের সরকার থাকলে প্রচুর উন্নতি হবে। কলকারখানা হবে। চাকরি হবে। মাস্টারমশাই, সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়বে। 
বিশদ

06th  March, 2021
বিদায় শ্রেণিসংগ্রাম, স্বাগত টুম্পা
সমৃদ্ধ দত্ত

আত্মীয় অথবা পরিবারের মধ্যে কিছু কিছু বিশেষ ব্যক্তিকে দেখা যায়, যাঁরা কোনও একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর সেটি যে শ্রেষ্ঠ, সেকথা উচ্চৈঃস্বরে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। অন্যদের মতামত অথবা মৃদু বিরোধিতাকে পাত্তা দেন না তাঁরা। কিন্তু পরে যখন প্রমাণ হয় যে, ওই সিদ্ধান্ত শুধু যে ভুল ছিল তা‌ই নয়, গোটা পরিবারের পক্ষেও ক্ষতিকর হয়ে গিয়েছে, তখনই বিড়ম্বনার সৃষ্টি। 
বিশদ

05th  March, 2021
নদীবাঁধ রক্ষাই সুন্দরবনের অস্তিত্বের প্রধান শর্ত
কান্তি গাঙ্গুলী

প্রাচীন ইতিহাসে টলেমি ও মেগাস্থিনিসের বিবরণে গঙ্গারিডি বলে যে ভূখণ্ডের উল্লেখ পাওয়া যায়, আজকের সুন্দরবন ও তৎসংলগ্ন নিম্নগাঙ্গেয় উপত্যকা সম্ভবত সেই ভূখণ্ডই। কলকাতার এন্টালি অঞ্চলটির নামকরণের পিছনে হেঁতাল গাছের প্রভূত উপস্থিতির কারণও হয়তো বিদ্যমান।  
বিশদ

04th  March, 2021
গোল্লায় যাবে শিল্প-সংস্কৃতি
ব্রাত্য বসু 

বাংলা ও তার সংস্কৃতি বাঁচাতে গেলে বহিরাগত এই বিজেপি রাজনীতিকে ঠেকাতেই হবে। বিজেপি কখনও বাংলায় এসে রবীন্দ্রনাথের জন্মস্থান বদলে দিচ্ছে, কখনও বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে তছনছ করছে, কখনও চৈতন্যদেবের মৃত্যুর অন্তত দুশো বছর পরে তাঁকে কাটোয়ায় জীবিত করে তুলছে, কখনও আবার বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষণে ঔপন্যাসিক না লিখে বলছে ‘উপনিবেশিক’। 
বিশদ

04th  March, 2021
মোদির সব প্রতিশ্রুতি যেন গল্পদাদুর আসর
সন্দীপন বিশ্বাস 

হঠাৎই জহর রায়ের একটি কৌতুক নকশা মনে পড়ল। এক ভদ্রলোক একটি ঘর ভাড়া নিতে গিয়েছেন। ঘর দেখে পছন্দও হয়েছে। দু’টি ঘর, রান্নাঘর, সঙ্গে আলাদা বাথরুম। কিন্তু ভাড়া শুনে ভদ্রলোকের মাথার চুল খাড়া হয়ে গেল। ভাড়া ৫০০ টাকা।  
বিশদ

03rd  March, 2021
৮ দফার পর নিশ্চয়ই রিগিংয়ের
অভিযোগ উঠবে না!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেশন সাহেব, বড্ড মিস করছি আপনাকে। আপনি বলতেন, ‘গণতন্ত্র হল এমন একটা ব্যবস্থা, যেখানে আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে বলবৎ থাকবে।’ সব মানুষের জন্য। সব রাজনৈতিক দলের জন্য। আপনি প্রমাণ করেছেন, এটা ছেলে ভুলানো গল্প নয়।  
বিশদ

02nd  March, 2021
আদালতগুলি স্বাধীনতার ঘণ্টাধ্বনি দিচ্ছে
পি চিদম্বরম

ঠিক যখন আমরা আশা ছেড়ে দিচ্ছি, তখনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে ব্যক্তি স্বাধীনতার বর্মটা হারিয়ে যায়নি। আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কিত স্বাক্ষর হয়েছিল ১৭৭৬-এর ৪ জুলাই। 
বিশদ

01st  March, 2021
কে প্রধান শত্রু, আজ ব্রিগেডে
পরিষ্কার করুক সিপিএম 
হিমাংশু সিংহ

প্রয়াত সলিল চৌধুরী আজ বেঁচে থাকলে ‘টুম্পা সোনা’ শুনে কী বলতেন জানি না। তবে তাঁর ‘ও আলোর পথযাত্রী’ কিংবা ‘ঢেউ উঠছে কারা টুটছে’ যে এত তাড়াতাড়ি ব্রাত্য হয়ে যাবে কে ভেবেছিল! অভাবে স্বভাব নষ্ট আর দুর্দিনে চরিত্র। তাই আর ঘোমটার তলায় খ্যামটা নাচ নয়। 
বিশদ

28th  February, 2021
মমতাকে ঠেকাতে শেষে ‘রামধনু’ জোট
তন্ময় মল্লিক

‘এই বাংলা যতটা আব্বাস সিদ্দিকির ততটাই দিলীপ ঘোষের। দক্ষিণ ভারত থেকে এসেছেন ওয়াইসি, তাঁরও ততটাই অধিকার।’এখানে শেষ হলে মনে হতো, এটি কোনও ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের বক্তব্য। উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়েছে এর পরের কথায়, ‘ওয়াইসি এসে এখানে মিম তৈরি করলে দিদিমণির টেনশন হচ্ছে কেন? 
বিশদ

27th  February, 2021
একনজরে
কেন্দ্রের পেট্রল-ডিজেল-রান্নার গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সরব হয়েছে গোটা বাংলা। সেই পথেই সোমবার গাড়ি ছেড়ে সাইকেলে অভিনব প্রচার শুরু করলেন ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ...

সম্প্রতি চাকুলিয়া ও ডালখোলায় তৃণমূলের অন্দরের কোন্দল সামনে এসেছিল। কিন্তু ভোটের মুখে সেই দলীয় অসন্তোষ যাতে সামনে না আসে, সেজন্য তৎপর হয়েছেন দলের উত্তর দিনাজপুর জেলার সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। ...

নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে প্রথম লেগে শেষপর্বে গোল হজম করেছিল এটিকে মোহন বাগান। রক্ষণের সেই ভুল কিছুতেই মানতে পারছেন না কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। শেষ ...

ভোটের আগেই বাংলায় জাল টাকা ছড়ানোর আন্তঃরাজ্য চক্রের হদিশ পেল পুলিস। কুলটি থানা এলাকা থেকে ৭৮ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধারের ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৫৪: আমেরিগেডস পুচির (তাঁর নামানুসারে আমেরিকার নাম করন হয়) জন্ম
১৮৫৮: দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফারি রেঙ্গুনে নির্বাসিত
১৯৩৪: মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিনের জন্ম
১৯৫১: তবলাবাদক জাকির হুসেনের জন্ম
১৯৫৯: নিউ ইয়র্কে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল টয় ফেয়ারে আত্মপ্রকাশ করল বার্বি ডল
১৯৬১: মহাকাশ যান স্ফুটনিক ৯-এর সফল উৎক্ষেপণ
২০১২: বলিউড অভিনেতা ও পরিচালক জয় মুখার্জির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৩৯ টাকা ৭৪.১০ টাকা
পাউন্ড ৯৯.৪৩ টাকা ১০২.৯২ টাকা
ইউরো ৮৫.৬০ টাকা ৮৮.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৫, ১৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪২, ৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৩, ৫০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ ফাল্গুন, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১। একাদশী ২২/৪৯ দিবা ৩/৩। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র ৩৬/৫৬ রাত্রি ৮/৪১। সূর্যোদয় ৫/৫৫/১, সূর্যাস্ত ৫/৩৯/৪৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/১৫ গতে ১০/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৭ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/১৯ গতে ৪/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৫ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ১/৪৮ গতে ৩/২৫ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৩ গতে ৮/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১০ গতে ৮/৪৩ মধ্যে।  
২৪ ফাল্গুন ১৪২৭, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১। একাদশী অপরাহ্ন ৪/১৫। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ৯/৫৪। সূর্যোদয় ৫/৫৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৯। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১২/৫৪ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/১৯ গতে ৪/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩২ মধ্যে ও ৮/৫৫ গতে ১১/১৭ মধ্যে ও ১/৪০ গতে ৩/১৫ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৫ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/১৬ গতে ২/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৪৪ মধ্যে।  
২৪ রজব। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল : টাইব্রেকারে ম্যাচ জিতে ফাইনালে মুম্বই সিটি এফসি
 

08-03-2021 - 10:36:07 PM

আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনাল গড়াল অতিরিক্ত সময়ে
 

08-03-2021 - 09:38:35 PM

ফের কলকাতা মেট্রোতে চালু হচ্ছে টোকেন ব্যবস্থা
ফের আগামী ১৫ মার্চ থেকে কলকাতা মেট্রোতে চালু হচ্ছে টোকেন ...বিশদ

08-03-2021 - 09:05:49 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি ০ – গোয়া ০ (হাফটাইম) 

08-03-2021 - 08:26:33 PM

কাশীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী কমলাকান্ত হাঁসদা  

08-03-2021 - 07:57:48 PM

স্ট্যান্ড রোড সংলগ্ন বহুতলে আগুন
স্ট্যান্ড রোডে রেলের একটি ভবনে আগুন। জানা গিয়েছে, ওই বহুতলটির ...বিশদ

08-03-2021 - 06:58:00 PM