Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু কেন্দ্র সেটা করেনি, তার মতলবটা প্রকাশ করে ফেলেছে।
রাজ্যগুলোকে অবশ্যই কেন্দ্রীয় সহায়তা দিতে হবে
আমি কেন বলি যে অন্য সব রাস্তা ছেড়ে রাজ্যগুলোকে সহায়তা করার পথেই কেন্দ্রীয় সরকারের হাঁটা উচিত? কারণ, কেন্দ্র এবং রাজ্যের ক্ষমতা একেবারেই আলাদা:
১. নিজস্ব অধিকারে কেন্দ্রীয় সরকার টাকা ঋণ নিতে পারে। সেখানে রাজ্য সরকারগুলোকে ঋণ নিতে হয় কেন্দ্রীয় সরকারের আগাম অনুমতি নিয়ে।
২. সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী কেন্দ্রীয় সরকার নিজে ঋণ গ্রহণের সময় সুদের হার সর্বনিম্ন রাখার নির্দেশ দিতে পারে। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারগুলোকে বেশি সুদের হারে ঋণ নিতে হয়। এমনকী, বিভিন্ন রাজ্যের ক্ষেত্রে সুদের হারে তারতম্যও হতে পারে।
৩. আরও একটি ব্যাপার হল, কেন্দ্রীয় সরকার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের লভ্যাংশ ডিভিডেন্ড হিসেবে নেওয়ার অধিকারী। সাম্প্রতিককালে এমনও দৃষ্টান্ত রয়েছে যে, নিয়মানুযায়ী রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যতটা ডিভিডেন্ড দিতে চেয়েছিল তার চেয়েও বেশি পরিমাণ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে আরবিআইয়ের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। অন্যদিকে, আররিআইয়ের লাভের উপর রাজ্য সরকারগুলোর কোনও দাবি নেই।
৪. মুদ্রাকরণের মাধ্যমে বা টাকা ছাপিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার তার ঘাটতি পুষিয়ে নিতে পারে। এই ধরনের প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় সরকার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে টাকা ছাপানোর নির্দেশ দেয় এবং ছাপানো টাকা কেন্দ্রীয় সরকারকে হস্তান্তর করতে বলে। রাজ্য সরকারগুলোর এই ধরনের কোনও সার্বভৌম ক্ষমতা নেই।
সুতরাং আর্থিক সঙ্কটের কালে রাজ্য সরকারগুলোর সহায়তা প্রয়োজন। রাজ্যগুলো জিএসডিপির (গ্রস স্টেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা রাজ্যের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন) ৩ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারে। ২০২০-২১ অর্থবর্ষের ক্ষেত্রে অনুমান করা যায় যে প্রতিটি রাজ্যের এই ঋণ নেওয়ার ঊর্ধ্বসীমাটা পেরিয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ রাজ্যগুলি আর ‌ই঩চ্ছে করলেও ঋণ নিতে পারবে না। তার ফলে রাজ্য সরকারগুলো ঋণ গ্রহণের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোর আর্জি রেখেছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ঋণ গ্রহণের ঊর্ধ্বসীমা মাত্র ০.৫ শতাংশ বাড়িয়েছে। বেশিরভাগ রাজ্যই, হয়তো-বা সব রাজ্যই, এবছর এই বর্ধিত সীমার পুরোটা ব্যবহার করে ফেলবে। এর অতিরিক্ত ঋণ নিলে সেটা রাজ্যগুলির পক্ষে বোঝা হয়ে যাবে। সেই ঋণ গ্রহণের জন্য যেসব শর্ত রয়েছে, তা পূরণ করার জন্য কোনও রাজ্যই প্রস্তুত নয়, বিশেষ করে এই অর্থবর্ষে।
বিশ্বাসের ভিত্তিতে বন্দোবস্ত
জিএসটি চুক্তিটা হল কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারগুলোর মধ্যে কর সংক্রান্ত একটা বন্দোবস্ত, যেটা অনেক বছরের আলোচনা-বিতর্কের মাধ্যমে স্থির করা হয়েছে। এই বন্দোবস্তের ভিত্তি হল বিশ্বাস। আইনের যেমন একটা ভাষা আছে, তেমনি রয়েছে আইনের অন্তর্নিহিত ভাব। রাজ্যগুলোর কোষাগারের জন্য মূল্যযুক্ত কর (ভ্যাট) ছিল একটা কামধেনু। রাজ্যগুলোর কোষাগার ভরিয়ে দিত। এছাড়া এন্ট্রি ট্যাক্সের মতো কিছু কর কেন্দ্র এবং রাজ্য উভয়ের কোষাগারের জন্য ছিল আশীর্বাদ। জিএসটি চালুর সময় এই যাবতীয় ক্ষমতা একটি কাউন্সিলের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যাপারে রাজ্যগুলোকে রাজি করানো হয়েছিল। উল্লেখ্য যে, ওই কাউন্সিলে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ভেটো’ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। এর প্রতিদান স্বরূপ কেন্দ্রীয় সরকার দু’টো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল: (১) বিক্রয় কর তুলে দেওয়ার পর ভ্যাট যেমন বেড়েছিল, জিএসটি সূত্রে রাজস্বও ঠিক তেমনি হারে বাড়বে। (২) যদি রাজস্ব বৃদ্ধির হার ১৪ শতাংশের নীচে নেমে যায়, তবে প্রথম পাঁচ বছর কেন্দ্র সেই ঘাটতির পুরোটাই  পূরণ করে দেবে ‘ক্ষতিপূরণ’ হিসেবে।
রাজ্যগুলোকে এই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দায়বদ্ধতাটা কোনও মৌখিক ব্যাপার নয়, এটা আইনসিদ্ধ রূপে লেখাজোকা রয়েছে। জিএসটি সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে জিএসটি কমপেনসেশন ফান্ড নামে একটা তহবিলও গড়া হয়েছে। এই ব্যবস্থাটা নেওয়া হয়েছিল বাধ্যবাধকতা হিসেবে, কোনও শর্তনির্ভর ব্যবস্থা হিসেবে নয়। অর্থমন্ত্রী এবং তাঁর অফিসাররা এই দিকটি তাঁদের সুবিধামতো এড়িয়ে যাচ্ছেন।
এই তহবিল যে-কোনও বছরে উদ্বৃত্ত হতে পারে অথবা পাঁচ বছর শেষে ঘাটতিও হতে পারে। যদি এই তহবিলে পাঁচ বছর পর কিছু উদ্বৃত্ত হয় তবে তার ৫০ শতাংশ অর্থ কেন্দ্রীয় সরকারকে হস্তান্তর করতে হবে। কিন্তু যদি ঘাটতি হয় তখন কী করা হবে? বিষয়টি নিয়ে জিএসটি কাউন্সিলে লম্বা বিতর্ক হয়েছিল। উল্লেখযোগ্য বিতর্ক হয়েছিল কাউন্সিলের সপ্তম, অষ্টম এবং দশম মিটিংয়ে। ২০১৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম বৈঠকে এই আলোচনায় ইতি পড়ে। সেদিন স্বাক্ষরিত কার্যবিবরণীর ৬.৩ অনুচ্ছেদে লেখা হয়েছিল:
‘‘৬.৩. তেলেঙ্গানা থেকে আগত মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন, ক্ষতিপূরণ আইনটিতে এই ব্যবস্থা রাখতে হবে যে, ক্ষতিপূরণ তহবিলে টাকার ঘাটতি হলে তা অন্য সূত্রে সংগ্রহ করতে হবে। সচিব বলেছেন, খসড়া ক্ষতিপূরণ আইনের ৮(১) ধারায় এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যে, পাঁচ বছর ধরে ‘সেস’ সংগ্রহ করা যেতে পারে, অথবা সংগ্রহ করা যেতে পারে কাউন্সিলের সুপারিশ মতো সময়ের জন্য। তিনি বলেছিলেন, প্রকারান্তরে এটাই দাঁড়াবে যে ক্ষতিপূরণের অর্থ জোগাড়ের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার অন্য উপায়ে সম্পদ সংগ্রহ করতে পারবে এবং এটা পুষিয়ে দেওয়া যেতে পারে পাঁচ বছরের পরেও ‘সেস’ চালু রেখে। তিনি বলেছিলেন, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য বাজার থেকে ঋণ গ্রহণের সম্ভাবনার মতো আরও কিছু সিদ্ধান্ত ছিল অষ্টম বৈঠকের কার্যবিরণীর অংশ। কাউন্সিলের অষ্টম বৈঠকটা হয়েছিল ২০১৭ সালের ৩ ও ৪ জানুয়ারি। বলা হয়েছিল যে, এটা আইনে যুক্ত করা প্রয়োজন।  এই পরামর্শের ব্যাপারে কাউন্সিল সেদিন সহমত হয়েছিল।’’
দ্ব্যর্থহীন সিদ্ধান্ত
কী সিদ্ধান্ত হয়েছিল সেটা নিয়ে কোনও সংশয় থাকতে পারে না। ‘ক্ষতিপূরণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার অন্য কোনও উপায়ে সম্পদ সংগ্রহ করতে পারত’, যার মধ্যে ‘ক্ষতিপূরণের জন্য বাজার থেকে টাকা ধার নেওয়ার সম্ভাবনা’ও ছিল। কোনও প্রকার কূটতর্ক ‘রেকর্ড’ পাল্টে দিতে পারে না। ধার করার জন্য রাজ্যগুলোকে ‘দু’টো অপশন’ কেন্দ্র দিয়েছে—এটা একটা প্রতারণামূলক কাজ। প্রতিটা রাজ্যের চলতি বছরের রাজস্ব বাজেটে একটা ছিদ্র রয়ে গিয়েছে। ধার গ্রহণ এই ছিদ্র বন্ধ করবে, কিন্তু রাজ্যের মূলধনী হিসাবে এটাকে ‘ঋণ’ হিসেবে দেখানো হবে। রাজ্যকে এর সুদ গুনে যেতে হবে এবং শেষমেশ এই ঋণ পরিশোধও করতে হবে। যদি রাজ্য ধার না করে এবং কেন্দ্র ক্ষতিপূরণ না দেয় তবে এই ছিদ্র ছিদ্রই থেকে যাবে। এবং, এর অনিবার্য পরিণতি এটাই হবে যে চলতি বছরে রাজ্য তার মূলধনী ব্যয় অথবা জনকল্যাণ খাতের ব্যয় ছেঁটে ফেলবে। এই দু’টোর কোনওটাই কিন্তু কাম্য নয়। 
রাজ্যগুলো ঠিক কাজই করেছে—দু’টো অপশনই খারিজ করে দিয়ে এবং এই ছিদ্র পূরণের সম্পদ জোগাড়ের ব্যবস্থা কেন্দ্রকে করতে বলে। কেন্দ্র কি তার দায়িত্ব পালন করবে, না কি ‘মাই ওয়ে অর দ্য হাইওয়ে’ (হয় আমার কথা মনো, নয়তো ভাগো’) খেলা খেলবে? 
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। মতামত ব্যক্তিগত 
21st  September, 2020
কৈলাসে ফিরতে
মন চাইবে না মা
হারাধন চৌধুরী

আমাদের পাশে থেকো মা। তোমাকে কথা দিচ্ছি, আগামীবার এসে দেখবে—আমাদের এই পৃথিবীর সমস্ত অসুখ সেরে গেছে। আমাদের কারও মধ্যে ছোঁয়াছুঁয়ির ভয় নেই, কোনওরকম ছুঁৎমার্গ নেই। বিশদ

মূকরাই সরব হবেন যথাসময়ে
পি চিদম্বরম

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যে পৃথিবী বিপুলভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে সেখানে দরিদ্র বা গরিব রয়ে যাওয়াটা এক দুর্ভাগ্য। একটা দরিদ্র দেশে দরিদ্র থাকাটা গণতন্ত্রের ব্যর্থতা। আর একটা গরিব দেশের গরিব রাজ্যে দরিদ্র থেকে গেলে তাকে রাজনীতির অভিশাপ মানতে হবে।  বিশদ

28th  October, 2020
বিহারের ভোটে অনেক পাখি মারার ছক মোদির
সন্দীপন বিশ্বাস

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের খবর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, বিজেপি সেখানে কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছিল। সমস্তিপুর, বেগুসরাই, জামুই, ভাগলপুর, মুঙ্গের, খাগাড়িয়া, লক্ষ্মীসরাই ঘুরে দেখেছিলাম, পতাকা, ফেস্টুন, ফ্লেক্স দিয়ে বিজেপি শহর মুড়ে দিয়েছে। বিশদ

28th  October, 2020
উৎসব এবার চেতনার
মৃণালকান্তি দাস 

মন খারাপ। খুব মন খারাপ। সব আছে। অথচ কী যেন নেই! জীবনটা যেন এখন লুডোর গুটি। রোজ শুধু ওঠা-নামার খেলা। সবসময় মনে আতঙ্ক। যত না সংক্রমণে তার থেকে অনেক বেশি প্রিয়জনের থেকে দূরে চলে যাওয়ার। সেই নীলকণ্ঠ পাখিটা উড়ে গিয়েছে অজানা কোন অচিনপুরে। কিন্তু এই দুঃসময়েও মানুষ আগামীদিনের সুদিনের জন্য বুক বাঁধে। তাই তো এবারও মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল পুজোর তোড়জোড়।   বিশদ

23rd  October, 2020
বেদ, পুরাণে বন্দিতা মহামায়া দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

 একদা দেবাসুর-সংগ্রামে ব্রহ্মশক্তির প্রেরণায় জয় হল দেবতাদের। একে বিজয় মহিমা মনে করে অগ্নি, বায়ু, বরুণ ও চন্দ্র এই চার দেবতা অহংকৃত ও গৌরবান্বিত হন। তাঁদের মুখমণ্ডলে কর্তৃত্বের পরিতৃপ্তি। বলদর্পে আচ্ছন্ন হয়ে সেই অমরবৃন্দ ভুলে গেলেন ব্রহ্মশক্তির কথা, যাঁর শক্তি ও অনুকম্পায় তাঁরা এতকাল শক্তিমান। বিশদ

22nd  October, 2020
বাৎসরিক আয়ু ক্রয়ের হাট
হারাধন চৌধুরী

 এবার পুজো হওয়াটা জরুরি। নিয়মরক্ষার হলেও। অন্যথায়, বাঙালি আরও বিষাদে ডুবে যাবে। উৎসব হলে মানুষের কেনাকাটা কিছুটা বাড়বে। যার ভিতরে অর্থনীতির জন্য সুখবর লুকিয়ে থাকে। বিশদ

22nd  October, 2020
পুজো হোক, লকডাউনে থাকুক উৎসব
সন্দীপন বিশ্বাস

এবার আমাদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আমাদের জয়ী হতেই হবে। তাই এবারের পুজো হোক অন্য পরিবেশে, অন্য মানসিকতায়। বাড়িতে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে একটু আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং টিভিতেই হোক ঠাকুরদেখা। বিশদ

21st  October, 2020
প্রতিবাদে মাথা নোয়ায় পর্বতও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 নোট বাতিল কিংবা জিএসটির ক্ষেত্রে যে ডোন্ট কেয়ার দাপট মোদি সরকার দেখিয়েছিল, তা আপাতত উধাও। সব ইস্যুতেই এখন বিরোধীদের চরম বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। যা তাদের ‘একচ্ছত্র’ ইমেজে বড়সড় একটা দাগ! বিশদ

20th  October, 2020
বৃদ্ধি ছাড়াই সংস্কার
পি চিদম্বরম

একটা ব্যাপারে সবাই একমত হতে পারি যে, নিজের মত, নীতি ও কাজের প্রচারে কোনও শাসক দল এবং সরকার—বিজেপি অথবা মোদি সরকারের মতো সফল হয়নি। এবং, এই উদ্দেশ্যে তারা যে-কোনও পরিমাণ টাকা খরচ করবে, যত দরকার কাউকে উৎপীড়ন করবে, যতটা প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে হুমকির মুখে রাখবে এবং যে-কোনও প্রতিষ্ঠানকে দমিয়ে রাখবে। অতিশয়োক্তিটা ওদের কাছে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।   বিশদ

19th  October, 2020
অনেক হারানোর পুজো
হিমাংশু সিংহ

পুজোর ছুটির একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকে। উৎসবের অনেক আগে থেকেই সেই গন্ধে ম ম করে বাংলার গাঁ গঞ্জ থেকে শহর সর্বত্র। সেই গন্ধের সঙ্গে আগমনি মিশে তৈরি হয় অদ্ভুত ঘোর লাগানো একটা অপেক্ষার। মা আসছেন। বাঙালির অনেক না পাওয়া ক্ষতবিক্ষত জীবনে এর চেয়ে পরম প্রাপ্তির আর কিছুই হতে পারে না। সেই অপেক্ষার সঙ্গেই মিশে যায় বিদেশে কাজ করা দত্ত বাড়ির ছেলে, দূরে বিয়ে হওয়া পাশের বাড়ির হেমন্তদার মেয়ের ঘরে ফেরার খুশি। 
বিশদ

18th  October, 2020
করোনা রোখার মন্ত্র ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’ 
তন্ময় মল্লিক

করোনা মোকাবিলায় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলার ও মাস্ককে জীবনসঙ্গী করার পরামর্শ হচ্ছে উপেক্ষিত। সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ। সকলের নজর সেই দিকেই। তাতে সাহসী হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে বেপরোয়া ভাব। এগিয়ে আসছে বাংলার ভোট। প্রকট হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষমতা দখলের বাসনা। করোনার মধ্যেও ইস্যু পেলেই আন্দোলন। না থাকলে তৈরির চেষ্টা। অভিমুখ রাজ্যপাট। তাই কথায় কথায় মিছিল আর লড়াই।  
বিশদ

17th  October, 2020
অতিরিক্ত দিল্লি নির্ভরতাই বঙ্গ-বিজেপির সঙ্কট
সমৃদ্ধ দত্ত

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতো ঝোড়ো আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করেননি আর কেউই। সবেমাত্র দেশ স্বাধীন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু-স্রোত। এই সঙ্কটের মধ্যেই তাঁকে কাজ করতে হয়েছে। তাঁকে অভীধা দেওয়া হয় বাংলার রূপকার। কিন্তু ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান অভিযোগ ছিল, তিনি কৃষিকে অবহেলা করেছেন। তাঁর ১৪ বছরের শাসনকালে তিনি যতটা উন্নতিসাধন করেছিলেন শিল্পে, সেই তুলনায় কৃষির উন্নয়ন কম হয়েছে।  
বিশদ

16th  October, 2020
একনজরে
কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহল, বিশেষ করে দুই মুসলিম দেশের কাছে বড় ধাক্কা খেল পাকিস্তান। জম্মু ও কাশ্মীরের উপর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মঙ্গলবার ইরানে কালা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইমরান খানের সরকার। এমনকী, সৌদি আরবের রিয়াধেও সেই ...

করোনা আবহেও লক্ষ্মীর আরাধনার বাজেটে খামতি পড়েনি। এমনকী বাইরে থেকে চাঁদা আদায়ও নয়। গ্রামবাসীরাই বছরভর মাটির ভাঁড়ে যে টাকা জমিয়েছেন, তাতেই হচ্ছে পুজোর আয়োজন। ...

সংবাদদাতা, পতিরাম: ১৯৩৩ সালের ২৮ অক্টোবর। অবিভক্ত ভারতের হিলি স্টেশনে দার্জিলিং মেলে লুটপাট চালিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের কাজে লেগেছিল সেই ‘লুটের টাকা’।   ...

ট্যুইটারে লাদাখকে চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এনিয়ে ভারতের যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রশ্নের মুখে ট্যুইটার ইন্ডিয়া। তাদের তরফে বিষয়টি নিয়ে এই মাইক্রোব্লগিং সাইট কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়। যার উত্তরে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ট্যুইটার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এ ব্যাপারে তারা ভারতের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস
১৯৬৯: ইন্টারনেটের আগের স্তর আরপানেটের আবিষ্কার
১৯৭১: অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটার ম্যাথু হেডের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রীমা সেনের জন্ম
১৯৮৫: বক্সার বিজেন্দর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৮: সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৯৯: ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু
২০০৫: দিল্লিতে পরপর তিনটি বিস্ফোরণে অন্তত ৬২জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৪.৪৭ টাকা ৯৭.৮৪ টাকা
ইউরো ৮৫.২৮ টাকা ৮৮.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫১,৮১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,১৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী ২৩/৫২ দিবা ৩/১৬। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র ১৫/৪১ দিবা ১২/০। সূর্যোদয় ৫/৪৩/১৬, সূর্যাস্ত ৪/৫৭/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/১৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১০ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১২ কার্তিক, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ত্রয়োদশী দিবা ৩/২১। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ১/১২। সূর্যোদয় ৫/৪৪, সূর্যাস্ত ৪/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৮ মধ্যে ও ১/১১ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১৪ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৫/৪৫ মধ্যে। কালবেলা ২/১০ গতে ৪/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৭ মধ্যে।
১১ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাগনানে বনধ, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের 
বনধ ঘিরে বাগনানে অশান্তি। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে,ব্যারিকেড ফেলে বিক্ষোভ দেখান ...বিশদ

12:49:00 PM

পুরুলিয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু, চাঞ্চল্য 
বুধবার রাতে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যুতে ...বিশদ

12:47:00 PM

পুরুলিয়ায় যুবককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 
এক যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে পুরুলিয়ার কোটশিলা থানার পুলিস শিবরাম ...বিশদ

12:42:42 PM

প্রয়াত ঝাড়গ্রামের বিধায়ক সুকুমার হাঁসদা
 

কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল ডেপুটি স্পিকার তথা ঝাড়গ্রামের ...বিশদ

12:39:00 PM

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা 
পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে গুলির চেষ্টা। ঘটনাটি ঘটেছে তপসিয়া এলাকার কোহিনুর ...বিশদ

12:02:31 PM

নন্দীগ্রামে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার গাড়ির নীচ থেকে উদ্ধার বোমা
নন্দীগ্রামের কেন্দেমারি-জালপাই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মানসুরা বেগমের স্বামী তথা বহিষ্কৃত ...বিশদ

11:55:04 AM