Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার। সঙ্গে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার দৃঢ় সংকল্পের কথা বলে দেশবাসীকে ভুবনডাঙার স্বপ্ন দেখানো, যা নরেন্দ্র মোদির আজীবন ইউএসপি। এর আগে ১৯ ও ২৪ মার্চ, ৩ ও ১৪ এপ্রিল এবং ১২ মে পাঁচ দফায় করোনা আতঙ্কিত অসহায় জাতিকে নানা আশ্বাসবাণী শুনিয়েছেন তিনি। তার কিছু প্রাসঙ্গিক আবার কিছু অপ্রাসঙ্গিকও বটে। সবকিছুকেই দেশপ্রেমের মোড়কে চাগিয়ে দিয়ে মেগা ইভেন্টে পরিণত করাই মোদিজির সহজাত বিপণন কৌশল। সে বালাকোটে শত্রু শিবিরে আচমকা হানাই হোক, বারান্দায় দাঁড়িয়ে হাতা-খুন্তি-থালা বাজানোই হোক কিম্বা করোনা যোদ্ধাদের জন্য সন্ধ্যায় ঘটা করে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনই হোক। আচমকা লাদাখে ছুটে গিয়ে গলওয়ানে বুক চিতিয়ে ভারতীয় সেনার জয়গানে শামিল হওয়াতেও প্রমাণ হল, তিনি বর্তমান প্রজন্মকে আকর্ষণ করার চমকের রাজনীতিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। মিডিয়ার সব আকর্ষণ শুষে নিতে তাই প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে পর্যন্ত ফেলে রেখেই ছুটে যান ফরওয়ার্ড বেসে। চীন নিয়ে আশ্চর্য নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সবটাই কিন্তু সেই চড়া দেশপ্রেমের সুরেই বাঁধা। যার এক আনা বিরোধিতা করলেই আপনি দেশের গদ্দার। সাম্প্রদায়িক বিভেদের পাশাপাশি ভোট টানতে মানুষে মানুষে বিভাজন ঘটানোর এও আর এক শক্তিশালী অস্ত্র।
এসবের সঙ্গেই চলেছে মাসের শেষ রবিবার সকালে নিয়ম করে রেডিওতে তাঁর একান্তআত্ম কথনের মেগা সিরিয়াল ‘মন কি বাত’। গত রবিবারই তার টানটান ৬৬টি এপিসোড পার হয়ে গিয়েছে। সর্বশেষ এপিসোডের ঠিক ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই গত মঙ্গলবার ছিল করোনা মরশুমে তাঁর ষষ্ঠবার দেশবাসীকে সম্বোধনের মাহেন্দ্রক্ষণ। সেখানেই তিনি ছটপুজো পর্যন্ত দেশের অন্নদাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন বিহারের ভোটকে কুনজরে রেখে। কিন্তু এ তো প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার সামান্য মেয়াদ বৃদ্ধি ছাড়া কিছুই নয়। মাত্র ওইটুকুর জন্য রাষ্ট্রনেতার জাতির উদ্দেশে ভাষণ? তারও পর সবটাই এরাজ্যে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেল যখন মোদির ওই ভাষণের আধ ঘণ্টার মধ্যেই সাংবাদিক সম্মেলন করলেন বাংলার অগ্নিকন্যা। জানালেন, নভেম্বর নয়, পরের বছরের জুন মাস পর্যন্ত বিনামূল্যে রাজ্যে রেশন দেওয়া হবে। স্বাধীন ভারতে এক অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গোটা দেশের প্রধানমন্ত্রীর এমন বিস্ময়কর ‘পরাজয়’ কেউ কোনওদিন দেখেছে! মনে পড়ে না।
যুদ্ধ নয়, প্রলয় নয়, বড় কোনও জাতীয় বিপর্যয় বা সাংবিধানিক সঙ্কটও নয়, শুধুমাত্র একটি যোজনার মেয়াদ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াতে রাষ্ট্রকে সম্বোধনের এমন বর্ণাঢ্য আয়োজন! তাহলে তো এরপর থেকে রোজ কোনও সিদ্ধান্ত হলেই রাত আটটার স্লট ধীরে ধীরে মোদিজির জন্য পাকা হবে। ড্রইংরুমে বোকাবাক্সের সামনে কোনও আসন ফাঁকা থাকার জো নেই যে! এরকম চললে ধীরে ধীরে সব জনপ্রিয় মেগা সিরিয়ালের বাজার তিনি একাই শেষ করে দেবেন!
যখনই মোদিজির রাষ্ট্রকে ভাষণ দেওয়ার কথা ওঠে তখনই মনে পড়ে যায় প্রায় ৪৪ মাস আগের নোট বাতিলের সেই ভয়ঙ্কর অভিশপ্ত রাতের কথা। ৮ নভেম্বর ২০১৬। সেদিনের মতো রাত আটটার প্রাইম স্লটে এমন লোমহর্ষক আগাগোড়া বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্ক্রিপ্ট পড়তে আর কাউকে কোনওদিন দেখেনি টেলিপ্রেমী দেশবাসী। এক নিমেষে গরিব থেকে আমির সবার পকেট ফাঁকা করে দেওয়ার এমন ম্যাজিক আগে কোনও জাদুকর দেখাননি তাঁদের স্বপ্নের ইন্দ্রজালে। কালো টাকা ধরতে আর গরিবি মুছতে সেদিন দেশের সব ৫০০ ও হাজার টাকার নোট ‘ভ্যানিশ’ করে দিয়েছিলেন তিনি। তবে কাজের কাজ কিচ্ছু হয়নি। দুঃসহ গরিবি ও কালো টাকার দাপট আজও কিন্তু সমানে চলছে। কমেনি, বরং বেড়েছে। তাঁর ওই ঘোষণার বিষময় ফল আজও আমরা প্রত্যেকেই কম বেশি বয়ে বেড়াচ্ছি। নোটবন্দির গভীর ক্ষতটা আমাদের শিরায় উপশিরায় অর্থনীতির পরতে পরতে জমাট বাঁধা রক্তের মতো চেপে বসে আছে। অনেক ওষুধ দিয়েও তাকে আবার আগের মতো পুরনো ধমনীতে প্রবাহিত করা যাচ্ছে না।
এরকম করোনা আবহেই গত ৩ এপ্রিল প্রথমবার সকাল ৯টার স্লটে মাত্র সাড়ে ১১ মিনিটের ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওটাই ছিল চলতি প্যানডেমিক মরশুমে তাঁর সবচেয়ে কম সময়ের জাতির উদ্দেশে ভাষণ। সম্ভবত স্বাধীন ভারতের ইতিহাসেও। সেদিন দেশবাসীকে ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে করোনা যোদ্ধাদের মনোবল বাড়াতে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। জানি না, শুধু এইটুকু বলার জন্য তাঁর কোনও পূর্বসূরি হাঁকডাক করে রাষ্ট্রকে সম্বোধনের কথা কখনও ভেবেছেন কি না! তাঁদের ভাগ্যে ১৫ আগস্ট লালকেল্লার ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের বাইরে এমন চড়া সুরে জাতিকে সম্বোধন তো দূর কল্পনাতেও কখনও ছিল না! আর সেই কারণেই অনেক আগেই সংখ্যার নিরিখে নেহরু, ইন্দিরা, বাজপেয়ির মতো দোর্দণ্ডপ্রতাপ রাষ্ট্রনেতাদের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন তিনি। আর এখন যে গতিতে তিনি ছুটছেন তাতে ২০২৪ সালের আগে এই সংক্রান্ত যাবতীয় আর্ন্তজাতিক রেকর্ডও নিশ্চিতভাবে তাঁর পায়ে তলায় মুখ থুবড়ে পড়বে। কারণ বিশ্ব রাজনীতির খেলায় তাঁর প্রধান চ্যালেঞ্জোর ট্রাম্প সাহেব মার্কিন নির্বাচনের প্রাক্কালে আকস্মিক কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি। হঠাৎ যেন মার্কিন মুলুকে সমীকরণ অদ্ভুতভাবে বদলাচ্ছে। আর মার্কিন মুলুকে হাওয়া ঘুরলে ধুরন্ধর মোদিও কি ‘নমস্তে বিডেন’-এর মতো নয়া কোনও ইভেন্টের জন্য তৈরি হতে খুব একটা বিলম্ব করবেন, মনে হয় না।
ঠিক যেমন আমাদের দেশের সাংবিধানিক কাঠামোটাই হয়তো আমূল বদলে যাবে, রাজ্যসভায় একবার গেরুয়া শিবির গরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা করতে পারলে। লোকসভা তো আছেই, রাজ্যসভাও তখন মোদি, অমিত শাহদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। খেলার ছলে পাশ হবে বিতর্কিত সব বিল। প্রতিবাদ হবে, আন্দোলন তীব্র হবে। কিন্তু পাল্লা দিয়ে অযোধ্যার মন্দিরের সঙ্গে ছুটবে হিন্দুত্বের রথও। এখনও পর্যন্ত গত সাত দশকে আম্বেদকর সাহেব প্রণীত ভারতীয় সংবিধানের সংশোধন হয়েছে ১০৪ বার। ঐতিহাসিক জিএসটি চালু হয়েছে ১০১তম সংশোধনের মাধ্যমে। কিন্তু মোদিজি যেভাবে এগচ্ছেন তাতে শীঘ্রই ‘মন কি বাত’-এর মোট সংখ্যা সেঞ্চুরি পেরিয়ে ৭০ বছরের সংবিধান সংশোধনের সংখ্যাকেও টপকে যাবে অবলীলায়। কারণ, মাসে একটা করে সংবিধান সংশোধন কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। আর এখন তো উনি মাসে দু’টো কখনও তিনটে পর্যন্ত ভাষণ দিচ্ছেন অক্লেশে। এই ঘুমিয়ে থাকা ঝিম ধরা বাজারে নিউজ চ্যানেলের টিআরপি বাড়ানোরও ওটাই শ্রেষ্ঠ দাওয়াই। কিন্তু প্রশ্ন করি, গোটা বিষয়টির তাৎপর্য এতে কমে যাচ্ছে না কি?
এরকমই আর একবার জাতিকে তিনি ভাষণ দিয়েছিলেন ১২ মে রাত আটটায়। সেদিনও অনেক অপেক্ষা আর টানাপোড়েনের পর শুধু একটা প্যাকেজ দিয়েই ভাষণ শেষ করলেন মোদিজি। ভাষণের মেয়াদ ছিল ৩৪ মিনিট ৫ সেকেন্ড। অতিমারী মরশুমের দীর্ঘতম। তবু প্রায় স্তব্ধ হয়ে যাওয়া ছোট, মাঝারি উদ্যোগকে চাঙ্গা করতে তিনি ২০ লাখ টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করলেও সেই রাতে মিলল না আর কোনও খতিয়ান। শুরু হল অনন্ত অপেক্ষা। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী চিদম্বরম সাহেব পরদিন কৌতুক করে বলেছিলেন, আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী শুধু হেডলাইনটা দিয়েছেন। ওইটুকু নিয়েই দেশবাসী খুশি থাকুন। বাকিটা ক্রমশ প্রকাশ্য। বিস্তারিতটা বলবেন অর্থমন্ত্রী। ঠিক তাই হল। মোদিজির জাতির উদ্দেশে ভাষণের ব্যাখ্যা দিতে প্রায় একসপ্তাহ টানা বিকেল ৪টেয় বসতে হল অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে। তবু ধোঁয়াশা কাটল না। মিলল না তেমন কোনও সুরাহাও। শুধু দু’শো ঋণের ফিরিস্তি। অথচ প্রতি বছরই ফেব্রুয়ারির শেষে সাধারণ বাজেট পড়া শেষ হয়ে যায় মাত্র এক থেকে দেড় ঘণ্টায়। বড়জোর দু’ঘণ্টায়। বাজেটের আগে প্রধানমন্ত্রীকে জাতিকে সম্বোধন করতে হয় না। আর সামান্য করোনা প্যাকেজ ব্যাখ্যা করতেই সরকারের কেটে গেল প্রায় এক সপ্তাহ। প্রথমটায় জাতিকে শুধু হেডলাইনটা দিয়েই থামলেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর কিস্তিতে কিস্তিতে ঝেড়ে কাশলেন দেশের বিত্তমন্ত্রী। তবু ওই প্যাকেজের পর গত দেড় মাসে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াল কি?
১৯ মার্চ, ২০২০। করোনা পরিস্থিতিতে সেদিনই প্রথম টিভির পর্দায় আসেন দেশের মহামান্য নেতা। নিদান দেন জনতা কার্ফু পালনের। আর সন্ধ্যায় যে যার বাড়ির বারান্দা থেকে থালা বাটি বাজিয়ে করোনার বিরুদ্ধে সঙ্ঘবদ্ধ লড়াইয়ের শপথ নেওয়ার। নিঃসন্দেহে অভিনব উদ্যোগ, কিন্তু ২৮ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডের ভাষণের নিট প্রাপ্তি শুধু এইটুকুই। ভয় হয় ভ্যাকসিন বেরলে কতবার রাষ্ট্রকে ব্যাখ্যা করতে টিভি চ্যানেলে আবির্ভূত হবেন তিনি!
স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, প্রধানমন্ত্রী জাতিকে সম্বোধন করেন কখন? উত্তর সহজ, বিরাট কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে তবেই। সম্ভবত মোদিজির পূর্বসূরিরা ভাবতেও পারতেন না মাসে কখনও দুটো কখনও তিনটে রাষ্ট্রীয় সম্বোধনের কথা। দপ্তরের মন্ত্রীকে দিয়ে কিম্বা সামান্য একটা বিজ্ঞপ্তি জারি করেই যা বলে দেওয়া যায়, তার জন্য ঢাক ঢোল পিটিয়ে জাতির উদ্দেশে সম্ভাষণ। কিন্তু ভদ্রলোকের নাম যখন নরেন্দ্র মোদি তখন জনসংযোগের সামান্যতম সুযোগ হাতছাড়া করতে কোনও অবস্থাতেই রাজি নন তিনি। এসবই ছোট থেকে আরএসএসের শিক্ষা ও আদর্শে বড় হয়ে ওঠার ফল। রাতদিন পরিশ্রমও করতে পারেন অসম্ভব। কিন্তু ওই যে বললাম, অতি ব্যবহারে সব অস্ত্রই ভোঁতা হয়ে যায়। গুরুত্ব হারায়। গোটা বিষয়টির তাৎপর্যও অনেকটা লঘু হয়ে যায়। অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজনেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন রাষ্ট্রনেতারা। যুদ্ধ, প্রাকৃতিক বিপর্যয়, অর্থনৈতিক কোনও সঙ্কট, ক্ষমতা বদল কিম্বা বড় কোনও সাংবিধানিক সঙ্কটের পরিস্থিতি তৈরি হলেই এ ধরনের ভাষণের প্রয়োজন দেখা দেয়। সরকার কী করতে যাচ্ছে তা দেশের মানুষকে আগাম জানিয়ে তবেই পদক্ষেপ করে সরকার। কিন্তু তা বলে অনেক অপেক্ষার পরও যদি দেখা যায়, মামুলি কিছু কথা বলেই বক্তব্য শেষ হয়ে গেল, তেমন বড় কোনও ঘোষণা হল না। মিলল না তেমন কোনও সুরাহাও। তাহলে মহামান্য দেশনেতার জাতির উদ্দেশে ভাষণের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। প্রধানমন্ত্রীর যত দ্রুত এই আত্মোপলব্ধিটা হয়, ততই দেশের মঙ্গল। সম্ভবত সেই জন্যই আব্রাহাম লিঙ্কন বলে গিয়েছেন, সব মানুষকে সব সময়ের জন্য বোকা বানানো যায় না। 
05th  July, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...

 সোয়াব বা লালারসের নমুনা দেওয়ার সময় মালদহে অনেকেই ভুল ঠিকানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ইচ্ছাকৃতভাবে মোবাইল নম্বরও ভুল দেওয়া হচ্ছে। ...

দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় নির্দেশ—সবটা নিয়ন্ত্রিত হবে এক জায়গা থেকে। তার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ভ্যান আনল কলকাতা বিমানবন্দর। ...

 রেওয়াজি খাসির মাংস কিংবা পদ্মার ইলিশ নয়। করোনা পরিস্থিতিতে এখন সব্জি ভাত খেতে গিয়েই হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM