Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভূস্বর্গে বাংলার পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যুই
বুঝিয়ে দিল কাশ্মীর ভালো নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

প্রত্যেকেরই একটা নিজস্ব উদ্দেশ্য থাকে। সেই উদ্দেশ্য যাতে সফল হয়, তার একটা পন্থাও থাকে। উদ্দেশ্য অনেক সময় ঠিক থাকলেও দেখা যায় বহু ক্ষেত্রে পদ্ধতির ভুল থাকে। তাতে উদ্দেশ্য সফল হয় না। উল্টে তা আরও অনেক সমস্যা ডেকে আনে। কাশ্মীরে সেই ঘটনাই ঘটেছে। কেন্দ্রের পরিকল্পনা ছিল কাশ্মীরকে জঙ্গিমুক্ত করে দেশের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনা। সেই অনুযায়ী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ এবং অজিত দোভাল—এই ত্রয়ীর কিছু বিশেষ পরিকল্পনা ছিল। সেই সঙ্গে তাঁদের পরিকল্পনা ছিল কাশ্মীরে পাকিস্তানের কলকাঠি নাড়ানো বন্ধ করা এবং কাশ্মীরি যুবকদের মধ্যে টাকা ছড়িয়ে তাদের বিপথগামী করার জঙ্গি-উদ্দেশ্য সমূলে বিনাশ করা। এই পর্যন্ত পরিকল্পনায় কোনও গলদ নেই। এই প্রত্যাশা এদেশের সকল মানুষের মধ্যেই রয়েছে। তাছাড়া ভারত পাকিস্তানকে মুখের মতো জবাব দিক, এই ইচ্ছাও দেশের প্রত্যেকটি মানুষই মনে মনে পোষণ করেন। তাই যখন ভারত সার্জিক্যাল অ্যাটাক করে, পাকিস্তানে জঙ্গিদের শিবির গুঁড়িয়ে দেয়, তখন প্রত্যেকে জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠেন। দেশের সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে সমবেত স্বরে আওয়াজ তোলেন ‘জয়হিন্দ’।
কিন্তু সবকিছু যদি জাতীয়তাবাদের মোড়কে সরকার চালিয়ে দিতে চায়, সেটা তখন অনেকসময় হয়ে ওঠে বড় প্রতিবন্ধকতা। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পক্ষে বহু মানুষের সমর্থন রয়েছে। কাশ্মীরের বাইরে যে বিরাট ভারতবর্ষ রয়েছে, সেখানে বৃহত্তর অংশই মনে করে এই মুহূর্তে আর কাশ্মীরে ৩৭০ ধারার প্রয়োজন নেই। আমরা মুখে বলব কাশ্মীর ভারতেরই অবিভক্ত অংশ, আবার বাড়তি সুবিধা দিয়ে মানসিকভাবে তাঁদের বিচ্ছিন্ন করে রাখব, এটা দিনের পর দিন চলতে পারে না। তাই কেন্দ্র গত ৫ আগস্ট যখন কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করল তখন দেশের মানুষ তাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। মনে হয়েছিল মানসিকভাবে বিচ্ছিন্নতার সীমারেখাটাকে মুছে ফেলা গেল। এবার ভূস্বর্গ হয়ে উঠবে আরও সুন্দর। তুষারের উপর থেকে মুছে যাবে রক্তের আলপনা। জঙ্গিদের ডেরা চূর্ণ হয়ে যাবে। সাধারণ, নিরীহ কাশ্মীরিরাও হাঁফ ছেড়ে বাঁচবেন। কিন্তু যতদিন দিন যেতে লাগল, ততই দেখা গেল স্বপ্ন দেখাটা ভুল ছিল। মুক্ত তো হলই না। উপরন্তু কাশ্মীর লৌহনিগড়ে হয়ে গেল অবরুদ্ধ। বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো। জল নেই, বিদ্যুৎ নেই, যথেষ্ট খাবার নেই, গ্যাস নেই, যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন। এমনকী মানুষের বাইরে বেরনোর অধিকারটুকুও ছিল না। সড়কে, পথে, গলিতে শুধু সেনাদের বুটের শব্দ। রাজ্য থেকে বেরনো বন্ধ এবং ঢোকাও বন্ধ। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে আওয়াজ উঠল।
অর্থাৎ দেখা গেল উদ্দেশ্য সফল হলেও সরকারের পথ ভুল। কাশ্মীরের মধ্যে কী হচ্ছে কেউ জানে না। সরকার নিজে যা খবর দিচ্ছে, তাই প্রকাশ্যে আসছে। বাইরে থেকে মনে হচ্ছে কাশ্মীর খুব সুন্দর আছে। কিন্তু বাস্তবে হয়তো খুব সুন্দর নেই। কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ ভালো নেই।
আমাদের মনে আছে শাহরুখ খানের সেই ছবিটা। ‘মাই নেম ইজ খান’। সেখানে শাহরুখের একটা অসাধারণ সংলাপ ছিল। ‘আমার পদবি খান। কিন্তু আমি জঙ্গি নই।’ সুতরাং মনে রাখা দরকার কাশ্মীরে জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়ে ভারতে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে, এটা যেমন সত্যি, তেমনই কাশ্মীরের ভিতরেও একটা ভারত-বিরোধী চক্র সক্রিয় এটাও সত্যি। কিন্তু সব কাশ্মীরিই জঙ্গি বা জঙ্গিদের মদতদাতা নন।
প্রতি বছর আমাদের বাড়িতে আসেন ফারুকভাই। পুজোর আগেই এই শহরে তিনি চলে আসেন। আর এই শহর ছেড়ে চলে যান মার্চ-এপ্রিলে। ফারুক বলেন, ‘আমি ছ’মাস কলকাতার আর ছ’মাস কাশ্মীরের।’ গত চল্লিশ বছর ধরে আসছেন ফারুক। সেই ছোট থেকে। তখন আসতেন বাবার হাত ধরে। তাঁর বাবা অসুস্থ হওয়ায় গত বছর এই শহরেই ফারুকের বাবার অপারেশন হয়। ফারুক বলেন, ‘এই কলকাতাও আমার নিজের শহর। ভারতের আর কোথায় আমি এত নিশ্চিন্তে থাকতে পারি না। এই শহর অতিথিকে সম্মান জানাতে জানে।’ শাল, সোয়েটার ইত্যাদি শীতপোশাকে ভরা থাকে তাঁর গাঁটরি। একটা একটা করে চাদর, সোয়েটার খুলে দেখান। ছড়িয়ে পড়ে সুন্দর একটা গন্ধ। সেই সব পশমিনার মধ্যে যেন তুষারশুভ্র উপত্যকার গন্ধ মাখা থাকে। মনে হয়, যেদেশে এগুলো তৈরি হয়, সেদেশ কখনও নিরানন্দে থাকতে পারে না। অসাধারণ নম্র ব্যবহার ফারুকের। বারবার আমাদের বলেন, ‘একবার আসুন। আমার অতিথি হলে খুব আনন্দ পাব। আপনাদের সব ঘুরিয়ে দেখাব।’ একথা ফারুক সকলকেই বলেন। দেওয়ালির আগে ঝোলা থেকে প্যাকেটভর্তি উপহার বের করে দেন। সোনালি আখরোটের মতোই ফারুকের মন। হৃদয় উজাড় করে কথা বলেন ফারুক। তাঁর কথায় কাশ্মীরের ছবিটা ফুটে ওঠে। ফারুক বলেন, ‘ওখানে অনেক খারাপ লোক আছে। আবার ভালো লোকও আছেন। তাঁদের সংখ্যা অনেক বেশি। আজ ওখানে সবাইকে জঙ্গি হিসাবে দেখা হয়। ভারতের একজন সৎ নাগরিকের কাছে এটা যে কত বড় অপমান তা বলে বোঝানো যাবে না।’
কাশ্মীর উপত্যকায় লক্ষ লক্ষ ফারুক আছেন, যাঁরা অপমানিত এবং পরিস্থিতির শিকার। অথচ কাশ্মীরের যে চকচকে ছবিটা তুলে ধরা হচ্ছে, সেটা সম্পূর্ণ সত্যি নয়। সেই সত্যিটাকে প্রকাশের জন্যই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাছা বাছা প্রতিনিধিদের কাশ্মীরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কোমর বেঁধে সরকার নেমেওছিল। কিন্তু শেষটা সম্পূর্ণ সুন্দর হল না। চিত্রনাট্যের শেষ অংশে লেগে গেল রক্তের দাগ। বড় দগদগে সেই রক্ত। সেই রক্ত উন্মোচিত করে দিল অনেক সুপ্ত সত্যকে। কাশ্মীর কেমন আছে, মানুষ জানতে চায়। উপত্যকা থেকে সমস্ত জঙ্গিকে নিকেশ করা হোক। মানুষ এটাও চায়। কিন্তু কাশ্মীরের ভারতপ্রেমী সৎ মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হোক এটা এদেশের মানুষ চান না। যে ছবিটা বাঁধিয়ে রেখে প্রচারের চেষ্টা হচ্ছিল, সেটা আর থাকল না। উপত্যকায় পাঁচ বাঙালি শ্রমিকের হত্যাকাণ্ড বুঝিয়ে দিল কাশ্মীর আছে কাশ্মীরেই। এস ওয়াজেদ আলির কথা ধার করে বলা যায়, কাশ্মীরে সেই ট্রাডিশন সমানে চলেছে। কোথাও তার এতটুকু বদল হয়নি।
একটা প্রবাদ আছে, চূড়ান্ত ক্ষমতা চূড়ান্ত স্বৈরতন্ত্রের জন্ম দেয়। এই আপ্তবাক্য বহুলাংশেই সত্যি হয়। এখানে যেন তা মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠে। গণতন্ত্রে বিরোধীদেরও একটা মর্যাদা আছে। যতই তারা হ্রাস হতে থাকুক, গণতন্ত্র তাদের পাশেও থাকবে। সেই শক্তিহীন বিরোধীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করাও এক ধরনের ছদ্ম-স্বৈরতন্ত্র। কাশ্মীরের ভালো চায় সকলেই। সেই সত্যকে সামনে রেখে সকলকে নিয়ে সরকারের এগিয়ে যাওয়া উচিত। একক সিদ্ধান্তে সেনাশক্তির নিগড়ে কাশ্মীরকে বাঁধতে চাইলে তার পাল্টা প্রতিঘাত আসতে পারে। সেটাই দেখিয়ে দিল কাশ্মীর। বোঝা গেল আরও সাবধানী হতে হবে। সীমান্তের অনুপ্রবেশ বন্ধ করতেই হবে। সামনেই শীত। সীমান্তের ওপারে ওৎ পেতে আছে জঙ্গিরা। তাদের প্রতিহত করতেই হবে। জঙ্গিদের থেকে কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্ন করতে পারলে এবং সাধারণ নিরীহ কাশ্মীরিদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারলে তবেই শন্তি ফিরবে ভূস্বর্গে। সেটা ঠিক মতো করতে পারাটাই সরকারের কাজ। একটা সুন্দর জঙ্গিমুক্ত কাশ্মীরের দিকেই তাকিয়ে মানুষ।
01st  November, 2019
মূল্যবোধের রাজনীতি ও
মহারাষ্ট্রের কুর্সির লড়াই
হিমাংশু সিংহ

আজকের নির্বাচনী রাজনীতি যে কতটা পঙ্কিল ও নোংরা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের মহারাষ্ট্র। সঙ্কীর্ণ স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের নেশায় ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আজ মরিয়া। মহারাষ্ট্রের ফল বেরনোর পর গত তিন সপ্তাহের রাজনীতির নাটকীয় ওঠাপড়া সেই অন্ধকার দিকটাকেই বড় প্রকট করে তুলেছে। ভোটের ফল ও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তা নিয়ে দুই পুরনো জোট শরিকের দ্বন্দ্ব যে দেশের বাণিজ্য পীঠস্থান মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রকে এমন নজিরবিহীন সঙ্কটে ফেলবে, তা কে জানত? যে জোট পাঁচ বছর ধরে রাজ্য শাসন করল এবং এবারও গরিষ্ঠতা পেল, সেই জোটই ভেঙে খান খান!
বিশদ

ঘর ওয়াপসি ও কিছু প্রশ্ন
তন্ময় মল্লিক

 ঘর ওয়াপসি। ঘরে ফেরা। ‘ভাইজান’ সিনেমার ছোট্ট মুন্নির ঘরে ফেরার কাহিনীর দৌলতে ‘ঘর ওয়াপসি’ এখন আমবাঙালির অতি পরিচিত শব্দ। সেই পরিচিত শব্দটি অতি পরিচিতির মর্যাদা পেয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের ঘন ঘন জার্সি বদলের দৌলতে।
বিশদ

16th  November, 2019
জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

 সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। বিশদ

16th  November, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

15th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় লজিস্টিকস বা পণ্য পরিবহণ ও মজুত রাখা সংক্রান্ত পরিকাঠামো গড়তে উৎসাহী বিশ্ব ব্যাঙ্ক। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে তাদের। ওই প্রকল্পের মাস্টার প্ল্যান আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত হতে পারে বলে শনিবার দাবি ...

সংবাদদাতা, আরামবাগ: বিভিন্ন দাবিতে শনিবার আরামবাগে মিছিল করে সিপিএম। সিপিএমের-১ ও ২ নম্বর এরিয়া কমিটির উদ্যোগে এদিন একটি পথসভাও হয়। আরামবাগের ধামসা বাসস্ট্যান্ডে প্রথমে পথসভা ...

 কলম্বো, ১৬ নভেম্বর: অপ্রীতিকর নানা ঘটনার মধ্যেই শনিবার সম্পন্ন হল শ্রীলঙ্কার ভোট। আর এই ভোটে শ্রীলঙ্কার দিকে বিশেষ নজর ছিল ভারতের। ভারতের মূল চিন্তা মহিন্দা রাজাপাকসে। যদি তাঁর দল পুনরায় ক্ষমতায় ফেরে, তাহলে তা ভারতের জন্য খুব ভালো হবে না, ...

ইন্দোর, ১৬ নভেম্বর: ইনিংস জয়ের হ্যাটট্রিক করে ফেলল ‘টিম ইন্ডিয়া’। গত সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্ট ইনিংসের ব্যবধানে জিতেছিল কোহলি বাহিনী। সাফল্য ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় আগ্রহ বাড়বে। মনোমতো বিষয় নিয়ে পঠন-পাঠন হবে। ব্যবসা স্থান শুভ। পৈতৃক ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস
১৮১২ - ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা জন ওয়ালটারের মৃত্যু ।
১৮৯০ -অবিভক্ত ভারতে প্রথম সিরাম ভ্যাকসিন ও পেনিসিলিন প্রস্তুতকারক বিশিষ্ট ভেষজ বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক হেমেন্দ্রনাথ ঘোষের জন্ম।
১৯৪৬ - বিশ্বে প্রথমবারের মত কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করা হয়।
১৯৬৩: ঝাড়খণ্ডে জন্মগ্রহণ করেন অভিনেত্রী মীনাক্ষি শেষাদ্রি
১৯৭১: পাকিস্তানের ক্রিকেটার ওয়াকার ইউনিসের জন্ম
১৯৮৮: এক দশকেরও বেশি সময় পর পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হল অবাধ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন বেনজির ভুট্টো

16th  November, 2019




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০২ টাকা ৭৩.৫৬ টাকা
পাউন্ড ৯০.০৫ টাকা ৯৪.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৩ টাকা ৮১.২৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ৩১/১৫ রাত্রি ৬/২৩। পুনর্বসু ৪২/৪৪ রাত্রি ১০/৫৯। সূ উ ৫/৫৪/৩, অ ৪/৪৮/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/০ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৩৯ মধ্যে।
৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ২৮/২৫/৫০ সন্ধ্যা ৫/১৭/৫৯। পুনর্বসু ৪১/৫৬/২২ রাত্রি ১০/৪২/১২, সূ উ ৫/৫৫/৩৯, অ ৪/৪৯/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০ গতে ৮/৫৭ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ৯/১৪ মধ্যে ১১/৫৩ গতে ১/৪০ মধ্যে ও ২/৩৩ গতে ৫/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ১০/০/৪৫ গতে ১১/২২/২৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/২৬ গতে ১২/৪৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/৪৫ গতে ২/৩৯/৩ মধ্যে।
১৯ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুপ্রিম কোর্টে অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানাবে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড 

04:12:19 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের আমিরাবাদ গ্রামে ট্রাকে আগুন লাগাল জঙ্গিরা 

03:21:29 PM

আইসিসি টেস্ট বোলারদের তালিকায় প্রথম দশে স্থান পেলেন মহঃ সামি 

03:21:00 PM

ইকো পার্কে জলে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের 

03:11:00 PM

কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রীকে
চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে। ...বিশদ

02:56:00 PM

পঃ বর্ধমানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মূর্তি ভাঙার অভিযোগ
শনিবার রাতে পশ্চিম বর্ধমানের মানকর স্টেশন রোড এলাকায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ...বিশদ

01:23:59 PM