Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভূস্বর্গে বাংলার পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যুই
বুঝিয়ে দিল কাশ্মীর ভালো নেই
সন্দীপন বিশ্বাস

প্রত্যেকেরই একটা নিজস্ব উদ্দেশ্য থাকে। সেই উদ্দেশ্য যাতে সফল হয়, তার একটা পন্থাও থাকে। উদ্দেশ্য অনেক সময় ঠিক থাকলেও দেখা যায় বহু ক্ষেত্রে পদ্ধতির ভুল থাকে। তাতে উদ্দেশ্য সফল হয় না। উল্টে তা আরও অনেক সমস্যা ডেকে আনে। কাশ্মীরে সেই ঘটনাই ঘটেছে। কেন্দ্রের পরিকল্পনা ছিল কাশ্মীরকে জঙ্গিমুক্ত করে দেশের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনা। সেই অনুযায়ী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ এবং অজিত দোভাল—এই ত্রয়ীর কিছু বিশেষ পরিকল্পনা ছিল। সেই সঙ্গে তাঁদের পরিকল্পনা ছিল কাশ্মীরে পাকিস্তানের কলকাঠি নাড়ানো বন্ধ করা এবং কাশ্মীরি যুবকদের মধ্যে টাকা ছড়িয়ে তাদের বিপথগামী করার জঙ্গি-উদ্দেশ্য সমূলে বিনাশ করা। এই পর্যন্ত পরিকল্পনায় কোনও গলদ নেই। এই প্রত্যাশা এদেশের সকল মানুষের মধ্যেই রয়েছে। তাছাড়া ভারত পাকিস্তানকে মুখের মতো জবাব দিক, এই ইচ্ছাও দেশের প্রত্যেকটি মানুষই মনে মনে পোষণ করেন। তাই যখন ভারত সার্জিক্যাল অ্যাটাক করে, পাকিস্তানে জঙ্গিদের শিবির গুঁড়িয়ে দেয়, তখন প্রত্যেকে জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠেন। দেশের সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে সমবেত স্বরে আওয়াজ তোলেন ‘জয়হিন্দ’।
কিন্তু সবকিছু যদি জাতীয়তাবাদের মোড়কে সরকার চালিয়ে দিতে চায়, সেটা তখন অনেকসময় হয়ে ওঠে বড় প্রতিবন্ধকতা। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পক্ষে বহু মানুষের সমর্থন রয়েছে। কাশ্মীরের বাইরে যে বিরাট ভারতবর্ষ রয়েছে, সেখানে বৃহত্তর অংশই মনে করে এই মুহূর্তে আর কাশ্মীরে ৩৭০ ধারার প্রয়োজন নেই। আমরা মুখে বলব কাশ্মীর ভারতেরই অবিভক্ত অংশ, আবার বাড়তি সুবিধা দিয়ে মানসিকভাবে তাঁদের বিচ্ছিন্ন করে রাখব, এটা দিনের পর দিন চলতে পারে না। তাই কেন্দ্র গত ৫ আগস্ট যখন কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করল তখন দেশের মানুষ তাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। মনে হয়েছিল মানসিকভাবে বিচ্ছিন্নতার সীমারেখাটাকে মুছে ফেলা গেল। এবার ভূস্বর্গ হয়ে উঠবে আরও সুন্দর। তুষারের উপর থেকে মুছে যাবে রক্তের আলপনা। জঙ্গিদের ডেরা চূর্ণ হয়ে যাবে। সাধারণ, নিরীহ কাশ্মীরিরাও হাঁফ ছেড়ে বাঁচবেন। কিন্তু যতদিন দিন যেতে লাগল, ততই দেখা গেল স্বপ্ন দেখাটা ভুল ছিল। মুক্ত তো হলই না। উপরন্তু কাশ্মীর লৌহনিগড়ে হয়ে গেল অবরুদ্ধ। বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো। জল নেই, বিদ্যুৎ নেই, যথেষ্ট খাবার নেই, গ্যাস নেই, যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন। এমনকী মানুষের বাইরে বেরনোর অধিকারটুকুও ছিল না। সড়কে, পথে, গলিতে শুধু সেনাদের বুটের শব্দ। রাজ্য থেকে বেরনো বন্ধ এবং ঢোকাও বন্ধ। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে আওয়াজ উঠল।
অর্থাৎ দেখা গেল উদ্দেশ্য সফল হলেও সরকারের পথ ভুল। কাশ্মীরের মধ্যে কী হচ্ছে কেউ জানে না। সরকার নিজে যা খবর দিচ্ছে, তাই প্রকাশ্যে আসছে। বাইরে থেকে মনে হচ্ছে কাশ্মীর খুব সুন্দর আছে। কিন্তু বাস্তবে হয়তো খুব সুন্দর নেই। কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ ভালো নেই।
আমাদের মনে আছে শাহরুখ খানের সেই ছবিটা। ‘মাই নেম ইজ খান’। সেখানে শাহরুখের একটা অসাধারণ সংলাপ ছিল। ‘আমার পদবি খান। কিন্তু আমি জঙ্গি নই।’ সুতরাং মনে রাখা দরকার কাশ্মীরে জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়ে ভারতে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে, এটা যেমন সত্যি, তেমনই কাশ্মীরের ভিতরেও একটা ভারত-বিরোধী চক্র সক্রিয় এটাও সত্যি। কিন্তু সব কাশ্মীরিই জঙ্গি বা জঙ্গিদের মদতদাতা নন।
প্রতি বছর আমাদের বাড়িতে আসেন ফারুকভাই। পুজোর আগেই এই শহরে তিনি চলে আসেন। আর এই শহর ছেড়ে চলে যান মার্চ-এপ্রিলে। ফারুক বলেন, ‘আমি ছ’মাস কলকাতার আর ছ’মাস কাশ্মীরের।’ গত চল্লিশ বছর ধরে আসছেন ফারুক। সেই ছোট থেকে। তখন আসতেন বাবার হাত ধরে। তাঁর বাবা অসুস্থ হওয়ায় গত বছর এই শহরেই ফারুকের বাবার অপারেশন হয়। ফারুক বলেন, ‘এই কলকাতাও আমার নিজের শহর। ভারতের আর কোথায় আমি এত নিশ্চিন্তে থাকতে পারি না। এই শহর অতিথিকে সম্মান জানাতে জানে।’ শাল, সোয়েটার ইত্যাদি শীতপোশাকে ভরা থাকে তাঁর গাঁটরি। একটা একটা করে চাদর, সোয়েটার খুলে দেখান। ছড়িয়ে পড়ে সুন্দর একটা গন্ধ। সেই সব পশমিনার মধ্যে যেন তুষারশুভ্র উপত্যকার গন্ধ মাখা থাকে। মনে হয়, যেদেশে এগুলো তৈরি হয়, সেদেশ কখনও নিরানন্দে থাকতে পারে না। অসাধারণ নম্র ব্যবহার ফারুকের। বারবার আমাদের বলেন, ‘একবার আসুন। আমার অতিথি হলে খুব আনন্দ পাব। আপনাদের সব ঘুরিয়ে দেখাব।’ একথা ফারুক সকলকেই বলেন। দেওয়ালির আগে ঝোলা থেকে প্যাকেটভর্তি উপহার বের করে দেন। সোনালি আখরোটের মতোই ফারুকের মন। হৃদয় উজাড় করে কথা বলেন ফারুক। তাঁর কথায় কাশ্মীরের ছবিটা ফুটে ওঠে। ফারুক বলেন, ‘ওখানে অনেক খারাপ লোক আছে। আবার ভালো লোকও আছেন। তাঁদের সংখ্যা অনেক বেশি। আজ ওখানে সবাইকে জঙ্গি হিসাবে দেখা হয়। ভারতের একজন সৎ নাগরিকের কাছে এটা যে কত বড় অপমান তা বলে বোঝানো যাবে না।’
কাশ্মীর উপত্যকায় লক্ষ লক্ষ ফারুক আছেন, যাঁরা অপমানিত এবং পরিস্থিতির শিকার। অথচ কাশ্মীরের যে চকচকে ছবিটা তুলে ধরা হচ্ছে, সেটা সম্পূর্ণ সত্যি নয়। সেই সত্যিটাকে প্রকাশের জন্যই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাছা বাছা প্রতিনিধিদের কাশ্মীরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কোমর বেঁধে সরকার নেমেওছিল। কিন্তু শেষটা সম্পূর্ণ সুন্দর হল না। চিত্রনাট্যের শেষ অংশে লেগে গেল রক্তের দাগ। বড় দগদগে সেই রক্ত। সেই রক্ত উন্মোচিত করে দিল অনেক সুপ্ত সত্যকে। কাশ্মীর কেমন আছে, মানুষ জানতে চায়। উপত্যকা থেকে সমস্ত জঙ্গিকে নিকেশ করা হোক। মানুষ এটাও চায়। কিন্তু কাশ্মীরের ভারতপ্রেমী সৎ মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হোক এটা এদেশের মানুষ চান না। যে ছবিটা বাঁধিয়ে রেখে প্রচারের চেষ্টা হচ্ছিল, সেটা আর থাকল না। উপত্যকায় পাঁচ বাঙালি শ্রমিকের হত্যাকাণ্ড বুঝিয়ে দিল কাশ্মীর আছে কাশ্মীরেই। এস ওয়াজেদ আলির কথা ধার করে বলা যায়, কাশ্মীরে সেই ট্রাডিশন সমানে চলেছে। কোথাও তার এতটুকু বদল হয়নি।
একটা প্রবাদ আছে, চূড়ান্ত ক্ষমতা চূড়ান্ত স্বৈরতন্ত্রের জন্ম দেয়। এই আপ্তবাক্য বহুলাংশেই সত্যি হয়। এখানে যেন তা মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠে। গণতন্ত্রে বিরোধীদেরও একটা মর্যাদা আছে। যতই তারা হ্রাস হতে থাকুক, গণতন্ত্র তাদের পাশেও থাকবে। সেই শক্তিহীন বিরোধীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করাও এক ধরনের ছদ্ম-স্বৈরতন্ত্র। কাশ্মীরের ভালো চায় সকলেই। সেই সত্যকে সামনে রেখে সকলকে নিয়ে সরকারের এগিয়ে যাওয়া উচিত। একক সিদ্ধান্তে সেনাশক্তির নিগড়ে কাশ্মীরকে বাঁধতে চাইলে তার পাল্টা প্রতিঘাত আসতে পারে। সেটাই দেখিয়ে দিল কাশ্মীর। বোঝা গেল আরও সাবধানী হতে হবে। সীমান্তের অনুপ্রবেশ বন্ধ করতেই হবে। সামনেই শীত। সীমান্তের ওপারে ওৎ পেতে আছে জঙ্গিরা। তাদের প্রতিহত করতেই হবে। জঙ্গিদের থেকে কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্ন করতে পারলে এবং সাধারণ নিরীহ কাশ্মীরিদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারলে তবেই শন্তি ফিরবে ভূস্বর্গে। সেটা ঠিক মতো করতে পারাটাই সরকারের কাজ। একটা সুন্দর জঙ্গিমুক্ত কাশ্মীরের দিকেই তাকিয়ে মানুষ।
01st  November, 2019
সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করে সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুতি
পি চিদম্বরম

আর একটি বছর শুরু হল, আর একটি বাজেট পেশের অপেক্ষা, এবং এটি ভারতীয় অর্থনীতির আর একটি গুরুতর বছর। ২০১৬-১৭ সাল থেকে প্রতিটি বছর আমাদের জন্য অনেক বিস্ময় এবং ব্যথা নিয়ে এসেছে। ২০১৬-১৭ গিয়েছে সর্বনাশা নোটবন্দির বছর। ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং সেটা তড়িঘড়ি রূপায়ণের বছর গিয়েছে ২০১৭-১৮।  বিশদ

সংবিধান ও গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হলে ভারতের আত্মাও বিপন্ন হতে বাধ্য
হিমাংশু সিংহ

১৫ আগস্ট যদি দেশের জন্মদিন হয়, তাহলে ২৬ জানুয়ারি হচ্ছে কোন মতাদর্শ ও আইন মেনে কীসের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে, তার লিখিত বয়ান চূড়ান্ত করার বর্ণাঢ্য উদযাপনের শুভ মুহূর্ত। নবজাতক শিশু স্কুলে ভর্তি হলে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে ধীরে ধীরে পরিণত হয়। 
বিশদ

১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
মৃণালকান্তি দাস

শুধুমাত্র অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া করতে গিয়েই সরকার খরচ করে ফেলেছে ১৬০০ কোটি টাকা! এত টাকা কীভাবে খরচ হল সেটা খতিয়ে দেখতে দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তের। শুধু তাই-ই নয়, এই এনআরসি করতে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন অসমের বিজেপি নেতা তথা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে ক্যাগের প্রতিবেদনেও। এনআরসির মুখ্য সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না বিজেপি।
বিশদ

25th  January, 2020
মুখ হয়ে ওঠার নিরন্তর প্রয়াস
তন্ময় মল্লিক

কথায় আছে, মুখ হচ্ছে মনের আয়না। আবার কেউ কেউ মনে করেন, সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। তাই অনেকেরই ধারণা, সাফল্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানই হল মুখ। রাজনীতিতেও সেই মুখের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে রাজনীতিতে সৌন্দর্য অপেক্ষা অধিকতর প্রাধান্য পেয়ে থাকে মুখের কথা, ভাষাও।  
বিশদ

25th  January, 2020
নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। বিশদ

24th  January, 2020
বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন।
বিশদ

24th  January, 2020
ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়।  
বিশদ

23rd  January, 2020
স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’  বিশদ

23rd  January, 2020
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
একনজরে
বিএনএ, তমলুক: রেশন সামগ্রী লরিতে ভর্তি করে পাচার করার সময় হাতে নাতে ধরে পাঁশকুড়া থানার পুলিসের হাতে তুলে দিলেন জেলা পরিষদের খাদ্য ও সরবরাহ স্থায়ী ...

সংবাদদাতা, বর্ধমান: টেস্ট ক্রিকেটের আকর্ষণ ফিরিয়ে আনার জন্য উদ্যোগ আইসিসিকেই নিতে হবে। তা চারদিনের হোক বা পাঁচদিনের টেস্ট হোক। মানুষ টেস্টে ফল দেখতে চায়। নিস্ফলা ড্র দেখতে মানুষ মাঠে আসবে না। ফলটাই হল আসল। সেই জন্য চারদিন হোক বা পাঁচদিনের ...

সংবাদদাতা, ইংলিশবাজার: সারা দেশের সঙ্গে আজ শনিবার মালদহ জেলায় পালিত হল জাতীয় ভোটার দিবস। নতুন ভোটারদের ভোটদানে উৎসাহিত করার জন্য ২৫ জানুয়ারি জাতীয় ...

 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: যেসব শর্তে জলজীবন মিশন শুরু করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার, তাতে আপত্তি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। এদিকে, কেন জলজীবন মিশন, তা বোঝাতে কেন্দ্রীয় সরকারের জলশক্তি মন্ত্রকের একটি বড় টিম রাজ্যে আসতে চাইছে। ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সিনিয়র অফিসারদের ওই টিম ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কোনও কিছুতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভাববেন। শত্রুতার অবসান হবে। গুরুজনদের কথা মানা দরকার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফল ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

সাধারণতন্ত্র দিবস
১৮৪১: আনুষ্ঠানিকভাবে হংকং দখল করল ব্রিটিশরা
১৯৩০: পরাধীন ভারতে এই দিনটিকে ‘পূর্ণ স্বরাজ দিবস’ বা ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করল জাতীয় কংগ্রেস
১৯৫০: লাগু হল ভারতের সংবিধান। রাষ্ট্রপতি পদে রাজেন্দ্র প্রসাদ দায়িত্ব গ্রহণ করে সূচনা করলেন গণতন্ত্রের।
১৯৫৪: রাজনীতিবিদ মানবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যু
১৯৬৫- হিন্দিকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র
১৯৯২: পরমাণু অস্ত্রের মাধ্যমে আমেরিকার বিভিন্ন শহরকে নিশানা করা থেকে রাশিয়া বিরত হবে বলে জানালেন বরিস ইয়েলৎসেন
২০০১: গুজরাতের ভুজে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হল প্রায় ২০ হাজার মানুষের
২০০৪: আফগানিস্তানের নয়া সংবিধানে স্বাক্ষর করলেন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫১ টাকা ৭২.২১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৮ টাকা ৯৫.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৮ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  January, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৯৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৮৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,৪৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ মাঘ ১৪২৬, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, (মাঘ শুক্লপক্ষ) দ্বিতীয়া ৫৯/৪৫ শেষ রাত্রি ৬/১৬। ধনিষ্ঠা অহোরাত্র। সূ উ ৬/২১/৫৩, অ ৫/১৬/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ গতে ৮/৪৬ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/১০ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
১১ মাঘ ১৪২৬, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, দ্বিতীয়া ৫৬/১৭/৫২ শেষরাত্রি ৪/৫৬/৫। ধনিষ্ঠা ৫৮/৫৪/২৯ শেষরাত্রি ৫/৫৮/৪৪। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/১৪/৫৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/১ গতে ৯/৫৯ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪৯/৫৬ গতে ১/১১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৮/৪১ গতে ৩/৭/২৬ মধ্যে।
৩০ জমাদিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শুভেচ্ছা ও ছুটি

আজ রবিবার দেশের ৭১তম সাধারণতন্ত্র দিবস। এই উপলক্ষে বর্তমান পত্রিকার ...বিশদ

08:00:00 AM

পদ্মভূষণ পাচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনহর পারিক্কর, ব্যবসায়ী আনন্দ মহিন্দ্রা ও ভেনু শ্রীনিবাসন, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধু, নাগাল্যান্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এস সি জমির এবং জম্মু ও কাশ্মীরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুজাফ্ফর হোসেন বেগ 

25-01-2020 - 09:18:00 PM

পদ্মবিভূষণ পাচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি, স্বরাজ, জর্জ ফার্ণান্ডেজ, বক্সার মেরি কম, মরিশাসের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অনিরুদ্ধ জগন্নাথ 

25-01-2020 - 09:13:00 PM

 পদ্মশ্রী পাচ্ছেন কঙ্গনা রানউত, একতা কাপুর, আদনান সামি এবং করণ জোহর

25-01-2020 - 09:07:04 PM

ম্যাচ চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, ম্যাচ ফি কাটা হল বেন স্টোকসের
জোহানেসবার্গ টেস্ট চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহারের অপরাধে ইংল্যান্ডের খেলোয়ার বেন ...বিশদ

25-01-2020 - 08:05:00 PM

ম্যাচ চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, ম্যাচ ফি কাটা হল বেন স্টোকসের
আজ সিএএ, এনআরসি ইস্যু নিয়ে দলীয় বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ...বিশদ

25-01-2020 - 06:32:00 PM