Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

হরিয়ানা-মহারাষ্ট্র ভোটের ফল বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে মমতাকে
হিমাংশু সিংহ

মে মাসে লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই গত পাঁচমাস ধরে বিরোধীরা ছত্রভঙ্গ। টুঁ শব্দ করার কেউ নেই। তার উপর গত আগস্টে ৩৭০ ধারার অবলুপ্তির পর থেকে কাশ্মীরের প্রথম সারির নেতা-নেত্রীরা কার্যত অন্তরালে। সেই নিষেধাজ্ঞার বজ্র আঁটুনি পুরোপুরি শিথিল হয়নি এখনও। দেশজুড়ে এককথায় গেরুয়ারাজ চলছে। সেইসঙ্গে ভয় আর আতঙ্ক। লোকসভা তো বটেই, রাজ্যসভাও শাসকের হাতের মুঠোয়। আইন পাশ করা তাই নিতান্তই ছেলেখেলার শামিল। গত বাজেট অধিবেশনে তা দেখেছে দেশবাসী। সেই গর্বে বুক ফুলিয়ে শাসককে বলতে শোনা গিয়েছে, এক অধিবেশনে দশ বছরের কাজ হয়ে গিয়েছে। বেফাঁস কিছু বললেই ‘দেশদ্রোহী’ বলেও দেগে দেওয়া হচ্ছে। কেউ বলছেন, এ তো অঘোষিত জরুরি অবস্থা! কেউ আবার সরাসরি বাহাত্তর থেকে সাতাত্তরের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন। তবু তার মধ্যেই যেন আকস্মিক তাল কাটারই ইঙ্গিত দিল মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ফল। যাবতীয় জনমত সমীক্ষা ও এক্সিট পোলের পূর্বাভাসকে চমকে দিয়ে মহারাষ্ট্রে আসন অনেকটা কমে তো গেলই, আর হরিয়ানায় একক গরিষ্ঠতা টুকুও মিলল না। উল্টে দুই রাজ্যেই উত্থান ঘটল প্রায় অস্তিত্বহীন আঞ্চলিক দলের।
দুই রাজ্যেই বিজেপি কান ঘেঁষে সরকার গড়লেও শক্তি কমে যাওয়ায় ও ছোট দলের উপর নির্ভরতা বাড়ায় আগাগোড়াই যথেষ্ট চাপে থাকবে। প্রতিনিয়ত দর কষাকষি চলবে সহযোগী আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে। সেই ইঙ্গিত শুরুতেই দিয়ে রেখেছেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারে। সেখানে ছেলে আদিত্যকে বাজি রেখেছেন তিনি। হরিয়ানায় কোনও দলই এবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বিজেপি সেখানে গতবারের তুলনায় ছ’টি আসন কম পেয়েছে। ফলে, বিধায়ক কেনাবেচার হাট সেখানে জমে উঠতে বাধ্য। আর মহারাষ্ট্রে গতবার যেখানে জোটের আসন ১৮৫ ছিল সেখান থেকে কমে এবার দাঁড়িয়েছে ১৬১। নিশ্চিতভাবে বলা যায় দেশের মানুষ ধীরে ধীরে মোদি-অমিত শাহ জুটির বিরুদ্ধে ভোটের বাক্সে মতামত জানাতে শুরু করেছে। সেইসঙ্গে বিভিন্ন সরকারি এজেন্সিকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে দল ভাঙানো ও সেই পথে ক্ষমতা দখলের যে মরিয়া রাজনীতি গত কয়েক বছর ধরে বিজেপি ও তার সহযোগীরা আমদানি করেছে, মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ফল তার বিরুদ্ধেও বজ্রনির্ঘোষ প্রতিবাদ তুলে ধরছে। গুজরাতে কংগ্রেস ভেঙে বিজেপিতে যোগ-দেওয়া অল্পেশ ঠাকুরের উপনির্বাচনে পরাজয় সেইদিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দেখা যাচ্ছে, সোনিয়া, রাহুল গান্ধীর দিশাহীন ছন্নছাড়া নেতৃত্ব সত্ত্বেও দুই রাজ্যেই কংগ্রেস আসন বাড়িয়েছে। এ তো আসলে সেই নেগেটিভ ভোট। আরও বড় কথা, ভোটের কয়েকদিন আগে যেভাবে শারদ পাওয়ারের দলের বিরুদ্ধে দাউদ ইব্রাহিমকে জড়িয়ে সরব হয়েছিল গেরুয়া শিবির তাও হালে পানি পায়নি। উল্টে শিবসেনার আসনসংখ্যা মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। বুড়ো বয়সেও আবার এনসিপি’র পালে কিছুটা হলেও হাওয়া টানতে পেরেছেন শারদ পাওয়ার। এসবই দিগ্‌নির্দেশ করছে উচ্চকিত দেশপ্রেমের ধ্বজা উড়িয়ে ছোট ছোট স্থানীয় সমস্যা, অর্থনীতির সঙ্কট এবং বেনজির মন্দা থেকে দেশের মানুষের চোখ ঘোরানো দীর্ঘমেয়াদে আর সম্ভব হবে না। শুধু পাকিস্তান পাকিস্তান করে আর ৩৭০ ধারা বিলোপের বড়াই করে নির্বাচনী ময়দানে, বিশেষত বিধানসভা ভোটে, খুব বেশি লাভ তোলা কঠিন। তাই রাজস্থান, ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশের প্রতিধ্বনিই যেন শোনা গেল মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায়।
অথচ এবার দুই রাজ্যের নির্বাচনে মোদি-অমিত শাহ জুটির কাছে কার্যত ম্লান হয়ে গিয়েছিল তামাম বিরোধীরা। প্রচারেও বিরোধীদের তেমন করে দেখাই যায়নি। সোনিয়া-রাহুল গান্ধী সভা করেছেন নামমাত্র। একদিকে ৩৭০ ধারার বিলোপ এবং মাঝে মাঝেই সীমান্তে গুলিগোলা চালিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ আবহ তৈরি করে বিরোধীদের কার্যত নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ারই পটভূমি তৈরি করেছিলেন মোদি-অমিত শাহ জুটি।
কিন্তু বালাকোট-পুলওয়ামার বীরগাথা বিধানসভা ভোটে যে কাজ করে না তা আবারও প্রমাণ হয়ে গেল। এরপর আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসের বিহার, দিল্লি ও ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচনেও শুধু নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তিকে ব্যবহার করে বাজিমাত করা কঠিনই হবে। কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, স্থানীয় নেতৃত্বে কারা তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যের মানুষের কাছে তাঁরা কতটা গ্রহণযোগ্য তা খতিয়ে দেখতে হবে। না-হলে বিমান থেকে নেমে প্রচার আর সভা শেষ করেই দিল্লি ফিরে যাওয়ার ম্যাজিকে মানুষ মজবে না। সেই জন্যই বলছি, লোকসভা ভোটের ফর্মুলায় শুধু মোদিকে সামনে রেখে ২০২১-এ পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হতে বিজেপি নেতৃত্বকে সাতবার ভাবতে হবে। কারণ, মোদিজি তো আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে আসবেন না। আর মমতাকে ধারে ভারে মোকাবিলা করার মতো রাজনৈতিক কোনও নেতানেত্রী বিজেপির শিবিরে এখনও নেই। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি তার সাংগঠনিক প্রসারে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ অংশের উপরেই ভরসা করছে। কিন্তু তৃণমূল খারাপ আর মুকুল রায়, অর্জুন সিং ভালো, এই রাজনৈতিক ভাঁওতাবাজি রাজ্যের মানুষ বেশিদিন সহ্য করবে বলে মনে হয় না। ভাটপাড়া জগদ্দল তাই রং বদলেও দ্রুত আবার পুরনো পথেই ফিরছে। ফিরেছে গারুলিয়াও। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে তৃণমূলের ড্যামেজ কন্ট্রোলে কাজ হতে শুরু করেছে। রাজ্যের প্রতিটি জেলায়, মহকুমায়, ব্লকে এখনও মমতার ডাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ জড়ো হন। তাই জনপ্রিয়তায় এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদৃষ্টিতে মমতাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো নেতা বা নেত্রী বিপক্ষ শিবিরের হাতে নেই। বলা বাহুল্য, বিধানসভা ভোট অনেকটাই পরিচালিত হয় স্থানীয় ইস্যুতে। সেখানে বার বার প্রধানমন্ত্রীকে মুখ করে এনে প্রচারে ঢেউ তোলা যায় না। গত লোকসভা নির্বাচনে প্রশ্নটা ছিল ভিন্ন। মোদি ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন না, বিরোধীরা মসনদে বসবেন এই প্রশ্ন এখন আর নেই। নিচুতলার কিছু নেতার ভুল-ত্রুটি সত্ত্বেও এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজ্য এবং এই রাজ্যের মানুষকে যতটা হাতের তালুর মতো চেনেন তাদের সুখে-দুঃখে বুক চিতিয়ে লড়েন তার কোনও বিকল্প পাওয়া কঠিন।
বিজেপি কিন্তু ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দীর্ণ হতে শুরু করেছে। তার উপর যে উত্তরবঙ্গ থেকে গত লোকসভা নির্বাচনে তারা বেশি আসন জিতল সেই উত্তরবঙ্গে এনআরসি ইস্যু ভয়ঙ্করভাবে সাধারণ মানুষের মনে ভয়ঙ্কর দাগ কেটেছে। এভাবে মানুষে মানুষে বিভেদ করে এবং নিজের দেশেই এক বিরাট শ্রেণীর মানুষকে পরবাসী করে ডিটেনশন ক্যাম্পে ভরে দেওয়ার পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে বাধ্য। অসম দেরিতে হলেও বুঝছে। আর পশ্চিমবঙ্গ এনআরসি নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভে, আতঙ্কে ফুঁসতে শুরু করেছে। এর উপর একের পর এক জেলায় দল ভাঙানোর খেলা বিজেপির কাছে বুমেরাং হচ্ছে। অর্জুন সিংয়ের খাসতালুক জগদ্দল, হালিশহর, নৈহাটি, কাঁচড়াপাড়া প্রথমটায় তৃণমূলে ভাঙন ধরলেও এখন আবার দ্রুত সবাই দলে ফিরে আসছে। লোকসভা ভোটের ঝড় যে তাৎক্ষণিক তা আপামর জনসাধারণ উপলব্ধি করতে পারছে।
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় কান ঘেঁষে বিজেপির রাজ্যপাট বজায় থাকলেও আগামী দিনে দিল্লি, বিহার ও ঝাড়খণ্ডে কিন্তু লড়াই কঠিন হবে। অর্থনৈতিক মন্দা সাধারণ মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। অনেক সংস্থাই মন্দার জন্য নিয়মিত বেতন পর্যন্ত দিতে পারছে না। একের পর এক শিল্পে ছাঁটাই শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক নামকরা সরকারি সংস্থায়ও কর্মীরা সঙ্কটে। গত বৃহস্পতিবারই রুগ্ন বিএসএনএলের পুনরুজ্জীবনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এক বিরাট প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এজন্য প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দও করা হয়েছে। একদা দেশের প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান বিএসএনএলে গত একবছরে বেতন হয়ে গিয়েছিল অনিয়মিত। এবার ভিআরএস দিয়ে সিংহভাগ কর্মীকে বিদায় জানানোর ফর্মুলা তৈরি হচ্ছে। তাতেও সংস্থা আগামী দিনে ঘুরে দাঁড়াবে কি না তা ভবিষ্যৎই একমাত্র বলতে পারে। এয়ার ইন্ডিয়ার কোনও ক্রেতা এখনও মেলেনি। আরও বেশকিছু অলাভজনক সরকারি সংস্থা নিয়েও সরকার ভাবনা-চিন্তা করছে। কিন্তু চাহিদা না বাড়ানো গেলে, বাজারে টাকার জোগান না বাড়লে শুধু প্যাকেজ ঘোষণা করে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা সম্ভব নয়। নোট বাতিল ও জিএসটি দেশীয় শিল্পের সেই যে সর্বনাশ করেছে তার ঘা এখনও শুকোয়নি। গাড়ি শিল্পে নাভিশ্বাস উঠেছে। নির্মাণ শিল্প ধুঁকছে। বহু মানুষ কাজ হারাচ্ছেন। এই অবস্থায় শুধু উচ্চকিত দেশপ্রেম আর ক্রমাগত সীমান্তে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা দেশের মানুষের আসল সমস্যার সমাধান করতে পারবে কি? যদি না-পারে তাহলে আগামী দিনে মোদি-অমিত শাহ জুটির গেরুয়া ম্যাজিক ফিকে হতে বাধ্য। মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ফল যদি সুস্পষ্টভাবে জাতীয় রাজনীতিতে ফের বিরোধীদের প্রত্যাবর্তনের রাস্তাকে সুগম করে তাহলে নতুন করে ক্ষমতার পাটিগণিত বদলাতে শুরু করবে। যে পাটিগণিতের সূত্র ধরেই পশ্চিমবঙ্গে ২০২১ সালে তৃতীয়বারের মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয় সুনিশ্চিত করতে পারে। তার উপর বিজেপির স্থানীয় স্তরে খেয়োখেয়ি বাড়ছে। পুরনো নেতা-কর্মী, না দল-ভেঙে-আসা, কাদের হাতে নেতৃত্ব থাকবে, তা নিয়ে গোলমাল যত বাড়বে ততই মানুষের মোহভঙ্গ হতে থাকবে। সেইদিক দিয়ে ষোলো আনা বাংলা ও বাঙালির দল হিসেবে আগামী নির্বাচনে তৃণমূল কিন্তু সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে।  
27th  October, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

08th  November, 2019
ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন।
বিশদ

07th  November, 2019
ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
মর্ত্যলোক থেকে ঘুরে গিয়ে শিবের কাছে রিপোর্ট জমা দিল টিম-দুর্গা
সন্দীপন বিশ্বাস

মর্ত্য থেকে ফিরে প্রতিবারই শিবের কাছে টিম-দুর্গা একটা করে রিপোর্ট জমা দেয়। ‘পিতৃগৃহং পরিক্রমণং সন্দেশম্‌’ ফাইলে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শিব সেই রিপোর্ট পড়ে মর্ত্যধামের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত হন। এবারও যথারীতি প্রত্যেকে তাঁদের রিপোর্ট ‘মহাদেব অ্যাট কৈলাস ডট কমে’ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওটা শিবের ই-মেল অ্যাড্রেস। 
বিশদ

04th  November, 2019
অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বিদেশিদের সফর, রহস্যময়ী
ম্যাডি শর্মা ও পাঁচ বাঙালির নৃশংস হত্যা 
হিমাংশু সিংহ

কাকতালীয় ঘটনা হলেও সত্যি! বাংলার পাঁচ শ্রমিককে অপহরণ করে নৃশংসভাবে খুন করার দিনেই নরেন্দ্র মোদি সরকারের সৌজন্যে অবরুদ্ধ কাশ্মীর সফর করেছেন একঝাঁক বিদেশি প্রতিনিধি।
বিশদ

03rd  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, বর্ধমান: সর্বভারতীয় স্কুল পর্যায়ের যোগাসন প্রতিযোগিতায় অনূর্ধ্ব-১৭ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে জেলার মুখ উজ্জ্বল করল সর্বশ্রী মণ্ডল। রিদমিক যোগায় প্রথম হয়ে সে সোনার মুকুট পায়। এমাসের ৪ নভেম্বর সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত দু’দিনের বৃষ্টিতে হাওড়া শহরে ডেঙ্গু ও অজানা জ্বরের প্রকোপ ফের বেড়েছে। হাওড়া জেলা হাসপাতাল ও সমস্ত বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোম এখন ...

 নয়াদিল্লি, ১২ নভেম্বর (পিটিআই): কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করল দিল্লি আদালত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। ...

 ইসলামাবাদ, ১২ নভেম্বর (পিটিআই): প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়ার বিষয়টি মন্ত্রিসভায় অনুমাদনের আগে বিস্তারিত আলোচিত হল বিশেষ সাব-কমিটির বৈঠকে। পাক সরকারের তরফে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত শরিফের নাম এখনও রয়েছে দেশের ‘নো ফ্লাই’ তালিকায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হবার যোগ আছে। ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। বিবাহের যোগাযোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪০: ফরাসি ভাস্কর অগ্যুস্ত রদ্যঁর জন্ম
১৮৯৩: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তরেখা ডুরান্ড লাইন চুক্তি স্বাক্ষরিত
১৮৯৬: পক্ষীবিদ সালিম আলির জন্ম
১৯৪৬: পণ্ডিত মদনমোহন মালব্যের মৃত্যু  

12th  November, 2019




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৭০ টাকা ৭২.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৬ টাকা ৯৩.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৩ টাকা ৮০.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
12th  November, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৫৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৫৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,১০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ কার্তিক ১৪২৬, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, প্রতিপদ ৩৪/৩৬ রাত্রি ৭/৪২। কৃত্তিকা ৪০/২৩ রাত্রি ১০/১। সূ উ ৫/৫১/২৯, অ ৪/৫০/১৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১৯ গতে ৮/৩ মধ্যে পুনঃ ১০/১৫ গতে ১২/২৭ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৬/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৮/১৯ গতে ৩/১৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৫ গতে ৯/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩৬ গতে ৪/১৪ মধ্যে।
 ২৬ কার্তিক ১৪২৬, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, প্রতিপদ ৩৪/২৪/৩৯ রাত্রি ৭/৩৮/৩৩। কৃত্তিকা ৪২/২৪/১১ রাত্রি ১০/৫০/২১, সূ উ ৫/৫২/৪১, অ ৪/৫০/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৭ মধ্যে ও ৭/৩০ গতে ৮/১২ মধ্যে ও ১০/২১ গতে ১২/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪০ গতে ৬/৩৩ মধ্যে ও ৮/১৯ গতে ৩/২৪ মধ্যে, বারবেলা ১১/২১/৪৪ গতে ১২/৪৪/০ মধ্যে, কালবেলা ৮/৩৭/১৩ গতে ৯/৫৯/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩৭/১২ গতে ৪/১৪/৫৬ মধ্যে।
১৫ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গভীর রাতে দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে ফের ২টি বাইকে আগুন, চাঞ্চল্য 

11:30:00 AM

দুর্গাপুরে ধৃত ২ ভুয়ো চিকিৎসক 
দুর্গাপুরে দুই ভুয়ো চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ২০১৭ সাল থেকে ...বিশদ

11:25:11 AM

পঞ্চসায়র থেকে মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ 
পঞ্চসায়রের একটি হোমের সামনে থেকে এক মৃগীরোগীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ...বিশদ

11:20:35 AM

কর্ণাটকের ১৭ বিধায়কের পদ খারিজের সিদ্ধান্ত সঠিক, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের 
কর্ণাটকে কংগ্রেস ও জেডি(এস)-এর ১৭জন বিধায়কের পদ খারিজের সিদ্ধান্ত সঠিক ...বিশদ

10:53:00 AM

শিলিগুড়িতে গোডাউনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন 

10:49:42 AM

বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা
সাত সকালে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনা। একটি বাইক ও গাড়ির মধ্যে ...বিশদ

10:12:00 AM