Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

হরিয়ানা-মহারাষ্ট্র ভোটের ফল বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে মমতাকে
হিমাংশু সিংহ

মে মাসে লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই গত পাঁচমাস ধরে বিরোধীরা ছত্রভঙ্গ। টুঁ শব্দ করার কেউ নেই। তার উপর গত আগস্টে ৩৭০ ধারার অবলুপ্তির পর থেকে কাশ্মীরের প্রথম সারির নেতা-নেত্রীরা কার্যত অন্তরালে। সেই নিষেধাজ্ঞার বজ্র আঁটুনি পুরোপুরি শিথিল হয়নি এখনও। দেশজুড়ে এককথায় গেরুয়ারাজ চলছে। সেইসঙ্গে ভয় আর আতঙ্ক। লোকসভা তো বটেই, রাজ্যসভাও শাসকের হাতের মুঠোয়। আইন পাশ করা তাই নিতান্তই ছেলেখেলার শামিল। গত বাজেট অধিবেশনে তা দেখেছে দেশবাসী। সেই গর্বে বুক ফুলিয়ে শাসককে বলতে শোনা গিয়েছে, এক অধিবেশনে দশ বছরের কাজ হয়ে গিয়েছে। বেফাঁস কিছু বললেই ‘দেশদ্রোহী’ বলেও দেগে দেওয়া হচ্ছে। কেউ বলছেন, এ তো অঘোষিত জরুরি অবস্থা! কেউ আবার সরাসরি বাহাত্তর থেকে সাতাত্তরের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন। তবু তার মধ্যেই যেন আকস্মিক তাল কাটারই ইঙ্গিত দিল মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ফল। যাবতীয় জনমত সমীক্ষা ও এক্সিট পোলের পূর্বাভাসকে চমকে দিয়ে মহারাষ্ট্রে আসন অনেকটা কমে তো গেলই, আর হরিয়ানায় একক গরিষ্ঠতা টুকুও মিলল না। উল্টে দুই রাজ্যেই উত্থান ঘটল প্রায় অস্তিত্বহীন আঞ্চলিক দলের।
দুই রাজ্যেই বিজেপি কান ঘেঁষে সরকার গড়লেও শক্তি কমে যাওয়ায় ও ছোট দলের উপর নির্ভরতা বাড়ায় আগাগোড়াই যথেষ্ট চাপে থাকবে। প্রতিনিয়ত দর কষাকষি চলবে সহযোগী আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে। সেই ইঙ্গিত শুরুতেই দিয়ে রেখেছেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারে। সেখানে ছেলে আদিত্যকে বাজি রেখেছেন তিনি। হরিয়ানায় কোনও দলই এবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বিজেপি সেখানে গতবারের তুলনায় ছ’টি আসন কম পেয়েছে। ফলে, বিধায়ক কেনাবেচার হাট সেখানে জমে উঠতে বাধ্য। আর মহারাষ্ট্রে গতবার যেখানে জোটের আসন ১৮৫ ছিল সেখান থেকে কমে এবার দাঁড়িয়েছে ১৬১। নিশ্চিতভাবে বলা যায় দেশের মানুষ ধীরে ধীরে মোদি-অমিত শাহ জুটির বিরুদ্ধে ভোটের বাক্সে মতামত জানাতে শুরু করেছে। সেইসঙ্গে বিভিন্ন সরকারি এজেন্সিকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে দল ভাঙানো ও সেই পথে ক্ষমতা দখলের যে মরিয়া রাজনীতি গত কয়েক বছর ধরে বিজেপি ও তার সহযোগীরা আমদানি করেছে, মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ফল তার বিরুদ্ধেও বজ্রনির্ঘোষ প্রতিবাদ তুলে ধরছে। গুজরাতে কংগ্রেস ভেঙে বিজেপিতে যোগ-দেওয়া অল্পেশ ঠাকুরের উপনির্বাচনে পরাজয় সেইদিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দেখা যাচ্ছে, সোনিয়া, রাহুল গান্ধীর দিশাহীন ছন্নছাড়া নেতৃত্ব সত্ত্বেও দুই রাজ্যেই কংগ্রেস আসন বাড়িয়েছে। এ তো আসলে সেই নেগেটিভ ভোট। আরও বড় কথা, ভোটের কয়েকদিন আগে যেভাবে শারদ পাওয়ারের দলের বিরুদ্ধে দাউদ ইব্রাহিমকে জড়িয়ে সরব হয়েছিল গেরুয়া শিবির তাও হালে পানি পায়নি। উল্টে শিবসেনার আসনসংখ্যা মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। বুড়ো বয়সেও আবার এনসিপি’র পালে কিছুটা হলেও হাওয়া টানতে পেরেছেন শারদ পাওয়ার। এসবই দিগ্‌নির্দেশ করছে উচ্চকিত দেশপ্রেমের ধ্বজা উড়িয়ে ছোট ছোট স্থানীয় সমস্যা, অর্থনীতির সঙ্কট এবং বেনজির মন্দা থেকে দেশের মানুষের চোখ ঘোরানো দীর্ঘমেয়াদে আর সম্ভব হবে না। শুধু পাকিস্তান পাকিস্তান করে আর ৩৭০ ধারা বিলোপের বড়াই করে নির্বাচনী ময়দানে, বিশেষত বিধানসভা ভোটে, খুব বেশি লাভ তোলা কঠিন। তাই রাজস্থান, ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশের প্রতিধ্বনিই যেন শোনা গেল মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায়।
অথচ এবার দুই রাজ্যের নির্বাচনে মোদি-অমিত শাহ জুটির কাছে কার্যত ম্লান হয়ে গিয়েছিল তামাম বিরোধীরা। প্রচারেও বিরোধীদের তেমন করে দেখাই যায়নি। সোনিয়া-রাহুল গান্ধী সভা করেছেন নামমাত্র। একদিকে ৩৭০ ধারার বিলোপ এবং মাঝে মাঝেই সীমান্তে গুলিগোলা চালিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ আবহ তৈরি করে বিরোধীদের কার্যত নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ারই পটভূমি তৈরি করেছিলেন মোদি-অমিত শাহ জুটি।
কিন্তু বালাকোট-পুলওয়ামার বীরগাথা বিধানসভা ভোটে যে কাজ করে না তা আবারও প্রমাণ হয়ে গেল। এরপর আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসের বিহার, দিল্লি ও ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচনেও শুধু নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তিকে ব্যবহার করে বাজিমাত করা কঠিনই হবে। কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, স্থানীয় নেতৃত্বে কারা তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্যের মানুষের কাছে তাঁরা কতটা গ্রহণযোগ্য তা খতিয়ে দেখতে হবে। না-হলে বিমান থেকে নেমে প্রচার আর সভা শেষ করেই দিল্লি ফিরে যাওয়ার ম্যাজিকে মানুষ মজবে না। সেই জন্যই বলছি, লোকসভা ভোটের ফর্মুলায় শুধু মোদিকে সামনে রেখে ২০২১-এ পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হতে বিজেপি নেতৃত্বকে সাতবার ভাবতে হবে। কারণ, মোদিজি তো আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে আসবেন না। আর মমতাকে ধারে ভারে মোকাবিলা করার মতো রাজনৈতিক কোনও নেতানেত্রী বিজেপির শিবিরে এখনও নেই। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি তার সাংগঠনিক প্রসারে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ অংশের উপরেই ভরসা করছে। কিন্তু তৃণমূল খারাপ আর মুকুল রায়, অর্জুন সিং ভালো, এই রাজনৈতিক ভাঁওতাবাজি রাজ্যের মানুষ বেশিদিন সহ্য করবে বলে মনে হয় না। ভাটপাড়া জগদ্দল তাই রং বদলেও দ্রুত আবার পুরনো পথেই ফিরছে। ফিরেছে গারুলিয়াও। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে তৃণমূলের ড্যামেজ কন্ট্রোলে কাজ হতে শুরু করেছে। রাজ্যের প্রতিটি জেলায়, মহকুমায়, ব্লকে এখনও মমতার ডাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ জড়ো হন। তাই জনপ্রিয়তায় এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদৃষ্টিতে মমতাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো নেতা বা নেত্রী বিপক্ষ শিবিরের হাতে নেই। বলা বাহুল্য, বিধানসভা ভোট অনেকটাই পরিচালিত হয় স্থানীয় ইস্যুতে। সেখানে বার বার প্রধানমন্ত্রীকে মুখ করে এনে প্রচারে ঢেউ তোলা যায় না। গত লোকসভা নির্বাচনে প্রশ্নটা ছিল ভিন্ন। মোদি ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন না, বিরোধীরা মসনদে বসবেন এই প্রশ্ন এখন আর নেই। নিচুতলার কিছু নেতার ভুল-ত্রুটি সত্ত্বেও এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজ্য এবং এই রাজ্যের মানুষকে যতটা হাতের তালুর মতো চেনেন তাদের সুখে-দুঃখে বুক চিতিয়ে লড়েন তার কোনও বিকল্প পাওয়া কঠিন।
বিজেপি কিন্তু ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দীর্ণ হতে শুরু করেছে। তার উপর যে উত্তরবঙ্গ থেকে গত লোকসভা নির্বাচনে তারা বেশি আসন জিতল সেই উত্তরবঙ্গে এনআরসি ইস্যু ভয়ঙ্করভাবে সাধারণ মানুষের মনে ভয়ঙ্কর দাগ কেটেছে। এভাবে মানুষে মানুষে বিভেদ করে এবং নিজের দেশেই এক বিরাট শ্রেণীর মানুষকে পরবাসী করে ডিটেনশন ক্যাম্পে ভরে দেওয়ার পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে বাধ্য। অসম দেরিতে হলেও বুঝছে। আর পশ্চিমবঙ্গ এনআরসি নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভে, আতঙ্কে ফুঁসতে শুরু করেছে। এর উপর একের পর এক জেলায় দল ভাঙানোর খেলা বিজেপির কাছে বুমেরাং হচ্ছে। অর্জুন সিংয়ের খাসতালুক জগদ্দল, হালিশহর, নৈহাটি, কাঁচড়াপাড়া প্রথমটায় তৃণমূলে ভাঙন ধরলেও এখন আবার দ্রুত সবাই দলে ফিরে আসছে। লোকসভা ভোটের ঝড় যে তাৎক্ষণিক তা আপামর জনসাধারণ উপলব্ধি করতে পারছে।
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় কান ঘেঁষে বিজেপির রাজ্যপাট বজায় থাকলেও আগামী দিনে দিল্লি, বিহার ও ঝাড়খণ্ডে কিন্তু লড়াই কঠিন হবে। অর্থনৈতিক মন্দা সাধারণ মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। অনেক সংস্থাই মন্দার জন্য নিয়মিত বেতন পর্যন্ত দিতে পারছে না। একের পর এক শিল্পে ছাঁটাই শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক নামকরা সরকারি সংস্থায়ও কর্মীরা সঙ্কটে। গত বৃহস্পতিবারই রুগ্ন বিএসএনএলের পুনরুজ্জীবনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এক বিরাট প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এজন্য প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দও করা হয়েছে। একদা দেশের প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান বিএসএনএলে গত একবছরে বেতন হয়ে গিয়েছিল অনিয়মিত। এবার ভিআরএস দিয়ে সিংহভাগ কর্মীকে বিদায় জানানোর ফর্মুলা তৈরি হচ্ছে। তাতেও সংস্থা আগামী দিনে ঘুরে দাঁড়াবে কি না তা ভবিষ্যৎই একমাত্র বলতে পারে। এয়ার ইন্ডিয়ার কোনও ক্রেতা এখনও মেলেনি। আরও বেশকিছু অলাভজনক সরকারি সংস্থা নিয়েও সরকার ভাবনা-চিন্তা করছে। কিন্তু চাহিদা না বাড়ানো গেলে, বাজারে টাকার জোগান না বাড়লে শুধু প্যাকেজ ঘোষণা করে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা সম্ভব নয়। নোট বাতিল ও জিএসটি দেশীয় শিল্পের সেই যে সর্বনাশ করেছে তার ঘা এখনও শুকোয়নি। গাড়ি শিল্পে নাভিশ্বাস উঠেছে। নির্মাণ শিল্প ধুঁকছে। বহু মানুষ কাজ হারাচ্ছেন। এই অবস্থায় শুধু উচ্চকিত দেশপ্রেম আর ক্রমাগত সীমান্তে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা দেশের মানুষের আসল সমস্যার সমাধান করতে পারবে কি? যদি না-পারে তাহলে আগামী দিনে মোদি-অমিত শাহ জুটির গেরুয়া ম্যাজিক ফিকে হতে বাধ্য। মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ফল যদি সুস্পষ্টভাবে জাতীয় রাজনীতিতে ফের বিরোধীদের প্রত্যাবর্তনের রাস্তাকে সুগম করে তাহলে নতুন করে ক্ষমতার পাটিগণিত বদলাতে শুরু করবে। যে পাটিগণিতের সূত্র ধরেই পশ্চিমবঙ্গে ২০২১ সালে তৃতীয়বারের মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয় সুনিশ্চিত করতে পারে। তার উপর বিজেপির স্থানীয় স্তরে খেয়োখেয়ি বাড়ছে। পুরনো নেতা-কর্মী, না দল-ভেঙে-আসা, কাদের হাতে নেতৃত্ব থাকবে, তা নিয়ে গোলমাল যত বাড়বে ততই মানুষের মোহভঙ্গ হতে থাকবে। সেইদিক দিয়ে ষোলো আনা বাংলা ও বাঙালির দল হিসেবে আগামী নির্বাচনে তৃণমূল কিন্তু সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে।  
27th  October, 2019
সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভাঙড়-১ ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ থেকে বোমাবাজির জেরে জখম হয়েছেন কয়েকজন। আহতরা সকলে যুব শিবিরের অনুগত। প্রতিবাদে যুব গোষ্ঠী রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করে। ...

মৃণালকান্তি দাস, কলকাতা: চার্লস মিলারের গল্পটা জানেন তো? স্কটল্যান্ডে পড়াশোনা শেষে চার্লস ব্রাজিলে ফিরেছিলেনএকটি ফুটবল হাতে নিয়ে। সবাই জানতে চেয়েছিল, ‘ওই গোল জিনিসটা কী?’ উত্তর ...

জুরিখ, ৩১ মে: করোনা ভাইরাসের ওষুধ, ভ্যাকসিন ও পরীক্ষা করার কিট পাওয়া নিয়ে যাতে বৈষম্য তৈরি না হয়, তার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে একযোগে আর্জি জানাল ৩৭টি দেশ। মারণ এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে চলে এলে তার পেটেন্ট নিয়ে লড়াই ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: আজ, সোমবার থেকে বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দির খোলার কথা ঘোষণা করা হলেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করল মন্দির কর্তৃপক্ষ। ভক্তদের জন্য এখনই মন্দির খোলা হবে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও সুখবর আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদন্নোতির সূচনা। গুপ্ত শত্রু থেকে সাবধান। নতুন কোনও প্রকল্পের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস
১৮৭৪ - ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি বিলুপ্ত হয়।
১৯২৬- আমেরিকার মডেল, অভিনেত্রী ও গায়িকা মেরিলিন মনরোর জন্ম
১৯২৯- অভিনেত্রী নার্গিসের জন্ম
১৯৩৪ - কবি, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৬৪- সঙ্গীত পরিচালক ইসমাইল দরবারের জন্ম
১৯৬৮- মার্কিন লেখিকা ও সমাজকর্মী হেলেন কেলারের মৃত্যু
১৯৭০- অভিনেতা আর মাধবনের জন্ম
১৯৮৫ - ভারতীয় ক্রিকেটার দিনেশ কার্তিকের জন্ম।
১৯৯৬-ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডির মৃত্যু
২০০১- নেপাল রাজপরিবারে হত্যাকাণ্ড। যুবরাজ দীপেন্দ্র গুলি করে হত্যা করে বাবা, মা, নেপালের রাজা বীরেন্দ্র এবং রানি ঐশ্বর্যসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে।
২০০২ - দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হানসি ক্রোনিয়ের মৃত্যু,
২০০৯- রিও ডি জেনেইরো থেকে প্যারিস আসার পথে অতলান্তিক মহাসাগরে ভেঙে পড়ল এয়ার ফ্রান্সের এয়ারবাস এ ৪৪৭। মৃত ২২৮ আরোহী।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
31st  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী ২৫/৫ দিবা ২/৫৮। হস্তা নক্ষত্র ৫০/১৮ রাত্রি ১/৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৩৬, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী দিবা ১২/১৪। হস্তানক্ষত্র রাত্রি ১১/১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫৫ গতে ৪/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে।
৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্যারা মিলিটারি ক্যান্টিনে বিক্রি বন্ধ বেশ কিছু আমদানিকৃত পণ্য
দেশের প্যারামিলিটারি ক্যান্টিনগুলিতে আর বিক্রি হবে না আমদানিকৃত ১০০০টি পণ্য। ...বিশদ

06:15:11 PM

  কর্ণাটকে করোনা আক্রান্ত আরও ১৮৭
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বিকাল ৫ টা থেকে আজ ...বিশদ

06:10:05 PM

  রাজ্যসভার নির্বাচন ১৯ জুন
১৮টি সিটের রাজ্য সভার নির্বাচন হবে আগামী ১৯ জুন ২০২০। ...বিশদ

05:55:00 PM

 কিছুক্ষণের জন্য বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের গ্রিন বিল্ডিং

05:01:00 PM

বাংলাদেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ২৩৮১, মৃত ২২ 
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৮১ জন। ...বিশদ

04:53:59 PM

পাকিস্তানে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ২৯৬৪, মৃত ৬০ 
পাকিস্তানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৯৬৪ জন। ...বিশদ

04:48:49 PM