Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কাটমানি ও শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

সুশান্ত শীটের কথা মনে আছে? বাঁকুড়া জেলার জগদল্লা ১ নম্বর পঞ্চায়েতের সেই লরিচালক, যিনি পঞ্চায়েত ভোটে মাত্র আধবেলা নিজের বুথে প্রচার করে তৃণমূল কংগ্রেসের দশ বছরের পঞ্চায়েত সদস্যকে ৩৪৯ ভোটে হারিয়ে দিয়েছিলেন। লরির স্টিয়ারিং ধরে কড়া পড়া সুশান্তবাবুর সেই হাতেই এলাকার মানুষ তুলে দিয়েছিলেন পঞ্চায়েত পরিচালনার স্টিয়ারিং। আর উপপ্রধান হয়েছিলেন মিনি লরির চালক। রাজনীতির সঙ্গে দু’জনেরই বিন্দুমাত্র সম্পর্ক ছিল না। তবুও ভোটাররা তাঁদেরই জিতিয়ে দিয়েছিলেন। বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, রাজনীতিকে যারা কারবারে পরিণত করেছে মানুষ তাদের পছন্দ করে না। রাজনীতির কারবারিরা প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। পঞ্চায়েত ভোটেই ছিল ঈঙ্গিত, সুযোগ পেলে মানুষ ধাক্কা দিতে তৈরি। আর সব কিছুর অভাব যতই থাক, গ্রামের রাজাদের মাটিতে আছড়ে ফেলে খান খান করে দিতে দড়ি ধরে টান মারার লোকের কিন্তু অভাব হবে না।
পরাধীন ভারতে রাজনীতির উদ্দেশ্য ছিল দেশসেবা। তখন যাঁরা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁরা দেশকে, সমাজকে জীবন দেওয়ার জন্য জীবনধারণ করতেন। স্বাধীনতা লাভের পরেও যাঁরা রাজনীতিতে ছিলেন তাঁদের বেশিরভাগের চোখে ছিল দেশ ও সমাজ গড়ার স্বপ্ন। তাই গ্রামেগঞ্জে স্কুল, কলেজ করতে, হাসপাতাল গড়তে কেউ দিয়েছেন অর্থ, কেউ দিয়েছেন জমি। আর যাঁদের দেওয়ার মতো কিছুই ছিল না, তাঁরা দিতেন স্বেচ্ছাশ্রম। সকলের লক্ষ্য ছিল একটাই, দেশকে নতুন করে গড়তে হবে।
আর এখন? রাজনীতি যেন আক্ষরিক অর্থেই পেশা। গ্রামবাংলায় অনেকে একটা কথা বিদ্রুপ করে বলে, ‘যার নেই কোনও গতি, সে করে রাজনীতি।’ বিনা পুঁজির রমরমা কারবার। আর অধুনা কাটমানি ইস্যু সেই বিনা পুঁজির ব্যবসার মূলেই হেনেছে আঘাত।
এই মুহূর্তে রাজ্যের সব চেয়ে জ্বলন্ত ইস্যু কাটমানি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাটমানি ইস্যু প্রকাশ্যে আনতেই রাজ্যজুড়ে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। এই ঝড়ের মধ্যে দিয়েই কি একটা সার্বিক শুদ্ধিকরণের জোরদার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল? প্রশ্নটা কিন্তু মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, বাম জামানার শেষদিকে সিপিএম নেতৃত্ব যখন উপলব্ধি করেছিলেন, ‘গ্রামের মিনি রাইটার্স বিল্ডিং’ পঞ্চায়েতের হাত ধরে রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বেঁধেছে দুর্নীতি, ক্ষমতা আর অর্থের দম্ভে পার্টির কেষ্টবিষ্টুরা ক্রমশ হচ্ছেন জনবিচ্ছিন্ন, ঠিক তখনই দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা শুদ্ধিকরণের আওয়াজ তুলেছিলেন। কারণ তাঁরা বুঝেছিলেন, শুদ্ধিকরণ না করতে পারলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে বামশাসনের ইমারত। সেই কথা মাথায় রেখে লোকাল কমিটি থেকে রাজ্য সম্মেলন সর্বত্রই শুদ্ধিকরণ ছিল চর্চার বিষয়। নেতারা মুখে শুদ্ধিকরণের বুলি আওড়ালেও কাজে করে দেখানোর সাহস পাননি। কারণ বুঝেছিলেন, ঠগ বাছতে গেলে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় কাউন্সিলারদের সভায় ‘অন ক্যামেরা’ কাটমানির প্রসঙ্গ তুলে দলীয় নেতাদের জনগণের কাছ থেকে নেওয়া কাটমানি ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
যাঁরা আবাস যোজনা, ১০০ দিনের কাজ, পঞ্চায়েতের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য কমিশন বা কাটমানি খেয়েছেন তাঁরা টাকা ফেরত দেবেন কি না, বা আদৌ দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ থাকলেও তাঁর এই হুঁশিয়ারিতে নতুন করে কাটমানি খাওয়ার রাস্তা আপাতত বন্ধ। তাঁর এই ভাষণকে হাতিয়ার করে প্রধান বিরোধী শক্তি বিজেপির ছত্রচ্ছায়ায় চারিদিকে একটা মার মার, কাট কাট ব্যাপার শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে কাটমানি-প্রিয় অনেক নেতা যে রুষ্ট হয়েছেন তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। অনেক জায়গায় ব্যক্তিগত ঝাল মেটানোর পালা শুরু হয়ে গিয়েছে। তারই মাঝে রাস্তাঘাটে, চায়ের দোকানে, পাড়ার মোড়ে এখন একটাই চর্চা, কাটমানি। অনেকেই বলছেন, দিদি ঠিক করেছে। কথায় কথায় কাটমানি খাওয়ার রাস্তাটা বন্ধ করে দিয়েছে। এত কাজের পরেও যাদের জন্য দলের ভরাডুবি হয়েছে তাদের শাস্তি পাওয়াই উচিত। সব চেয়ে বড় কথা, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পর কাটমানি খাওয়ার সাহস এই মুহূর্তে কেউ দেখাবে না। কেউ কেউ বলছেন, লোকসভা ভোটের ধাক্কায় বেসামাল তৃণমূলকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে এই দহনের জ্বালাটুকু সহ্য করতেই হবে। দহনজ্বালা সহ্য করতে পারলেই খাদটুকু বেরিয়ে যাবে। তাতে অন্তত খাঁটি হওয়ার একটা সুযোগ অন্তত তৈরি হবে। আদিরা থেকে যাবে, ২০১১ সালের মুখে যারা মৌরসিপাট্টা গেড়ে বসেছিল, তারা নতুন করে পাওয়ার আশায় বেরিয়ে যাবে।
রাজা আসে, রাজা যায়। রাজা বদলায়। ২০২১সালে রাজ্যের রাজা বদলাবে কি না, সেটা সময় বলবে। তবে, লোকসভা ভোটের ফলাফলকে মাপকাঠি ধরে যাঁরা আগামী বিধানসভা ভোটের ভবিষ্যৎ
গণনা করতে চাইছেন তাঁদের কয়েকটি বিষয় ভেবে দেখা দরকার। প্রথমত, ২০১৯ সালে হয়েছে লোকসভা অর্থাৎ দেশের সরকার গড়ার ভোট, আর ২০২১ সালে হবে রা঩জ্যে সরকার গড়ার ভোট।
যোগ্য বিরোধী মুখ না থাকায় প্রধানমন্ত্রিত্বের
প্রশ্নে নরেন্দ্র মোদি যে অ্যাডভান্টেজ পেয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রিত্বের প্রশ্নে সেই একই বেনিফিট
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
দ্বিতীয়ত, রাজ্যের গ্রামীণ এলাকায় রাস্তাঘাট, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সত্ত্বেও লোকসভা ভোটে তৃণমূলের বিপুল পরাজয়ের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল কাটমানি। বহু জায়গায় তৃণমূলের মাতব্বররা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরি থেকে শুরু করে নির্লজ্জভাবে সমব্যথী প্রকল্পে পর্যন্ত হাত পেতে টাকা নিয়েছে। তাতে মাতব্বরদের বাড়ি, গাড়ি, ব্যাঙ্ক ব্যালান্স লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। কিন্তু, নিজের প্রাপ্যের টাকা অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার যন্ত্রণায় আপনজনও যে পর হয়ে গিয়েছে, সেটা উপলব্ধি করার মতো বোধশক্তি মাতব্বররা হারিয়ে ফেলেছিল। মাতব্বররা বুঝতে পারেনি, ভোটের দিন তাদের পয়সায় যারা বিরিয়ানি, মাংস ভাত খেয়েছে তারাই চটের আড়ালে বোতাম টিপেছে পদ্মফুলে। তৃণমূলের খারাপ ফলের কারণ বিশ্লেষণে কাটমানির বিষয়টি সবচেয়ে বড় বলে ধরা পড়েছে। কোনওভাবে কাটমানি ক্ষোভ দূর করতে পারলেই উন্নয়নের বেনিফিট ঘরে তুলতে তৃণমূলকে খুব একটা বেগ পেতে হবে না।
নতুন দল গঠন করে সিপিএমের পাথর জমাট সংগঠনকে যিনি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন, তাঁকে খুব সাধারণ ভাবাটা বোকামি ছাড়া কিছুই নয়। সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভা ভোটের পর খুব ভালো করে বুঝেছেন, রাজ্যে যতই উন্নয়ন করা হোক না কেন, মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যতই পরিষেবা দেওয়া হোক না কেন, হাসপাতালে যতই বিনা পয়সায় পরিষেবা দেওয়া হোক না কেন, কাটমানির পায়ে বেড়ি পরাতে না পারলে কোনও লাভ হবে না। এক ফোঁটা গোচোনা যেভাবে গোটা বালতির দুধ নষ্ট করে দেয়, তেমনই তৃণমূলের মাতব্বরদের কাটমানি খেয়ে ফুলে ফেঁপে ঢোল হয়ে ওঠা মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত ভালো কাজে কেরোসিন ঢেলে দিয়েছে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাটমানির মূলেই কুঠারাঘাত করেছেন। তাঁর এই ‘শুদ্ধিকরণ’ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে ২০২১ সালটা হবে ইতিহাস সৃষ্টির বছর। রচিত হবে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ের ইতিহাস।
এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যেমন দুর্নীতি পছন্দ করেন না, তেমনই চান না বিশৃঙ্খলা। কাটমানি ইস্যুতে বিভিন্ন এলাকায় সিপিএমের গোডাউনে চলে যাওয়া ক্যাডাররা বিজেপির পতাকা নিয়ে সামনের সারিতে চলে এসেছে। ক্যাডাররা এখন ‘নো রিস্ক ফুল গেন’ থিওরিতে খেলে যাচ্ছে। কারণ মারছে সিপিএম, নাম ফাটছে বিজেপির।
প্রায় কোনও রকম সংগঠন ছাড়াই বিজেপি এরাজ্যে ১৮টি আসনে জিতেছে। সৌজন্যে নেগেটিভ ভোট। সাংগঠনিক ভোটে ধস নামতে সময় নেয়। কিন্তু, ফ্লোটিং ভোট ঘুরতে সময় নেয় না। কাটমানি ইস্যুতে দিকে দিকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ায় অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে
পেশির আস্ফালন বাড়বে, বই কমবে না। এটা
গেরুয়া শিবিরের জন্য ভালো লক্ষণ নয়। তাই
সাবধান ও সতর্ক হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তা
না হলে নেপোয় দই মেরে চলে যাবে, পড়ে থাকবে শুধু ভাঁড়টা।
30th  June, 2019
সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
একনজরে
মৃণালকান্তি দাস, কলকাতা: চার্লস মিলারের গল্পটা জানেন তো? স্কটল্যান্ডে পড়াশোনা শেষে চার্লস ব্রাজিলে ফিরেছিলেনএকটি ফুটবল হাতে নিয়ে। সবাই জানতে চেয়েছিল, ‘ওই গোল জিনিসটা কী?’ উত্তর ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভাঙড়-১ ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ থেকে বোমাবাজির জেরে জখম হয়েছেন কয়েকজন। আহতরা সকলে যুব শিবিরের অনুগত। প্রতিবাদে যুব গোষ্ঠী রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করে। ...

জুরিখ, ৩১ মে: করোনা ভাইরাসের ওষুধ, ভ্যাকসিন ও পরীক্ষা করার কিট পাওয়া নিয়ে যাতে বৈষম্য তৈরি না হয়, তার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে একযোগে আর্জি জানাল ৩৭টি দেশ। মারণ এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে চলে এলে তার পেটেন্ট নিয়ে লড়াই ...

চেন্নাই, ৩১ মে (পিটিআই): কেন্দ্রীয় সরকার ৩০ জুন পর্যন্ত শুধুমাত্র কন্টেইনমেন্ট জোনে লকডাউন চালানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা সত্ত্বেও মহারাষ্ট্র সরকার গত নির্দেশিকা বদলের কোনও ঘোষণা করেনি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও সুখবর আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদন্নোতির সূচনা। গুপ্ত শত্রু থেকে সাবধান। নতুন কোনও প্রকল্পের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস
১৮৭৪ - ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি বিলুপ্ত হয়।
১৯২৬- আমেরিকার মডেল, অভিনেত্রী ও গায়িকা মেরিলিন মনরোর জন্ম
১৯২৯- অভিনেত্রী নার্গিসের জন্ম
১৯৩৪ - কবি, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৬৪- সঙ্গীত পরিচালক ইসমাইল দরবারের জন্ম
১৯৬৮- মার্কিন লেখিকা ও সমাজকর্মী হেলেন কেলারের মৃত্যু
১৯৭০- অভিনেতা আর মাধবনের জন্ম
১৯৮৫ - ভারতীয় ক্রিকেটার দিনেশ কার্তিকের জন্ম।
১৯৯৬-ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডির মৃত্যু
২০০১- নেপাল রাজপরিবারে হত্যাকাণ্ড। যুবরাজ দীপেন্দ্র গুলি করে হত্যা করে বাবা, মা, নেপালের রাজা বীরেন্দ্র এবং রানি ঐশ্বর্যসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে।
২০০২ - দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হানসি ক্রোনিয়ের মৃত্যু,
২০০৯- রিও ডি জেনেইরো থেকে প্যারিস আসার পথে অতলান্তিক মহাসাগরে ভেঙে পড়ল এয়ার ফ্রান্সের এয়ারবাস এ ৪৪৭। মৃত ২২৮ আরোহী।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
31st  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী ২৫/৫ দিবা ২/৫৮। হস্তা নক্ষত্র ৫০/১৮ রাত্রি ১/৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৩৬, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী দিবা ১২/১৪। হস্তানক্ষত্র রাত্রি ১১/১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫৫ গতে ৪/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে।
৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গত ২৪ ঘণ্টায় গুজরাতে করোনা আক্রান্ত আরও ৪৩৮ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১৬,৭৯৪ 

31-05-2020 - 09:35:59 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,৪৮৭ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭,৬৫৫ 

31-05-2020 - 09:16:18 PM

রাজস্থানে করোনা পজিটিভ আরও ২১৪ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮,৮৩১ 

31-05-2020 - 09:08:26 PM

তামিলনাড়ুতে করোনা পজিটিভ আরও ১,১৪৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২২,৩৩৩ 

31-05-2020 - 06:59:00 PM

জলপাইগুড়িতে ৩২ লক্ষ টাকার বেআইনি মদ উদ্ধার 
অসম থেকে বিহার যাওয়ার পথে জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে বিপুল পরিমাণ ...বিশদ

31-05-2020 - 06:46:00 PM

মাধ্যমিক: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খাতা জমা দেওয়ার হুঁশিয়ারি পর্ষদের 
এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা জমা না দেওয়া পরীক্ষাকদের চরম হুঁশিয়ারি ...বিশদ

31-05-2020 - 06:45:35 PM