Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

নির্বাচন মিটলেও, ইভিএম বিতর্ক নিয়ে তরজার পারদ এখনই নামবে এমন সম্ভাবনা সুদূরপরাহত। গোদের ওপর বিষফোঁড়া—দ্বিমুখী চাপে বিদ্ধ ভারতের করুণ অবস্থা।
১) ট্রাম্পের আমলে নতুন করে ভারত অসম বাণিজ্যিক যুদ্ধের মুখোমুখি। এর প্রধান কারণ অবশ্যই সদ্য ঘোষিত জেনারেল সিস্টেম অব প্রেফারেন্স থেকে ভারতকে বাদ দেওয়া। এর ফলে কমবেশি আরও দু’হাজারটি পণ্য রপ্তানি বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে মোদিজি প্রতিক্রিয়া কী—তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভিসা-বিতর্ক, ইরান থেকে তেল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞার পর জিএসপি—একের পর এক মার্কিন আঘাত হজম করেও মার্কিন তোষণ-নীতি থেকে ভারত বেরিয়ে আসতে পারেনি।
২) চলতি ক্রিকেট বিশ্বকাপে ধোনির গ্লাভসে ভারতীয় প্যারা স্পেশ্যাল ফোর্সের চিহ্ন—বিতর্ক নিয়ে যখন ভারত-পাক তরজা উত্তাপ ছড়াচ্ছে, তখন পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর পরই মালদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি অনেকটা যেন আত্মবিশ্বাসী মহারাজের মতো দুপা বাড়িয়ে মৃদু ব্যাকলিফ্‌ট থেকে হাফ ভলিতে বাউন্ডারি হাঁকালেন। বুঝতে অসুবিধা হয় না, এতে আমরা ভারতের নতুন কৌশলী চালের ইঙ্গিত পাচ্ছি।
প্রথমত, আমেরিকা যখন ভারতের ওপর খানিকটা আক্রোশবশত চাপ বাড়াতে চাইছে, যার অন্যতম কারণ হল যাতে ভারত মস্কো থেকে সফিসটিকেটেড মিসাইল প্রতিরক্ষা—প্রযুক্তি এস৪০০ না কেনে, তখন সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে আমরা দেখলাম মোদিজি নেতৃত্বে ভারতের বিদেশমন্ত্রক তার সলতে পাকানোর কাজ শুরু করে দিল দক্ষিণ এশিয়ায় তার একান্ত নিজস্ব প্রতিবেশী এলাকায়।
দ্বিতীয়ত, মালদ্বীপের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অভিনব দিকের সূচনার দিক থেকেও মোদিজির এই সফরকে দেখা যেতে পারে, তা হল বিশ্বকাপের আবহে এই দ্বীপরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রিকেটীয় যোগসূত্র স্থাপন, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, আফগানিস্তানের সঙ্গে ভারতের সবচেয়ে সফল কূটনীতির জায়গাটা হল ক্রিকেটীয় সম্পর্ক। কারণ, আফগানিস্তানের কয়েকজন প্লেয়ার আইপিএল-এ সম্ভাবনার স্বাক্ষর রেখেছেন। তা ছাড়া তাঁরা গ্রেটার নয়ডা ও দেরাদুনে ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাচ্ছেন। আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের পারসেপশনস হল—ভারতের জন্যই তাঁরা আইসিসি থেকে টেস্ট খেলার ছাড়পত্র পেয়েছেন। কৌটিল্যের মণ্ডল তত্ত্ব অনুযায়ী, পাকিস্তানকে চাপে রাখতে ভারতের আফগান যোগসূত্র বিশেষ করে ক্রিকেট কূটনীতি দারুণ কাজ করেছে। এখন প্রশ্ন হল, মালদ্বীপের অবস্থান, বিশেষত বিরূপ জলবায়ুর কারণে যখন দ্বীপরাষ্ট্রের অনেকটা জমি ক্রমশ সমুদ্রে তলিয়ে যেতে পারে তখন নতুন করে ক্রিকেট ডিপ্লোম্যাসির ভবিষ্যৎ কী—বলা বেশ কঠিন। তবে, মোদি-সোলি যোগাযোগ যে এই জনপ্রিয় ক্রিয়ার আস্বাদনকে আরও প্রসারিত করার অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে তা বলাই বাহুল্য। উপদেশীয় ক্রিকেট উত্তেজনার ইমপালস মোদিজি ভালোই বোঝেন। তবে, মালদ্বীপে ক্রিকেট কূটনীতি হয়তো পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়ানোর জন্য ততটা নয়, যতটা-না শ্রীলঙ্কাকে বার্তা দেওয়া।
তৃতীয়ত, মালদ্বীপ মানেই আমরা ইতিমধ্যে যা দেখেছি তা হল রাজনৈতিক জমি দখলের জন্য চীন-ভারতের দ্বন্দ্ব। এর কারণ অবশ্যই মালদ্বীপের অবস্থানগত গুরুত্ব। তবে শুধু মালদ্বীপই নয়, ভারতের পাখির চোখ রয়েছে মরিশাস ও সিসেলসকে কেন্দ্র করে, কারণ চীনের সঙ্গে ভবিষ্যৎ নৌ-সংঘাতের সম্ভাবনা দেখা দিলে তার নিজস্ব উপকূল থেকে এই প্রসারিত ক্ষেত্র তার প্রতিরক্ষাকে মজবুত করবে। রাষ্ট্রদূত ভদ্রকুমার মেল কুলানাগারার মতে, ভারতের বিদেশ নীতি একদিকে যেমন বহুদিন পর্যন্ত ভারত-মহাসাগরীয় অঞ্চলের তাৎপর্যকে গুরুত্ব দেয়নি, তেমনি পরের দিকে ভারত-মহাসাগরের যে বৃত্ত—তার উপরিভাগের ভূ-মণ্ডলকে সে প্রভাবিত করতে চেয়েছে। মালদ্বীপ কিন্তু এই বৃত্তের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে অবস্থান করছে। সুতরাং ভিয়েতনাম যেমন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, ঠিক তেমনি ভারত-মহাসাগরীয় অঞ্চলে মালদ্বীপ হয়ে উঠতে চলেছে ভারতের ঘনিষ্ঠ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার। এ প্রসঙ্গে এ-কথা বললে অত্যুক্তি হবে না, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজের প্রভাব বজায় রাখার স্বার্থে মোদি ২০১৫ সালে উচ্চাভিলাষী ‘সাগর ডকট্রিন’ ঘোষণা করেছিলেন। এর অন্যতম উদ্দেশ্য হল চীনকে আটকানো। কারণ, দক্ষিণ চীন সাগরে কিছুটা প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়ে চীন চাইছে ভারত মহাসাগরে প্রভাবের ক্ষেত্র বাড়াতে।
সুতরাং মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা। তবে ঘরে-বাইরে উপর্যুপরি চাপের মুখে দাঁড়িয়ে মোদি সরকার কি পারবে দক্ষিণ এশিয়ার সুদূর বিস্তৃত অঞ্চলে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশীসুলভ আবহাওয়া তৈরি করতে? সার্কের ভবিষ্যৎ কিন্তু বিশবাঁও জলে। আবার মালদ্বীপের দিকে দৃষ্টি ঘোরানোর ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়বে না তো? এর উত্তর হয়তো দিতে পারবে একমাত্র ‘মোদি-ম্যাজিক’।
লেখক সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
15th  June, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, কালীগঞ্জ: দৌড় প্রতিযোগিতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে অংশ নিয়ে কালীগঞ্জের মুখ উজ্জ্বল করতে চায় সুতপা মণ্ডল। পরিবারে অভাবকে হার মানিয়ে ইচ্ছা শক্তির জোরে আগামী দিনে দৌড় প্রতিযোগিতার বিভিন্ন খেলায় সফল হতে চায় লাখুরিয়া হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণীর ওই ছাত্রী। বাবা ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১২ ডিসেম্বর: বজবজের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বঙ্গ বিজেপি। এদিন দলের রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সংসদ সদস্য দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যায়। ...

পাটনা, ১২ ডিসেম্বর (পিটিআই): নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব) সমর্থন না করায় ইতিমধ্যেই দলের অন্দরে কোণঠাসা হয়ে গিয়েছেন জেডিইউয়ের সহ সভাপতি প্রশান্ত কিশোর। তবে তা সত্ত্বেও তিনি নিজের অবস্থানে অনড়ই থাকলেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ওই বিলের মাধ্যমে সরকার ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট মেট্রোয়
কলকাতা মেট্রোয় ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তার জেরে কিছুক্ষণের জন্য টানেলেই ...বিশদ

12-12-2019 - 08:21:00 PM

অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

12-12-2019 - 04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

12-12-2019 - 04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

12-12-2019 - 04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

12-12-2019 - 04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

12-12-2019 - 04:00:00 PM