Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা। আর সেই শতসহস্র জিজ্ঞাসার মধ্যে ঘুরে ফিরে একটাই সবচেয়ে বড় হয়ে ঘুরে ফিরে আসছে—সবুজ ঘাসফুলের একচ্ছত্র রাজ্যে কীভাবে গেরুয়া রথ এতদূর এল, মমতার সর্বব্যাপ্ত প্রভাব প্রতিপত্তির দেশে কী করে ফুটল এত পদ্ম! ফুটল কেন? এবং তার সঙ্গেই উঠে আসছে সংশয় সন্দেহ—তবে কি এবার ইভিএমে সত্যিই কোনও ছুমন্তরের খেলা ছিল, নাকি গদ্দারি করেছে নিজেদের লোক! নাকি গোটাটাই বাম-কংয়ের লীলা! হিসেব কষতে কষতে দিনরাত কাবার হয়ে যাচ্ছে—কিন্তু কেউই যেন শত শতাংশ নিশ্চিত হতে পারছেন না! কী ঝকমারি!
এদিকে ভোট মিটতেই আঠারোর বাদ্যি বাজিয়ে কার্যত দখল যুদ্ধে নেমে পড়েছে বিজেপি। একদিকে গেরুয়া ঢেউ আছড়ে পড়ছে রাজ্যের নানা প্রান্তে। তৃণমূলের সবুজ পার্টি অফিস রাতারাতি রং পাল্টে গেরুয়া ধারণ করছে, রং পাল্টানো নিয়ে ধস্তাধস্তি মারামারি রক্তারক্তি হচ্ছে, মন্ত্রীর সামনে আঙুল উঁচিয়ে চলছে প্রতিবাদ, গো-ব্যাক স্লোগান, পুরসভার চেয়ারম্যানের টেবিল চাপড়ে ফেটে পড়ছে জমানো ক্ষোভ, ব্যারাকপুর কাঁচরাপাড়া ভাটপাড়ায় গেরুয়া দাপটে সন্ত্রাসের তাপ ঝলসাচ্ছে, শাসক তৃণমূলের হাত ছাড়িয়ে গোটা পুরসভা চলে যাচ্ছে গেরুয়া কব্জায় এবং আরও কত কীই না হচ্ছে! সংশ্লিষ্ট এলাকায় এতদিনের প্রবল প্রতাপ তৃণমূলকেও মাঝেমধ্যে কেমন যেন একটু অসহায় অস্থির দেখাচ্ছে! অন্যদিকে, ভোটফলে অভূতপূর্ব সাফল্যের পর পদ্মদলে ‘চাণক্য’ শিরোপা পাওয়া মুকুল রায়ের কার্যক্রম নিয়েও যেন একটা কী হয় কী হয় ভাব ছড়িয়েছে। রাজ্য রাজনীতির মহলে তো বটেই সাধারণ মানুষের মধ্যেও ‘এর পর কে, কোনও রথী না কোনও মহারথী’—নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। তার ওপর মুকুল রায় অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের তরফে দফায় দফায় যে সব চেতাবনি উড়ে আসছে—তৃণমূলের মন্ত্রী বিধায়ক কাউন্সিলার নেতা উপনেতা ছোটনেতাদের গেরুয়া ধারণের যে লম্বা অপেক্ষা-লিস্টের কথা বলা হচ্ছে এবং সর্বোপরি রাজ্য বিধানসভা ভোট এগিয়ে এনে পদ্মশাসন কায়েমের যে সম্ভাবনা গণপরিসরে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাতে রাজ্যের রাজনৈতিক প্রশাসনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সর্বস্তরেই কৌতূহল উত্তেজনা উদ্বেগ যে ক্রমবর্ধমান তাতে কিছুমাত্র সন্দেহ নেই।
মানতেই হবে, এসবের সম্মিলিত চাপে যথেষ্ট অস্বস্তিতে শাসক তৃণমূলও। আর তাতে আশ্চর্যেরও কিছু নেই। বলতে কী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে এমন রাজনৈতিক আলোড়ন, শাসকের সঙ্গে এমন জোরালো টক্কর তো এককথায় সত্যিই নজিরবিহীন। মুকুল রায়ের দলভাঙানোর কৌশলও একদিক থেকে শাসকদলকে বেশ অসুবিধেয় ফেলছে। অর্জুন সিং কি তাঁর মতো কয়েকজন দল ছাড়লে এত বড় একটা দল বিশেষত যার সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো জননেত্রী—তার বিশেষ কিছু যায় আসে না। বাস্তবিকই তাই। কিন্তু, বিজেপির ১৮ প্রাপ্তি ও এই দলবদলুদের উদাহরণ করে মমতা বিরোধীরা যে বোঝাতে শুরু করেছেন, এ হল তৃণমূলরাজের ওপর রাজ্যবাসীর অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ! তাঁরা এবার বিকল্প চাইছেন। এমন বোঝানোতে যাঁরা বুঝবেন তাঁদের রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা যেতেই পারে। কেননা, লোকসভা ভোট এবং রাজ্য বিধানসভা ভোট যে প্রকৃতিগতভাবে আলাদা এবং দুই ক্ষেত্রে একই ভোটদাতার মানসিক বিচারবুদ্ধিও যে একভাবে কাজ করে না—সেটা অতীতে কিন্তু প্রমাণিত। ১৯৮৪ সালে ইন্দিরা-আবেগ ভোটে কংগ্রেসের রেকর্ড আসনে জয়ের পর অনেক বোদ্ধাই ভেবেছিলেন ১৯৮৭ সালের বিধানসভা ভোটে সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামেদের হটিয়ে ফের একবার কংগ্রেস ঘুরে দাঁড়াবে, ১৯৭২ সালের কলঙ্ক মুছে পশ্চিমবঙ্গে আবার কংগ্রেস-রাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। হয়নি। ১৯৮৪ লোকসভা ভোটে পূর্ববর্তী লোকসভার ১২ আসন ও প্রায় ৫ শতাংশ ভোট খুইয়ে মাত্র ২৬ আসন এবং ৪৭.৬ পাওয়া সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামেরা ২৫১ আসন ও ৫৩ শতাংশ ভোটের বিপুল ক্ষমতা নিয়ে ফিরে এসেছিল ১৯৮৭-র বিধানসভায়! তবে, এই বোঝানোর ভবিষ্যৎ ফলটিকে সন্দেহ করতেই হয়! এবং এক্ষেত্রে আমার মনে হয়, বরং সন্দেহ করে ভুল করা ভালো, সন্দেহ না করে ভুল করা মারাত্মক— এই তত্ত্ব মানাটাই বিধেয়। কেননা, মহাপুরুষেরা বলেছেন, মানুষের মন, বিচলিত হইতে কতক্ষণ!
আর এবার এ রাজ্যের লোকসভা ভোটে বিজেপির অভূতপূর্ব সাফল্যের পিছনে এই বিচলিত মন মানুষের ভূমিকা কতটা গুরুতর তা তো পরিসংখ্যানেই প্রমাণিত। বিগত লোকসভার চেয়ে যে ২২ শতাংশ ভোট বেশি পেয়ে বিজেপি আজ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রাঙ্গণে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে তার মধ্যে কটা তাঁদের নিজস্ব ভোট মানে গেরুয়া শিবিরের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ, কমিটেড? বুকে হাত দিয়ে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায় থেকে শুরু করে দিলীপ ঘোষ কেউই খুব জোর দিয়ে বলতে পারবেন না। বরং, সাধারণ ধারণা দাঁড়িয়েছে এই যে মূলত সিপিএমের বামমনস্ক ভোট (সিপিএমের ভোট কমেছে ২২ শতাংশ) এবং সঙ্গে কংগ্রেসের হতাশ ভোট (ভোট কমেছে ৪.৫ শতাংশ) আর তৃণমূলের সামান্য কিছু বিভ্রান্ত ভোট (তৃণমূলের ভোট ৬ শতাংশ বেড়েছে জেনেও) মিলেমিশেই ওই ২২ শতাংশের বিকাশ। অর্থাৎ, অবিজেপি ভোটে বাজিমাত করেছে বিজেপি। কিন্তু, তারপর? তারপরই শুরু হয়ে গেছে তোলপাড়। বারাকপুর, নৈহাটি, কাঁচরাপাড়া থেকে কোচবিহার জঙ্গলমহলের নানা জেলা মায় কলকাতা ও তার সন্নিহিত এলাকায় শাসক তৃণমূলের সঙ্গে সমানে সমানে শক্তি প্রদর্শনে নেমে পড়েছে গেরুয়াবাহিনী। আমাদের রাজ্যে অবশ্য, ভোট পরবর্তী এই সন্ত্রাস একটা রীতি রেওয়াজের মতো।
কিন্তু সমস্যা হল, যে নির্বাচনটা গেল সেটা দেশের সরকার গড়ার নির্বাচন এবং সেখানে যাবতীয় হিসেবপত্তর উল্টে দিয়ে প্রায় নজিরবিহীন জয় পেয়েছে বিজেপি এবং মোদিজির নেতৃত্বে দেশে একটা জবরদস্ত সরকার কায়েম করেছে। সেই সরকারে পশ্চিমবঙ্গের ১৮ আসনের অভাবিত সাফল্যও নিশ্চয়ই আলাদা সমীহ পাবে। আপাতত দু’জন মন্ত্রী ভবিষ্যতে বেড়ে যেতেও পারে সংখ্যায়। কিন্তু, এ রাজ্যে বিজেপির মূল লক্ষ্য তো বিধানসভা। নিয়ম মোতাবেক ২০২১ সালে বিধানসভার ক্ষমতা দখলের যুদ্ধ হওয়ার কথা। মাঝে আছে কলকাতা সমেত রাজ্যের পুরসভাগুলোর নির্বাচন। ভোটে ভোটে সময়ের ব্যবধান রাজনৈতিক প্রস্তুতির দিক থেকে দেখলে খুব বেশি নেই। এমন পরিস্থিতিতে নবজাগ্রত বিজেপি এ রাজ্যে যে চড়া সুরে তাদের রাজনীতির তার বেঁধেছে তা ওই অবিজেপি ভোটের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হচ্ছে তো? বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে নৈহাটি, কাঁচরাপাড়ায় বা রাজ্যের অন্যত্র গেরুয়া নিশান ওড়ার পরে পরিস্থিতির যে অগ্নিগর্ভ রক্তঝরা সন্ত্রস্ত রূপ দেখা যাচ্ছে, তা নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থানের বলিষ্ঠ সূচক হিসেবে চিহ্নিত হতেই পারে কিন্তু বাংলার শান্তিপ্রিয় মানুষজনের কাছে নতুন দলের সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা পাঠাচ্ছে তো!? মনিরুল ইসলামের মতো বিতর্কিত তৃণমূলীকে দলে নেওয়ার পর হাওড়ার বিজেপি প্রার্থী রন্তিদেব সেনগুপ্ত প্রতিবাদে মুখর হয়েছিলেন। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও অসন্তোষ আড়াল করেননি। ফলে, মনিরুল ইসলামের পদ্মসফর শেষপর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী হল না। এতে বীরভূমের সাধারণ মানুষের কাছে একটা ভালো বার্তা হয়তো গেল। কিন্তু, সেইসঙ্গে রাজ্য বিজেপিতে মুকুল রায় বিজয়বর্গীয়দের সঙ্গে দিলীপ-রন্তিদেবদের দলীয় লাইনগত বোঝাপড়ার ঘাটতিটাও কি উঠে এল না? প্রশ্নটা কিন্তু তুলছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের আরও বক্তব্য, মনিরুলের সাম্প্রতিকে তেমন কোনও সক্রিয়তাই তো ছিল না, যা ছিল সব অতীতে ছিল। কিন্তু বর্তমানে বারাকপুর নৈহাটি ভাটপাড়ায় যা চলছে তা তো ভয়ঙ্কর! সে ব্যাপারে বিজেপি নেতৃত্ব নীরব কেন!? তাহলে কি বিজেপিতেও আসন জেতাটাই সব! পরবর্তীতে সেই জয়ের জোরে যা ইচ্ছে করা যায়!
অবিজেপি ভোটকে বিজেপিতে স্থায়ী করে আগামী বিধানসভা যুদ্ধে কিছু করে দেখাতে হলে কিন্তু এই প্রশ্নের জবাব অবিলম্বে খুঁজে দিতে হবে আম জনতাকে। কেননা, বিজেপির সবচেয়ে বেশি সমর্থন মিলেছে বাম-মনস্কদের কাছ থেকে। সাধ করে তাঁরা বিজেপির বাক্স ভরাননি। ২০১৪ সালে বামেদের বাক্স ভরিয়েও (৩০ শতাংশ প্রায়) মাত্র ০২! সেই হতাশা আর চলতি সরকারের কাজকর্মে অসন্তোষ মিলেমিশে তাদের টেনেছে পদ্মে। অবিজেপি সেই ভোটকে পরের নির্বাচনগুলোতে পাশে পেতে হলে বিজেপির কর্মকাণ্ডে সংযম শান্তি ফেরাতেই হবে। মনিরুলের মতো কে দলে এল গেল তাতে মানুষ ভাবিত নয়। ভাবিত তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ে। সেখানে যদি সন্ত্রাসের বাতাবরণ দীর্ঘস্থায়ী হয় আর তার জন্য অভিযোগের অধিকাংশ তির বিজেপির দিকে ধায় তাহলে ওই অবিজেপি মানুষজনের গেরুয়া বিশ্বাস শেষঅবধি কতদূর বজায় থাকবে তা নিয়ে রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞজনেরাও নিশ্চিত নন। এমন পরিস্থিতিতে বলতে কী, ওই বিপুল অবিজেপি ভোট ধরে রাখাটাই রাজ্যে বিজেপির কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ভোট এগিয়ে এনে সেই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে চাইছেন পদ্ম নেতৃত্বের একাংশ। অন্তত খবর তেমনই। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেবল
ভোট এগিয়ে এনে কি ওই চ্যালেঞ্জ জেতা যাবে?
06th  June, 2019
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
একনজরে
রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ৩০ মে: রাষ্ট্রসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে ভারতের অবদান বিশ্বের যেকোনও দেশের তুলনায় বেশি। আর সেই অবদান এবং বলিদানের কারণেই ভারত অনেক শান্তিরক্ষককে হারিয়েছে। ...

  নয়াদিল্লি, ৩০ মে: ইসলাম ভীতি ও বিদ্বেষের অজুহাতে ভারতকে কলঙ্কিত করতে মরিয়া পাকিস্তান। আর সেই লক্ষ্যে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারত বিরোধী দল পাকানোর তালে ছিল ইসলামাবাদ। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারে করোনা সংক্রমণ ঝড়ের গতিতে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার মাদারিহাট ব্লকের পাঁচ জনের ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ট্রুন্যাট মেশিনে করা সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ বলে সন্দেহ ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুলিসের চতুর্থ ব্যাটেলিয়ানে বিক্ষোভের ঘটনায় পাঁচজনকে সাসপেন্ড করা হল। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

স্বাস্থ্য বেশ ভালোই থাকবে। আর্থিক দিকটিও ভালো। সঞ্চয় খুব ভালো না হলেও উপার্জন ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
১৬১১: মুঘল সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের জন্ম
১৮৫৮ - ওয়েস্টমিনিস্টার জুড়ে প্রথম ধ্বনিত হয়েছিল বিগ বেনের শব্দ
১৯২৬-ক্রিকেটার প্রবীর সেনের জন্ম
১৯২৮-ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়ের জন্ম
১৯৩০- মার্কিন অভিনেতা ক্লিন্ট ইস্টউডের জন্ম
১৯৯৪: তবলা বাদক সামতা প্রসাদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী ৩১/৪৪ অপরাহ্ন ৫/৩৭। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র ৫৫/১৩ রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৪৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৯ গতে ১২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী দিবা ২/৪০। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ১২/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৫ গতে ২/১৬ মধ্যে।
৭ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: কোন রাজ্যে কত আক্রান্ত? 
ভারতে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ...বিশদ

12:12:51 PM

ছাড় মিললেও মনে রাখতে হবে, আমরা যেন বেপরোয়া না হয়ে যাই, সতর্কতা বজায় রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী 

11:34:46 AM

করোনা ভাইরাসের জেরে সর্বাধিক প্রভাবিত দেশের গরিব ও শ্রমিকরা: প্রধানমন্ত্রী 

11:31:06 AM

ওড়িশায় করোনা পজিটিভ আরও ১২৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১,৯৪৮ 

10:49:25 AM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

10:42:00 AM

নয়াদিল্লি সেনা ক্যান্টিনে আগুন
নয়াদিল্লির ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সেনা ক্যান্টিনে আগুন লাগল। ঘটনাস্থলে দমকলের ৮টি ...বিশদ

10:19:15 AM