Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

দ্বিশতজন্মবর্ষে শ্রদ্ধা 

১৮২০ সালে মোট বাঙালির সংখ্যা নাকি ছিল চার কোটি। রবীন্দ্রনাথের মতে, তার মধ্যে একজনই মনুষ্যপদবাচ্য—তাঁর নাম ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। যাঁর জন্ম ওই সালের ২৬ সেপ্টেম্বর। তাই এই সেপ্টেম্বর বাঙালির আত্মপরিচয় গঠনের ইতিহাসে অবিস্মরণীয়। বাংলা তথা বাঙালির আলোকপ্রাপ্তির পুরোধাপুরুষ বিদ্যাসাগরের জন্মের দুশো বছর পালনের মাস এটি। পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালির কাছে ‘বিদ্যাসাগর’। সমাজ-সংস্কারের লড়াকু যোদ্ধা। স্পষ্ট প্রতিবাদী। বাংলা গদ্যের বিকাশকর্মী। শিশু ও স্ত্রীশিক্ষার চিন্তক এবং প্রবর্তক। ইংরেজি তথা পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগী। সর্বোপরি উনিশ শতকীয় বঙ্গীয় নবজাগরণের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনীষা। আবার ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিতর্কিতও। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরের উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন: ‘‘তব শুভ অভ্যুদয়ে বিকীরিল প্রদীপ্ত প্রতিভা/ প্রথম আশার রশ্মি নিয়ে এল প্রত্যুষের বিভা/ বঙ্গভারতীর ভালে পরাল প্রথম জয়টিকা...’’।
বিদ্যাসাগর স্বয়ং ছিলেন সাহস ও স্পর্ধার প্রতীক। তিনি সাহেবের মুখের উপর চটিসুদ্ধ পা টেবিলে তুলে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পরাধীন ভারতে। সাহেবের অভদ্রতার বিরুদ্ধে। চিরকাল তিনি অত্যন্ত অনমনীয় মানুষ ছিলেন, এবং প্রথা ভাঙার প্রতি তাঁহার বিশেষ উৎসাহ ছিল। যে-যুগে ধর্ম বাদ দিয়ে নীতিশিক্ষার কথা ভাবা যেত না, সেই যুগে তিনি ধর্ম-প্রভাব বর্জিত ‘বর্ণপরিচয়’ লিখে নীতিশিক্ষা দিয়েছেন। সমাজের প্রচলিত মত ও প্রথার বিরুদ্ধে গিয়ে মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন। বিধবাদের বিবাহের বন্দোবস্ত করেছেন। সংস্কৃতে অত বড় পণ্ডিত হয়েও আহ্নিক করতেন না। বলতেন, সন্ধ্যামন্ত্র ভুলে গিয়েছেন। তাঁর স্মরণসভায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর চরিত্রের এই দিকটির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছিলেন, ‘‘আমাদের দেশের লোকেরা এক দিক দিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন না করে থাকতে পারেননি বটে, কিন্তু বিদ্যাসাগর তাঁর চরিত্রের যে মহত্ত্বগুণে দেশাচারের দুর্গ নির্ভয়ে আক্রমণ করতে পেরেছিলেন, সেটাকে কেবলমাত্র তাঁর দয়াদাক্ষিণ্যের খ্যাতি দ্বারা তাঁরা ঢেকে রাখতে চান।’’ বাংলা গদ্যকে ‘সুমধুর’ অথচ গভীর অর্থবহ, প্রাণবন্ত, ‘কলানৈপুণ্যে’ একান্ত স্বাভাবিকভাবেই লালিত করার বিদ্যাবুদ্ধি মানসিকতা-সঞ্জাত শক্তি ছিল বিদ্যাসাগর মহাশয়ের। ভাষাকে নিজেরই মতো শিরদাঁড়াসম্পন্ন করে তোলেন তিনিই। রামায়ণ, কালিদাস, শেক্‌সপিয়র, ঈশপ্ প্রভৃতি থেকে অনুবাদে নামলেন। বাংলা সংস্কৃতের দুহিতা বলে গর্ববোধ অবশ্যই ছিল, কিন্তু বাংলা ভাষার নিজস্বতাকে মহিমামণ্ডিত করার চেষ্টা থেকে নিবৃত্ত কখনও হননি। সহজবোধ্য নতুন ব্যাকরণ সৃষ্টি হল তাঁর কীর্তি... লেখনীই অস্ত্র হল অধঃপতিত সমাজের উন্নয়নকল্পে; বিধবাবিবাহ প্রচলন, বহুবিবাহ নিবারণ, স্ত্রী-শিক্ষাপ্রোৎসাহন প্রভৃতি বিষয়ে অক্লান্ত  তাঁর রচনাপুঞ্জ।... গম্ভীর রচনার জন্য খ্যাত এই বিরাট বিদ্বান একেবারে সহজ সরস ও বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ লিখতেও নিবৃত্ত হলেন না...।
বিদ্যাসাগরের মূল প্রবণতাটি কখনওই প্রশ্নহীন আনুগত্য নয়, বরং যা চলে আসছে তাকে বারংবার যাচাই করা, এবং পছন্দ না হলে তাকে অস্বীকার করা, এমনকী আঘাত করা। যাঁরা তাঁর নিন্দেমন্দ করতেন, বিদ্যাসাগর তাঁদের সকৌতুকে জিজ্ঞাসা করতেন, কী উপকার তিনি করেছিলেন যে এত বিদ্বেষ তাঁর প্রতি? এমন আর একজন মানুষেরও দৃষ্টান্ত মেলে না, জনকল্যাণে নিবেদিত হওয়ার জন্য যিনি এত প্রশংসা পেয়েছিলেন, আবার যাঁর এত দুর্নামও করা হয়েছে। যেসব গোষ্ঠী বিদ্যাসাগরকে নিজের দলে টানতে চেয়েছিল, তিনি কোনও দিনই সেখানে নাম লেখাননি? একটা সময়ে তিনি তাঁর নিজের গ্রাম বীরসিংহ ছেড়ে দিয়েছিলেন। সমসাময়িক তরুণদের সঙ্গে যোগ দিয়ে দেশপ্রেমী সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি জানতেন, এর ফলে আরও আঘাত আসবে। অভিমানে ক্ষতবিক্ষত একজন আমহার্স্ট স্ট্রিটের ৬৩ নম্বর বাড়িতে দোতলার একটি ঘরে বসে নিজের হাতে লিখছেন তাঁর ইচ্ছাপত্র বা উইল। লিখেছিলেন, ‘‘আমার পুত্র বলিয়া পরিচিত শ্রীযুক্ত নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় যারপরনাই যথেচ্ছাচারী ও কুপথগামী এজন্য, ও অন্য অন্য গুরুতর কারণবশতঃ আমি তাহার সংশ্রব ও সম্পর্ক পরিত্যাগ করিয়াছি।’’ তাঁকে শুধু তাঁর একমাত্র পুত্র বা পরিবার আহত করেনি, তাঁকে রক্তাক্ত করেছে তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ, ইংরেজ শাসক, সেই শাসকদের করুণা-লোভী জমিদার শ্রেণি বাবু সম্প্রদায়। ছেলেকে করেছেন ত্যাজ্য। বাবা কাশীবাসী। মা সেখানেই কলেরায় মারা গিয়েছেন। বিদ্যাসাগরের শেষ জীবন এরকমই। তাঁর জন্মের দ্বিশতবর্ষে গবেষক ও চরিতকারদের কত মূল্যায়ন। তাঁর অজেয় মনুষ্যত্ব, শেষ দিনগুলির নিঃসঙ্গতা, বিজ্ঞানমনস্কতা। আবার বিদ্যাসাগর ও তৎকালীন বঙ্গসমাজে তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের পারস্পরিক সম্পর্ক। সামাজিক আন্দোলন ও বিদ্যালয় স্থাপনে বিদ্যাসাগরের সক্রিয় ও অগ্রণী ভূমিকা। প্রতিবেশী সাহিত্য ও সমাজেও বিদ্যাসাগরের প্রভাব। বছরভর বিদ্যাসাগরকে নিয়ে নানা রচনা, আলোচনা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন সারস্বত সমাজের মানুষজন। তবুও বলতে হয়, দ্বিশতজন্মবর্ষে তাঁকে নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে, সুলক্ষণ! জন্ম দ্বিশতবর্ষে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে নিয়ে বই ছাপছে শিক্ষা দপ্তর। কোনও মনীষীকে নিয়ে এই প্রথম বই প্রকাশ করছে রাজ্য সরকার। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের হাতে এই বই তুলে দিতে চায় সরকার। আসুন, আমরা আপাতত তাঁর লেখা পড়ি। বাংলাভাষাকে একটু জানার চেষ্টা করি। বিদ্যাসাগরের জন্মের দ্বিশতবর্ষে এই হোক আমাদের কাজ। 
23rd  September, 2019
সঙ্কটকালে  ধনীদেরই বাড়বাড়ন্ত 

সুদ কমানো, কর কমানোর মতো কোনও দাওয়াইয়েই চাঙ্গা করা যাচ্ছে না দেশের অর্থনীতিকে। ঝিমিয়ে পড়া দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ইতিমধ্যে পরপর পাঁচবার সুদের হার কমিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু সুদ কমানোর চাওয়াই যথেষ্ট কি না, তা নিয়ে চিন্তায় দেশের সর্বোচ্চব্যাঙ্কের নীতি নির্ধারকরা।  বিশদ

শেষ সতর্কবার্তা

 আন্তর্জাতিক মহলে সহমর্মী দেশগুলিকে নিয়ে ইমরান খান যতই ঘোঁট পাকানোর চেষ্টা করুন না কেন, শেষ সময়সীমা দিয়ে দিল ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বা এফএটিএফ। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে সন্ত্রাস দমনে এবং জঙ্গিদের অর্থ জোগানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিন, না হলে কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। বিশদ

20th  October, 2019
বাংলাদেশের শিষ্টাচার লঙ্ঘন

 দেশ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার পরও ওপার বাংলার মানুষের প্রতি ভারতীয়দের সহানুভূতি ও সহমর্মিতার কোনও অভাব ঘটেনি কোনওদিনই। একথা অনস্বীকার্য যে, সেদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের পদক্ষেপ ও সাহায্য বাংলাদেশের মুক্তিসূর্যকে উড্ডীন করেছিল।
বিশদ

19th  October, 2019
ক্ষুধা ও স্বামীজির দাওয়াই

 স্বামী বিবেকানন্দকে শ্রেষ্ঠ ধর্মপ্রচারক বলে মনে করা হয়। কিন্তু তার থেকে বেশি তিনি একজন মানবপ্রেমিক। সর্বত্যাগী সন্ন্যাসীর বেশে তিনি ভারতসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলেন। দেখেছেন মিশেছেন ধনী ও শিক্ষিতদের সঙ্গে। দেখেছেন মিশেছেন গরিব ও অশিক্ষিতদের সঙ্গে। বিশদ

18th  October, 2019
নারী: শিক্ষিত সমাজই যথেষ্ট নয়

একটি সমাজে ১০০ জন নারীর অনুপাতে যত জন পুরুষ থাকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ সেটাকে সেক্স রেশিও (নারী-পুরুষ অনুপাত) বলেছে। ভারত সরকারের পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রকের সর্বশেষ রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, ভারতের হালফিল সেক্স রেশিও হল ১০৭.৪৮। বিশদ

17th  October, 2019
কুর্নিশ, অভিনন্দন

 আদ্যন্ত একজন বাঙালি, যিনি বিশ্বের দরবারে দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন। দেখালেন অর্থনীতির নতুন দিশা। ঝরঝরে বাংলাতে কথা বলেন। বাংলাতে লেখেনও। বিশ্বজয়ী এই বাঙালি অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

16th  October, 2019
বিপদের সময় দরকার ঐক্যবোধ

ভালোই হয়েছে। একদিনের মধ্যে যে মন্ত্রীমশাই নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন, সেটাই যথেষ্ট। সিনেমার টিকিট বিক্রি থেকে যদি দেশের অর্থনীতির বিচার করা হয়, তবে সে বিচার কতটা যুক্তিযুক্ত হবে, তা বোঝার জন্য দিগ্‌গজ হওয়ার দরকার নেই।
বিশদ

15th  October, 2019
বিবর্ণ হচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি! 

আশঙ্কা আগেই করা হয়েছিল। তাই সত্যি হতে চলেছে। উৎসবের মরশুমেই ভারতীয় রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রাথমিকভাবে ১৫০টি যাত্রিবাহী ট্রেন এবং ৫০টি রেল স্টেশনের দায়িত্বভার বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল মন্ত্রক। 
বিশদ

14th  October, 2019
বন্ধু সেজে বিপদ নয় তো? 

কাঞ্চী সফরে হিউয়েন সাং যখন এসেছিলেন, সময়টা ৬৪২ খ্রিস্টাব্দ। দক্ষিণ ভারতের সঙ্গে চীনের আত্মিক যোগাযোগের সেটাই সূচনা। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে চীনা প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং যখন ‘ইনফর্মাল বৈঠকে’ সাড়া দিলেন, ভারতও এই দুই রাষ্ট্রনেতার মোলাকাতের গন্তব্য স্থির করে নিল দক্ষিণ ভারতই। সেই কাঞ্চিপুরম জেলা। মহাবলীপুরম। 
বিশদ

13th  October, 2019
ফড়েরাজ দমনে তৎপরতা দরকার 

প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। একদিকে সমুদ্র, অন্যদিকে পাহাড় ও জঙ্গল। মালভূমি-তরাই অঞ্চল—সবই আমাদের রাজ্যকে দৃশ্যত নান্দনিক সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্যশালী করে রেখেছে। কিন্তু, দুঃখের এই যে, ধনশালীরা এই ঐশ্বর্যকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা চালায়। আর সেই কারণে এই প্রাকৃতিক সম্পদের প্রকৃত মালিকরা দীনদরিদ্র হিসেবেই বংশপরম্পরায় কাটিয়ে যাচ্ছে। 
বিশদ

12th  October, 2019
সুদের হার হ্রাসে সুরাহা হবে কি? 

বছর পাঁচেক আগেও বৃদ্ধির নিরিখে ভারতের অর্থনীতিকে সমীহ করছিল দুনিয়া। সবচেয়ে দ্রুতগতির অর্থনীতির প্রশ্নে ভারত সমানে টক্কর দিচ্ছিল চীনের সঙ্গে। আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার (আইএমএফ) এবং বিশ্ব ব্যাঙ্ক সহ বিভিন্ন শীর্ষ সংস্থা ভারতকে নিয়ে একাধিক আশাপ্রদ ভবিষ্যদ্বাণীও করেছিল। ভারতে বৈদেশিক পুঁজি বিনিয়োগের পরিসর চওড়া হচ্ছিল।
বিশদ

11th  October, 2019
উৎসব যেন দূষণ বৃদ্ধি না-করে  

মঙ্গলবার চলে গেল বিজয়া দশমী। মা দুর্গা সপরিবারে ফিরে গেলেন কৈলাসে। রয়ে গেল মণ্ডপে মণ্ডপে মাটির প্রতিমাগুলি। নিষ্প্রাণ! আর রয়ে গেল নিভে যাওয়া আলোকসজ্জা, হঠাৎ গ্রাস করা নিস্তব্ধতা। আঁধারে ডুবে যাওয়া মণ্ডপগুলি আমাদের আকর্ষণ করে না, দৃশ্যত সুসজ্জিত থেকেও।
বিশদ

10th  October, 2019
শুভশক্তি জেগে উঠুক 

দুর্গা পুজো ভালো কাটুক। মঙ্গল হোক জীবকুলের প্রতিটি প্রাণের। অক্ষয় হোক মানবজীবনের কল্যাণব্রতের। আজ, বঙ্গজীবন তথা ভারতীয় জাতির মন ও মননে উৎসবের আনন্দ। দেবীর আগমনের শুভালোকে প্রজ্জ্বলিত হবে সমগ্র সভ্যতার বর্তিকা। শারদীয়া উৎসবের এই সূচনালগ্নে দূর হয়ে যাক জীবনের যত অশুভ চিন্তা। ধ্বংস পাক চরিত্রের যত অসুরশক্তি। বিনাশ হোক পাপের। 
বিশদ

05th  October, 2019
দুর্গোৎসব আর বাংলা সমার্থক 

কলকাতায় সর্বজনীন দুর্গাপুজোর আয়োজন হয়েছে প্রায় ২৬০০ মণ্ডপে। পুজোর আয়োজন মহানগরের পাড়ায় পাড়ায় বললে অত্যুক্তি হবে না। সপ্তাহব্যাপী দেবী দুর্গার আরাধনাকে কেন্দ্র করে কলকাতা সবরকমে সেজে উঠেছে। সেজে উঠেছে ছোট বড় সব শহর, এমনকী প্রান্তিক গ্রামগুলিও। 
বিশদ

04th  October, 2019
বাঙালি যেন টার্গেট না-হয়  

শরৎ হল প্রধান উৎসবের ঋতু, বিশেষত বাঙালির জন্য। বাঙালি এমনিতেই এক আমুদে জাতি। এইসময় তার আনন্দ যেন বাঁধাভাঙা হয়ে ওঠে। আনন্দ-উপভোগ বহু কৌণিক করে তুলতে বাঙালি তার সবটুকু উজাড় করে দেয় শরতে। বহির্বঙ্গে, এমনকী বহির্ভারতে প্রবাসী বাঙালি চেষ্টা করে বাংলায় তার ঘরে ফিরে আসতে, সারা বছর সম্ভব না-হলে অন্তত এই একটি বার। 
বিশদ

03rd  October, 2019
দরকার স্বাস্থ্য সচেতনতা 

যতদিন যাচ্ছে, আমরা ততই উন্নত হচ্ছি। বিজ্ঞানে, সভ্যতায় ও সংস্কৃতিতে। কিন্তু আমরা অনেকে ক্রমেই হারিয়ে ফেলছি আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে উপলক্ষে প্রকাশিত এক রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, প্রতি বছরে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের বলি হচ্ছেন দেড় কোটি মানুষ। 
বিশদ

02nd  October, 2019
একনজরে
লন্ডন ২০ অক্টোবর (এএফপি): ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বোরিস জনসনের আর্জি মেনে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া বিলম্বের বিষয়টি বিবেচনা করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আগামী ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া চূড়ান্ত সম্পাদন করার শেষ সময়সীমা। গতকাল ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিরোধীরা প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত করার প্রস্তাব রাখেন। ...

পাপ্পা গুহ, উলুবেড়িয়া: দুর্গাপুজোর পর এবার কালীপুজো। আর এই কালীপুজোতে অতিরিক্ত উপার্জনের আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন রাজ্যের জবা ফুলচাষীরা। কালীপুজোয় জবার চাহিদার কথা মাথায় ...

সংবাদদাতা, কান্দি: রবিবার সন্ধ্যায় শিশু মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কান্দি মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতের নাম ঋদ্ধিমান হাজরা(২)। মৃতের বাড়ি কান্দি পুরসভার রষোড়া গ্রামের ৭নম্বর ওয়ার্ডে।   ...

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: দীপাবলির আলোর উৎসবের মাঝে যাতে কোনও ধরনের অশান্তির সৃষ্টি কিংবা শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত না হয় সেজন্য ময়নাগুড়ি থানার পুলিস বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা শুভ ফল লাভ করবে। মাঝে মাঝে হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ক্ষতি হতে পারে। নতুন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হয় নেপোলিয়ানের বাহিনী
১৮৩৩: ডিনামাইট ও নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক সুইডিশ আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
১৮৫৪: ক্রিমিয়ার যুদ্ধে পাঠানো হয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গলের নেতৃত্বে ৩৮ জন নার্সের একটি দল
১৯৩১: অভিনেতা শাম্মি কাপুরের জন্ম
১৯৪০: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম উপন্যাস ফর হুম দ্য বেল টোলস-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়
১৯৪৩: সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৯৬৭: ভিয়েতনামের যুদ্ধের প্রতিবাদে আমেরিকার ওয়াশিংটনে এক লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ হয়
২০১২: পরিচালক ও প্রযোজক যশ চোপড়ার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  October, 2019

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ...বিশদ

07:50:00 AM

আজকের রাশিফল
মেষ: বিদ্যার্থীরা শুভ ফল লাভ করবে। বৃষ: সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি ...বিশদ

07:45:00 AM

আইএসএল: প্রথম ম্যাচে এটিকের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়ী কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি 

20-10-2019 - 09:37:34 PM

আইএসএল: কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি ২ - এটিকে ১ (বিরতি) 

20-10-2019 - 08:29:36 PM

কোচবিহারের দিনহাটার নারায়ণগঞ্জে ৭১ কেজি গাঁজা উদ্ধার 

20-10-2019 - 06:16:00 PM

করণদিঘিতে ব্যবসায়ী খুনে ৫ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র 

20-10-2019 - 05:47:32 PM