শরীর ও স্বাস্থ্য
 

 টিটেনাস

আমরা জানি কাচে বা জং ধরা লোহায় শরীরে কোনও জায়গা কেটে গেলে টিনেনাস রোগের ব্যাকটেরিয়া দেহে প্রবেশ করে। এমন ভাবনা মোটেই সঠিক নয়। যে কোনও ধরনের কাটাছেঁড়া বা পোড়া থেকেও এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে ঢোকার আশঙ্কা থেকে যায়। আর শুধু একটা ইঞ্জেকশনে টিটেনাসের ব্যাকটেরিয়া মরে না। এই ভ্যাকসিন নেওয়ার নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সেগুলো জানা ছোট-বড় সবার কর্তব্য। পরামর্শে বিশিষ্ট জেনারেল ফিজিশিয়ান ডাঃ আশিস মিত্র।



টিটেনাস কী?
একটি মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ (ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন) হল টিটেনাস। এই রোগে শরীরের স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে শরীরের পেশিগুলি শক্ত হয়ে যায়। পেশিতে খিঁচ বা টান ধরে। বাংলায় এই রোগের নাম ধনুষ্টংকার। আসলে এই রোগে আক্রান্ত বহু রোগীর পেশিতে টান লেগে শরীর ধনুকের ন্যায়ে বেঁকে যায়। এখান থেকেই এই নামের উৎপত্তি। আবার প্রাথমিকভাবে এই রোগে শরীরের ঘাড় এবং চোয়ালের পেশিগুলিকে শক্ত করে আনে। তাই ইংরেজি ভাষায় এই রোগের অপর নাম ‘লক জ’।
কতটা ক্ষতিকর এই ব্যাকটেরিয়া?
এই সংক্রমণ এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে জীবন নিয়ে টানাটানি পরে যাওয়াও আশ্চর্যের কিছু নয়। কোনও ব্যক্তির জীবনে এই রোগ সবসময়ই চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা তৈরি করে। তবে আশার কথা হল, মাত্র ১০ থেকে ২০ শতাংশ ক্ষেত্রেই সংক্রমণই এমন মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
সাধারণত সব বয়সের এবং সব লিঙ্গের মানুষের এই সংক্রমণ হতে পারে। তবে ছোটদের মধ্যে, নির্ধারিত করে বললে সদ্যোজাতদের (নিওনেটাল টিটোনাস) মধ্যে এই রোগ ভয়ঙ্কর রূপ নেয়।
টিটেনাস রোগের নেপথ্যে
‘ক্লস্ট্রিডিয়াম টিটানি’ নামক এক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে টিটেনাস রোগটি হয়। এই ব্যাকটেরিয়ার স্পোরস আমাদের আশেপাশেই ছড়িয়ে রয়েছে। এক্ষেত্রে স্পোরস হল ব্যাকটেরিয়ার অতিবক্ষুদ্র জন্মদায়ক অংশ। স্পোরসগুলি বিভিন্ন প্রতিকূল আবহাওয়ায় বেঁচে থাকতে পারে। সাধারণত মাটি, ধুলো-ময়লা, পশুর মল-মূত্র ইত্যদির মধ্যে এই ব্যাকটেরিয়া থাকে।
কোনও ব্যক্তির কাটা স্থান বা ক্ষতর মধ্য দিয়ে এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে। এরপর রক্তে মিশে এই ব্যাকটেরিয়া মানব শরীরের স্নায়ুতন্ত্র বা নিখুঁতভাবে বললে সেন্ট্রল নার্ভাস সিস্টেমের উপর আক্রমণ করে। শরীরের এই অংশে একধরনের টক্সিন তৈরি করে এই ব্যাকটেরিয়া। টক্সিনের নাম—টেটানোস্প্যাসমিন। এই টক্সিন সুষুম্নাকাণ্ড থেকে পেশিতে প্রেরিত বার্তাগুলি যাওয়ার পথে বাধার সৃষ্টি করে। স্নায়ু থেকে পেশিতে বার্তা না পৌঁছানোর জন্যই বিভিন্ন সমস্যার উৎপত্তি হয়।
শরীরে এই ব্যাকটেরিয়ার প্রবেশ
এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যে বেশ কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। আমরা বেশিরভাগই জানি, শুধুমাত্র কাচে বা লোহায় লেগে শরীরে কোনও স্থান কেটে গেলে টিনেনাস রোগের ব্যাকটেরিয়া দেহে প্রবেশ করে। তবে এমনটা ভাবা একদমই ঠিক নয়। বিভিন্নভাবে এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। যেমন—
 শরীরের কোনও অংশ পুড়ে গেলে  শরীরের কোনও অংশ কেটে গেলে। এখানে কেটে যাওয়া বলতে শুধু লোহা বা কাচে কেটে যাওয়াকে বোঝানো হচ্ছে না। কাঠ, প্ল্যাস্টিক প্রভৃতি যাবতীয় কিছুতে কেটে যাওয়াকে বোঝানো হচ্ছে  কোনও প্রাণীর কামড়  শরীরে ট্যাটু  ইঞ্জেকশন  সার্জারি  ফুট আলসার  দাঁতের সংক্রমণ ইত্যাদির মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
তবে বলে রাখি, টিটেনাস কিন্তু কোনও ছোঁয়াচে রোগ নয়। তাই রোগীর সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার কোনও প্রশ্নই আসে না।
রোগ লক্ষণ
শরীরে জীবাণু প্রবেশের পর থেকে ২১ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকট হয়ে ওঠে। তবে ১৪ দিন পর থেকেই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ সামনে আসতে শুরু করে দেয়ে।
এক্ষেত্রে এই রোগের লক্ষণগুলি হল— শরীরের বিভিন্ন অংশের মাংসপেশির শক্ত হয়ে গিয়ে খিঁচ ধরা। আসলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন পেশিগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অসংখ্য স্নায়ুর জাল রয়েছে। টিটেনাস রোগে এই স্নায়ুগুলি ভীষণভাবে আক্রান্ত হয়ে নিজেদের কর্মক্ষমতা হারায়। ফলে শরীরের বিভিন্ন পেশি শক্ত হয়ে যায়। প্রধানত চোয়াল,ঘাড়, তলপেট, পিঠ, বুক ইত্যাদি অংশের পেশিগুলি বেশি মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
এছাড়াও হৃদপিণ্ডের গ঩তি বেড়ে যায়, জ্বর আসে, প্রচুর ঘাম হয় এবং রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার মতো বিভিন্ন উপসর্গ এই রোগের সঙ্গে জড়িত।
রোগ নির্ণয়
সাধারণত রোগীর শারীরিক নিরিক্ষণের মাধ্যমেই রোগ সম্বন্ধে ধারণা করা যায়। একজন চিকিৎসক রোগীর লক্ষণগুলি সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করেই রোগটির বিষয়ে নিশ্চিত হন। সাধারণত অন্যান্য রোগের মতো এক্ষেত্রে কোনও টেস্টের দরকার পরে না। তবে টেস্ট যে একদমই করতে হয় না, এমন কিন্তু নয়। প্রায় একইরকম লক্ষণ যুক্ত অন্যান্য অসুখের (ম্যানিনজাইটিস, র‌্যাবিস ইত্যাদি) সঙ্গে পার্থক্য করে রোগ সম্বন্ধে নিশ্চিত হতে অনেকসময়ই টেস্টের প্রয়োজন হয়।
রোগের সঙ্গে জড়িত সমস্যা
এই রোগের কবলে পড়লে রোগীর বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হয়। তবে রোগের তীব্রতা অনুযায়ী এই সমস্যা কম বেশি হয়ে থাকে। রোগের তীব্রতা বেশি হলে—শ্বাস নিতে সাহায্য করে এমন পেশিগুলি শক্ত হয়ে টান ধরে। এতে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয় পর্যাপ্ত অক্সিজেন গ্রহণ না করার জন্য মস্তিষ্ক আক্রান্ত হয়  হৃদগতি অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে  পেশিগুলিতে তীব্র টানের জন্য হাড় ভেঙে যায়  পাশাপশি নিউমোনিয়ার মতো সংক্রমণও হতে পারে।
রোগ চিকিৎসা
রোগীর অসুখের তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়। বিভিন্ন ধরনের থেরাপি এবং ওষুধের সমন্বয়ে এই রোগের চিকিৎসা করা হয়। যেমন—
 শরীরের কেটে যাওয়া অংশ বা ক্ষতটিকে সারিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এক্ষেত্রে প্রধান উদ্দেশ্য থাকে ব্যাকটেরিয়ার উৎসস্থলটিকে নষ্ট করে দেওয়া। অনেকসময় ডিব্রাইডমেন্ট নামক সার্জারিরও সাহায্য নেওয়া হয়। এই অপারেশনে ব্যাকটেরিয়ায় দ্বারা আক্রান্ত কোষগুলিকে শরীরের বাইরে বের করে দেওয়া হয়।
 অ্যন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া নিধনের চেষ্টা করা হয়।
 এই ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে শরীরে সৃষ্ট টক্সিনকে নষ্ট করতে টিটেনাস ইমিউন গ্লোবিউলিন’এর (টিআইজি) ব্যবহার করা হয়।
 পেশির টান বা খিঁচুনি রোধ করতে ‘মাশল রিলাক্সারের’ সাহায্য নেওয়া হয়।
 রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হলে অবশ্যই ব্রিদিং টিউব বা ভেন্টিলেটরের (এই যন্ত্রের ব্যবহারে সরাসরি ফুসফুসে অক্সিজেন দেওয়া নেওয়া করা সম্ভব) ব্যবস্থা করা হয়।
 সর্বোপরি এইসকল চিকিৎসার পাশাপশি রোগীকে টিটেনাস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
রোগ প্রতিরোধের পথ
এই রোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হল টিকাকরণ বা ভ্যাকসিনেশন। এখন শিশুর জন্মের পরপরই ‘ডিপিটি’ বা ডিপথেরিয়া, পারটুশিস এবং টিটেনাস রোগের টিকা দেওয়া হয়। এটা বাচ্চাদের ‘ইমিউনাইজেশন ভ্যাকসিনেশন শিডিউল’এর অঙ্গ। তবে আমাদের দেশে সচেতনতার অভাব টিকাকরণের ক্ষেত্রে এক বিশেষ অন্তরায়। অনেক অভিভাবকই এই টিকাকরণের শিডিউল সঠিকভাবে মেনে চলেন না। সেক্ষেত্রে বাচ্চার টিকাকরণের বিষয়টি বিশেষভাবে নজর দিলে এই ধরনের অনেক জটিল সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।
যাই হোক, ভ্যাকসিনের শিডিউল মেনে চললে শেষবারের মতো ১২ বছর বয়সে এই টিকা দেওয়া হয়। এই শেষ টিকার প্রভাব ৫ বছর থাকে। বয়সের হিসাবে বললে, ১৭ বছরের পর কারও কেটে গেলে অবশ্যই আমার আপনার ভাষায় টিটেনাস ইঞ্জেকশন বা বিজ্ঞানসম্মতভাবে ‘টিটেনাস টক্সোয়েড’ নামক ভ্যাকসিনটি নিতে হবে। সেক্ষেত্রে কাটা,ক্ষত, পোড়া ইত্যাদি ঘটলে ইঞ্জেকশন নেওয়া বাঞ্ছনীয়। প্রথম ভ্যাকসিনটি কেটে যাওয়ার পরপর যত শীঘ্র সম্ভব নিতে হয়। তবে এই ভ্যাকসিন নিয়ে একটি ভুল ধারণা আমাদের মধ্যে চালু রয়েছে। অনেকেই ভাবেন কেটে যাওয়ার পর একবার ভ্যাকসিন নিলেই কেল্লাফতে। তবে এমন ধারণা সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক। এক্ষেত্রে প্রথম ভ্যাকসিন নেওয়ার ঠিক ৬ সপ্তাহ পর একটি এবং ঠিক ৬ মাস পর একটি ভ্যাকসিন নিতে হবে। এটাই টিটেনাস ভ্যাকসিন নেওয়ার আদর্শ শিডিউল। টিকা নেওয়ার সময় এই দিনকালের হিসাবগুলি খুবই জরুরি। যথাযথ সময়ে টিটেনাস নেওয়া হলে আগামী ৫ বছরের জন্য সুফলভোগ করা সম্ভব।
পাশাপাশি জেনে রাখুন, বড় কোনও দুর্ঘটনার জন্য ক্ষত সৃষ্ট হলে তখন শুধু এই ভ্যাকসিন দিয়ে কাজ চলে না। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ইমিউন গ্লোবিউলিন’এর ব্যবহার করা হয়। সঙ্গে অবশ্য পরামর্শমতো একটি টিটেনাস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়ে থাকে। তাই শরীরে বড় আঘাত লাগলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
লিখেছেন : সায়ন নস্কর
11th  May, 2017
 বাচ্চারও যখন ডায়াবেটিক

প্রত্যেক বছর ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত হয়। লক্ষণীয় বিষয় হল—১৪ নভেম্বরের আরেকটি গুরুত্বও আছে—সেটি হল এই দিনটি শিশু দিবস। এই দুটি বিষয়কে আমরা যদি একই দিনে উদ্‌যাপিত করতে পারি, তবে পেডিয়াট্রিক ডায়াবেটিস বা শৈশবের মধুমেহর আলোচনা আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।
বিশদ

16th  November, 2017
  চন্দননগরে বার্থ

 চলতি বছরে চন্দননগরে উদ্বোধন হল বেঙ্গল ইনফার্টিলিটি অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ থেরাপি হসপিটালের (বার্থ) আরও একটি শাখার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বার্থ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ গৌতম খাস্তগীর, পুর ও নগরন্নোয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, মাননীয় সাংসদ রত্না দে নাগ, চন্দননগর পৌরসভার মেয়র শ্রী রাম চক্রবর্তীসহ বহু বিশিষ্ট মানুষ।
বিশদ

16th  November, 2017
সুরক্ষার ডায়াবেটিস সচেতনতা শিবির

 এদেশে ক্রমশ বেড়েই চলেছে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তর সংখ্যা। মূলত অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খাদ্যগ্রহণে অংসযম, শরীরচর্চায় অনীহা হল টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার মূল কারণ। এই কারণেই কমবয়সিদেরও, বিশেষ করে মহিলাদের ডায়াবেটিস রোগটি নিয়ে আরও সতর্ক হতে হবে।
বিশদ

16th  November, 2017
শিশুদের পাশে সরোজ গুপ্ত ক্যানসার

শিশু দিবস উপলক্ষ্যে কলকাতার সরোজ গুপ্ত ক্যানসার সেন্টার অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পেডিয়াট্রিক ক্যানসারে আক্রান্তদের জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে ক্যানাসারে আক্রান্ত শিশুদের সামনে ক্যানসার থেকে ফিরে আসা শিশুদের উপস্থিত করেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাও ছিল সেখানে।
বিশদ

16th  November, 2017
হাড়ের ক্ষয় আটকাবেন কীভাবে?

দীর্ঘদিন ধরে গায়ে হাত-পায়ে ব্যথা হলে মোটেই এড়িয়ে চলা যাবে না। দেখা গিয়েছে চল্লিশোর্ধ্ব মহিলা এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ধরনের ব্যথার কারণ হতে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়জনিত অসুখ। চিকিৎসা না করালে সমস্যা আরও জটিল হয়ে পড়ে। জানাচ্ছেন অ্যাপোলো হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের ডিরেক্টর ডাঃ বুদ্ধদেব  চট্টোপাধ্যায় এবং ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব আয়ুর্বেদিক ড্রাগ ডেভেলপমেন্ট-এর চিকিৎসাবিজ্ঞানী ডাঃ দেবজ্যোতি দাস।
বিশদ

09th  November, 2017
 ক্যানসার মোকাবিলায় মৈত্রী

সারা ভারতে সমস্ত ধরনের ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্তরা সংখ্যায় দ্বিতীয়। আর ভারতসহ পশ্চিমবঙ্গেও এই রোগের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে বলে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের তথ্যে উঠে এসেছে। এমন সংকটজনক পরিস্থিতিতে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্তের সুবিধার্থে হাওড়ার নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের পক্ষ থেকে ‘মৈত্রী’ নামের একটি ক্যানসার সহায়তা গোষ্ঠী তৈরি করা হয়েছে।
বিশদ

09th  November, 2017
বাঙালি চিকিৎসকের বিশ্বজয়

 সম্প্রতি কলকাতার ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস-এর কর্ণধার অধ্যাপক ডক্টর রবিন সেনগুপ্তকে বেঙ্গল রোয়িং ক্লাবে বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করা হল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী অভিরামানন্দ মহারাজ, ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রতিনিধিসহ বহু বিশিষ্ট মানুষ।
বিশদ

09th  November, 2017
ঋতু পরিবর্তনের অসুখবিসুখে 
সাবধান থাকবেন কীভাবে?

ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রধানত বাড়ে শ্বাসতন্ত্রের রোগ। যদিও এ রোগের প্রধান কারণ ভাইরাস। তথাপি বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে। শীতে বাতাসের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়, যা শ্বাসনালির স্বাভাবিক কর্ম প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে ভাইরাসের আক্রমণকে সহজ করে। এছাড়া ধূলোবালির পরিমাণ বেড়ে যায়। ঠান্ডা, শুষ্ক বাতাস হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালিকে সরু করে দেয়, ফলে হাঁপানির টান বাড়ে।
বিশদ

02nd  November, 2017
জ্বর-জ্বালায় হোমিওপ্যাথি

যখন কোনও মানুষের দৈহিক তাপমাত্রা খুব বৃদ্ধি পায়, তখন আমরা তাকে জ্বর বলি। প্রথমেই বলি, আমাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৬-৩৭ সেন্ট্রিগ্রেড বা ৯৪-১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এছাড়া এমনিতেই দিনের বিভিন্ন সময় আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সন্ধ্যায় সর্বাধিক, আবার নিম্নতম হয় ভোরবেলা বা সকালের দিকে। এই ধরনের ব্যতিক্রম ছাড়া শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশি হওয়ার পিছনে নানা কারণ থাকে। বিশদ

02nd  November, 2017
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে হাঁটার গুরুত্ব

আগামী ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। এই উপলক্ষ্যে বাংলার জনগণের মধ্যে ডায়াবেটিস সম্বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে বিশেষ সচেতনতাবৃদ্ধিমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নেওয়া হয়েছিল জি ডি হসপিটাল এবং ডায়াবেটিস ইনস্টিটিউটের তরফে। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সি ই ও-মুসরেফা হোসেন, সংস্থার চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায়, সংস্থার দন্ত বিভাগের প্রধান ডাঃ দীপ্ত দে, চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ সৈকত চক্রবর্তী, এন্ডোক্রিনোলোজিষ্ট ডাঃ নীলাঞ্জন সেনগুপ্তসহ বহু বিশিষ্টজন। ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি করলে যথেষ্ট পরিমাণ ক্যালরি খরচ হয়।
বিশদ

02nd  November, 2017
স্কুলে যাওয়া নিশ্চিত করতে বিমা

 দুঃস্থ পরিবারের কোনও পড়ুয়া হাসপাতালে ভরতি হলে তার চিকিৎসার খরচ বহন করতেই বাবা-মা হিমশিম খান। অনেকক্ষেত্রে এই অর্থনৈতিক বোঝা বাচ্চার লেখাপড়ায় ব্যাঘাত করে। আবার বাড়ির একমাত্র রোজগেরে সদস্যটির অকালপ্রয়াণ ঘটলেও কোপ পড়ে বাচ্চার পড়াশোনায়।
বিশদ

02nd  November, 2017
উপোস
শরীরের লাভ হয় না ক্ষতি?

 মানবদেহে উপোসের প্রভাব কী?
 দেখুন, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে উপোস সম্বন্ধে একটু জেনে নেওয়া দরকার। আসলে উপোসের ধারণাটি বহু প্রাচীন। প্রায় সকল ধর্মের সঙ্গেই উপোসের একটা নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে।
আবার ধর্ম ছাড়াও প্রতিবাদের ভাষা হিসাবেও উপোসের চল রয়েছে। মানুষের দীর্ঘ প্রতিবাদের ইতিহাসে আমরা অনশনের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেখতে পাই। এটা একটা দিক।
বিশদ

26th  October, 2017
রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস : দ্রুত রোগ নির্ণয় জরুরি

 রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর সময়ে এই রোগের চিকিৎসা শুরু না করলে সমস্যা গুরুতর আকার নেয়। তাই বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবসে প্রাথমিক স্তরে রোগ নির্ণয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছেন শহরের বিশিষ্ট রিউম্যাটোলজিস্টরা।
বিশদ

26th  October, 2017
রবীন্দ্রনাথের হোমিওপ্যাথি প্রীতি

 অ্যাসোসিয়েশন অব ভলেন্টারি ব্লাড ডোনারস পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন প্রয়াত ডাঃ লাবণ্যকুমার গাঙ্গোপাধ্যায়। সম্প্রতি তাঁরই নামাঙ্কিত স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছিল কলকাতার ইন্দুমতী সভাগৃহে। রবীন্দ্রনাথ এবং গণস্বাস্থ্য বিষয়ক বক্তৃতার বক্তা ছিলেন ডাঃ শ্যামল চক্রবর্তী।
বিশদ

26th  October, 2017
একনজরে
 সিঙ্গাপুর, ১৬ নভেম্বর (পিটিআই): আধার, নোট বাতিল ও জিএসটি এই ‘ত্রিফলা’ সংস্কার ভারতে স্বচ্ছতা বাড়িয়েছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি নগদ নির্ভর থেকে কম নগদের দিচ্ছে যাচ্ছে। সিঙ্গাপুরে আয়োজিত বিনিয়োগকারীদের এক সভায় এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। ...

 সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: স্বাধীনতার পর এই প্রথম বেঙ্গল ওলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন তাদের রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা উত্তরবঙ্গে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের জন্য অ্যাসোসিয়েশনের নয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উত্তরবঙ্গের জেলায় জেলায় খেলাধুলোর পরিকাঠামো ঘুরে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ...

 অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক জেলায় নিয়ে গিয়েছেন। এবার স্কুল পরিদর্শনে বিকাশ ভবনের শীর্ষকর্তারা ঘুরে বেড়াবেন জেলায়। নিজেরাই খতিয়ে দেখবেন স্কুলের পঠনপাঠন, পরিকাঠামো। জয়েন্ট থেকে ডেপুটি ডিরেক্টর, সবাইকেই মাঠে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ...

বিএনএ, আসানসোল: বৃহস্পতিবার রাতে বার্নপুরের নেহরু পার্কের কাছে এক ক্যাটারিং সংস্থার কর্মীকে গুলি করে খুন করল দুষ্কৃতীরা। আর এক ক্যাটারিং কর্মীও গুলিবিদ্ধ হয়ে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম রানা বন্দ্যোপাধ্যায়(২৫)। তাঁর বাড়ি বার্নপুরের প্রান্তিক ক্লাবের কাছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শত্রুরা পরাভূত হবে। কর্মে পরিবর্তনের সম্ভাবনা। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের জন্য ব্যয়বৃদ্ধির যোগ আছে। কোনও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ছাত্র দিবস
১৮৬৯: লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে জুড়তে মিশরে সুয়েজ খালের উদ্বোধন
১৯০৩: দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল রাশিয়ার স্যোশাল ডেমোক্র্যাটিক লেবার পার্টি
১৯২৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী লালা লাজপত রায়ের মৃত্যু
২০০০: আলবার্তো ফুজিমোরিকে পেরুর প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল
২০১২: প্রয়াত শিবসেনা প্রধান বালাসাহেব থ্যাকারে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.৫০ টাকা ৬৬.১৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৬৬ টাকা ৮৭.৫২ টাকা
ইউরো ৭৫.৬৩ টাকা ৭৮.২৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৯১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৩৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৮০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ অগ্রহায়ণ, ১৭ নভেম্বর, শুক্রবার, চতুর্দ্দশী দিবা ঘ ৩/৩০, নক্ষত্র-স্বাতী সন্ধ্যা ৫/১১, সূ উ ৫/৫৪/২৪, অ ৪/৪৮/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৭/২১ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি, রাত্রি ঘ ৫/৪১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ৩/১৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৩৮ গতে ১১/২২ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
৩০ কার্তিক, ১৭ নভেম্বর, শুক্রবার, চতুর্দ্দশী ২/৫৪/৫৬, স্বাতীনক্ষত্র রাত্রি ৫/২৯/২৮, সূ উ ৫/৫৪/৪১, অ ৪/৪৮/০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/১৪ মধ্যে, ৭/২১/৪৮-৯/৩২/২৭, ১১/৪৩/৭-২/৩৭/২০, ৩/২০/৫৩-৪/৪৮/০, রাত্রি ৫/৪০/২৭-৯/১০/১৪, ১১/৪৭/৩৩-৩/১৭/২০, ৪/৯/৪৭-৫/৫৫/২৬, বারবেলা ৮/৩৮/১-৯/৫১/৪১, কালবেলা ৯/৫১/৪১-১১/২১/২০, কালরাত্রি ৮/৪/৪০-৯/৪৩/০।
২৭ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০

 আজ কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচ গোলশূন্যয় শেষ করল এটিকে ও ...বিশদ

10:04:41 PM

আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০ (প্রথমার্ধ পর্যন্ত) 

08:56:14 PM

ব্রিটেনে মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ
মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ। এদিন ...বিশদ

08:22:00 PM

কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলছে 

07:54:43 PM

ট্রেনের সময়সূচি বদল
ডাউন ট্রেন দেরিতে আসার কারণে

১৩০০৯ ...বিশদ

05:06:00 PM