Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটের কৈফিয়ত
পি চিদম্বরম

একটা আত্মবিশ্বাসী সরকার স্বাভাবিক অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করত আর এটাই করা উচিত, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের মতো জিনিসটার ঘাটতি রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মধ্যে। শুধু বিজেপি এমপিদের বিষণ্ণ মুখগুলোর দিকে তাকান বিশেষত যাঁরা রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছেন এবং আপনি আমার সঙ্গে একমত হবেন।
সুতরাং, অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের ঘটনাটাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটা তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়ে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিলেন। ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী—একজন খেলোয়াড় প্রথমবার ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার মতো করে—বাজেট পেশের ঘটনাটাকে একটা প্রদর্শনীর রূপ দেওয়ার চেষ্টা করলেন। আইডিয়াটা ছিল সরকারের বিদায় সঙ্গীতে একটু ‘জোশ’ জোগান দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী এবং ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী যেমনটা ভেবে রেখেছিলেন, ফলটা দুর্ভাগ্যক্রমে, ভীষণই অন্যরকম হয়ে থাকতে পারে।
নির্লজ্জতা
প্রতিশ্রুতিগুলো খোলসা হতে আরম্ভ করেছে।
পিএম-কিষাণ স্কিমের ‘বিরাট’ প্রতিশ্রুতির দিকে তাকানো যাক। এই স্কিমে ২ একর বা তার কম জমির মালিক কৃষকদের বছরে তিন কিস্তিতে মোট ৬০০০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। স্কিমটার কার্যকারিতা পিছিয়ে ২০১৮-র ডিসেম্বরে নিয়ে গিয়ে সরকার নির্বাচন কমিশনকে বোকা বানাবার চেষ্টা করেছে! সেটা সম্ভব কীভাবে? প্রথম কিস্তিতে প্রদেয় ২০০০ টাকা সরকার কি কৃষকদের ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্টে (২০১৮-র ডিসেম্বরে জমা হচ্ছে ধরে নিয়ে) জমা করে দেবে এবং ওই সময় থেকে হিসেব করে সুদও দিতে নির্দেশ দেবে ব‌্যাঙ্কগুলোকে? নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হওয়ার আগেই যদি প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হয়ে গিয়ে থাকে তো নির্বাচন কমিশন তাদের অসহায়তার দোহাই দিতে পারে, কিন্তু দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া যদি নির্বাচন কমিশন ঠেকাতে না-পারে তবে মানুষ ধরেই নেবে যে আরও একটা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার বিশ্বস্ততা ধ্বংস করে দেওয়া হল বা সেটাকে পরপারে পাঠাবার বন্দোবস্ত হল।
ঘুষ
এবার দেখা যাক পিএম-কিষাণ স্কিমের ভালোমন্দটা: প্রত‌্যেক প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক—যাঁরা ২ একর কিংবা তার চেয়ে কম জমির মালিক—তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। তার মানে হল, সারা দেশের মোট কৃষিজমির ৮৬.২ শতাংশ এই সুবিধার আওতায় আসবে। যখন কেউ সুবিধা পায় সেটা গুরুত্বপূর্ণ, আবার কেউ সুবিধা ‘না-পাওয়ার দলে’ পড়ে গেলে সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ:
১. জমির মালিক—তিনি নিজের হাতে চাষ করতে পারেন অথবা অন‌্যদের দিয়ে চাষ করান—দু’পক্ষই এই আর্থিক সুবিধা গ্রহণের যোগ‌্য বিবেচিত হবেন এবং টাকাটা পাবেন।
২. ভাগচাষি এই সুবিধা পাবেন না।
৩. কৃষি শ্রমিকরা এই সুবিধা পাবেন না।
৪. অকৃষি ক্ষেত্রের গ্রামীণ শ্রমজীবীরা—যেমন ছোট মুদি দোকানির মতো মানুষজন, হকার, ছুতোর, স্বর্ণশিল্পী, নাপিত প্রভৃতি এই স্কিমের বাইরে রয়ে যাচ্ছেন।
৫. আর শহুরে গরিবদের পুরোটাকেই এই স্কিমের বাইরে রাখা হয়েছে।
জমির মালিক-কৃষকরা (যাঁরা নিজের হাতে চাষ করেন না তাঁরাও) দৈনিক ১৭ টাকার একটা ‘বড়সড়’ অঙ্ক পাবেন। স্কিমটা নিয়ে আমি আদৌ মশকরা করছি না। ডিজেল, বিদ‌্যুৎ, সার, বীজ প্রভৃতির দাম বাড়িয়ে, ট্রাক্টর, ফসল কাটার যন্ত্র, শস‌্য মাড়াই করার যন্ত্রের উপর জিএসটি চাপিয়ে এবং কৃষিপণ‌্যের ন‌্যায‌্যমূল‌্য না-দিয়ে সরকার কৃষকদের প্রথমেই জখম করে রেখেছে—এখন তার উপর কৃষকদের অপমানও করছে।
পরিবারপিছু দৈনিক ১৭ টাকায় কি তাদের দুর্দশা ঘুচে যাবে অথবা কৃষক-পরিবারের দারিদ্রমুক্তি ঘটবে? নিশ্চিতভাবেই নয়। মাসে ৫০০ টাকার (বছরে ৬০০০ টাকা) এই অনুদানটা অনেক রাজ‌্যের বার্ধক‌্যভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা বা বিধবাভাতার থেকেও কম। দৈনিক ১৭ টাকা বা প্রথম কিস্তির ২০০০ টাকাটা মোটেই দারিদ্র-দূরীকরণের উপায় নয়। এটা তাহলে কী? সোজা কথায়, এটা হচ্ছে ভোটের জন‌্য নগদ ইনাম। ভোটে জেতার আশায় নির্বাচনের প্রাক্কালে সরকার এই টাকাটা ভোটারদের দেবে—যেভাবে কিছু দল অসদুপায়ে জোগাড় করা টাকার পুরোদস্তুর আর্ট দেখিয়ে থাকে। পিএম-কিষাণ স্কিমে, এই প্রথম সরকারি অর্থ ভোটারদের ঘুষ দিতে ব‌্যবহার করা হবে।
জমির মালিকানা সংক্রান্ত রেকর্ডপত্তর কি রাজ‌্য সরকারগুলো ‘আপডেট’ এবং ‘ভেরিফাই’ করেছে? একদিকে, জমির মালিকানা সংক্রান্ত রেকর্ড ‘আপডেট’ করে দেওয়ার জন‌্য সরকার গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাজ‌্যগুলোকে লিখেছে। অন‌্যদিকে, ওই একই দিনে, সংশ্লিষ্ট সচিব ঘোষণা করে দিয়েছেন যে প্রথম কিস্তির টাকা এখনই দেওয়া হবে এবং দ্বিতীয় কিস্তির টাকাটাও ভোটের আগে দিয়ে দিতে পারে সরকার। ধরে নেওয়া যায় যে সচিব হলেন সরকারের গোপনীয়তার রক্ষাকর্তা।
বাগাড়ম্বর
অন‌্য বড় প্রতিশ্রুতি হল পেনশন প্রকল্প—বাস্তবিক ‘অন‌্য-একটা’ পেনশন প্ল‌্যান—অটল পেনশন যোজনা নামক প্রথমটা ‘ফ্লপ’ হওয়ার কারণেই। পুরনো কনট্রিবিউটরি প্ল‌্যান ২০১৫-র মে মাসে চালু করা হয়েছিল এবং ২০১৮-র ডিসেম্বর অবধি ওতে গ্রাহক নথিভুক্ত করা গিয়েছে মাত্র ১ কোটি ৩৩ লক্ষ। ওই প্ল‌্যানে জমানো টাকার বিনিময়ে বাস্তবে যতটুকু পাওয়া যাবে সেই জটিল হিসেবটা খুব কম গ্রাহকের মাথাতেই ঢুকবে। নতুন প্ল‌্যানটার হিসেবপত্তর তুলনামূলকভাবে সহজ হলেও জমানো টাকার বিনিময়ে শেষাবধি যা পাওয়া যাবে বলা হচ্ছে তাতে গ্রাহকের আর্থিক লাভ কোথায়? ধরে নেওয়া যায় যে একজন গ্রাহক নিরবচ্ছিন্নভাবে ৩১-৪২ বছর মাসে মাসে ৫৫-১০০ টাকা জমা দেবেন। তার বিনিময়ে ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ৩০০০ টাকা পেনশন পেলেও সেই কালে তার অর্থনৈতিক গুরুত্ব কী থাকবে? এই প্ল‌্যানে গ্রাহক হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫০ বছর, অতএব ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রীর বাজেট ভাষণ থেকে অনুমেয় যে, প্রথম ১০ বছর সরকারকে কোনও পাওনা মেটাতে হবে না। আগের প্ল‌্যানের অভিজ্ঞতা থেকে আমার মনে হয়, প্রস্তাব অনুসারে ১০ কোটি শ্রমজীবী মানুষের নাম এই প্ল‌্যানে নথিভুক্ত হওয়ার কোনও আশা নেই; ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী এই কর্মসূচির জন‌্য মাত্রই ৫০০ কোটি টাকার সংস্থান রেখেছেন! (ও হ‌্যাঁ, বাজেট ভাষণের ৩৭ নং অনুচ্ছেদ ছাড়া বাজেট ডকুমেন্টের আর কোথায় অ‌্যালোকেশন বা বরাদ্দের উল্লেখ আছে?)
বাগাড়ম্বর করার অন‌্য ব‌্যাপারগুলোর মধ‌্যে রয়েছে নির্মল জেলা ও গ্রামগুলো, প্রত‌্যেক বাড়িতে বিদ‌্যুৎ পৌঁছে যাওয়া, গরিব পরিবারগুলোকে রান্নার গ‌্যাসের নিখরচার সংযোগ এবং ‘মুদ্রা’ স্কিমের ঋণগ্রহীতারাই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিকারী—তৎসত্ত্বেও বাস্তবটা হল—এই সমস্ত দাবির প্রত‌্যেকটার অসত‌্যতা প্রকট হয়ে পড়েছে—জ্ঞানীগুণিমহল, এনজিও এবং সাংবাদিকদের ফিল্ড রিপোর্টে।
সব মিলিয়ে অন্তর্বর্তী বাজেট এটাই খোলসা করে দিল যে বিজেপির লোকসভা নির্বাচনের কৌশলটা হল ‘বাগাড়ম্বর এবং ভোটারদের ঘুষের প্রলোভন’।  
11th  February, 2019
২১ জুলাই সমাবেশ: মমতা কী বার্তা দেন জানতে উৎসুক বাংলা
শুভা দত্ত

ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দিনটিতে বড়সড় সমাবেশের আয়োজন করে তাঁর প্রয়াত সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
বিশদ

ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

20th  July, 2019
জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

20th  July, 2019
অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
একনজরে
 বিএনএ, চুঁচুড়া: প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে হুগলির চাঁপদানির ডালহৌসি জুটমিলে কাজ শুরু হল। শুক্রবার বিকেলে একাংশের কর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। তারপর রাতে কারখানার সমস্ত কর্মী কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কর্মীদের অভিযোগ, কারখানার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বেশি সময় ধরে কাজের ...

 ভোপাল, ২০ জুলাই (পিটিআই): ভেজাল দুধের বড়সড় চক্রের পর্দা ফাঁস করল মধ্যপ্রদেশ পুলিস। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে শনিবার এই চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ৬২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিস। ...

  নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই: বিশ্বকাপের সময় ভারতীয় ক্রিকেটাররা মাত্র ১৫ দিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাকার সুযোগ পাবেন। এটাই ছিল বিসিসিআইয়ের নিয়ম। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, ...

পল্লব চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: তিনিই যোগ্যতম। বাণিজ্য শাখার স্কুল শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন ২০০১ সালের ৩০ জুলাই। কিন্তু, কম যোগ্যতাসম্পন্নদের স্কুলে শিক্ষক পদে রেখে দেওয়া হলেও তাঁর চাকরি বিগত ১৮ বছরেও অনুমোদিত হয়নি। তাঁর মামলা সূত্রে দেওয়া কলকাতা হাইকোর্টের একাধিক ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে ভালো ফল হবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে খুব একটা ভালো হবে না। প্রেমপ্রীতিতে বাধাবিঘ্ন। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২০: মা সারদার মৃত্যু
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

20th  July, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
20th  July, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৫২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ১৬/২২ দিবা ১১/৪০। শতভিষা ৫/৪৫ দিবা ৭/২৫। সূ উ ৫/৬/৫২, অ ৬/১৮/১৬, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৫/৫৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৩ গতে ২/২৪ মধ্যে।
৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ৯/২৬/৩১ দিবা ৮/৫২/১৬। শতভিষানক্ষত্র ২/০/৪৮ প্রাতঃ ৫/৫৩/৫৯, সূ উ ৫/৫/৪০, অ ৬/২১/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪ গতে ৯/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/৮ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪/১৩ গতে ১১/৪৩/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৩/৪৪ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৪/১২ গতে ২/২৪/৪২ মধ্যে।
১৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুম্বইয়ের কোলাবায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একজনের মৃত্যু, জখম ১ 

03:50:12 PM

তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের সভা মেগা ফ্লপ শো: দিলীপ ঘোষ 

03:47:10 PM

টাকা দিয়েও তৃণমূল সভা সফল করতে পারেনি: দিলীপ ঘোষ 

03:42:00 PM

ইন্দোনেশিয়া ওপেনের ফাইনালে হারলেন পি ভি সিন্ধু 
ইন্দোনেশিয়া ওপেনের ফাইনালে জাপানের আকেন ইয়ামাগুচির কাছে ১৫-২১, ১৬-২১ পয়েন্টে ...বিশদ

02:57:15 PM

ওঃ ইন্ডিজ সফরে তিন ফরম্যাটের ভারতীয় দল ঘোষণা
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের জন্য ঘোষণা করা হল ভারতীয় টেস্ট, ওয়ান ...বিশদ

02:34:49 PM

সভা শেষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

01:53:19 PM