Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটের কৈফিয়ত
পি চিদম্বরম

একটা আত্মবিশ্বাসী সরকার স্বাভাবিক অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করত আর এটাই করা উচিত, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের মতো জিনিসটার ঘাটতি রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মধ্যে। শুধু বিজেপি এমপিদের বিষণ্ণ মুখগুলোর দিকে তাকান বিশেষত যাঁরা রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছেন এবং আপনি আমার সঙ্গে একমত হবেন।
সুতরাং, অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের ঘটনাটাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটা তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়ে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিলেন। ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী—একজন খেলোয়াড় প্রথমবার ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার মতো করে—বাজেট পেশের ঘটনাটাকে একটা প্রদর্শনীর রূপ দেওয়ার চেষ্টা করলেন। আইডিয়াটা ছিল সরকারের বিদায় সঙ্গীতে একটু ‘জোশ’ জোগান দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী এবং ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী যেমনটা ভেবে রেখেছিলেন, ফলটা দুর্ভাগ্যক্রমে, ভীষণই অন্যরকম হয়ে থাকতে পারে।
নির্লজ্জতা
প্রতিশ্রুতিগুলো খোলসা হতে আরম্ভ করেছে।
পিএম-কিষাণ স্কিমের ‘বিরাট’ প্রতিশ্রুতির দিকে তাকানো যাক। এই স্কিমে ২ একর বা তার কম জমির মালিক কৃষকদের বছরে তিন কিস্তিতে মোট ৬০০০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। স্কিমটার কার্যকারিতা পিছিয়ে ২০১৮-র ডিসেম্বরে নিয়ে গিয়ে সরকার নির্বাচন কমিশনকে বোকা বানাবার চেষ্টা করেছে! সেটা সম্ভব কীভাবে? প্রথম কিস্তিতে প্রদেয় ২০০০ টাকা সরকার কি কৃষকদের ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্টে (২০১৮-র ডিসেম্বরে জমা হচ্ছে ধরে নিয়ে) জমা করে দেবে এবং ওই সময় থেকে হিসেব করে সুদও দিতে নির্দেশ দেবে ব‌্যাঙ্কগুলোকে? নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হওয়ার আগেই যদি প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হয়ে গিয়ে থাকে তো নির্বাচন কমিশন তাদের অসহায়তার দোহাই দিতে পারে, কিন্তু দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া যদি নির্বাচন কমিশন ঠেকাতে না-পারে তবে মানুষ ধরেই নেবে যে আরও একটা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার বিশ্বস্ততা ধ্বংস করে দেওয়া হল বা সেটাকে পরপারে পাঠাবার বন্দোবস্ত হল।
ঘুষ
এবার দেখা যাক পিএম-কিষাণ স্কিমের ভালোমন্দটা: প্রত‌্যেক প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক—যাঁরা ২ একর কিংবা তার চেয়ে কম জমির মালিক—তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। তার মানে হল, সারা দেশের মোট কৃষিজমির ৮৬.২ শতাংশ এই সুবিধার আওতায় আসবে। যখন কেউ সুবিধা পায় সেটা গুরুত্বপূর্ণ, আবার কেউ সুবিধা ‘না-পাওয়ার দলে’ পড়ে গেলে সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ:
১. জমির মালিক—তিনি নিজের হাতে চাষ করতে পারেন অথবা অন‌্যদের দিয়ে চাষ করান—দু’পক্ষই এই আর্থিক সুবিধা গ্রহণের যোগ‌্য বিবেচিত হবেন এবং টাকাটা পাবেন।
২. ভাগচাষি এই সুবিধা পাবেন না।
৩. কৃষি শ্রমিকরা এই সুবিধা পাবেন না।
৪. অকৃষি ক্ষেত্রের গ্রামীণ শ্রমজীবীরা—যেমন ছোট মুদি দোকানির মতো মানুষজন, হকার, ছুতোর, স্বর্ণশিল্পী, নাপিত প্রভৃতি এই স্কিমের বাইরে রয়ে যাচ্ছেন।
৫. আর শহুরে গরিবদের পুরোটাকেই এই স্কিমের বাইরে রাখা হয়েছে।
জমির মালিক-কৃষকরা (যাঁরা নিজের হাতে চাষ করেন না তাঁরাও) দৈনিক ১৭ টাকার একটা ‘বড়সড়’ অঙ্ক পাবেন। স্কিমটা নিয়ে আমি আদৌ মশকরা করছি না। ডিজেল, বিদ‌্যুৎ, সার, বীজ প্রভৃতির দাম বাড়িয়ে, ট্রাক্টর, ফসল কাটার যন্ত্র, শস‌্য মাড়াই করার যন্ত্রের উপর জিএসটি চাপিয়ে এবং কৃষিপণ‌্যের ন‌্যায‌্যমূল‌্য না-দিয়ে সরকার কৃষকদের প্রথমেই জখম করে রেখেছে—এখন তার উপর কৃষকদের অপমানও করছে।
পরিবারপিছু দৈনিক ১৭ টাকায় কি তাদের দুর্দশা ঘুচে যাবে অথবা কৃষক-পরিবারের দারিদ্রমুক্তি ঘটবে? নিশ্চিতভাবেই নয়। মাসে ৫০০ টাকার (বছরে ৬০০০ টাকা) এই অনুদানটা অনেক রাজ‌্যের বার্ধক‌্যভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা বা বিধবাভাতার থেকেও কম। দৈনিক ১৭ টাকা বা প্রথম কিস্তির ২০০০ টাকাটা মোটেই দারিদ্র-দূরীকরণের উপায় নয়। এটা তাহলে কী? সোজা কথায়, এটা হচ্ছে ভোটের জন‌্য নগদ ইনাম। ভোটে জেতার আশায় নির্বাচনের প্রাক্কালে সরকার এই টাকাটা ভোটারদের দেবে—যেভাবে কিছু দল অসদুপায়ে জোগাড় করা টাকার পুরোদস্তুর আর্ট দেখিয়ে থাকে। পিএম-কিষাণ স্কিমে, এই প্রথম সরকারি অর্থ ভোটারদের ঘুষ দিতে ব‌্যবহার করা হবে।
জমির মালিকানা সংক্রান্ত রেকর্ডপত্তর কি রাজ‌্য সরকারগুলো ‘আপডেট’ এবং ‘ভেরিফাই’ করেছে? একদিকে, জমির মালিকানা সংক্রান্ত রেকর্ড ‘আপডেট’ করে দেওয়ার জন‌্য সরকার গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাজ‌্যগুলোকে লিখেছে। অন‌্যদিকে, ওই একই দিনে, সংশ্লিষ্ট সচিব ঘোষণা করে দিয়েছেন যে প্রথম কিস্তির টাকা এখনই দেওয়া হবে এবং দ্বিতীয় কিস্তির টাকাটাও ভোটের আগে দিয়ে দিতে পারে সরকার। ধরে নেওয়া যায় যে সচিব হলেন সরকারের গোপনীয়তার রক্ষাকর্তা।
বাগাড়ম্বর
অন‌্য বড় প্রতিশ্রুতি হল পেনশন প্রকল্প—বাস্তবিক ‘অন‌্য-একটা’ পেনশন প্ল‌্যান—অটল পেনশন যোজনা নামক প্রথমটা ‘ফ্লপ’ হওয়ার কারণেই। পুরনো কনট্রিবিউটরি প্ল‌্যান ২০১৫-র মে মাসে চালু করা হয়েছিল এবং ২০১৮-র ডিসেম্বর অবধি ওতে গ্রাহক নথিভুক্ত করা গিয়েছে মাত্র ১ কোটি ৩৩ লক্ষ। ওই প্ল‌্যানে জমানো টাকার বিনিময়ে বাস্তবে যতটুকু পাওয়া যাবে সেই জটিল হিসেবটা খুব কম গ্রাহকের মাথাতেই ঢুকবে। নতুন প্ল‌্যানটার হিসেবপত্তর তুলনামূলকভাবে সহজ হলেও জমানো টাকার বিনিময়ে শেষাবধি যা পাওয়া যাবে বলা হচ্ছে তাতে গ্রাহকের আর্থিক লাভ কোথায়? ধরে নেওয়া যায় যে একজন গ্রাহক নিরবচ্ছিন্নভাবে ৩১-৪২ বছর মাসে মাসে ৫৫-১০০ টাকা জমা দেবেন। তার বিনিময়ে ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ৩০০০ টাকা পেনশন পেলেও সেই কালে তার অর্থনৈতিক গুরুত্ব কী থাকবে? এই প্ল‌্যানে গ্রাহক হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫০ বছর, অতএব ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রীর বাজেট ভাষণ থেকে অনুমেয় যে, প্রথম ১০ বছর সরকারকে কোনও পাওনা মেটাতে হবে না। আগের প্ল‌্যানের অভিজ্ঞতা থেকে আমার মনে হয়, প্রস্তাব অনুসারে ১০ কোটি শ্রমজীবী মানুষের নাম এই প্ল‌্যানে নথিভুক্ত হওয়ার কোনও আশা নেই; ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী এই কর্মসূচির জন‌্য মাত্রই ৫০০ কোটি টাকার সংস্থান রেখেছেন! (ও হ‌্যাঁ, বাজেট ভাষণের ৩৭ নং অনুচ্ছেদ ছাড়া বাজেট ডকুমেন্টের আর কোথায় অ‌্যালোকেশন বা বরাদ্দের উল্লেখ আছে?)
বাগাড়ম্বর করার অন‌্য ব‌্যাপারগুলোর মধ‌্যে রয়েছে নির্মল জেলা ও গ্রামগুলো, প্রত‌্যেক বাড়িতে বিদ‌্যুৎ পৌঁছে যাওয়া, গরিব পরিবারগুলোকে রান্নার গ‌্যাসের নিখরচার সংযোগ এবং ‘মুদ্রা’ স্কিমের ঋণগ্রহীতারাই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিকারী—তৎসত্ত্বেও বাস্তবটা হল—এই সমস্ত দাবির প্রত‌্যেকটার অসত‌্যতা প্রকট হয়ে পড়েছে—জ্ঞানীগুণিমহল, এনজিও এবং সাংবাদিকদের ফিল্ড রিপোর্টে।
সব মিলিয়ে অন্তর্বর্তী বাজেট এটাই খোলসা করে দিল যে বিজেপির লোকসভা নির্বাচনের কৌশলটা হল ‘বাগাড়ম্বর এবং ভোটারদের ঘুষের প্রলোভন’।  
11th  February, 2019
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
একনজরে
 আমেথি, ২২ এপ্রিল (পিটিআই): কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর মনোনয়নকে সোমবার বৈধ বলে ঘোষণা করলেন আমেথির রিটার্নিং অফিসার রামমনোহর মিশ্র। আমেথি কেন্দ্রে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সোমবার ভোরে সকলের নজর এড়িয়ে তারাপীঠে তারা মায়ের মন্দিরে পুজো দিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সম্ভবত গুণগ্রাহীদের নজর এড়াতে টুপি পরে, চাদরে মুখ ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, মালবাজার: চিতাবাঘের আতঙ্কে রাত জাগছে ধূপগুড়ি ব্লকের বানারহাটের ডুডুমারি, জ্বালাপাড়া ও আলে এই তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। এছাড়াও ওই তিনটি গ্রামের ছয়টি স্কুলের পড়ুয়াদের মধ্যেও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিজেপি প্রার্থীকে ভোটে দাঁড়াতে স্যাটের ছাড়পত্র
জয়নগর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন সরকারি ডাক্তার অশোক কাণ্ডারীকে ...বিশদ

09:30:00 AM

ভোট দিলেন মালদহ দক্ষিণের কংগ্রেস প্রার্থী আবু হাসেম খান চৌধুরি  

09:24:17 AM

ভোট দিলেন মালদহ উত্তরের কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান 

09:21:00 AM

আজ জগৎবল্লভপুরে সভা করবেন মমতা
শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সোমবার জগৎবল্লভপুরের ...বিশদ

09:15:00 AM

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় গঙ্গারামপুরের নারোই জুনিয়ার হাইস্কুলে চলছে ভোটগ্রহণ 

09:12:00 AM

আহমেদাবাদে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

09:10:58 AM