বিশেষ নিবন্ধ
 

উন্নয়নের মোদি বনাম রামভক্ত মোদি
ভোটে বিজেপির পক্ষে লাভজনক কোন জন?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যে ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের আগেই কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি শিবির বড় ধাক্কা খেল। বেলারি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজয় ঘটল কংগ্রেসের কাছে। গত ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসছিল। এবার ২ লক্ষ ৯৭ হাজার ১৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন কংগ্রেস প্রার্থী। মান্ড্য লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে জেডিএস, শিমোগা লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পার ছেলে মাত্র ৫২ হাজার ১৪৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে বাবার ছেড়ে আসা আসনটি ধরে রাখতে পেরেছেন। দুটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও কংগ্রেস ও জেডিএস প্রার্থীরা ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করেছেন। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী স্ত্রীকে প্রার্থী করেছিলেন। ওই কেন্দ্রে ভোটের দুদিন আগে বিজেপির প্রার্থী বিজেপি ত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগদান করেন। লিঙ্গায়েত ভোটাররা সাধারণত বিজেপিকে সমর্থন করে থাকেন। এবার লিঙ্গায়েত প্রধান জামকন্ডিতে যে বড় ব্যবধানে কংগ্রেস প্রার্থী জয়ী হয়েছেন তাতে নিশ্চিত করেই বলা যায় কর্ণাটকের উপনির্বাচনে বিজেপির লিঙ্গায়েত ভোটব্যাঙ্কেও ধস নেমেছে।
কর্ণাটকের এবারের উপনির্বাচনের আগে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর, ফুলপুর এবং কৈরানা লোকসভার উপনির্বাচনের ফলাফল বিজেপির বিরুদ্ধে গিয়েছিল। গোরক্ষপুর উত্তরপ্রদেশের বিজেপির হিন্দুত্বের পোস্টার বয় যোগী আদিত্যনাথের ছেড়ে আসা কেন্দ্র। ফুলপুর লোকসভা কেন্দ্রটি ছিল উত্তরপ্রদেশের বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্যের ছেড়ে-আসা কেন্দ্র। একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীর ছেড়ে-আসা আসনে পরাজয় এবং কিছুদিনের মধ্যে জাঠ প্রধান কৈরানাতে বিজেপির পরাজয়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী দিলেই মোদি-অমিত শা-র ম্যাজিক অকার্যকারী হয়ে পড়ে। এবারের কর্ণাটকের উপনির্বাচনেও জয়ের পেছনে রয়েছে কংগ্রেস এবং জেডিএসের নির্বাচনী আঁতাত। এর আগে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পরাজয় ঘটেছিল কংগ্রেস—জেডিইউ এবং আর-জেডির মহাজোটের কাছে।
মাত্র ৩১.৩৪ শতাংশ মানুষের সমর্থন নিয়ে মোদি ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে ২৮২টি লোকসভার আসন পেয়েছিল। অবিজেপি দলগুলির ভোট বিভাজনের সুযোগ নিয়ে। যখনই বিজেপির বিরুদ্ধে থাকা ৬৯ শতাংশ ভোটারের একটা বড় অংশকে বিজেপির বিরুদ্ধে থাকা দলগুলি ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছে তখনই বিজেপিকে পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে বারবার।
২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদি বিকাশের যে স্বপ্ন কমবয়সি ভোটারদের সামনে রেখেছিলেন তাতে প্রায় পুরো ‘এক্স জেনারেশন’-এর সমর্থন জোগাড় করতে পেরেছিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাকে বিজেপির বাইরে থাকা বহু মানুষও মোদির সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মোদির উন্নয়নের বার্তায় প্রভাবিত হয়েছিলেন মহিলা, জনজাতির মানুষ এমনকী সংখ্যালঘুদের একাংশ। গত লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটাররা বিজেপির বিরুদ্ধে কোথাও ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটদান করেননি। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যেও সংখ্যালঘু ভোটাররা বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন দলকে ভোট দিয়েছিলেন। এতে বিজেপির জয় সুগম হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশে বিজেপি একাই ৭১টি আসন পেয়েছিল। উন্নয়নের স্লোগানে দেশের বিভিন্ন বর্গের মানুষ (যাদের মধ্যে অনেকেই বিজেপির মতাদর্শের সঙ্গে ভিন্ন মত প্রকাশ করেন) মোদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে সমর্থন জানিয়েছিলেন।
উন্নয়নের স্লোগানকে মুখ্য রেখে বিজেপি যতবার সাম্প্রতিককালে ভোটে গিয়েছে ততবারই আসন বাড়াতে পেরেছে। অন্যদিকে, হিন্দুত্বের প্রচারকে প্রাধান্য দিয়ে ভোটে লড়াই করে বারবার আসন সংখ্যা কমিয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ অবশ্যই রামমন্দির-রথযাত্রা-উত্তর সময়ের নিরিখে করা। রামমন্দির-রথযাত্রা-উত্তর পর্যায়ে অটলবিহারী বাজপেয়ির নেতৃত্বে জোট গড়ে কংগ্রেসকে হারানোর ডাকে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিজেপি—১৬১টি লোকসভার আসন পেয়েছিল। ১৩ দিনের সরকার অভিজ্ঞতার নিরিখে সংসদীয় রাজনীতি ও জোটবদ্ধভাবে লড়াইয়ের ডাক দিয়ে ১৯৯৮-র লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ১৮২টি আসন। ১৯৯৮-এর পর ১৩ মাসের সরকার পড়ে গেলে ১৯৯৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বাজপেয়ি রামমন্দির ইস্যুকে বাদ দিয়েই ভোটে লড়েছিলেন এবং ১৮২টি আসন পেয়ে ৫ বছরের জন্য জোট সরকার কেন্দ্রে চালান। আবার গুজরাত দাঙ্গার পর নরেন্দ্র মোদি দলের ভেতর হিন্দুত্বের পোস্টার বয় হয়ে উঠলে আরএসএস-সমেত হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির চিন্তাভাবনা লোকসভা নির্বাচনে শাইনিং ইন্ডিয়ার ভাবনাকে ঢেকে দিয়েছিল। ফলস্বরূপ অটলবিহারী বাজপেয়ির সরকার পরিচালনার সাফল্য থাকা সত্ত্বেও সংখ্যালঘু ভোটের ঐক্য এবং বিরোধী ভোটের ঐক্যের প্রভাবে বিজেপির ২০০৪-এর লোকসভা নির্বাচনে ১৮২ থেকে আসন ১৩৮-এ নেমে আসে। পাঁচবছর পর ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচন বিজেপি লড়েছিল লালকৃষ্ণ আদবানির নেতৃত্বে। আদবানি ৯০-এর দশকে রামমন্দির রথযাত্রা ধাঁচে নির্বাচনের প্রাক্কালে জনসংযোগ যাত্রা করেছিলেন রামের ভাবনাকে উস্কে ভোটে জয়ের প্রত্যাশায়। কিন্তু, ওই নির্বাচনের ফলাফল থেকে দেখা যায় ভোটাররা আর রামমন্দিরের স্লোগানে নতুন করে সাড়া দিতে রাজি ছিলেন না। ২০০৯-এ বিজেপির আসন সংখ্যা আরও কমে ১১৬-তে দাঁড়ায়। পরবর্তী ২০১৪-র নির্বাচনে মোদি ম্যাজিকের মূল মন্ত্রই ছিল বিকাশ, দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক ভারতের স্বপ্ন। আর তাতেই বিজেপি বাজিমাত করে ১৯৮৪ সালের পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। ১৯৮৪-এর নির্বাচনে শেষবার রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকার লোকসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। সুতরাং রামমন্দির রথযাত্রা-উত্তর বিজেপির নির্বাচনী সাফল্যের যে প্রবণতা ধরা পড়ে তাতে দেখা যাচ্ছে উন্নয়নের প্রশ্ন সামনে রেখে বিজেপি অধিক সাফল্য পেয়েছে। আবার নির্বাচনী প্রচারে হিন্দুত্ব বিষয়কে যখনই বিজেপি প্রাধান্য দিয়েছে তখনই নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে।
এই প্রবণতার পেছনে মূল কারণ হল, উন্নয়নের প্রশ্নে বিজেপি সমাজের নানা বর্গের মানুষের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হচ্ছে। এর ফলশ্রুতি হিসেবে দলের আসন বাড়ছে। আবার দল যখনই কঠোর হিন্দুত্বের ভাবনাকে নির্বাচনী প্রচারের কেন্দ্রে আনছে তখনই বিজেপির বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপি-বিরোধী কোনও দলকে ভোট দিচ্ছে। একইসঙ্গে উগ্র হিন্দুত্বকে ঠেকানোর জন্য অবিজেপি দলগুলি ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। যেমন ২০০৪ সালে কংগ্রেসকে সামনে রেখে বেশিরভাগ বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এবারও কিন্তু রামমন্দিরকে সামনে রেখে উগ্র হিন্দুত্বের লাইনে বিজেপি ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের বৈতরণি পেরতে চাইছে। ফলস্বরূপ কৈরানা থেকে বেলারি পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলে সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি বিরোধী ভোটারদের বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভোটদানের প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আর এই প্রবণতাই বিজেপির পক্ষে বিপজ্জনক।
বিজেপি নেতৃত্বকে ‘বিকাশ-মোদি’ বনাম ‘রামভক্ত মোদি’র মধ্যে কোনটা অধিক ফলদায়ক তা বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে আরও একবার পর্যালোচনা করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। রামমন্দির আন্দোলনোত্তর পর্যায়ে ভারতবাসী কিন্তু বিজেপিকে কংগ্রেসের বিকল্প সর্বভারতীয় সংসদীয় দল হিসেবেই দেখতে চাইছে। নির্বাচনী বৈতরণি পেরনোর জন্য বারবার উগ্র হিন্দুত্বের ভাবমূর্তি বিজেপির পক্ষে যে লাভজনক হচ্ছে না তা অন্তত বিগত কুড়ি বছরের দেশের নির্বাচনী প্রবণতা থেকে স্পষ্ট। নরেন্দ্র মোদি উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তা পূরণ করতে পারেননি। তাতে ভোটারদের যে আশাভঙ্গ হয়েছে তাকে অন্য পথে পরিচালিত করবার জন্য বিজেপি ফৈজাবাদকে বদলে অযোধ্যা বা রামের বাবা দশরথের নামে মেডিক্যাল কলেজ বা রামমন্দির তথা হিন্দুত্ব নিয়ে যতই তৎপর হবে ততই কিন্তু সংখ্যালঘু ভোটাররা এবং বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দেবে। তাই আরও বড় বিপর্যয় ঠেকাতে উন্নয়নের ইস্যুকেই বিজেপির নির্বাচনের হাতিয়ার করা উচিত। এতে সমাজের নানা বর্গের সমর্থনের রাস্তা খোলা থাকতে পারে। অন্যথায় উগ্র হিন্দুত্বের ইস্যুকে সামনে আনলে ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতার সম্মুখীন হয়ে আসনসংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কাই থাকছে।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
08th  November, 2018
বিজেপি’র রথযাত্রা: ভোটের মুখে রাজ্যে অশান্তি ছড়িয়ে লাভ হবে?
শুভা দত্ত

ভোটের দামামা বেজে গেছে। ২০১৯ লোকসভা জয়ের লক্ষ্যে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। দেশের শাসক বিজেপি, বিরোধী কংগ্রেস তো আছেই। তার পাশাপাশি মোদিজির দলের ভাবনা বাড়িয়ে এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফেডারেল ফ্রন্টও ক্রমশ ক্রমশ দানা বাঁধছে।
বিশদ

আমেরিকায় মিড টার্ম ইলেকশনের ফলাফল প্রসঙ্গে কিছু কথা
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

গত ৬ নভেম্বর মঙ্গলবার নিউজার্সির বাঙালিরা সকাল/বিকেল সাজ বদল করে একবার গেছে ভোট দিতে। একবার গেছে কালীপুজোয়। ধর্ম ও জিরাফে সমান আনুগত্য। এ বছর মিড টার্ম ইলেকশনের প্রায় তিন মাস আগে থেকে শুধুই ভোটের তাগাদা। যখন-তখন বাড়িতে ফোন আসছিল। সামনের দরজায় টুংটাং ডোর-বেল। ডাক-বাক্সে ঘনঘন ক্যাম্পেনের চিঠি।
বিশদ

17th  November, 2018
ভোটের আগেই পিছিয়ে পড়েছে খালেদার বিএনপি
মৃণালকান্তি দাস

হাসিনার এই সৌহার্দের রাজনীতিতে পায়ের তলা থেকে মাটি সরেছে জেলবন্দি খালেদা জিয়ার! বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর বাড়িয়ে হাইকোর্ট যেদিন ১০ বছর করে রায় দিয়েছিল, সেদিনই বিএনপি সহ চারটি দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে নির্বাচনী সমীকরণকে তালগোল পাকিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশদ

16th  November, 2018
ভোটের মুখে রাম নাম

 উপায় কী? বাঘা বাঘা ডাক্তারের জবরদস্ত সব মেডিসিন যখন ফেল পড়ে যায় তখন অসহায় আর কী করে! টোটকা তাগা-তাবিজ, জলপড়া-তেলপড়া, মানত, সিন্নি। আর তাতেও কাজ না হলে? শেষ ভরসা সেই তিনি—তাঁকে খোদা, ভগবান, খ্রিস্ট, ঈশ্বর, পির-পয়গম্বর সে যে নামেই ডাকো—তিনি ছাড়া গতি নেই। বিশদ

15th  November, 2018
Loading...
প্রবাসে রাষ্ট্রের দোষে
হারাধন চৌধুরী

ভারতবাসী এখনও ভাগ্যের ভরসায়। আর ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে বিদেশের হাতছানি উপেক্ষা করার উপায় পাননি তাঁরা। প্রশ্নটা শিক্ষা কিংবা গবেষণায় প্রবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে এতটা উষ্মার হতো না।
বিশদ

13th  November, 2018
যারা পিছনে পড়ে আছে
পি চিদম্বরম

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু স্ট‌্যাচুটা ভারতে। এটা ১৮২ মিটার উঁচু, ভাস্কর একজন ভারতীয় এবং চীনা নির্মাতা ও শ্রমিকদের সাহায‌্য নিয়ে মূর্তিটা খাড়া করা হয়েছে। খরচ হয়েছে তিন হাজার কোটি টাকা এবং, সাধারণ বিশ্বাস এই যে এই ধরনের প্রকল্প গড়ে ওঠে সরকারি তহবিলের অর্থে, এক্ষেত্রে প্রায় পুরো টাকাটাই নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো থেকে।
বিশদ

12th  November, 2018
Loading...
পুজো শেষ, এবার ভোট
শুভা দত্ত

পুজোর মরশুম প্রায় শেষ। আগামী সপ্তাহে জগদ্ধাত্রী পুজো মিটলেই এবারের মতো বাঙালির শারদোৎসবে ইতি। আলোর রোশনাই বাজিপটকা চমৎকার সব প্যান্ডেল প্রতিমা আর পুজোর ছুটিতে কাছে দূরে বেড়িয়ে ফেরার স্মৃতি বুকে নিয়ে বাংলার মানুষ নেমে পড়বে কাজে।
বিশদ

11th  November, 2018
কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
বিশদ

10th  November, 2018
নোটবন্দির কেলেঙ্কারির পর এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে চাপ দিয়ে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা পেতে চাইছে কেন্দ্র
ডঃ অমিত মিত্র (অর্থমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার)

আজ এক কালো দিন। দু’বছর আগে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আজকের দিনটিতেই নোটবন্দির সর্বগ্রাসী ও স্বেচ্ছাচারী নীতি চাপিয়ে দিয়েছিল এনডিএ সরকার। আসমুদ্রহিমাচলের কোটি কোটি কৃষক, শিল্পোদ্যোগীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ছোট ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে।
বিশদ

09th  November, 2018
৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার।
বিশদ

09th  November, 2018
অসম ফের ভাবাচ্ছে, শেষ
পর্যন্ত কোন ভারত দেখতে হবে!
মোশারফ হোসেন

 বছর কুড়ি-একুশ আগের কথা। গুয়াহাটিতে একদিন একটি মাঝারি মানের রেস্টুরেন্টে প্রাতঃরাশ সারছিলাম। সম্ভবত খানিকটা বেলা হয়ে যাওয়ায় রেস্টুরেন্টে ভিড় নেই। পাশের টেবিলে চার ভদ্রলোক খাওয়া দাওয়া করতে করতে নিজেদের মধ্যে অনুচ্চ স্বরে কথাবার্তা বলছিলেন। হঠাৎই কানে পড়ল বেশ কয়েকটি বাংলা শব্দবন্ধ। তখন বয়স অনেক কম।
বিশদ

06th  November, 2018
ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’  ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি।
বিশদ

05th  November, 2018
Loading...
একনজরে
 মিনস্ক, ১৭ নভেম্বর: বেলারুশ ওপেন টেবল টেনিসে ব্রোঞ্জ জিতলেন মানব ঠাক্কর। ছেলেদের অনূর্ধ্ব-২১ সিঙ্গলসে এই পদক পান তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে আসা মানব সেমি-ফাইনালে ২-৩ গেমে হেরে যান রাশিয়ার ডেনিস ইভোনিনের কাছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মহারণের প্রস্তুতির ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও দলই করেনি এখনও। তবে ডিসেম্বরের গোড়া থেকেই কার্যত লোকসভা ভোটের প্রচারে নেমে পড়বে রাজ্যের যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলি। ...

ওয়াশিংটন, ১৭ নভেম্বর (পিটিআই): সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে একাধিক জনসংযোগ সংস্থাকে নিয়োগ করেছে ফেসবুক। সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পরেই সংস্থার চেয়ারম্যান পদ থেকে মার্ক ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার পুরসভা এলাকার বাসিন্দাদের আধারকার্ডের জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দিয়ে বছর তিনেক আগে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা করানো হয়। কিন্তু ওই কাজে নিযুক্ত কর্মীদের পারিশ্রমিকের অধিকাংশ টাকা বকেয়া থাকায় তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ জমছে। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় সাফল্য প্রাপ্তি। কর্মে দায়িত্ব বৃদ্ধিতে মানসিক চাপ বৃদ্ধি। খেলাধুলায় সাফল্যের স্বীকৃতি। শত্রুর মোকাবিলায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭২৭: অম্বরের মহারাজা দ্বিতীয় জয়সিং জয়পুর শহর প্রতিষ্ঠা করলেন
১৯০১: পরিচালক ও অভিনেতা ভি শান্তারামের জন্ম
১৯৭৩: ভারতের জাতীয় পশু হল বাঘ
১৯৭৮: পরিচালক ও অভিনেতা ধীরেন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু
 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৪ টাকা ৭২.৯৫ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৮ টাকা ৯৫.৩৮ টাকা
ইউরো ৮০.১৫ টাকা ৮৩.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১, ৫৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৯, ৯৬৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৪১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, রবিবার, দশমী ১৯/৭ দিবা ঘ ১/৩৪। নক্ষত্র- পূর্বভাদ্রপদ ২৬/৩০ অপঃ ঘ ৪/৩১, সূ উ ৫/৫৪/৫৩, অ ৪/৪৮/৩০, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/২৪ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ১০/০ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১২/৫৯ গতে ২/৩৯ মধ্যে।
১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, রবিবার, দশমী ১০/৪০/৪০। পূর্বভাদ্রপদনক্ষত্র ঘ ২/৪৭/৫৩। সূ উ ৫/৫৫/২৫, অ ৪/৪৭/৩৮, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/৫৪ থেকে ঘ ৮/৪৯/২০ মধ্যে ও ঘ ১১/৪৩/১৬ থেকে ঘ ২/৩৭/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৫/১১ থেকে ঘ ৯/১০/১৪ মধ্যে ও ঘ ১১/৪৭/৪৭ থেকে ১/৩২/৪৯ মধ্যে ও ২/২৫/২১ থেকে ৫/৫৬/১০ মধ্যে। বারবেলা ১০/০/০ থেকে ১১/২১/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২১/৩১ থেকে ঘ ১২/৪৩/৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/০ থেকে ঘ ২/৩৮/২৮ মধ্যে।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গোয়ালতোড়ে মাও পোস্টার উদ্ধার 
গোয়ালতোড়ে ফের মাওবাদী পোস্টার উদ্ধার। আউলিয়া জুনসোল এলাকায় চারটি মাও ...বিশদ

04:40:35 PM

ছত্তিশগড়ের সুকমায় আইইডি বিস্ফোরণ, জখম ২ জওয়ান 

04:03:04 PM

ভিয়েতনাম পৌঁছালেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ 

02:21:00 PM

ঘুষুড়িতে প্ল্যাস্টিকের কারখানায় আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন 

01:56:25 PM

ঝাড়গ্রামে শিক্ষামন্ত্রীর সভা চলাকালীন দলীয় কর্মীদের ক্ষোভপ্রকাশ 
ঝাড়গ্রামে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সভা চলাকালীন সভাস্থলে ক্ষোভে ফেটে ...বিশদ

01:52:00 PM

উত্তরাখণ্ডের দামতায় খাদে পড়ল যাত্রীবাহী বাস 
উত্তরাখণ্ডের দামতায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ল যাত্রীবাহী বাস। ঘটনাটি ঘটেছে ...বিশদ

01:47:02 PM

Loading...
Loading...