সম্পাদকীয়
 

  অবাঞ্ছিত রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন

কলেজ হল উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের দ্বার। সেখানে যারা পড়তে যায় তারা আমাদেরই ঘরের ছেলে কিংবা মেয়ে। তারা কলেজে প্রবেশ করে একটা স্বপ্ন বা লক্ষ্য নিয়ে। আশা করা হয় যে, সেখানে তারা এমন কিছু শিখবে যা এতদিন শেখার সুযোগ পায়নি। যে শিক্ষা তাদের মনকে ও মানকে একসঙ্গে উন্নত করবে। তাদের মনে জাগিয়ে তুলবে আরও ভালো কিছু, নতুন কিছু শেখার স্পৃহা। তাদের কাছে উন্মুক্ত হবে চিন্তার নতুন জগৎ। কলেজ থেকেই তৈরি হবে নামী কোনও বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের ভিত। চাকরি, ব্যাবসা কিংবা অন্য কোনও স্বাধীন পেশা বেছে নেওয়ার যোগ্যতাও তৈরি হবে কলেজের গণ্ডী থেকে। শিল্প, কলা, সংস্কৃতি ক্ষেত্রেও অগ্রগমনের রাস্তা পাকা করে দিতে পারে উপযুক্ত কলেজে শিক্ষার ঐতিহ্য। এমনকী ভবিষ্যতে যারা সংসদীয় রাজনীতি কিংবা মানবাধিকার নিয়েও বৃহৎ ক্ষেত্রে এগনোর স্বপ্ন দেখে তাদের জন্যও বিশেষ সহায়ক হতে পারে তাদের কলেজের সুশিক্ষার পরিবেশটি। সোজা কথায়, ছেলেমেয়েদের এত স্বপ্ন এত আশা ভরসা সবকিছুর স্থল হল কলেজ বা উচ্চ শিক্ষাঙ্গন। এই স্বপ্ন আশা ভরসা তাদের বাবা-মা, অভিভাবক, শুভাকাক্ষ্মীদেরও। শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার মাধ্যমে এবং তার ক্রমোন্নতিই মানুষের স্বপ্ন সাকার করতে পারে। আর কলেজের শিক্ষার পরিবেশ কোনওভাবে বিপন্ন কিংবা বিনষ্ট হলেই চুরমার হয়ে যায় এতজনের স্বপ্ন আশা আকাঙ্ক্ষা। বৃহৎ অর্থে একটি সমাজের স্বপ্নভঙ্গ হয়।
আমাদের সংসদীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায় রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলির উপর রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণ স্বীকৃত। কিন্তু, যখন যে দল বা রাজনৈতিক জোট রাজ্যে ক্ষমতাসীন থাকে তখন রাজ্য সরকারের বকলমে সংশ্লিষ্ট শাসক দল বা জোটই কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপর কর্তৃত্ব কায়েম করার জন্য্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কলেজে কলেজে শাসক দলের মাতব্বরি কায়েম করা হয় একাধিক উপায়ে—নিয়ন্ত্রিত ছাত্র সংসদকে উসকে দিয়ে, পরিচালন কমিটিতে শাসক দলের অনুগত দাপুটে কর্তাব্যক্তি ঢুকিয়ে রেখে এবং স্থানীয় দলীয় এমপি, এএমএলএ, পুর চেয়ারম্যান/পঞ্চায়েত প্রধানকে সামনে রেখে। রাজ্যবাসী অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছে, বেশিরভাগ কলেজ কর্তৃপক্ষই জলে বাস করে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করার মতো সৌখিন নন। বরং শাসক দল কিংবা তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী কোনও গোষ্ঠীপতির ‘ইয়েস ম্যান’ হিসাবেই চাকরিজীবন কাটিয়ে দেওয়ার কৌশল নেন বেশিরভাগ কলেজ অধ্যক্ষ। তবে সবকিছুর মতোই দু-চারটি ব্যতিক্রমী কলেজ কর্তৃপক্ষও থাকেন সবসময়। তাঁরা আদর্শচ্যুত হওয়ার কথা ভাবতে পারেন না। তাঁরা যে-কোনও মূল্যে কলেজে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যান। গোল বাধে তাঁদের নিয়েই।
সিপিএম জমানায় এই ধরনের কলেজ কর্তৃপক্ষের কপালে ‘পানিশমেন্ট’ ছাড়া কিছু জোটেনি। তাই অনেক কলেজ অধ্যক্ষ ন্যায়পথে চলার সাহসটাই হারিয়ে বসেছেন। অতীতের সরকার যদি একজনও নীতিনিষ্ঠ সাহসী অধ্যক্ষের পাশে দাঁড়াবার দৃষ্টান্ত রাখতে পারত তবে হয়তো পরিস্থিতিটা অন্যরূপ নিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যেন বাম জমানার সেই পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে নেমেছে। নদীয়ার হরিণঘাটা কলেজে অন্যায় দাপট দেখাতে চেয়েছিলেন শাসক দলের সেখানকার দু-একজন কেষ্টবিষ্টু। ওই কলেজের সাহসী অধ্যক্ষ তা বোবা কালা মেরুদণ্ডহীনের মতো মেনে নেননি। তিনি বিষয়টি নিয়ে সরাসরি অভিযোগ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে। সরকারও তাতে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে কুণ্ঠিত হয়নি—দ্রুত ওই কলেজ পরিচালন সমিতি ভেঙে দিয়ে সেখানে সরকারি প্রশাসক বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে-কোনও কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ছাত্র, অভিভাবক, অধ্যাপক, অশিক্ষক কর্মী কিংবা জনপ্রতিনিধিদের হাজার অভিযোগ থাকতে পারে। সেসব অভিযোগের আইনসংগত নিষ্পত্তিই কাম্য। কিন্তু, অভিযোগ নিষ্পত্তির দাবিতে কিংবা কোনওভাবে প্রতিবাদ জানানোর নামে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ বানচাল করে দেওয়ার রীতিটি অবাঞ্ছিত। প্রতিবাদ, দাবি আদায় সবই করা উচিত কলেজ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য যে শিক্ষা, তার সুষ্ঠু পরিবেশটি অক্ষুণ্ণ রেখে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই লক্ষ্যেই হস্তক্ষেপ করার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আশা করা যায়, এরপর রাজ্যের বাকি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যসকল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গবেষণা কেন্দ্র প্রভৃতি এর থেকে যথার্থ বার্তাটিই পাবে। বাংলা ফিরে পাবে অবাঞ্ছিত রাজনীতিমুক্ত শিক্ষার পরিবেশটি। সেটি ধীরে ধীরে হলেও নিঃসন্দেহে হবে এক বিরাট পাওনা।
03rd  August, 2017
মিড ডে মিল: সবার আগে দরকার আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি

মিড ডে মিলের রাঁধুনিদের হোটেল ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করে তোলার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। তা করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর। নির্দেশের মধ্যে নতুনত্ব আছে, তা বলা যাবে না। কারণ, এই ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই দেশে চালু হয়ে গিয়েছে।
বিশদ

গুজরাত ভোটের অসম লড়াই

গুজরাত জয়ের লক্ষ্যে রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের অনেক অন্ধ সমর্থকও হয়তো এমন একটা উক্তিতে চোখ কচলে কান খুঁচিয়ে জিজ্ঞেস করবেন, ঠিক শুনছি তো? রাহুল গান্ধী নিজেও অতটা আশাবাদী নন। তবে তাঁর দাবি, কংগ্রেস এবারের ভোটে ভালো ফল করবে। বাধা একটাই। নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

20th  November, 2017
মোদির সংস্কারকে স্বীকৃতি

 গুজরাত বিধানসভার আসন্ন নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক কেরিয়ারের সামনে নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। মোদির রাজনীতির আঁতুড়ঘরের আসন্ন ওই নির্বাচনের ফলাফল বছর দেড়েক বাদের লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য-ব্যর্থতার কিছুটা হলেও আভাস দেবে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
বিশদ

19th  November, 2017
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে হবে

খাতায় কলমে সরকারি পরিসংখ্যান যাই বলুক নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষ এই মুহূর্তে নিদারুণ কষ্টে রয়েছেন। চালের দাম বাড়ছে। অসময়ের বৃষ্টি সব্জির মূল্যকে সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে গিয়েছে। প্রকৃতির এই খামখেয়াল চলতে থাকলে ভরাশীতেও বাজার আগুন থাকবে।
বিশদ

18th  November, 2017
দুর্নীতির ‘কোহিনুর’

 ফের একবার দুর্নীতির কালো পাঁকে নিমজ্জিত হতে হল কেরলের ফ্রন্ট সরকারকে। যে ফ্রন্টের মাথায় অধিকাংশ সময়ে দুর্নীতির ‘কোহিনুর’ হিসেবে জ্বলজ্বল করে সিপিএমেরই কারও নাম। এটা অবশ্য দেশের মানুষের কাছে নতুন কোনও ঘটনা নয়।
বিশদ

17th  November, 2017
রসগোল্লা-যুদ্ধে বাংলার ‌জয়

 ১৮৬৮ থেকে ২০১৭। অর্থাৎ দেড়শো বছরের মাথায় মিলল বাংলার রসগোল্লার সরকারি স্বীকৃতি। বাগবাজারের নবীন ময়রা তিন-চার বছরের চেষ্টায় সেই সার্ধশতবর্ষ আগে একদিন আস্ত রসগোল্লা তৈরি করতে সফল হয়েছিলেন। নবীনচন্দ্র দাশই হলেন রসগোল্লার কলম্বাস। তার পর সেই মিষ্টির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল বঙ্গদেশের সর্বত্র। রসগোল্লার আঘ্রাণ বহির্বঙ্গ, বহির্ভারতে ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি। এই রসের মিষ্টি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষাও চলেছে বিস্তর।
বিশদ

16th  November, 2017
বাংলায় বিনিয়োগে আশার সোনালি রেখা

এ যেন আর একটি পর্বতশৃঙ্গ জয়। কিছুদিন আগেই বিশ্বের মঞ্চে স্বীকৃতি পেয়েছিল বাংলার ‘কন্যাশ্রী’। এবার ব্রিটেনের মাটিতে আর একবার বিশ্বের নজর কেড়ে নিল বাংলা। এবারও নেতৃত্বে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইংল্যান্ডের মাটিতে তাঁর হাত ধরেই সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেল ভগিনী নিবেদিতার বাড়ি।
বিশদ

15th  November, 2017
ডেঙ্গু ম্যাপিং দরকার

রাজ্যের কোথাও না কোথাও প্রায় রোজই ডেঙ্গু বা অজানা জ্বরে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। এ পর্যন্ত কতজন ডেঙ্গু বা অজানা জ্বরের বলি হয়েছেন সেই বিতর্কে গিয়ে বিশেষ লাভ নেই। রোগ প্রতিরোধই এখন একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত। কারণ, জ্বর নিয়ে এখন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দিন দিন বাড়ছে।
বিশদ

14th  November, 2017
দূষিত দিল্লির দরবার

গত সাতদিন ধরে দূষণের চাদরে মুড়ি দিয়ে কার্যত শুয়েই পড়েছে রাজধানী। ধোঁয়াশার তীব্রতা এতটাই যে, চোখ খুলে রাখা দায়। তাহলেই জ্বলতে শুরু করছে। মিনিট ২০ নয়াদিল্লির রাজপথে ঘোরাফেরা করলেই অস্বস্তি, যার দোসর শ্বাসকষ্ট। স্কুল বন্ধ, খেলাধূলা শিকেয়, এমনকী ডাক্তাররাও বলে দিচ্ছেন, মশাই সাতসকালে উঠে মর্নিং ওয়াক করার প্রয়োজন নেই।
বিশদ

13th  November, 2017
ভাবিয়া করিও কাজ

 কথায় বলে,ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না। ভেবে কাজ না করলে পরে পস্তাতে হয়। কখনও কখনও অপদস্থও হতে হয়। যা হল মোদি সরকারের। জিএসটিকে কেন্দ্র করে। বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং থেকে শুরু করে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তাবৎ বিরোধী নেতা-নেত্রীরা পই পই করে বলেছিলেন, এত তাড়াহুড়ো করে জিএসটি চালু করবেন না।
বিশদ

12th  November, 2017
দুই বাংলায় রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি 

আমরা জানি, আজকের বাংলাদেশ একদা অবিভক্ত ভারতেরই এক গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড ছিল। ব্রিটিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভারতবাসীর হাজার সংগত অভিযোগ ছিল। তবু অস্বীকার করা যাবে না যে, বাণিজ্যিক স্বার্থে ইংরেজরা এমন কিছু পদক্ষেপ করেছিল যেগুলি পরোক্ষে ভারতবাসীর পক্ষে কল্যাণকরই হয়েছিল। সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানটির নাম বোধহয় রেল পরিষেবা।
বিশদ

11th  November, 2017
রাজ্যের মুকুটে ফের নতুন পালক

একটা সময় ছিল যখন আমরা বিদেশের অন্য প্রান্তের শহরগুলির দিকে জুলজুল চোখে তাকিয়ে থাকতাম। আর ভাবতাম কবে আমাদের শহর বা গ্রামগুলিও এরকম হয়ে উঠবে। আজ শহরের সীমানা ছাড়িয়ে একটু বাইরে পা ফেললেই দেখা যাবে, ঝাঁ চকচকে রাস্তা ধানখেত চিরে বা জঙ্গলের বুকের উপর দিয়ে চলে গিয়েছে।
বিশদ

10th  November, 2017
স্কুলশিক্ষা ও দুটি পদক্ষেপ

খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশও মানেনি পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা স্কুল পরিদর্শকের (ডিআই) অফিস। রাজ্যের শিক্ষা উন্নয়ন সংক্রান্ত পরিষেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্কুলশিক্ষা দপ্তরকে চলতি অর্থবর্ষে পর্যাপ্ত টাকাই দেওয়া হয়েছিল। আর এই টাকা দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের কোষাগার থেকে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, সীমিত আর্থিক ক্ষমতা সত্ত্বেও।
বিশদ

09th  November, 2017
কর ফাঁকি: শাস্তি হবে?

আজ সেইদিন যেদিন ভারতবর্ষের কোটি কোটি মানুষকে চরম দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল মোদি সরকার। রাতারাতি পুরানো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা হয়েছিল, এর ফলে ভারতে সুদিন ফিরবে। উদ্ধার হবে কালো টাকা। জাল নোটের রমরমা কমবে। বন্ধ হয়ে যাবে জঙ্গিদের কাছে টাকা সাপ্লাই। অর্থাৎ টাকার অভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ কমবে।
বিশদ

08th  November, 2017
স্বাস্থ্যে আরও নজর দরকার

মানুষের বেঁচে থাকার প্রাথমিক এবং ন্যূনতম প্রয়োজনের মধ্যে স্বাস্থ্য হল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে খাদ্য, শিক্ষা, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য। সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে এই পরিষেবাটুকু পৌঁছে দেওয়া যে কোনও সরকারের প্রধান কাজ। সেইজন্যই মানুষ ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এক একটি ভোট সরকার গঠনে বিরাট ভূমিকা পালন করে।
বিশদ

07th  November, 2017
দূরশিক্ষায় প্রযুক্তি দূর হটো

দূরশিক্ষায় প্রযুক্তিবিদ্যা নাস্তি। ওড়িশা হাইকোর্ট এবং পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের রায়ের মধ্যে যে টক্কর চলছিল, সুপ্রিম কোর্ট তাতে বিচারেকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে হার-জিতের ফয়সালা করে দিয়েছে। অর্থাৎ, জানিয়ে দিয়েছে, করেসপন্ডেন্স কোর্সে কোনও টেকনিক্যাল বিষয় পড়ানো যাবে না।
বিশদ

06th  November, 2017
একনজরে
বিএনএ, আসানসোল: ট্রেনে যাত্রীদের সুরক্ষা বাড়াতে ‘স্পেশাল টিম’ তৈরি করেছে আরপিএফ। সম্প্রতি আরপিএফের আইজি বিনোদ কুমার দাকা আসানসোলে বৈঠক করতে এসে টিম তৈরির ব্যাপারে নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই স্পেশাল টিমের কাজ হবে ট্রেনে অপরাধমূলক ঘটনা কমানো। ...

রাতুল ঘোষ: প্রিয়দার স্মৃতি ক্রমশ ঝাপসা হয়ে আসার মুহূর্তে গত দু’দিন হঠাৎ নিদারুণভাবে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল। আর এর নেপথ্যে ছিল কয়েকদিন আগে একটি সূত্রে পাওয়া ...

 শ্রীনগর, ২০ নভেম্বর (পিটিআই): ফের কাশ্মীরে বাবা-মায়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে বাড়ি ফিরল জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়া এক যুবক। দক্ষিণ কাশ্মীরের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম, ঠিকানা ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার জেলার বক্সা পাহাড়ের ১৩টি পাহাড়ি গ্রাম এবং সমতলে থাকা সান্তলাবাড়ি ও জয়ন্তীকে নিয়ে বক্সাদুয়ার নামে একটি আলাদা করে গ্রাম পঞ্চায়েত গঠনের দাবিতে বিজেপি আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে কিছু নতুনত্ব থাকবে যা বিশেষভাবে মনকে নাড়া দেবে। কোনও কিছু অতিরিক্ত আশা না করাই ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব টেলিভিশন দিবস
১৬৯৪: ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ারের জন্ম
১৯৭০: নোবেলজয়ী পদার্থবিদ চন্দ্রশেখর বেঙ্কটরামনের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.২০ টাকা ৬৫.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৯০ টাকা ৮৭.৭৯ টাকা
ইউরো ৭৫.৪৪ টাকা ৭৮.০৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৩৬, নক্ষত্র-জ্যেষ্ঠা রাত্রি ১২/৪৮, সূ উ ৫/৫৬/২৫, অ ৪/৪৮/৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫০ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/২৬ গতে ১০/৬ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/১৯ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৮ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ২/৫ গতে ৩/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৪ গতে ১১/২২ মধ্যে।
৩ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৭/৪২/২৮, জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ১১/৫৫/৩৬, সূ উ ৫/৫৬/৫৮, অ ৪/৪৬/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩/৩৮, ৮/৫০/১৮-১১/০/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৪/৫৮-১০/৫৫/১৮, ২/২৫/৩৭-৩/১৮/১৮, বারবেলা ২/৪/২৮-৩/২৬/৪৩, কালবেলা ৭/১৮/১৩-৮/৩৯/২৮, কালরাত্রি ৯/৪৩/১৩-১১/২১/৫৮। 
৩০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 কালিয়াগঞ্জে দাশমুন্সি ভবন ঘুরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কালিয়াগঞ্জের দলীয় পার্টি অফিসে। এরপর সেখান থেকে নিয়ে আসা হয় রায়গঞ্জে। এখানে কংগ্রেস কার্যালয়ে অগুন্তি সমর্থক ও প্রিয়জনদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের পর অন্ত্যেষ্টির জন্য শ্মশানের উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

07:25:00 PM

কলকাতায় গ্রেপ্তার ৩ জন আল কায়দা জঙ্গি
আজ কলকাতা স্টেশন থেকে ৩ জন আল কায়দা ...বিশদ

06:07:00 PM

 কালিয়াগঞ্জের উদ্দেশ্যে শেষযাত্রায় প্রিয়
প্রিয়রঞ্জনের মরদেহ দিয়ে হেলিকপ্টার পৌঁছাল রায়গঞ্জে। সেখান থেকে ...বিশদ

05:16:00 PM

  ফের সাংবাদিক খুন ত্রিপুরায়
মাস দুয়েকের মধ্যে ফের সাংবাদিক খুনের ঘটনা ঘটল ত্রিপুররায়। এবার ...বিশদ

05:13:45 PM

ট্রেনের সময়সূচি বদল 
ডাউন ট্রেন দেরিতে আসার কারণে

১৩০০৯ আপ হাওড়া-দেরাদুন ...বিশদ

04:02:00 PM