রাজ্য

সস্তার নয়া ‘সুগার-ফ্রি’ চালেই এবার কিস্তিমাত রাজ্যের

প্রীতেশ বসু, কলকাতা: কথায় বলে, মাছে-ভাতে বাঙালি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাঙালির চিরাচরিত খাদ্যাভ্যাসেও অবশ্য বদল এসেছে। কিন্তু আজও বহু বাঙালির ভাত না হলে চলে না। দুপুরে বা রাতে অন্য কিছু খেলে তাদের মনে হয়, পেটই ভরল না! অনুষ্ঠানবাড়িতে সরু চালের ভাত আর মাছ-মাংসের সাধারণ বাঙালি পদ বলে বলে গোল দেয় চাইনিজ বা মোগলাই খানাকে। এহেন বাঙালির ভাত-প্রীতির বড় ‘শত্রু’ হয়ে দাঁড়িয়েছে ডায়াবেটিস। কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা বেশি থাকায় সুগার আক্রান্তদের ভাত এড়িয়ে চলা বা নামমাত্র খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। অনেকে শেষ পর্যন্ত খাদ্যতালিকা থেকে ভাত ছেঁটে ফেলতে বাধ্য হন। তাঁদের জন্য সুখবর দিল রাজ্য সরকার। আর কয়েক মাসের অপেক্ষা। সবকিছু পরিকল্পনা মতো চললে বাজারে অনেক সস্তায় মিলবে ‘সুগার-ফ্রি’ চাল। সেক্ষেত্রে সুগারের রোগীরাও নিশ্চিন্তে ভাত খেয়েই উদরপূর্তি করতে পারবেন। 
শর্করা বা গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কম, এমন বেশ কিছু চাল বাজারে মেলে। কিন্তু তার দাম সাধারণ চালের প্রায় তিন গুন। জিনিসপত্রের এই অগ্নিমূল্যের বাজারে এত দাম দিয়ে ওই চাল কেনা বেশিরভাগেরই সাধ্যের বাইরে। এই পরিস্থিতিতে ‘সুগার-ফ্রি’ বা খুব কম জিআই-এর চালের দাম আম জনতার সাধ্যের মধ্যে আনতে উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। চুঁচুড়ায় রাজ্য সরকারের নিজস্ব ধান গবেষণা কেন্দ্রে কম জিআই’র চালের ধানের বীজ তৈরির জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে। কাজ অনেকটা এগিয়েও গিয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ওই পর্ব মিটলেই কৃষকদের বীজ বিতরণ করা হবে। সরকারের আশা, চাষ বাড়লে বাজারে ‘সুগার-ফ্রি’ চালের জোগানও বাড়বে। তখন স্বাভাবিক নিয়মে সাধারণের ধরাছোঁয়ার মধ্যে আসবে চালের দাম। শোভনদেববাবু বলেন, ‘একজন বাঙালির পক্ষে রোজ দুপুরে ভাত বর্জন করা খুব কষ্টের। কম দামে কম জিআই’র চাল বাজারে এলে মন খুলে ভাত খেতে পারবেন সবাই। চিকিৎসকদের পরামর্শ এবং অন্যান্য যাবতীয় ফ্যাক্টর মাথায় রেখেই গবেষকরা  বীজ তৈরির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।’ 
৫০-৫৫ টাকা দামের সাধারণ চালে শর্করার  পরিমাণ বা জিআই খুব বেশি থাকে (৬০ থেকে ৬৬)। রাজ্যে যে ‘কালো চাল’ পাওয়া যায়, সেই ভাতের জিআই মাত্র ৪০। কিন্তু এই চাল এক কেজির দাম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। ব্রাউন রাইসের দাম আরও বেশি। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, ভারতে ললাট (জিআই ৫৩.১৭), লাবণ্য (জিআই ৫৫), সম্বা মাহসুরি (জিআই ৫১.৪২), সম্পদ (জিআই ৫১), তেলাঙ্গানা সোনা (জিআই ৫১) ইত্যাদি কয়েকরকম ‘লো জিআই’ চাল পাওয়া যায়। এ রাজ্যের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া জেলার জনজাতি অংশের কৃষকরা নিজেদের খাওয়ার জন্য ‘কালো চাল’ উৎপাদন করতেন। ইতিপূর্বে নানা ধরনের সুগন্ধী চাল এবং নোনা জমিতে চাষযোগ্য নোনা স্বর্ণ ধানের চাষ ও চাল উৎপাদনে সফল হয়েছে রাজ্য। কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ‘এবার আমাদের লক্ষ্য কম জিআই যুক্ত চাল সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে এনে দেওয়া। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই তা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।’ 
14d ago
কলকাতা
দেশ
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
শরীর ও স্বাস্থ্য
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

চল্লিশের ঊর্ধ্ব বয়সিরা সতর্ক হন, রোগ বৃদ্ধি হতে পারে। অর্থ ও কর্ম যোগ শুভ। পরিশ্রম...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার৮৩.১৭ টাকা৮৪.২৬ টাকা
পাউন্ড১০৬.৯৩ টাকা১০৯.৬০ টাকা
ইউরো৯০.০০ টাকা৯২.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
দিন পঞ্জিকা