নিজস্ব প্রতিনিধি, বোলপুর: কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও নিজেদের খরচে একাধিক প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য। ১০০ দিনের কাজ, আবাস প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনার পর জল জীবন মিশনের (রাজ্যে ডাকা হয় জলস্বপ্ন প্রকল্প নামে) টাকা দেওয়া এক বছর ধরে বন্ধ রেখেছে মোদি সরকার। তবে রাজ্যের অংশের টাকা দিয়ে এই কাজ চলবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা। সাংসদ তহবিল থেকে এক কোটি টাকা করে এবং বিধায়ক তহবিল থেকে ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে এই প্রকল্প খাতে। এছাড়াও জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত সমিতিগুলি এই কাজের জন্য পাঁচ শতাংশ করে টাকা খরচ করবে।
এছাড়া এদিনের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসিকে ফের আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিভিসি’র জলাধারের নাব্যতা কমে যাওয়ায় অল্পেতেই তাদের জল ছেড়ে দিতে হচ্ছে। যার জেরে ডুবছে বাংলার একাধিক জেলা। বলা সত্ত্বেও ড্রেজিংয়ের কাজ হাতে নেয়নি ডিভিসি কর্তৃপক্ষ। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নীতিকে দায়ী করে ড্রেজিংয়ের কাজ হাতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ডিভিসিকে তিনি এক বছর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। আগামী এক বছরের মধ্যে এই কাজ চালু না হলে, ডিভিসি’র জলাধারের সামনে রাজ্য একটি করে বাঁধ নির্মাণ করে দেবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ভারী বৃষ্টির সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সতর্কতা থাকায় জেলাশাসকদের পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুত রাখা, দুর্গতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন। ভাঙা বাড়ি তৈরি করতে রাজ্য সাহায্য করবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন। বিধানসভা ভোটের আগেই রাজ্যের খরচে ‘পথশ্রী-৪’ চালু হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।