নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: উত্তরবঙ্গে শীতকালীন পেঁয়াজ চাষে এলাকা বৃদ্ধিতে উদ্যোগী হল রাজ্য। বর্তমানে উত্তরবঙ্গে প্রায় সাড়ে চার হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়ে থাকে। এবছর আরও ৩৫০ হেক্টর পেঁয়াজ চাষের এলাকা বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে উদ্যানপালন দপ্তরের তরফে। এজন্য দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলাকে বাদ দিয়ে উত্তরের বাকি জেলায় শুরু হয়েছে পাইলট প্রকল্প। পেঁয়াজ চাষে এলাকা বাড়াতে আগ্রহী কৃষকদের বিঘাপ্রতি চার হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। শুধু পেঁয়াজ চাষে উৎসাহভাতা প্রদান নয়, উৎপাদিত পেঁয়াজ সংরক্ষণে যদি কোনও কৃষক গোলা তৈরি করেন, তাঁকেও রাজ্যের তরফে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। ২৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা যাবে, এমন পরিকাঠামো যুক্ত গোলা তৈরি করলে সংশ্লিষ্ট কৃষককে সাড়ে ৮৭ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হচ্ছে বলে উদ্যানপালন দপ্তর সূত্রে খবর। রাজ্যের এই উদ্যোগে খুশি উত্তরবঙ্গের কৃষকরা।
জলপাইগুড়ি জেলার সহকারী উদ্যানপালন অধিকর্তা খুরশিদ আলম বলেন, গোটা উত্তরবঙ্গে ৩৫০ হেক্টর পেঁয়াজ চাষের এলাকা বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়িতে পেঁয়াজের ৫০ হেক্টর এলাকা বাড়ছে। এজন্য উৎসাহী চাষিদের আমরা বিঘাপ্রতি চার হাজার টাকা করে অনুদান দিচ্ছি। মূলত বীজ, সার, কীটনাশক কেনার জন্য রাজ্যের তরফে ওই টাকা দেওয়া হচ্ছে চাষিকে। আধ বিঘা থেকে সর্বোচ্চ তিন বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের জন্য একজন চাষি ওই অনুদান পাবেন। এর পাশাপাশি যদি কোনও কৃষক পেঁয়াজ সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়েন, তাহলে তিনি খরচের অর্ধেকটা রাজ্য সরকারের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে পাবেন। ২৫ মেট্রিন টন পেঁয়াজ রাখা যায়, এমন একটি সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়তে মোটামুটি এক লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার মতো খরচ পড়ে। কৃষক সাড়ে ৮৭ হাজার টাকা সরকারি অনুদান পাবেন। এধরনের সংরক্ষণ কেন্দ্রে মোটামুটি তিন মাস পেঁয়াজ রাখা যায়। ফলে কৃষক বাজারে দাম বুঝে তাঁর উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে পারবেন। জলের দরে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হবে না তাঁদের।
জলপাইগুড়িতে বর্তমানে ১২০ হেক্টর এলাকায় শীতকালীন পেঁয়াজ চাষ হয়। ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ির পাশাপাশি ক্রান্তি, রাজগঞ্জ ব্লকে অনেক কৃষকই পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকেছেন। কিছুটা পেঁয়াজ সদর ব্লকেও হচ্ছে। মূলত সুখসাগর প্রজাতির পেঁয়াজ চাষের পরামর্শ দিচ্ছেন উদ্যানপালন আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, পেঁয়াজ চাষে অনুদান পেতে বিডিও অফিসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে জমির কাগজপত্র, পেঁয়াজ বীজ ও সার, কীটনাশক কেনার রসিদ, চাষির আধারকার্ড, ব্যাঙ্কের পাশবুক, মোবাইল নম্বর এবং চাষি সহ সংশ্লিষ্ট চাষের জমির ছবি সহ আবেদন করতে হবে। উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিকরা তা খতিয়ে দেখার পরই কৃষকের অ্যাকাউন্টে অনুদানের টাকা ঢুকবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: উত্তরবঙ্গে শীতকালীন পেঁয়াজ চাষে এলাকা বৃদ্ধিতে উদ্যোগী হল রাজ্য। বর্তমানে উত্তরবঙ্গে প্রায় সাড়ে চার হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়ে থাকে। এবছর আরও ৩৫০ হেক্টর পেঁয়াজ চাষের এলাকা বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে উদ্যানপালন দপ্তরের তরফে। এজন্য দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলাকে বাদ দিয়ে উত্তরের বাকি জেলায় শুরু হয়েছে পাইলট প্রকল্প। পেঁয়াজ চাষে এলাকা বাড়াতে আগ্রহী কৃষকদের বিঘাপ্রতি চার হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। শুধু পেঁয়াজ চাষে উৎসাহভাতা প্রদান নয়, উৎপাদিত পেঁয়াজ সংরক্ষণে যদি কোনও কৃষক গোলা তৈরি করেন, তাঁকেও রাজ্যের তরফে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। ২৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা যাবে, এমন পরিকাঠামো যুক্ত গোলা তৈরি করলে সংশ্লিষ্ট কৃষককে সাড়ে ৮৭ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হচ্ছে বলে উদ্যানপালন দপ্তর সূত্রে খবর। রাজ্যের এই উদ্যোগে খুশি উত্তরবঙ্গের কৃষকরা।
জলপাইগুড়ি জেলার সহকারী উদ্যানপালন অধিকর্তা খুরশিদ আলম বলেন, গোটা উত্তরবঙ্গে ৩৫০ হেক্টর পেঁয়াজ চাষের এলাকা বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়িতে পেঁয়াজের ৫০ হেক্টর এলাকা বাড়ছে। এজন্য উৎসাহী চাষিদের আমরা বিঘাপ্রতি চার হাজার টাকা করে অনুদান দিচ্ছি। মূলত বীজ, সার, কীটনাশক কেনার জন্য রাজ্যের তরফে ওই টাকা দেওয়া হচ্ছে চাষিকে। আধ বিঘা থেকে সর্বোচ্চ তিন বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের জন্য একজন চাষি ওই অনুদান পাবেন। এর পাশাপাশি যদি কোনও কৃষক পেঁয়াজ সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়েন, তাহলে তিনি খরচের অর্ধেকটা রাজ্য সরকারের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে পাবেন। ২৫ মেট্রিন টন পেঁয়াজ রাখা যায়, এমন একটি সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়তে মোটামুটি এক লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার মতো খরচ পড়ে। কৃষক সাড়ে ৮৭ হাজার টাকা সরকারি অনুদান পাবেন। এধরনের সংরক্ষণ কেন্দ্রে মোটামুটি তিন মাস পেঁয়াজ রাখা যায়। ফলে কৃষক বাজারে দাম বুঝে তাঁর উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে পারবেন। জলের দরে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হবে না তাঁদের।
জলপাইগুড়িতে বর্তমানে ১২০ হেক্টর এলাকায় শীতকালীন পেঁয়াজ চাষ হয়। ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ির পাশাপাশি ক্রান্তি, রাজগঞ্জ ব্লকে অনেক কৃষকই পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকেছেন। কিছুটা পেঁয়াজ সদর ব্লকেও হচ্ছে। মূলত সুখসাগর প্রজাতির পেঁয়াজ চাষের পরামর্শ দিচ্ছেন উদ্যানপালন আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, পেঁয়াজ চাষে অনুদান পেতে বিডিও অফিসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে জমির কাগজপত্র, পেঁয়াজ বীজ ও সার, কীটনাশক কেনার রসিদ, চাষির আধারকার্ড, ব্যাঙ্কের পাশবুক, মোবাইল নম্বর এবং চাষি সহ সংশ্লিষ্ট চাষের জমির ছবি সহ আবেদন করতে হবে। উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিকরা তা খতিয়ে দেখার পরই কৃষকের অ্যাকাউন্টে অনুদানের টাকা ঢুকবে।