বেঙ্গালুরু: মাস ছ’য়েক আগে যুবতী খুনের রহস্যের কিনারা করল কর্ণাটক পুলিস। নদীর চরের মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হল তাঁর কঙ্কাল। রবিবার অভিযুক্ত ২৮ বছরের সতীশ হিরেমথকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। পুলিসি জেরায় প্রেমিকাকে খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে ওই যুবক।
বেঙ্গালুরু: মাস ছ’য়েক আগে যুবতী খুনের রহস্যের কিনারা করল কর্ণাটক পুলিস। নদীর চরের মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হল তাঁর কঙ্কাল। রবিবার অভিযুক্ত ২৮ বছরের সতীশ হিরেমথকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। পুলিসি জেরায় প্রেমিকাকে খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে ওই যুবক।
ঘটনার সূত্রপাত ছ’বছর আগে। গদগ জেলার নারায়ণপুর গ্রামের সতীশের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল ২৬ বছরের মধুশ্রী অঙ্গদির। সম্পর্ক মেনে নিতে চায়নি যুবতীর পরিবার। মধুশ্রীকে দূরের এক আত্মীয়ের বাড়িতে রেখে আসেন তাঁর বাবা-মা। গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর রাতে আত্মীয়ের বাড়ি থেকে পালিয়ে আসেন মধুশ্রী। এরপর তিনি সোজা সতীশের সঙ্গে দেখা করেন। দু’জনেই নারায়ণপুরের একটি খামারবাড়িতে আশ্রয় নেন। মধুশ্রী সতীশকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু ওই যুবক রাজি হয়নি। এনিয়ে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তখন সতীশ তার প্রেমিকাকে গলা টিপে খুন করে বলে অভিযোগ। এরপর যুবতীর দেহ স্থানীয় নদীর চরে পুঁতে দিয়ে পালিয়ে যায় ওই যুবক। এদিকে মধুশ্রীর খোঁজ না পেয়ে গত ১২ জানুয়ারি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে তাঁর পরিবার। পুলিস ঘটনার তদন্তে নেমে জানতে পেরে মধুশ্রী বেঁচে নেই। তাঁর প্রেমিকও ছ’মাস ধরে পলাতক। রবিবার তার নাগাল পায় পুলিস। বিয়ের জন্য জোর করতে থাকায় রাগের মাথায় মধুশ্রীকে সে খুন করেছে বলে জেরায় স্বীকার করে নিয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে ফরেন্সিক টিমও। সতীশকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিস।