Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রক্তদাতাদের জলখাবার খাইয়ে বিপাকে পড়েছে অনেক সংগঠন, স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে কয়েক কোটি টাকার প্রাপ্য আটকে

রক্তদাতাদের জলখাবার খাইয়ে শেষে বিপদেই পড়েছে রাজ্যে রক্তদান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত একের পর এক সংগঠন। অভিযোগ, স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে লক্ষ লক্ষ টাকা পাওনা আটকে আছে তাদের।

রক্তদাতাদের জলখাবার খাইয়ে বিপাকে পড়েছে অনেক সংগঠন, স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে কয়েক কোটি টাকার প্রাপ্য আটকে
  • ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রক্তদাতাদের জলখাবার খাইয়ে শেষে বিপদেই পড়েছে রাজ্যে রক্তদান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত একের পর এক সংগঠন। অভিযোগ, স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে লক্ষ লক্ষ টাকা পাওনা আটকে আছে তাদের। ফলে জোর ধাক্কা খাচ্ছে স্বেচ্ছায় রক্তদান উদ্যোগ। সংগঠন কর্তাদের বক্তব্য, এসআইআর পর্বে রাজনৈতিক দলগুলির তরফে শিবির আয়োজনের সংখ্যা তলানিতে নেমেছে। অধিকাংশ রাজনৈতিক কর্মীই এখন এসআইআর প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত। শিবির আয়োজনের সময় কই তাঁদের? এই পরিস্থিতিতে শিবির আয়োজনের জন্য কাউকে অনুরোধও করা যাচ্ছে না। এদিকে শিবিরের অভাবে রাজ্যে শুরু হয়েছে রক্তসংকট।  

Advertisement

ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের রাজ্য সম্পাদক অপূর্ব ঘোষ বলেন, এমনিতে জলখাবারের টাকা পেতে দেড় থেকে দু’মাস লেগে যায়। এবারের পরিস্থিতি আরও জটিল। কমপক্ষে চার-পাঁচ মাসের টাকা আটকে আছে। রক্তদান আন্দোলনের আর এক অভিজ্ঞ কর্মী দীপঙ্কর মিত্র বলেন, শীর্ষস্থানীয় সংগঠনগুলিরই আটকে থাকা প্রাপ্যের মোট পরিমাণ ১৬-১৭ লক্ষ টাকা। এইসব সংগঠনগুলির মাধ্যমেই রাজ্যে স্বেচ্ছায় রক্তসংগ্রহের ১৫-২০ শতাংশ উঠে আসে। এছাড়া রয়েছে আরও অসংখ্য ছোটো ও মাঝারি সংগঠন। বকেয়া পাওনা সবসুদ্ধ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে! 
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক স্বেচ্ছায় রক্তদাতাকে ১০০ টাকার জলখাবার দিতে হয়। রক্তদাতাদের আগে কলা, আপেল, ডিম, দুধ, চা প্রভৃতি জলখাবার দেন তাঁরা। তারপর মোট রক্তদাতার জলখাবারের খরচ হিসেব করে আয়োজক সরকারি ব্লাড ব্যাংকে বিল পাঠানো হয়। ব্লাড ব্যাংক সেই বিল পাঠায় স্বাস্থ্যভবনে। স্বাস্থ্যভবন আর্থিক অনুমোদন দিলে সেই টাকা অনলাইনে প্রথমে আয়োজক ব্লাড ব্যাংক এবং সেখান থেকে আয়োজক সংগঠনের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হয়। সেই টাকাই এখন বাকি বহু জায়গায়। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, জলখাবারের বকেয়া প্রাপ্য টাকা শীঘ্রই মিটিয়ে দেওয়া হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ