কলকাতা

দাবদাহের দৌলতে চাহিদা তুঙ্গে, মুদির দোকানেও দেদার বিকোচ্ছে ওআরএস

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: মার্চের মাঝামাঝি থেকেই চড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। সকাল একটু গড়ালেই রোদের দাপটে বাইরে থাকা কষ্টকর হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা ক্রমাগত পরামর্শ দিয়ে চলেছেন, প্রচুর জল খান। সম্ভব হলে সঙ্গে ওআরএস (ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন)। সব মিলিয়ে বাজারে এখন ওআরএসের চাহিদা তুঙ্গে। আর এই বিপুল চাহিদার কারণে এখন ওষুধের দোকানের চৌহদ্দি ছাড়িয়ে পাড়ার মুদি দোকান ও স্টেশনারি দোকানেও দেদার বিকোচ্ছে এই পণ্য। দাবদাহের সৌজন্যে ওআরএস এখন আক্ষরিক অর্থেই ‘ডেইলি নিডস’। 
প্রবীণ লোকজন বলছেন, কয়েকবছর আগে এমন দৃশ্য দেখা যেত না। সাধারণত পেটের সমস্যা বা অন্য কোনও অসুস্থতা থাকলে ডাক্তারবাবুরা ওআরএস লিখতেন প্রেসক্রিপশনে। মানুষও অসুস্থতা ছাড়া অন্য সময় ওআরএসের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করত না। কিন্তু পরিবেশ দূষণ আর দেদার গাছা কাটার দৌলতে বিশ্ব উষ্ণায়নের বিপদ যেমন বাড়ছে, তেমনই  অসহ্য হয়ে উঠছে গরম। তারপরও রুটি-রুজির টানে রাস্তায় বেরতে হচ্ছে মানুষকে। অনেকে প্রবল গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েন। শরীর দুর্বল থাকলে মাথা ঘুরে পড়ে যান রাস্তায়।  এসব ক্ষেত্রে ওআরএস মেশানো জলই যে সমাধান, পইপই করে তা বলছেন চিকিৎসকরা। সেই সূত্রে চাহিদাও বাড়ছে হু হু করে। অনেকে বাড়িতে আগে থেকে এনে রাখছেন কয়েকটি প্যাকেট। প্রতিদিন মুড়ি-মুড়কির মত বিক্রি হচ্ছে। 
ওআরএস বিক্রি করছেন, এমন এক দোকানদার অনিমেষ পাঁজা বলেন, ‘গরম পড়তেই দেখলাম, গলদঘর্ম হয়ে অনেকেই দোকানে এসে ওআরএস খুঁজছেন। তাই এক পেটি ওআরএস তুলেছিলাম। চারদিনে বিক্রি হয়ে গিয়েছে। তারপর থেকে নিয়মিত রাখছি। বহু ক্রেতা রোজ অফিস যাওয়ার সময় আমার থেকে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।’ তিনি আরও জানান, কোল্ড ড্রিঙ্কসের বদলে অনেকেই এখন জলে ওআরএস মিশিয়ে পান করছেন। তাছাড়া, এখন ফলের রসের মতো নানা ধরনের ওআরএস পাউচ বাজারে রয়েছে। সেগুলিও নিচ্ছেন অনেকে। দেবাংশু দত্ত নামে এক মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ বলেন, ‘আমাদের কাজটাই করতে হয় ঘুরে ঘুরে। আগে তো শুধু ওষুধের দোকানে পাওয়া যেত ওআরএস। এখন যে কোনও জায়গাতেই সহজে পেয়ে যাই। এতে অনেকটাই সুবিধা হচ্ছে।’ 
3Months ago
রাজ্য
দেশ
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
শরীর ও স্বাস্থ্য
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

গৃহ পরিবেশে হঠাৎ আসা চাপ থেকে মানসিক অস্থিরতা। ব্যবসা ভালো চলবে। অনুকূল আয় ভাগ্য।...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৭৬ টাকা৮৪.৫০ টাকা
পাউন্ড১০৭.০০ টাকা ১১০.৫২ টাকা
ইউরো৮৯.৮৮ টাকা৯৩.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
দিন পঞ্জিকা