বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
আমরা মেয়েরা
 

প্রথা ভাঙার নেশায়

শেখানো সহজ পথে হাঁটেননি তাঁরা। উল্লেখযোগ্য হয়ে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন নিজ যোগ্যতায়। জেনে নিন ভারতে তথা এশিয়ার প্রথম মহিলা ট্রেনচালক ও প্রথম মহিলা বাসচালকের কথা।

ট্রেনের নেশায় সুরেখা যাদব
যন্ত্রপাতির প্রতি মেয়েটির বরাবরের আগ্রহ। যে বয়সে বাচ্চা মেয়েদের হাতে পুতুল আর ছেলেদের হাতে গাড়ি ধরিয়ে দেন বাবা মা, সেই বয়সেই মহারাষ্ট্রের সাতারা টাউনের সুরেখা যাদব হাতে তুলে নিয়েছিল খেলনা একটা ছোট্ট গাড়ি। প্রতিবেশী বন্ধুর গাড়িটা হাতে নিয়ে প্রথমেই তার খোলনলচে খুলে ফেলেছিল সে। আর তাতেই হুলুস্থুল কাণ্ড বাঁধল পাড়ায়। সুরেখার বন্ধু তো গাড়ির শোকে কেঁদেকেটে অস্থির। সঙ্গে বাবা মায়ের বকুনি। তবু একটুও ভয় পায়নি ছোট্ট সুরেখা। তার চোখে তখন নতুন কিছু বানানোর নেশা। বাড়ির চিলেকোঠার ঘরে গিয়ে দোর দিল সে বাবার যন্ত্রপাতির বাক্স সহ। তারপর শুরু হল খেলনা গাড়িতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা। পাক্কা দু’ঘণ্টার ভীষণ চেষ্টার পর আলো জ্বলে উঠল গাড়িতে। যন্ত্রপাতির বাক্সে পুরনো কাটা তার আর ছোট টুনি আলো লাগিয়ে তৈরি হল গাড়ির হেডলাইট। তা অবশ্য গাড়ির বাইরে দিয়েই ঝুলিয়ে দিয়েছিল সুরেখা। কিন্তু তাতেই একটা হইহই ব্যাপার, রইরই কাণ্ড! একরত্তি মেয়ের পারদর্শিতায় বাবা মা তো বটেই, পাড়ার সবাই অবাক। পরবর্তীকালে এই মেয়ে যে ট্রেনের স্টিয়ারিং ধরবে তাতে আর আশ্চর্য কী?
সুরেখার কথায়, ‘প্রায় তিন দশক হয়ে গেল ট্রেন চালাচ্ছি। এখনও রোমাঞ্চ হয়। সত্যি বলতে কী যন্ত্রের প্রতি টান থাকলেও কোনওদিন যে ট্রেন চালাব ভাবিনি। ছোটবেলার ডানপিটে অভ্যাসটা অচিরেই খসে গিয়েছিল গা থেকে। ঘরোয়া জীবনে অভ্যস্ত হয়ে আর পাঁচটা মেয়ের মতোই পড়াশোনা করে পড়ানোর চাকরি করব ভেবে নিয়েছিলাম। নেহাতই ভাগ্যের ফেরে হয়ে গেলাম ট্রেনচালক।’ 
১৯৬৫ সাল। বোম্বে তখন মুম্বই হয়নি। তবে তখনও লোকাল ট্রেনই ছিল শহরের লাইফলাইন। এহেন বোম্বের প্রত্যন্ত সাতারায় সুরেখা যাদব সেই সময় টুয়েলভ ক্লাসের পরীক্ষা দিয়ে ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়বেন মনস্থ করলেন। যন্ত্রপাতির প্রতি তাঁর অমোঘ আকর্ষণই বুঝি তাঁকে এই পথে ঠেলে নিয়ে গিয়েছিল। ইচ্ছা অনুযায়ী সাতারার সরকারি পলিটেকনিক কলেজে ভর্তিও হলেন। কিন্তু সেখানে কোর্সটা সম্পূর্ণ করতে পারেননি। পারিবারিক বাধা আশায় বাড়ির কাছাকাছি অন্য কলেজে ভর্তি হতে বাধ্য হন সুরেখা। অঙ্ক অনার্স নিয়ে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা শুরু করেন। ইচ্ছে ছিল বিএড করে স্কুলে পড়াবেন। কিন্তু বিএড-এ ভর্তি হওয়ার আগেই ভারতীয় রেলের একটা বিজ্ঞাপন চোখে পড়েছিল তাঁর। গাড়ি আর যন্ত্রের হাতছানি আবারও প্রবল হয়ে উঠল। ঠিক করলেন, একটা আবেদনপত্র জমা দেবেন চাকরির জন্য। সুরেখা বললেন, ‘বোম্বে শহরে বড় হয়েছি বলেই বোধহয় ট্রেনের প্রতি একটা টান অনুভব করতাম ছোটবেলা থেকেই। বাড়ির বড়দের দেখতাম এক জায়গা থেকে অন্যত্র যাচ্ছে ট্রেনে। লোকাল ট্রেন আর স্টেশন চত্বর একসময় দ্বিতীয় বাড়িতে পরিণত হয়েছিল আমার জীবনেও। কাজ না থাকলেও ওভারব্রিজে উঠে ট্রেনের যাতায়াত দেখতাম। ট্রেনের হর্নের আওয়াজ যেন মধুর সুরে কথা বলত আমার সঙ্গে। স্টেশনের আপ ডাউন ট্রেনের অ্যানাউন্সমেন্ট, ফেরিওয়ালার ডাক সবই কেমন আপন মনে হতো। ট্রেন আসার আগে যাত্রীদের হুটোপাটি, আর ট্রেন চলে যাওয়ার পরের শুনশান স্টেশন চত্বর সবই ভীষণ উপভোগ করতাম। তাই রেলের চাকরির আবেদন হাতছাড়া করতে পারিনি।’ 
তবে চাকরির আবেদনের পর যে পরীক্ষার ডাক পাবেন তা ভাবেননি। তাই লিখিত পরীক্ষায় বসার চিঠিটা হাতে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গিয়েছিলেন। আবার একই সঙ্গে একটা চোরা টেনশনও কাজ করছিল তাঁর মনে। ‘আমার তো কোনও অভিজ্ঞতা ছিল না। ট্রেন কেন, কোনও যানবাহনই চালাইনি কখনও। তাই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হব কি না এই নিয়ে বিরাট সংশয় ছিল,’ বললেন সুরেখা। কিন্তু লেখা পরীক্ষাতেও উতরে গেলেন। তারপর এল ইন্টারভিউয়ের ডাক। এই গাঁটটা আর টপকানো হবে না, ভেবেই নিয়েছিলেন সুরেখা। আশ্চর্য, তাতেও আটকাল না। ১৯৮৬ সালে ট্রেনি ট্রেনচালকের চাকরিটা তাঁর জুটেই গেল। দেশে তো বটেই, এমনকী এশিয়া মহাদেশের প্রথম মহিলা ট্রেন চালক হয়ে ওঠার পথে সেটাই ছিল প্রথম পদক্ষেপ। 
কল্যাণ ট্রেনিং স্কুলে প্রথম পর্যায়ের ট্রেনিং। তারপর ট্রেনি সহ চালক হিসেবে চাকরি। ১৯৮৯ সালে নামের পাশ থেকে ট্রেনি শব্দটা উঠে গেল। সুরেখা বললেন, ‘বেশ কয়েক বছর সহ চালকের ভূমিকায় কেটে গেল। কিন্তু মনে একটা অস্থিরতা কাজ করত। মনে হতো যে কাজের জন্য নিযুক্ত হয়েছি তা সম্পূর্ণভাবে করে উঠতে পারছি না। সহ চালকের ভূমিকায় হাতেকলমে ট্রেন চালানোর অভিজ্ঞতা ততটা সঞ্চয় করে ওঠা সম্ভব হচ্ছিল না। কিন্তু সব কাজের জন্যই সঠিক অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। আমার ক্ষেত্রেও তাই হল। ২০০০ সালে সহ চালক থেকে হয়ে উঠলাম মোটর উইম্যান।’  তারপর দীর্ঘ দশ বছর কেটেছে মোটর উইম্যান রূপে। ২০১০ সালে পশ্চিমঘাট শাখার এক্সপ্রেস মেল ট্রেন ড্রাইভারের পদে উত্তীর্ণ হলেন সুরেখা। সঙ্গে পেলেন গোটা এশিয়া মহাদেশের প্রথম মহিলা ট্রেন চালকের সম্মান। ‘সে এক আশ্চর্য ঘটনাই বটে। এখনও ভাবলে রোমাঞ্চ হয়। দু’চাকা, চার চাকা কিচ্ছুটি চালানোর অভিজ্ঞতা ছাড়াই একেবারে ট্রেন চালক হয়ে ওঠা কি কম কথা?’ নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করেন সুরেখা। একই সঙ্গে আরও কত মহিলার অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন তিনি। আজও যখন বিভিন্ন মহিলা সংগঠন থেকে দু’চার কথায় নিজের জীবনযাত্রা শোনানোর ডাক পান তখন নিজেরই বিশ্বাস হতে চায় না, তিনিই সেই গ্রাম্য ছোট্ট মেয়েটি যে কি না ধার করা খেলনা গাড়িতে আলো জ্বালানোর নেশায় মেতে উঠেছিল!

বাস চালান বসন্তকুমারী 
এম বসন্তকুমারীর জীবিকার সন্ধান হয়ে গিয়েছিল মাত্র চোদ্দো বছর বয়সে! অবাক লাগছে তাই তো? গল্পের মতো ঠেকলেও এই ঘটনা সত্যি। হঠাৎই একদিন বাসের স্টিয়ারিং ঘোরাতে শুরু করেছিল বসন্তকুমারী। প্রচণ্ড উত্তেজনার বশে একটি স্টেট বাসের ড্রাইভিং সিটে উঠে পড়েছিল সে। বাসের মতো দশাসই একটা যান আর তা চালানোর চাবি নাকি চোদ্দো বছরের কিশোরীর হাতে! ভেবেই এক দারুণ আনন্দ হয়েছিল বসন্তকুমারীর। তাই বলে এই বাস চালিয়েই যে ইতিহাস তৈরি হবে তা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি সে। অথচ সেটাই হল। এম বসন্তকুমারী হয়ে উঠলেন এশিয়ার প্রথম মহিলা বাসচালক। তারপর এই পেশায় আরও যে কত ভারতীয় মহিলা এসেছেন তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করে তার ঠিক নেই। দেশের প্রতিটি রাজ্যে এখন বহু মহিলাই বাস চালানোকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। তাঁদের সকলের অনুপ্রেরণা বসন্তকুমারী। কিন্তু তাঁর জীবনের এমন কোনও লক্ষ্য ছিল না। নেহাতই বিপাকে পড়ে বাসের স্টিয়ারিং ধরতে বাধ্য হন তিনি। 
‘মাত্র চার বছর বয়সে যখন মা মারা গেলেন তখন  কী হারালাম বোঝার আগেই বাবা সৎ মা আনলেন বাড়িতে। আমি হয়ে গেলাম ব্রাত্য। গলগ্রহ বললেও কম বলা হয়। আমার কোনও কাজই নতুন মায়ের পছন্দ ছিল না। শেষকালে ভাইঝির দুর্দশা দেখে পিসি আমায় তাঁর কাছে নিয়ে গেলেন। সেখানেও কোনওক্রমে দিন কাটছিল। পড়াশোনা কিছুই সেভাবে শিখিনি। জীবনে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে এই উপলব্ধি হওয়ার আগেই ১৯ বছরের কাঁচা বয়সে আমার বিয়ে হয়ে গেল। দোজবরে বিয়ে। চার চারটে মেয়ে। ভরপুর সংসারে সব দায়িত্ব নাকি আমার!’ বলছিলেন বসন্তকুমারী। তবু নিজের সংসারের স্বপ্নে বিভোর হয়ে তাঁর দিন কেটে যাচ্ছিল মন্দের ভালো। অচিরেই বসন্তকুমারীর কোল আলো করে সন্তান এল। তারপর আর একটি। নিজের দু’টি আর সৎ চারটি সন্তান নিয়ে সংসার টানা দায়। স্বামীর একার রোজগারে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা। 
এদিকে অন্যের ঘরে মানুষ হওয়ার দরুণ ডানপিটে স্বভাব তৈরি হয়েছিল তাঁর। বাস চালাতে ভালোবাসতেন, দু’চাকা, চার চাকা সবই চালাতে শিখেছিলেন ঠেকে। ছোটখাট অ্যাক্সিডেন্টেও দমে যাননি। বরং নিজের নেশাটাকে বজায় রেখে ক্রমশ হয়ে ওঠেন দক্ষ ড্রাইভার। আর সেই ড্রাইভারিই কাজে লেগে গেল। স্বামীর কনস্ট্রাকশনের কাজে যখন ভরা সংসারের মুখে দু’বেলা অন্ন জুটছিল না, তখন সংসারের হাল ধরতে রীতিমতো পথে নামলেন বসন্তকুমারী। কন্যাকুমারীর এই কন্যাটি সরকারি বাস চালকের চাকরির আবেদন করে বসলেন। এরপর নিজের তাগিদেই বাস চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করলেন। বসন্তকুমারীর কথায়, ‘শখে বাস বা ট্রাক চালানো আর যাত্রী নিয়ে রুটে বাস চালানো তো আর এক নয়। রুটে বাস চালাতে সঠিক প্রশিক্ষণ লাগে।  কত দায়িত্ব সেই কাজে। তাই জোরকদমে প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করি। কিন্তু আমাদের পুরুষতন্ত্র তো দু’হাত তুলেই আছে মহিলাদের দমন করা জন্য। আমার ক্ষেত্রেও তেমনই হয়েছিল। সরকারি বাস চালকরা আমায় দেখে প্রথম একচোট  হাসলেন। তারপর বললেন, ‘আমাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাস চালাতে হবে, কঠোর হতে হবে। পারবেন তো? ভয় করবে না?’ ভীষণ একটা তাচ্ছিল্য যেন ঝরে পড়ছিল কথার মধ্যে। কিন্তু আমিও দমে যাইনি। যখন বুঝলাম সোজা আঙুলে ঘি উঠবে না তখন আঙুল বাঁকাতেও প্রস্তুত হলাম। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী  জয়ললিতার সঙ্গে দেখা করলাম। হাতে সময় খুব অল্প। বেশি কথার মানুষই নন তিনি। তাই প্রথমেই কথাটা পেড়ে বসলাম। বললাম, আমি বাস চালাতে চাই। লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ সব আছে। শুধু সুযোগের অভাব। অবাক কাণ্ড! শিশুর মতো খুশি হলেন জয়ললিতা। সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের পরিবহণ দপ্তরে কথা বলে ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করলেন। এখানেই শেষ নয়, ইন্টারভিউয়ের পর ফাইলটা যেন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয় তাও বলে দিলেন। মনে হল যেন হাতে চাঁদ পেলাম,’ বললেন বসন্তকুমারী। যাত্রার যে সেই শুরু তখনও তিনি বোঝেননি। ইন্টারভিউ বোর্ডের সদস্যরাও তাঁকে দেখে নাক কোঁচকালেন। তারপর বললেন, ‘ইংরেজির আট (8) –এর মতো ঘুরিয়ে বেঁকিয়ে বাস চালাতে হবে।’ এরপর যেই না বসন্তকুমারী স্টিয়ারিংয়ের পিছনে চড়ে বসলেন অমনি সবাই ‘পালাই পালাই, এই বুঝি চাপা দিল...,’ এমন রব তুললেন। কিন্তু ততদিনে নিজের চেষ্টায় বেশ দক্ষ হয়ে উঠেছিলেন বসন্তকুমারী। মাত্র চোদ্দো বছর বয়স থেকে যে স্টিয়ারিং ধরেছে তাকে কি আর সহজে দমিয়ে রাখা যায়? একে একে সব পরীক্ষায় সফল হলেন তিনি এবং ১৯৯৩ সালে তামিলনাড়ুর স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনে চাকরি জুটে গেল বাসচালক হিসেবে। ‘ক্রমশ বাস নিয়ে আমার জীবনের যাত্রা পথ অনেকটাই সুগম হল। পুরুষ সহকর্মীরা আর আমায় দেখে হাসত না। তাই বলে তাদের সমকক্ষ করে নিয়েছিল তা কিন্তু নয়,’ বললেন বসন্তকুমারী। পুরুষ সহকর্মীদের মতো বিভিন্ন রুটে বাস চালানোর অনুমতি পাননি তিনি। তাঁর রুট সীমিত। খাটনিও নেহাত কম ছিল না। প্রথম দিকে তো সকাল ছ’টা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত টানা বাস চালাতে হতো। তিনিই প্রথম মহিলা বাসচালক হলেও তাঁর পর আরও অনেক মহিলা এই পেশায় যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু সবাই বাস চালানোর খাটনি সহ্য করতে পারেনি। ‘তার সঙ্গে আবার পান থেকে চুন খসলে সমালোচনার ঝড়। সব মিলিয়ে অনেকেই রণে ভঙ্গ দিয়ে ডেস্কওয়ার্ক বেছে নিয়েছেন,’ বললেন বসন্তকুমারী। বাসচালক হিসেবে চাকরি জীবন শেষ হয়েছে তাঁর ২০১৭ সালেই। তবু চলার নেশায় বুঁদ বসন্তকুমারী থেমে যেতে প্রস্তুত ছিলেন না। তাই স্কুলবাস চালানোর চাকরিতে যোগ দেন। স্কুলের বাচ্চাদের হাসিমাখা মুখগুলোই এখন রোজ সকালে উঠে বাস নিয়ে বেরনোর তাগিদ হয়ে উঠেছে। 

28th     May,   2022
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ