বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
খেলা
 

দলগঠনের কাজ অবিলম্বে
শুরু করুক ইনভেস্টর 

অলোক মুখার্জি: আইএসএল শেষ হওয়ার এক মাস পরেও ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবে ইনভেস্টর সমস্যা মেটেনি। শুনলাম, এক প্রতিনিধি গত সপ্তাহে ইস্ট বেঙ্গলের সভাপতির সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। মনে হয়েছিল, সমস্যা দ্রুত মিটে যাবে। কিন্ত তা এখনও মেটেনি। যা ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের জন্য মোটেই ভালো বিজ্ঞাপন নয়।
ইস্ট বেঙ্গল-মোহন বাগান ভারতবর্ষের ফুটবল মানচিত্রে সবসময় জনপ্রিয় ক্লাব হিসেবে ছিল। ভবিষ্যতেও থাকবে। ২০২০-২১ মরশুমে আইএসএল শুরুর আগে এএফসি ভারতের বড় ক্লাবগুলির জনপ্রিয়তার নিরিখে জনমত সমীক্ষা করিয়েছিল। ওই সময়ে মাত্র ৭ দিনের ভিতরে ৪৯ শতাংশ মানুষ ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে ভারতের সবথেকে জনপ্রিয় ক্লাব বলে বিবেচনা করেছিলেন। তাই আমার প্রশ্ন, সেই ক্লাব কেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি দিয়ে আইএসএলে খেলবে? টুর্নামেন্টের আয়োজকদের উচিত, কলকাতার দুই প্রধানকে সাদরে ডেকে নেওয়া।
আইএসএলে খেলার জন্য ইস্ট বেঙ্গলের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী। তাঁরই উদ্যোগে গত সেপ্টেম্বরে নাকি একটি টার্মশিট সই হয়েছিল। এখন শুনতে পাচ্ছি, সেটি আদতে টার্মশিট নয়, এগ্রিমেন্ট বা চুক্তি। এবং তার একটি ধারাতে বলা হয়েছে, এরপর আরও একটি এগ্রিমেন্ট সই করতে হবে। যদিও ফুটবল রাইটস রয়েছে ইনভেস্টর সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কাছেই। কিন্তু আসন্ন মরশুমের জন্য দলগঠনের কাজ তারা শুরু করেনি। বাকি দলগুলি তো খেলোয়াড় রিক্রুট শুরু করে দিয়েছে। তাই ইস্ট বেঙ্গলেরও এই ব্যাপারে দেরি করা উচিত নয়।
বিশ্বের কোথাও কোনও চুক্তি একতরফাভাবে টার্মিনেট করা যায় না। কিন্তু ইস্ট বেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের এগ্রিমেন্টে তেমনটাই লেখা আছে। জানি, শর্তপূরণের জন্য খুব বেশি সময় ছিল না লাল-হলুদ কর্তাদের কাছে। এই কথা মনে রেখেও বলছি, ইস্ট বেঙ্গল কর্তারা সই করার আগে আরও সতর্ক হতে পারতেন। মনে রাখতে হবে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ক্লাবের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব শুধু কর্তাদের নয়। ইনভেস্টরদেরও বটে। এই মুহূর্তে কর্তাদের চুক্তিপত্রে সই না করার ব্যাপারটি আমি সমর্থন করছি। এফএসডিএল দায়িত্ব নিয়ে দু’টি ক্লাবের সঙ্গেও চুক্তি কার্যকর করতে বড় ভূমিকা নিয়েছে। এরজন্য রিলায়েন্স কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কিন্তু এগ্রিমেন্টের ক্ষেত্রে দুই ক্লাবের মধ্যে এরকম বৈষম্য কেন? মোহন বাগানকে ফুটবল ছাড়া অন্য কোনো স্পোর্টিং রাইটস দিতে হয়নি। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে দিতে হল সব বিভাগের স্বত্ব। যা মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। মোহনবাগান মাঠের পরিকাঠামো ব্যবহারের জন্য ক্লাব একটি নির্দিষ্ট অর্থ পাচ্ছে। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ক্ষেত্রে ব্যাপারটি পুরো উল্টো। ক্লাব তাঁবুর রাইটস লিখে দিতে হবে ইনভেস্টরকে! চুক্তির শর্তে কেন এই বৈষম্য? এই দুই বড় ক্লাবের আসল মালিক হল সদস্য-সমর্থকরা। তাঁদের অমর্যাদা কখনওই কাঙ্ক্ষিত নয়। শীর্ষ কর্তাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ যে, ক্লাবকে এমন জায়গায় নিয়ে যাবেন না যাতে ১০০ বছরের ইতিহাস মুছে যায়। 

10th     April,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
12th     May,   2021