বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বর্ধমানের পুলিস লাইনে কুচকাওয়াজের মহড়া। - নিজস্ব চিত্র

হাতানো টাকায় সোনা কিনল প্রতারকরা
অ্যাপ ইনস্টলের নামে প্রতারণা, সাইবার থানার দ্বারস্থ দুই ব্যবসায়ী

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: অনলাইন লেনদেনের জন্য অ্যাপ ইনস্টল করানোর নামে মহিষাদল ও ভবানীপুর থানার দুই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এক লক্ষ ২৫ হাজার টাকা গায়েব করল সাইবার অপরাধীরা। সওয়া এক লক্ষ টাকার মধ্যে এক লক্ষ পাঁচ হাজার টাকা সোনার দোকানে পেমেন্ট করা হয়েছে। প্রতারণার টাকায় সোনা কিনেছে সাইবার অপরাধীরা। তমলুক সাইবার থানায় এনিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন দুই ব্যবসায়ী। সাইবার থানার আইসি স্বজন সোম বলেন, দুই ব্যবসায়ী সচেতন ছিলেন না। সেই সুযোগে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। আমরা দু’টি ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছি।
গত ১৯ নভেম্বর দুই প্রতারক মহিষাদলের হাসপাতাল রোডে রাসায়নিক সারের ব্যবসায়ী রণজিৎ মাইতির দোকানে এসে অনলাইন অ্যাপ ইনস্টল এবং কিউ আর কোড সেট করে নেওয়ার নামে এটিএম কার্ড এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর চায়। তার আগে কয়েক মাস ধরেই প্রতারকরা রণজিৎবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা নিজেদের নামী অনলাইন লেনদেন সংস্থার কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। বারবার সময় চেয়ে নেওয়ার পর ১৯ তারিখ দু’জন দোকানে এসে ওই কাজ করবে বলে জানায়। ওই প্রক্রিয়া চলাকালীন তাদের কথামতো নিজের এটিএম কার্ড এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর সরবরাহ করেন ওই সার ব্যবসায়ী। এরপর দুই প্রতারক ওই ব্যবসায়ীর এটিএম কার্ড হাতিয়ে একটি মেয়াদ উত্তীর্ণ কার্ড রেখে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর প্রতারকরা তমলুকের একটি এটিএম কাউন্টার থেকে ২০ হাজার টাকা তুলে নেয়। তমলুক শহরের একটি গয়নার দোকানে আরও ৪৫হাজার টাকা পেমেন্ট করা হয়। এভাবে মোট ৬৫ হাজার টাকা খোয়া যাওয়ার পর হুঁশ ফেরে ওই ব্যবসায়ীর। তিনি ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত অ্যাকাউন্ট ব্লক করেন।
গত ৫ নভেম্বর হলদিয়ার ভবানীপুর থানার ব্রজলালচক মোড়ে একটি মিষ্টির দোকানে একইভাবে ওই অ্যাপ ইনস্টল এবং কিউ আর কোড সেট করার নামে দুই প্রতারক যায়। নবকুমার ধাড়া নামে ওই ব্যবসায়ীর ফোনে আগে থেকেই অনলাইন মানি ট্রান্সফারের একটি অ্যাপ ছিলই। প্রতারকরা তাঁর কাছ থেকে মোবাইল নেন। ওই ব্যবসায়ী পাসওয়ার্ড খুলে দেওয়ার পর আরেকটি অ্যাপ ইনস্টল করার পাশাপাশি মোবাইল থেকে ৬০ হাজার টাকা মহিষাদলের একটি সোনার দোকানে পেমেন্ট করে দেয় প্রতারকরা। ওই সোনার দোকান থেকে তারা গয়না কিনেছে বলে জানা গিয়েছে। ওই ঘটনার পর নবকুমারবাবুও তমলুক সাইবার থানার দ্বারস্থ হন। দু’টি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ভবানীপুর থানার মোরাম এলাকায় একটি চালের দোকানেও একইভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ হাজার টাকা খোয়া গিয়েছে। ওই ব্যবসায়ী যদিও সাইবার থানায় এফআইআর করেননি।

28th     November,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021