বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

পুজো মিটতেই জোর কদমে
প্রচারে নেমে পড়ল সব দল

সংবাদদাতা, রানাঘাট: পুজো মিটতেই উপনির্বাচনকে সামনে রেখে রবিবার সকাল থেকে শান্তিপুরে প্রচারে নেমে পড়ল সব দল। এদিন সকালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামীকে সঙ্গে নিয়ে হুড খোলা গাড়িতে চেপে প্রচার সারেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ তথা শান্তিপুর উপনির্বাচনের তৃণমূলের পর্যবেক্ষক মহুয়া মৈত্র। বাগআঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় এদিন তাঁরা প্রচার করেন। বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসও জোর কদমে এই কেন্দ্রে প্রচারে নেমেছে।গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার প্রায় ১৫ হাজার ভোটে জয়লাভ করেছিলেন। কিন্তু, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে না পারায় তিনি সাংসদ হিসেবে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাই বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন জগন্নাথবাবু। যে কারণে ছ’মাসের ব্যবধানে আবারও শান্তিপুরে অকাল নির্বাচন হচ্ছে। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেই রাজনৈতিক ময়দানে সুর চড়াচ্ছে জোড়াফুল শিবির।
তৃণমূল প্রার্থী বলেন, শান্তিপুরের মানুষ বিগত দিনে বিভিন্ন সমস্যায় বিধায়ককে কাছে পাননি। যে কারণে এবারের নির্বাচনে মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দেবেন। রাজ্যের উন্নয়নের পাশাপাশি শান্তিপুরের উন্নয়ন অব্যাহত রাখার নিরিখেই এবারের নির্বাচন হবে। উপনির্বাচন ঘোষণা হতেই শান্তিপুরের মাটি আঁকড়ে রয়েছেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সংগঠন শক্তিশালী করতে পুরোদমে প্রচার চালাচ্ছেন তিনি। মহুয়া বলেন, কর্মীরাই দলের সম্পদ। তাই নিজেদের মধ্যে মান-অভিমান থাকলেও সমস্ত কিছু ভুলে এই সময় প্রার্থীকে জেতাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।শান্তিপুর বিধানসভার অধীনে রয়েছে ছ’টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও একটি পুরসভা এলাকা। গত বিধানসভা নির্বাচনে শুধুমাত্র গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ছাড়া বাকি পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতে গেরুয়া শিবিরের কাছে পিছিয়ে ছিল জোড়াফুল শিবির। পাশাপাশি শহরে ৩৭১ ভোটে এগিয়ে ছিল শাসকদল। এই প্রেক্ষাপটে ছ’মাসের ব্যবধানে আবার উপনির্বাচন হচ্ছে। গত নির্বাচনের ফলাফলকে সামনে রেখে বুথ ভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী করার কাজে জোর দিয়েছে তৃণমূল।
তৃণমূলের রানাঘাট সাংগঠনিক জেলা সভাপতি রত্না ঘোষ কর বলেন, গত নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীকে জিতিয়ে মানুষ ভুল করেছিলেন। এবার নির্বাচনে তাঁরা আর সেই ভুল করবেন না। সাধারণ মানুষ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের সুবিধা পেয়েছেন। তাই উন্নয়নে নিরিখে এবারের নির্বাচন হবে। গত বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম ও কংগ্রেস জোট করে লড়াই করলেও এবার উপনির্বাচনে দুই দলই এই কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে চতুর্মুখী লড়াইয়ে নিজেদের জেতা আসন ধরে রাখাটাই বিজেপির কাছে চ্যালেঞ্জ। যদিও রানাঘাটের সাংসদ বিজেপির জগন্নাথ সরকার বলেন, গত নির্বাচনের চেয়েও এবার আমাদের ভোট বাড়বে। কারণ, শান্তিপুরে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম হচ্ছে। তারই বিপক্ষে মানুষ আমাদের ভোট দেবেন। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হয়ে এই কেন্দ্রে প্রচারে নেমেছে সিপিএম। সিপিএম প্রার্থী সৌমেন মাহাত বলেন, তৃণমূল ও বিজেপির বিভিন্ন কার্যকলাপ মানুষ দেখেছে। তাই ওদের নয়, মানুষ এবার আমাদের পক্ষেই রায় দেবেন। কংগ্রেস প্রার্থী রাজু পাল বলেন, শান্তিপুরের মাটি কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি। এখানকার মানুষ আমাদের দলের উপরই আস্থা রাখবেন।

18th     October,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021