বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

আসছে ২টি নয়া প্রজাতির ধান উদ্যোগ
বাঁকুড়া ধান্য গবেষণা কেন্দ্রের
লক্ষ্য রোগ ও পোকার আক্রমণ রোধ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: রোগ ও পোকার আক্রমণ রোধে নতুন দু’টি ধানের প্রজাতি আনতে চলেছে বাঁকুড়া ধান্য গবেষণা কেন্দ্র। তারজন্য চলছে গবেষণা। কৃষি বিজ্ঞানীদের দাবি, নতুন প্রজাতির এই ধানে রোগ ও পোকার আক্রমণ কম হবে। তাছাড়া কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানোর উদ্দেশ্যে নতুন প্রজাতির এই ধান আবিষ্কারের চেষ্টা করা হচ্ছে। যুগ্ম কৃষি অধিকর্তা চন্দনকুমার ভুঁইয়া বলেন, আধুনিক পদ্ধতিতে দু’টি নতুন প্রজাতির ধানের গণেষণা চলছে। 
রাজ্যে দু’টি ধান্য গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। একটি হুগলির চুঁচুড়ায়, অন্যটি বাঁকুড়ায়। স্বাধীনতার আগে থেকেই ধান নিয়ে এই দুই কেন্দ্রে গবেষণা হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, ইতিমধ্যেই বাঁকুড়ার গবেষণা কেন্দ্র থেকে চার প্রজাতির ধান আবিষ্কার হয়েছে। বাঁকুড়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ধ্রুব, পুষ্প, ধীরেন ও সম্প্রীতি এই চার প্রজাতির ধান চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন চাষিরা। রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার এই ধানগুলির ছাড়পত্র দেওয়ায় অনেক চাষিই তার বীজ কিনতে পারেন খোলা বাজার থেকে। মূলত স্বর্ণর বিকল্প হিসেবেই এই প্রজাতির ধানগুলি গবেষণা থেকে উঠে এসেছে। এরমধ্যে ‘ধীরেন’ নামটি দেওয়া গবেষণা কেন্দ্রেই কর্মরত কৃষি শ্রমিক ধীরেন আঠার নামে। বাঁকুড়ার শালবনী এলাকার বাসিন্দা ধীরেনবাবু ছিলেন কৃষিঅন্ত প্রাণ। কাঠের কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরির ক্ষেত্রে তিনি পারদর্শী ছিলেন। চাষিদের নানা পরামর্শও দিতেন। মাস তিনেক আগে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে তাঁর নামের ধান ‘ধীরেন’ বিভিন্ন মাঠে ফসল ফলাচ্ছে। ফলে তিনি ধানের মধ্যেই বেঁচে আছেন।
বাঁকুড়া ধান্য গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী গৌতমকুমার মল্লিক বলেন, ধীরেনবাবু গবেষণার কাজের জন্য নিখুঁত মানুষ ছিলেন। তাঁর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। গবেষণার জন্য জমি তৈরির পাশাপাশি নানা বিষয়ে তাঁর বিচক্ষণতা ছিল। তাই তাঁর নামে আমার আবিষ্কৃত একটি ধানের নামকরণ করা হয়েছে। রাজ্য সরকার তার ছাড়পত্র দিয়েছে।
এবার আরও দু’টি প্রজাতির ধান আবিষ্কার করতে চলেছে বাঁকুড়ার গবেষণা কেন্দ্র। সেই ধানগুলির চাষ ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে সফল হয়েছে। ওই দুই প্রজাতির ধানে থাকবে সহনশীলতা। খরাপ্রবণ এলাকাতেও যাতে ধানের ফলন পাওয়া যায় সেই লক্ষ্যেই ওই দু’টির গবেষণার কাজ করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর প্রভৃতি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চাষ হয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, স্বর্ণর তুলনায় এই দুই ধান উচ্চফলনশীলও হবে। গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী পার্থপ্রতিম ঘোষ, বিবেকানন্দ মাণ্ডি বলেন, নতুন দু’টি প্রজাতির ধানের গবেষণা অনেকটাই এগিয়েছে। ১৪০-১৪৫দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যাবে।

28th     September,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021