বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দক্ষিণবঙ্গ
 

গ্রামে পানীয় জলের সংযোগ
রাজ্যে প্রথম স্থানে নদীয়া জেলা

সুদেব দাস, রানাঘাট: ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পে গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগে রাজ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে নদীয়া জেলা। ইতিমধ্যেই জেলার গ্রামীণ এলাকায় প্রায় দু’লক্ষ ৬৩ হাজার বাড়িতে জলের পাইপ লাইনের সংযোগ করেছে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি(পিএইচই) দপ্তর। আরও প্রায় ন’লক্ষ বাড়িতে পানীয় জলের লাইন পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলার ৪৫টি গ্রামের ১০০শতাংশ বাড়িতে ওই প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এতে খুশি উপকৃত বাসিন্দারা। 
জেলার পিএইচই দপ্তরের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সৌরভ বসু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিলেন। সেইমতো অন্যান্য জেলার পাশাপাশি আমাদের জেলাতেও কাজ হয়েছে। গ্রামের সাধারণ মানুষকে জলের জন্য লাইনে দাঁড়াতে যাতে না হয়, সেই লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল। জেলা প্রশাসন ও আমাদের দপ্তরের সমস্ত আধিকারিক, কর্মীরা তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছেন। রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলির তুলনায় আমরা প্রথমে রয়েছি।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার গ্রামীণ এলাকার বসতবাড়ির নিরিখে পানীয় জল সংযোগে রাজ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা। এছাড়াও তৃতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিম বর্ধমান। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসিন্দারা বিনামূ঩ল্যে জলস্বপ্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। যেসব এলাকায় পরিস্রুত পানীয় জলের পাইপলাইন পৌঁছেছে সেসব এলাকার বাসিন্দারা সরাসরি পানীয় জলের সংযোগ নিজের বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবেন। এজন্য আবেদনকারী বাসিন্দাকে নিজের পরিচয়পত্র সহ একটি ফর্ম ফিল আপ করতে হয়।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে স্বাধীনতা দিবসে জল জীবন মিশন প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাতে ৫০শতাংশ অনুপাতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের টাকা বরাদ্দ হওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু খরচের অর্ধেক টাকা রাজ্যকে বহন করতে হচ্ছে। তাই নবান্নের তরফে প্রকল্পের নামকরণ করা হয় ‘জলস্বপ্ন’। প্রশাসনের কর্তারা বলেন, ২০১৯ সালের ১৫ আগস্টের আগে নদীয়া জেলায় গ্রামীণ এলাকার মাত্র ৩০৯টি বাড়িতে পিএইচইর পানীয় জলের লাইন ছিল। মাত্র দু’বছরে জেলায় আড়াই লক্ষের বেশি বাড়িতে জলের সংযোগ দেওয়া গিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে লকডাউনের কারণে প্রকল্পের কাজ স্থগিত রাখা হয়েছিল। সেই কারণে কিছুটা হলেও কাজের গতি শ্লথ হয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই জেলায় ৪৫টি গ্রামের ১০০শতাংশ বাড়িতেই জলের লাইন পৌঁছে গিয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ঘূর্ণি, বিক্রমপুর, মাটিয়ারি, রাউতাড়ি, জগপুর, বালিডাঙা, উত্তর তাজপুর প্রভৃতি গ্রাম। আনুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রবীণ বাসিন্দা পরিমল বসাক বলেন, আগে পানীয় জলের জন্য গ্রামের হাতে গোনা কয়েকটি কলে লাইন দিয়ে দাঁড়াতে হতো। কিন্তু এখন বাড়িতে কল খুলে দিলেই দিনে তিন বার জল মিলছে। সরকারের এই প্রকল্পে আমরা খুবই উপকৃত হয়েছি।
অন্যদিকে বেশকিছু এলাকায় জলের লাইনের সংযোগ হলেও জল না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা। দপ্তরের কর্তারা বলেন, যেহেতু একযোগে অনেক বেশি বাড়িতে জলের সংযোগ গিয়েছে তাই কয়েকটি জায়গায় সমস্যা রয়েছে। তবে তা দ্রুত মেটানো হবে।

23rd     September,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021