বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
উত্তরবঙ্গ
 

ডিসেম্বরের মধ্যে ১০০ শতাংশ
টিকাকরণ শেষ করার উদ্যোগ

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তর দিনাজপুর জেলার ১০০ শতাংশ মানুষের করোনা টিকাকরণের উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। এই কাজে গতি আনতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। এখনও পর্যন্ত জেলার প্রায় অর্ধেক মানুষ করোনার টিকা নিয়েছে। সমস্ত মানুষকে টিকা দিতে জোরকদমে চলছে মেগা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প। জেলার ডেপুটি  সিএমওএইচ গৌতম মণ্ডল বলেন, জেলায় ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে ২৫ লক্ষ মানুষ আছে। তার মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ মিলিয়ে প্রায় ২৩ লক্ষ মানুষ টিকা নিয়েছে। ইসলামপুর, রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ ও ডালখোলা শহর এলাকায় প্রায় ১০০ শতাংশ টিকাকরণ হয়েছে। টিকা দেওয়ার কাজে গতি আনা ও সুষ্ঠুভাবে দেওয়ার জন্য দপ্তর একাধিক পদক্ষেপ করেছে। দপ্তর থেকে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্যাম্প করা হচ্ছে। আশাকর্মীদের মাধ্যমে আগে থেকেই এলাকায় কুপন বিলি করা হচ্ছে। কুপন ছাড়া টিকা দেওয়া হচ্ছে না। এই পদ্ধতিতে টিকার লাইনে হুড়োহুড়ি বন্ধ হয়েছে, কাজে গতি এসেছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই জেলায় ১০০ শতাংশ মানুষকে প্রথম ডোজ দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছি। টিকাকরণের ডালখোলা পুরসভার নোডাল অফিসার শুভদীপ নন্দী বলেন, ডালখোলায় ৯৫ শতাংশ মানুষের প্রথম ডোজ নেওয়া হয়ে গিয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই তা ১০০ শতাংশ হয়ে যাবে। ৬০ শতাংশ মানুষ দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছে। পুজোর আগে লাগাতার মেগা টিকাকরণ কর্মসূচি হয়েছে। ফের মেগা ক্যাম্প শুরু হবে। ইসলামপুর পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান মানিক দত্ত বলেন, পুরসভা এলাকায় দু’একজন বাদে সবারই প্রথম ডোজ হয়ে গিয়েছে। শহরের ক্যাম্পে গ্রামাঞ্চল থেকেও অনেকে টিকা নিতে আসছে। 
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, টিকা দেওয়ার কাজে গতি আনতে আগে থেকেই স্বাস্থ্যদপ্তর দ্রুততার সঙ্গে কাজ করেছে। ভ্যাকসিনের সরবরাহ অনুপাতে কাজ হয়েছে। পুজোয় যাতে সংক্রমণ বৃদ্ধি না পায়, সেজন্য আগেই জেলার বহু পুজো কমিটির সদস্যকে টিকা দেওয়া হয়েছে। লোকপ্রসার প্রকল্পের লোকশিল্পীদেরও পুজোর আগে বিশেষ ক্যাম্প করে টিকা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজের ক্ষেত্রে গতি আনতে ছুটির দিন রবিবারও টিকা দেওয়ার কাজ হয়েছে। ভিনরাজ্যের ট্রাক চালকদের সংস্পর্শে এসে যাতে করোনা সংক্রমিত না হয়, সেজন্য জেলায় জাতীয় সড়কের ধারে লাইন হোটেল এবং ধাবার কর্মীদের শিবির করে টিকা দেওয়া হয়েছে। রুটিন করে মেগা টিকাকরণ শিরিব করা হয়েছে। এসমস্ত উদ্যোগের কারণে টিকাকরণের কাজ দ্রুততার সঙ্গে এগিয়েছে। 
বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিভিন্ন স্কুলে ক্যাম্প করা হচ্ছে। কিন্তু আগে থেকে প্রচার করা হচ্ছে না। আশাকর্মীদের মাধ্যমে কুপন বিলি করা হচ্ছে শেষসময়ে। তাই এক-দুইদিন আগে কুপন বিলির দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। বাসিন্দারা বলছেন, প্রতি জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকা দিচ্ছেন। টিকা দেওয়ার কাজ সুষ্ঠুভাবে চলছে। কিছুদিন আগে পর্যন্ত টিকার লাইনে হুড়োহুড়ি হতো। রাত জেগেও মানুষ টিকার লাইনে দাঁড়িয়েছে। টিকার লাইন নিয়ে বিশৃঙ্খলাও কম হয়নি। কিন্তু বর্তমানে তেমন পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে না। পুজোর পরে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পরার আশঙ্কা করেছিল অনেকে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত জেলায় তেমন কিছু হয়নি। এতে অনেকটাই স্বস্তিতে স্বাস্থ্যদপ্তর। যদিও এখনও পর্যন্ত তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা সম্পূর্ণ  উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাস্ক ও স্যনিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। যারা টিকা নিয়েছেন, তাঁদেরকেও ব্যবহার করতে হবে। তবে একাংশ বাসিন্দা মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছেন।

26th     October,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021