বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
উত্তরবঙ্গ
 

বহির্বিভাগে সময়ে দেখা মেলে না
চিকিৎসকের, অভিযোগ রোগীদের
গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের বহির্বিভাগে দুপুর ১২টা বেজে গেলেও চিকিৎসকের দেখা মেলে না বলে অভিযোগ। ফলে সমস্যায় পড়তে হয় রোগী ও তাঁদের পরিজনদের। সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের রোগী পরিষেবা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষুব্ধ গঙ্গারামপুর মহকুমার বাসিন্দারা। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, সকাল ৯টা থেকে হাসপাতালের বহির্বিভাগ খোলার কথা থাকলেও গঙ্গারামপুরে অন্য ছবি। দুপুর ১২টা পেরিয়ে গেলেও ডাক্তারের দেখা পান না চিকিৎসা করাতে আসা রোগীরা। সম্প্রতি চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে রোগীমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে তুলকালাম ঘটনা ঘটে। কিন্তু তারপরও পরিষেবার হাল এতটুকুও বদলায়নি বলে অভিযোগ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের নজরদারির অভাবে এমন ঘটনা সামনে আসছে বলে অভিযোগ রোগীর পরিজনদের। চিকিৎসা করাতে এসে আউটডোরে সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর অনেকেই হতাশ হয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছেন। 
গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সপ্তাহে দু’দিন বসার কথা। এছাড়াও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সপ্তাহে চারদিন বসার নিয়ম। এই সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মহকুমার চারটি ব্লক, দু’টি পুরসভা শহর ছাড়াও মালদহের একাংশ বাসিন্দা এখানে চিকিৎসার জন্য আসেন। প্রতিদিন গড়ে ২৫০ জন রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসার জন্য ভিড় করেন। অর্থোপেডিক, ইএনটি, সার্জারি, মেডিসিন বিভাগের ওপিডির একই অবস্থা থাকায় হাসপাতালের পরিষেবা রীতিমতো প্রশ্নের মুখে। 
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অতিরিক্ত মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক-২ রমেশ কিস্কু বলেন, এমন ঘটনা আমাদের জানা ছিল না। ডাক্তাররা কেন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ওপিডি করছেন না, এবিষয়ে খোঁজখবর নেব। সেইসঙ্গে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল নিয়ে যেসব অভিযোগ সামনে আসছে, তা নিয়ে জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে। রাজ্যের কৃষি বিপণনমন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন, হাসপাতালে নিয়মিত ডাক্তার আসছেন না, এই বিষয়টি আমার জানা নেই। ওপিডিতে গরিব মানুষই বেশি চিকিৎসা করাতে আসেন। রাজ্য সরকার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকে ঢেলে সাজিয়েছে। তারপরও ডাক্তাররা যদি দেরি করে ওপিডিতে আসেন এবং তারজন্য যদি রোগীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তা মানা যায় না। সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের হাল ফেরাতে আমি জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলব। আলোচনায় বসে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে। 
বুনিয়াদপুরের রোগী আশু সরকার বলেন এদিন আমি মেডিসিন বিভাগে গিয়েছিলাম। সকাল ৯টা থেকে দাঁড়িয়ে থাকার পর ১২টাতেও ডাক্তার না আসায় আমি বাড়ি চলে এসেছি। আমার মতো অনেকেই হাসপাতাল থেকে ঘুরে বাড়ি চলে গিয়েছেন। এমনটা হওয়া কাম্য নয়। 

26th     October,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021