বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
বিদেশ
 

বন্দুকবাজের গুলি,
২৪ শিশু সহ হত ৩৬
থাইল্যান্ড

ব্যাংকক: পাশাপাশি শোয়ানো শিশুদের নিথর দেহ। চাদরে ঢাকা দেহগুলির পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে রক্তের ধারা। বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের একটি ডে  কেয়ার সেন্টারে বন্দুক হামলার পরে এই চিত্র দেখে শিউরে উঠেছে গোটা বিশ্ব। এখনও পর্যন্ত খবর, পূর্ব থাইল্যান্ডের উথাই সাওয়ান শহরে বন্দুকবাজের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের। এরমধ্যে ২৪ জন শিশু। অনেকেরই বয়স দু’বছরের আশেপাশে। পুলিস জানিয়েছে, আততায়ীর নাম পানিয়া কামরাব (৩৪)। গুলি চালানোর পরে বাড়ি ফিরে সন্তান ও স্ত্রীকে গুলি করে খুন করে সে। পরে নিজেও আত্মঘাতী হয়। 
আততায়ী একজন প্রাক্তন পুলিসকর্মী। মাদক নেওয়ার অভিযোগ ওঠায় গত বছর তাকে বরখাস্ত করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, সেই মাদক মামলা নিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে দীর্ঘক্ষণ শুনানি চলে। ঘটনাস্থলের কাছেই একটি জেলা অফিসে কাজ করেন জিডাপা বনসম। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জেলা আধিকারিক জিডাপা জানিয়েছেন, অন্যান্য দিন অনেক বেশি শিশুকে ওই ডে কেয়ার সেন্টারে আনা হয়। তবে বৃষ্টির জন্য বৃহস্পতিবার প্রায় ৩০ জন শিশু এসেছিল। তিনি আরও বলেন, মধ্যাহ্নভোজের সময় ওই বন্দুকবাজ ডে কেয়ার সেন্টারে আসে। এরপর প্রথমে সে সেন্টারের চার-পাঁচজন কর্মীকে গুলি করে। এরমধ্যে রয়েছেন আটমাসের সন্তানসম্ভবা এক শিক্ষিকাও। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।
বন্দুকবাজ এরপর একটি বন্ধ ঘরে ঢুকে পড়ে। সেখানে শিশুরা ঘুমোচ্ছিল। সেখানে সে গুলি চালাতে থাকে। এদিকে, বন্দুকবাজ যখন গুলি চালাচ্ছে, তখন অনেকেই ভেবেছিলেন বাজি ফাটানো হচ্ছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থাইপিবিএস-কে পুলিসের মুখপাত্র পাইসন লুয়েসমবুন বলেন, ‘আদালতে শুনানির পরে ওই ডে কেয়ার সেন্টারে আসে আততায়ী। সেখানে নিজের সন্তানকে সে খুঁজে পায়নি। আদালতে দীর্ঘ শুনানিতে সে আগে থেকেই বিধ্বস্ত ছিল। সন্তানকে না পেয়ে আরও বিধ্বস্ত হয়ে সে গুলি চালাতে শুরু করে।’ 
এমনিতে থাইল্যান্ডে বন্দুক আইন যথেষ্ট কঠোর। বেআইনিভাবে বন্দুক রেখে ধরা পড়লে ১০ বছর পর্যন্ত হাজতবাস হতে পারে। তবুও অনেকেই বেআইনিভাবে প্রতিবেশী দেশ থেকে বন্দুক সংগ্রহ করেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে থাইল্যান্ডে বন্দুক রাখার হার অনেক দেশের থেকেই বেশি। থাইল্যান্ডে বন্দুকবাজের হামলাও একটি বিরল ঘটনা। ২০২০ সালে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে এক সেনাকর্মীর গুলিতে মৃত্যু হয় ২৯ জনের। জখম হন ৫৭ জন। 
 ঘটনাস্থলে শীর্ষ আধিকারিকরা (বাঁদিকে)। সন্দেহভাজন হামলাকারী। ছবি: এপি

7th     October,   2022
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
দেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ