বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দেশ
 

কেদারনাথ মন্দিরে ভক্তদের ভিড়। বৃহস্পতিবার পিটিআইয়ের তোলা ছবি। 

দেশভাগের জন্য নেহরুকে দায়ী করে
প্রচার বিজেপির, জবাব দিল কংগ্রেস

নয়াদিল্লি: বিজেপির নিশানায় ফের দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। দেশেভাগের জন্য তাঁকে দায়ী করে প্রচার করছে বিজেপি। ২০২১ সালে লালকেল্লার ভাষণে ১৪ আগস্ট দিনটিকে ‘পার্টিশন হররস রিমেমব্রেন্স ডে’ অর্থাৎ ‘দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ওই দিবস পালন করতে গিয়েই প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে খোঁচা দেয় বিজেপি। দেশভাগের সময় মারা যাওয়া প্রত্যেককে শ্রদ্ধা জানিয়ে এদিন টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, ভারতীয় ইতিহাসের ওই অমানবিক অধ্যায়কে কেউ ভুলতে পারবে না। যার পাল্টা দিয়েছে কংগ্রেস। 
বিজেপির তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় আর্কাইভ ছবি ব্যবহার করে সাত মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিওতে পাকিস্তানের জনক মহম্মদ আলি জিন্নার নেতৃত্বাধীন মুসলিম লিগের কাছে নেহরু নতি স্বীকার করেন বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। ভিডিওটি টুইট করে বিজেপি লিখেছে, যাঁরা দেশভাগ করেছেন তাঁদের ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সভ্যতা, জীবনযাত্রা, এবং তীর্থস্থান সম্পর্কে কোনও ধারণাই ছিল না। মাত্র তিন সপ্তাহের সিদ্ধান্তে যুগ যুগ ধরে একসঙ্গে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে দেশভাগের রেখা টেনেছিলেন তাঁরা। বিজেপির ভিডিওতে সিরিল জন র‌্যাডক্লিফকেও তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বাংলা ও পাঞ্জাবকে দু’ভাগে ভাগ করেছিলেন। তবে বিজেপির অভিযোগের জবাব দিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ। তিনি টুইটারে লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ১৪আগস্ট দিনটি স্মরণের প্রধানই উদ্দেশ্য হল, বর্তমানে রাজনৈতিক লড়াই থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করা। নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে দেশভাগের ভয়াবহ ইতিহাসকে তুলে আনা হচ্ছে। বর্তমান সময়ের সাভারকর ও জিন্নারা আজও দেশভাগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছিলেন, বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁদের কথা ভুললে চলবে না। এব্যাপারে তিনি দেশভাগের প্রবক্তা বীর সাভারকরের কথা তুলে ধরেন। তিনি লিখেছেন, ‘এটা সত্য যে, দু’টি দেশ ভাগ করার তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন বীর সাভারকর। যেটিকে বাস্তবায়িত করেছিলেন জিন্না। সর্দার প্যাটেল লিখেছিলেন, দেশভাগকে মেনে না নিলে ভারত খণ্ড খণ্ড হয়ে যাবে।’ জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টেনে এনেও বিজেপিকে একহাত নেন জয়রাম রমেশ। তাঁর অভিযোগ, স্বাধীনতা সংগ্রামী শরৎচন্দ্র বসুর বঙ্গভঙ্গে আপত্তি থাকলেও, বিপক্ষে ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ। 
এদিকে, কর্ণাটক সরকারের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর তালিকা থেকে জওহরলাল নেহরুর নাম বাদ দেওয়া নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্বাধীনতার ৭৫ বছর  উপলক্ষে ‘হর ঘর তেরঙ্গা’র কর্মসূচিতে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেয় কর্ণাটকের বিজেপি সরকার। সেখানে মহাত্মা গান্ধী, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বল্লভভাই প্যাটেল, ভগৎ সিং, চন্দ্রশেখর আজাদের মতো স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি থাকলেও, নেই দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর ছবি। কর্ণাটক সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে জয়রাম রমেশ বলেন, এই সিদ্ধান্তে জওহরলাল নেহরুর ঐতিহ্য নষ্ট হবে না। 

15th     August,   2022
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ