বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দেশ
 

এবার টানাপোড়েন দপ্তর বণ্টন নিয়ে 
মহারাষ্ট্র ‘দখল’ করেও চরম অস্বস্তিতে বিজেপি

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রথমে দেখা গেল দেশের বাণিজ্য রাজধানীতেই সরকার চলছে মন্ত্রিসভা ছাড়া। এক-দু’দিন নয়, একটানা প্রায় দেড় মাস। মোট ৪১ দিন মহারাষ্ট্রের মতো একটি অর্থনৈতিক ও শিল্প পরিকাঠামোগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য চালিয়েছেন শুধুই মুখ্যমন্ত্রী আর উপ মুখ্যমন্ত্রী। আর কোনও মন্ত্রী ছিল না, যা বেনজির। সেই অচলাবস্থা কাটলেও এবার এসে হাজির আর এক বিস্ময়কর পরিস্থিতি! এবার টানাপোড়েন দপ্তর বণ্টন নিয়ে। পাঁচদিন হয়ে গেল ১৮ জন বিধায়ককে মন্ত্রী পদে শপথগ্রহণ করানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁদের কোনও দপ্তর নেই। অর্থাৎ, ১৮ জন মন্ত্রী দপ্তরহীন হয়ে বসে আছেন মুম্বইয়ে রাজ্যের প্রশাসনিক সচিবালয়, মন্ত্রালয়ে। ফলে মহারাষ্ট্র ‘দখল’ করেও চরম অস্বস্তিতে বিজেপি। 
সূত্রের খবর, মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ যে জন্য সম্ভব হচ্ছিল না, সেই একই কারণে থমকে দপ্তর বণ্টন। অর্থাৎ সেই স্বার্থের সংঘাত। বিজেপি এবং বিদ্রোহী শিবসেনার মধ্যে বন্ধুত্বের প্রাথমিক উষ্ণতা সরে গিয়েছে। চলছে চূড়ান্ত দর কষাকষি। দু’পক্ষই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর চাইছে। সুতরাং কার্যক্ষেত্রে মহারাষ্ট্রে এখন নাম কা ওয়াস্তে মোট ২০ জন মন্ত্রী থাকলেও, আদতে সেই দু’জন মন্ত্রীর সরকারই চলছে। প্রতিপক্ষ শিবিরে ভাঙন ধরিয়ে যেনতেনপ্রকারেণ রাজ্যে রাজ্যে সরকার গড়ার আগ্রাসী চেষ্টায় বিজেপি বস্তুত চরম অস্বস্তিকর এক পরিস্থিতি তৈরি করেছে আরব সাগরতীরে।
উব্ধব থ্যাকারের দলে ভাঙন ধরিয়ে তাঁর সরকারের পতন ঘটানোর সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মহারাষ্ট্র ‘দখল’ করেছিল বিজেপি। সেটা গত ৩০ জুন। রাতারাতি মুখ্যমন্ত্রী এবং উপ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথগ্রহণ করেন বিদ্রোহী শিবসেনা নেতা একনাথ সিন্ধে এবং বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। এরপর থেকে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের তালিকা হাতে নিয়ে মুম্বই থেকে দিল্লি প্রায় ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করছেন দু’জনে। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। কারণ, বিদ্রোহী শিবসেনা এবং বিজেপির মধ্যে কারা মন্ত্রী হবেন এবং কারা বাদ পড়বেন, সেই নিয়ে চলছিল প্রবল দ্বন্দ্ব। অবশেষে গত ৯ আগস্ট মাত্র ৯ জন বিজেপি এবং ৯ জন বিদ্রোহী শিবসেনা বিধায়ককে মন্ত্রী করা হয়। কিন্তু কাকে কোন দপ্তর দেওয়া হবে? তা নিয়ে পাঁচদিনেও সিদ্ধান্ত হল না। গোটা রাজ্যে জেলার সংখ্যা ৩৬। সরকারে মন্ত্রী মাত্র ২০। তাও ১৮ জন দপ্তরহীন। ফলে থমকে সরকারি কাজ। উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ শনিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘যত শীঘ্র সম্ভব দপ্তর বণ্টন হবে। আপনারা স্বাধীনতা দিবসে ঘুড়ি ওড়ানোর আনন্দ নিন।’ তাঁর এই সুরেই স্পষ্ট যে, উদ্বেগ লঘু নয়, গুরুতর! 

14th     August,   2022
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ