বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দেশ
 

আস্থা ভোটে সহজ জয় সিন্ধের
কং-এনসিপি বিধায়কদের গরহাজিরা নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আস্থা ভোটে জয়লাভ করল সিন্ধে-বিজেপি জোট সরকার। তারপরে শুধু পরাজয়ই নয়,দল ধরে রাখার আতঙ্ক তাড়া করতে শুরু করেছে বিরোধীদের মনে। কারণ জোট পেয়েছে ১৬৪টি ভোট। আর শিবসেনা, কংগ্রেস এবং এনসিপি জোট পেয়েছে ৯৯ টি ভোট। গরিষ্ঠতার সংখ্যা পাওয়ায় আপাতত একনাথ সিন্ধের সরকার মান্যতা পেল। তার চেয়েও বড় কথা, এদিনের ভোটে গরহাজির ছিলেন কংগ্রেসের ১১ বিধায়ক। ছিলেন না এনসিপির দুই বিধায়কও। একইসঙ্গে উদ্ধব থ্যাকারের শিবির ছেড়ে আরও বিধায়ক যোগ দিয়েছেন সরকারি পক্ষে। বিদ্রোহী শিবসেনা বিধায়কের সংখ্যা হয়েছে ৪০। উদ্ধব থ্যাকারের কাছে পড়ে রইলেন ১৫ জন। আদৌ কতদিন বাকিরা থাকবেন, সেটা নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সরকারপক্ষ এবার হাত বাড়িয়েছে বিরোধীদের দিকে।
কেন কংগ্রেসের এতজন বিধায়ক গরহাজির রইলেন, সেই প্রশ্ন উঠছে। শারদ পাওয়ারের দলেরও দু’জন হাজির না থাকা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। শারদ পাওয়ার অবশ্য সোমবার বলেছেন, ছ’মাসের বেশি এই মিলিজুলি সরকার টিকবে না। আর গদি হারিয়ে দল ধরে রাখার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে উদ্ধব এদিন বলেছেন, প্রতিপক্ষ শিবিরের বিধায়ক ভাঙিয়ে সরকার ভাঙাগড়ার খেলা ছেড়ে সাহস থাকলে অন্তর্বর্তী নির্বাচন করে দেখান। 
কিন্তু উদ্ধবের এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ দল রক্ষা করা। বিধানসভার সদ্য নির্বাচিত স্পিকার একনাথ সিন্ধের দলকেই একপ্রকার প্রকৃত শিবসেনার মর্যাদা দিয়েছেন। যে সিদ্ধান্তকে  অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে শিবসেনা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। বিজেপি জোটের ভবিষ্যৎ যে খুব সুরক্ষিত নয় সেটাও স্পষ্ট। কারণ, আস্থাভোটের আগেই ডেপুটি স্পিকার বিদ্রোহী শিবসেনা বিধায়কদের মধ্যে ১৬ জনের সদস্যপদ খারিজ করেছিলেন। যা বর্তমানে আদালতের বিচারাধীন। যদি আদালত ওই সিদ্ধান্তকেই  মান্যতা দেয়, তাহলে এই ১৬ জনের ভোট অবৈধ হয়ে যাবে। আর তখন  বিজেপি এবং একনাথ সিন্ধে সরকারের গরিষ্ঠতার ভাগ্য সুতোয় ঝুলবে। ১৪৪ গরিষ্ঠতার সংখ্যা। আর ১৬ জনের সদস্যপদ চলে গেলে সেই সংখ্যা হয়ে যাবে ১২৮। সেক্ষেত্রে ফের শুরু হতে পারে নতুন রাজনৈতিক নাটক। 
সর্বোপরি বিদ্রোহী ৪০ জন বিধায়কের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন একনাথ সিন্ধে, কিন্তু বাকিরা কতটা গুরুত্ব পাবেন? সেটা ক্রমেই চর্চায় আসবে। প্রত্যেকেই চাইছেন মন্ত্রী হতে। এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী ও উপ মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়া আর কোনও সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভা গঠিত হয়নি। মন্ত্রী হতে না পারা বঞ্চিত বিধায়কদের ভূমিকা কী হবে? এখন থেকেই সেই জল্পনা তুঙ্গে।

5th     July,   2022
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ