বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দেশ
 

মিমি-নুসরত সহ ৬ মহিলা এমপির সঙ্গে
ছবি, বিতর্ক এড়াতে ক্ষমা চাইলেন শশী

নয়াদিল্লি: সাতসকালে একটা নির্ভেজাল টুইট। তার জেরে দিনভর ট্রোল-সমালোচনার ঝড়। বিতর্ক থামাতে শেষ পর্যন্ত ক্ষমাই চাইতে হল কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরকে। 
গোটা ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সকালে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিন ছ’জন মহিলা সাংসদকে সঙ্গে নিয়ে একটি ছবি টুইট করেছিলেন শশী। লেখেন, ‘কে বলে লোকসভা কাজের জন্য একেবারেই আকর্ষণীয় জায়গা নয়? আজ সকালে ছয় সাংসদ বন্ধুর সঙ্গে।’ ছবিটিতে বাংলার দুই সাংসদ নুসরত জাহান ও মিমি চক্রবর্তীর পাশাপাশি হাসি মুখে পোজ দিয়েছেন সুপ্রিয়া সুলে, প্রিনীত কাউর, থামিজাচি থাঙ্গাপান্ডিয়ান, জ্যোতিমানি।  টুইটটি প্রকাশ্যে আসতেই থারুরের বিরুদ্ধে তেড়েফুড়ে আক্রমণ করতে শুরু করেন নেটিজেনদের একটি অংশ। কংগ্রেস সাংসদকে ‘যৌনবাদী’ বলে কটাক্ষ করেছেন অনেকে। এধরনের পোস্টকে ‘অসম্মানজনক’ বলেও তোপ দাগা হয়েছে। জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে তুলে ধরে আপনি রাজনীতি ও সংসদে মহিলাদের অবদানকে খাটো করার চেষ্টা করছেন। সংসদে মহিলাদের এভাবে বিশেষিত করা বন্ধ করুন।’ থারুরের সমালোচনা করে আর এক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘মহিলারা সাজিয়ে রাখার মতো কোনও বস্তু নন। যাঁরা সংসদকে আকর্ষনীয় করে তোলেন। ওঁরাও সাংসদ। কিন্তু, আপনি তাঁদের যৌনবাদী ও অসম্মানকর নজরে দেখছেন।’  তবে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র, অর্জুন পুরস্কার জয়ী ব্যাডমিন্টন খেলোয়ার জোয়লা গুট্টা সহ অনেকেই আবার কংগ্রেস সাংসদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মহুয়ার বক্তব্য, সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে থারুরকে ট্রোল করা হচ্ছে। এতে আমি মোটেই অবাক নই। কৃষি আইন প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা করতে চাইছে না আকর্ষণ হারানো কেন্দ্রীয় সরকার। সেদিক থেকে নজর ঘোরাতেই সারবত্তাহীন বিষয়ে থারুরকে নিশানা করা হচ্ছে।  জোয়ালার টুইট, সব কিছুকেই আতশ কাচের নীচে ফেলে দেখার দরকার নেই। কিছু কিছু বিষয় হাল্কাভাবেও দেখা উচিত। 
বিতর্ক শুরু হতেই ফের একটি ট্যুইট করে ক্ষমা চেয়ে নেন শশী। লেখেন, মহিলা সাংসদদের উদ্যোগেই মজার ছলেই সেলফি তোলা হয়েছিল। তাঁরাই ছবিটি ট্যুইট করতে বলেন। অনেকেই এতে ক্ষুণ্ণ হওয়ায় আমি ক্ষমাপ্রার্থী। 
প্রসঙ্গত, সংসদে শীতকালীন অধিবেশন শুরুর আগে বিরোধীদের এককাট্টা করতে বৈঠক ডেকেছিলেন কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাতে তৃণমূল যোগ দেয়নি। কিন্তু, সোমবার সকালে কংগ্রেস সাংসদের সঙ্গে হাসিমুখে পোজ দিতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের দুই সাংসদ মিমি-নুসরত। অনেকে বলছেন, এটাই থারুর-এফেক্ট। 
এর আগে মহিলা সাংসদের সঙ্গে থারুরের ছবি নিয়ে তুমুল চর্চা হয়েছিল ২০১৪ সালে। সংসদের ঢোকার মুখে তত্কালীন বাঁকুড়ার তৃণমূল সাংসদ মুনমুন সেনের সঙ্গে শশীর একটি ছবি ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন চিত্র-সাংবাদিকরা। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তা ভাইরাল হয়েছিল।

30th     November,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ