বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দেশ
 

সোমবার পানাজির আজাদ ময়দানে গোয়ার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মসূচি ‘জনতা চার্জশিটে’ উপস্থিত দলের সাংসদ সৌগত রায়, মহুয় মৈত্র এবং সেই রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত লুই জিনহো ফেলেইরো। গত ১২ আগস্ট গোয়ার কালাঙ্গুটের সমুদ্র  সৈকতে সিদ্ধি নায়েক নামে এক তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের তরফে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ আনা হলেও পুলিস জানায় জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তরুণীর। বিষয়টি নিয়ে সরগরম গোয়ার রাজনীতি। এদিন নাচিনোলা গ্রামে ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান মহুয়া। ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল। ছবি: পিটিআই

চীনের মদতে রাষ্ট্রসঙ্ঘে প্রতিনিধিত্ব
তালিবানি ছক ভণ্ডুল করতে ভারতের
 সঙ্গী বাকি সব শক্তিধর রাষ্ট্র

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: তালিবানের হয়ে সালিশি করতে গিয়ে সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির মধ্যে পাকিস্তান এখন একঘরে। ইমরান খানের দেশের মরিয়া উদ্দেশ্য, তালিবান সরকারকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্বীকৃতি পাইয়ে দেওয়া। পাকিস্তানের মতো চক্ষুলজ্জা বিসর্জন না দিয়ে এই একই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে চীনও। আর বেজিংয়ের প্রচ্ছন্ন মদতেই এবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় প্রতিনিধি পাঠানোর আবেদন জানিয়েছে তালিবান। এই মর্মে তারা চিঠি পর্যন্ত দিয়েছে। কিন্তু চিঁড়ে ভিজছে না। প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারত। এবং নয়াদিল্লির সঙ্গে এ ব্যাপারে একমত আমেরিকা, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেনের মতো বিশ্বের বাকি শক্তিধর দেশ। আন্তর্জাতিক মঞ্চে জাতে ওঠার জন্য তালিবানের স্বপ্ন সফল তো হচ্ছেই না, উল্টে আফগানিস্তানের শাসকের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত ‘প্রীতি’র জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের সভাস্থলে ধাক্কা খেতে হচ্ছে চীন ও পাকিস্তানকে। 
তালিবানের সেই আবেদনে বলা হয়েছিল, অধিবেশনে অন্য রাষ্ট্রগুলির মতো তালিবান প্রতিনিধিও ভাষণ দেবেন। এই আবেদনের প্রধান সমর্থক চীন, পাকিস্তান এবং কাতার। তালিবানি আবেদনটি ন’টি দেশের কমিটি খতিয়ে দেখবে বলে স্থির হয়েছে। কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। কারণ, যে বৈঠকে এই আবেদন নিয়ে আলোচনা হবে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের চলতি সাধারণ সভার অধিবেশনে সেই বৈঠকই সম্ভবত হচ্ছে না। আগামী সোমবার শেষ হবে অধিবেশন। তালিবানের আবেদনে প্রত্যক্ষভাবে পাকিস্তান এবং পরোক্ষে চীনের মদত ছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক দুনিয়া তালিবানকে কোণঠাসা করে রাখার অবস্থানেই আপাতত অনড়। এখানেই শেষ নয়। তালিবান শাসকদের নিয়ে বাড়াবাড়ি করার জন্য বিশ্বের তাবড় শক্তিধর দেশ এবার চীন ও পাকিস্তানকে একঘরে করার কৌশল নিয়ে এগচ্ছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সভায় স্পষ্টভাবে সেই বার্তা পেতে শুরু করেছে ভারতের এই দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র। রাষ্ট্রসঙ্ঘে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণের প্রাক্কালে চীন ও পাকিস্তান বিরোধী জোট গঠনের প্রক্রিয়া আরও জোরদার হয়েছে। আজ বিশ্বের শীর্ষ বেশ কিছু সংস্থার সিইও’দের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁর। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অ্যাডোবে, কোয়ালকম, জেনারেল অ্যাটমিকস, ব্ল্যাকস্টোন এবং ফার্স্ট সোলারের মতো কোম্পানির সিইও’রা। আর আগামী কাল, শুক্রবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে মোদির বৈঠক। সেখানে আফগানিস্তানই প্রধান ইস্যু। তালিবানি শাসন নিয়ে বিশ্ব কূটনৈতিক মহলে তীব্র টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স—কেউই এখন তালিবানকে স্বীকৃতি দিতে রাজি নয়। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দেওয়ার আশঙ্কাও তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে প্রথম সারির সব দেশকে। ভারত যেমন লস্কর ও জয়েশ নিয়ে উদ্বিগ্ন, ঠিক তেমনই স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলি থেকে আল কায়েদার পুনরুত্থান নিয়ে শঙ্কিত ফ্রান্স থেকে আমেরিকা। তালিবান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আল কায়েদা সর্বাগ্রে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। আমেরিকার ৯/১১ হামলা, অথবা কাঠমাণ্ডু-দিল্লি ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স বিমানের হাইজ্যাকিং—দু‌ই স্মৃতি এখনও টাটকা। তাই তালিবানকে বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। তারা একঘরেই। আর ক্রমেই কোণঠাসা হচ্ছে তাদের ভবিষ্যৎ চালিকাশক্তি চীন ও পাকিস্তান। 

23rd     September,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021