বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দেশ
 

শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে আরও
৫ বছরের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি করবে রাজ্যগুলি
কেন্দ্রের সঙ্গে তীব্র হবে বিরোধ

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: জিএসটি কাউন্সিলের আসন্ন বৈঠকে উঠতে চলেছে ঝড়। কেন্দ্র বনাম রাজ্যের বিরোধ তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা। রাজ্যগুলি দাবি করতে চলেছে, আরও পাঁচ বছর ধরে দেওয়া হোক ক্ষতিপূরণ সেস। কেন্দ্রীয় সরকার পাল্টা কোনও শর্ত আরোপের পাশাপাশি নতুন সেস বসানোর প্রস্তাবও দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।  দীর্ঘদিন পর আবার আগামী শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক বসতে চলেছে সরাসরি সদস্যদের উপস্থিতির মাধ্যমে। কোভিড সংক্রমণের কারণে গত বছর থেকেই জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক হচ্ছে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। এবার লখনউতে হবে বৈঠক। তবে যে সদস্যরা হাজির হতে পারবেন না, তাঁরা ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেবেন। 
আসন্ন জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে একঝাঁক ইস্যুতে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে টানাপোড়েনের সৃষ্টি হতে পারে। একদিকে যেমন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের কাছে রাজ্যগুলি দাবি করতে চলেছে, ২০২৭ সাল পর্যন্ত জিএসটি ক্ষতিপূরণ সেস দিতে হবে। ২০২২ সালের জুন মাস পর্যন্ত ওই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ছিল জিএসটি আইনে। যেহেতু গত বছর থেকে করোনার সংক্রমণের কারণে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়ের রাজস্ব আদায় তলনিতে, তাই ক্ষতিপূরণ সেসের সময়সীমা বাড়ানো দরকার বলে প্রধানত বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলি দাবি করবে। কেন্দ্রীয় সরকার এই দাবিতে নীতিগতভাবে রাজি হবে কি না আপাতত সেটাই দেখার। 
পাশাপাশি জিএসটি হারের ভারসাম্য নিয়েও আলোচনা হবে। সেক্ষেত্রে আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক নতুন কিছু পণ্যের উপর জিএসটি ক্ষতিপূরণ সেস বসানোর প্রস্তাব দিতে পারে। ২৮ শতাংশ জিএসটির আওতায় থাকা পণ্যগুলির উপর জিএসটি ক্ষতিপূরণ সেস কার্যকর করা আছে। একদিকে কিছু ১৮ শতাংশ জিএসটির আওতায় থাকা পণ্যকে ১২ শতাংশে নিয়ে আসা, ১২ শতাংশ জিএসটি কার্যকর থাকা কিছু পণ্যকে ৫ শতাংশে নিয়ে আসার প্রস্তাব রয়েছে। আবার তেমনই কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির যাতে এই প্রস্তাবিত পরিবর্তনে ক্ষতি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে, উচ্চ হারে জিএসটি থাকা পণ্যের উপর নয়া সেস বসানোর পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা শুক্রবারের বৈঠকে। 
প্রসঙ্গত জিএসটি পুনর্বিন্যাসের প্রশ্নে মন্ত্রিগোষ্ঠী কমিটির দেওয়া সুপারিশ অনুযায়ী সিকিমের আন্তঃরাজ্য ওষুধের উপর সেস বসানোর আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। পাশাপাশি সিকিমে রাজ্য সরকার ইচ্ছা করলে প্রতিটি ইউনিটে ১০ শতাংশ হারে বিদ্যুতের উপরও সেস বসাতে পারে। ঠিক এভাবেই বাকি রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে আয় বাড়ানোর কোনও পন্থা নেওয়া যায় কি না সেই প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হবে। রাজ্যগুলি দাবি করবে, এবার যেহেতু জিএসটি আদায় অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে, রাজ্যগুলির ক্ষতিপূরণ সেস ও প্রাপ্য দ্রুত মিটিয়ে দেওয়া হোক।  
বস্ত্র ও চর্মশিল্পের পণ্যের উপর জিএসটির হার পরিবর্তন নিয়ে আগামী শুক্রবার সিদ্ধান্ত হতে পারে। জিএসটি সংক্রান্ত ফিটমেন্ট কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ১ হাজার টাকার কম মূল্যের জুতো, রেডিমেড পোশাক, ফাইবার, সুতিবস্ত্রের জিএসটি হারে বদল দরকার। 

14th     September,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021