বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দেশ
 

করোনা কেড়ে নিয়েছে প্রিয়জনকে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। বুধবার পাটনা মেডিক্যাল কলেজে তোলা পিটিআইয়ের ছবি।

প্রয়োজনে লকডাউন,
পরামর্শ সুপ্রিম কোর্টের

সন্দীপ স্বর্ণকার • নয়াদিল্লি : গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার ১৪৭ জন সংক্রামিত হয়েছেন। মারা গিয়েছেন ৩ হাজার ৪১৭ জন। সংক্রমণের হার আগের চেয়ে অতি সামান্য কমেছে। এই পরিস্থিতিতে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউতে লাগাম টানতেই হবে। তার জন্য যা যা করার দরকার, তার পরিকল্পনা করুক কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি। প্রয়োজনে ফের লকডাউন জারির কথাও ভেবে দেখতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে প্রান্তিক মানুষের সুবিধা-অসুবিধার কথা মাথায় রাখতে হবে। রবিবার গভীর রাতে দেশের কোভিড সঙ্কট নিয়ে চলা স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় এমনই পরামর্শ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে মাত্রাছাড়া সংক্রমণ রুখতে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি বর্তমানে এবং অদূর ভবিষ্যতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বা হবে, তা নথিবদ্ধ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও সূত্রের খবর, কেন্দ্রের তরফে এখনই লকডাউনের কথা ভাবা হচ্ছে না।
তবে সবথেকে বেশি জল্পনা বাড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টের লকডাউনের পরামর্শটি। যদিও বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, ‘কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলির কাছে আমাদের আবেদন, ভিড় এবং সুপার স্প্রেডার অনুষ্ঠানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করুন। প্রাণঘাতী ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রকোপ রুখতে, জনকল্যাণের স্বার্থে প্রয়োজনে লকডাউনের বিষয়টিও আপনারা ভেবে দেখতে পারেন।’ তার পাশাপাশিই অবশ্য শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, লকডাউনের আর্থ-সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে আমরা অবহিত। বিশেষত প্রান্তিক মানুষের জীবনে এর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। সেক্ষেত্রে লকডাউন জারি করলে তাঁরা যাতে সমস্যার মুখে না পড়েন সেদিকে নজর রাখতে হবে।
যদিও একই টিকাকরণ কর্মসূচিতে দু’রকম নীতির বিষয়টিতে প্রবল সমালোচনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশে বলা হয়েছে, কেন্দ্রের দু’রকম টিকা নীতি ক্ষতিকারক। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার বিষয়টি সরকারের বিবেচনা করা উচিত। শীর্ষ আদালত আরও বলেছে, কেন্দ্রই যাবতীয় টিকা কিনে রা‌জ্যকে বণ্টন করুক। কারণ, রাজ্যগুলি সরাসরি টিকা কোম্পানির সঙ্গে দরাদরি করলে বিষয়টি প্রতিযোগিতামূলক হয়ে দাঁড়াবে। সুপ্রিম কোর্টের এই সমালোচনার পরেই সরকারি ব্যবস্থায় করোনার টিকাকরণে উদ্যোগ বাড়াল কেন্দ্র। আগামী তিন মাসের জন্য ১৬ কোটি ডোজ কেনার বরাত দিল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। যার দাম পড়বে ২ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, মে থেকে জুন, এই তিন মাসের জন্য সিরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে ১১ কোটি ‘কোভিশিল্ড’ ডোজ কেনা হচ্ছে। তার জন্য ১ হাজার ৭৩২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়াও হয়ে গিয়েছে। একইভাবে ভারত বায়োটেকের থেকে ৫ কোটি ডোজ ‘কোভ্যাকসিন’ কিনতে ৭৭২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছে মোদি সরকার। শীঘ্রই ডোজ আসা শুরু হয়ে যাবে। এখনও পর্যন্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বিনামূল্যে ১৬ কোটিরও বেশি টিকার ডোজ সরবরাহ করেছে কেন্দ্র। তবে, ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকা দেওয়ার দায়িত্ব আপাতত রাজ্যের কাঁধেই থাকছে। তার জন্য ভ্যাকসিন কিনতে হবে রাজ্যকেই।

4th     May,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
12th     May,   2021