বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
দেশ
 

আচমকা করোনা সংক্রমণ বাড়ায় উদ্বিগ্ন
কেন্দ্র, মাস্ক আবশ্যিক করার ভাবনা 

সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি: মাস্কেই মিলতে পারে ম্যাজিক! সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারে সাধারণ কাপড়ের মাস্কই। স্রেফ দরকার তার সঠিক ব্যবহার। আইসিএমআরের গবেষণায় উঠে এল এমনই তথ্য। একইসঙ্গে পরামর্শ, আপাতত প্রতিটি ভারতীয়কে মাস্ক পরেই থাকতে হবে। অন্তত প্রকাশ্যে, পাবলিক প্লেসে। আর সেই তথ্য সামনে রেখে আমচকা বাড়তে থাকা করোনার সংক্রমণ এড়াতে জাতীয়স্তরে মাস্ক আবশ্যিক করার ভাবনাচিন্তা করছে কেন্দ্র।
আগের চেয়ে টেস্টের হার বেড়েছে ঠিকই। তবে কমছে মৃত্যু। সেই সঙ্গে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন ৯৭ শতাংশেরও বেশি। চলছে টিকাকরণও। তাও চিন্তামুক্ত হতে পারছে না কেন্দ্র। মহারাষ্ট্র, কেরল, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু, কর্ণাটকের মতো পাঁচ রাজ্যে আচমকা সংক্রমণ বাড়ায় কেন্দ্রের কপালে চিন্তার ভাঁজ। সঙ্গে দোসর দ্রুত সংক্রমণে সক্ষম ‘সার্স কোভ-টু’র নতুন স্ট্রেইন। অন্যদিকে, দোড়গোড়ায় পশ্চিমবঙ্গ সহ চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরিতে ভোট। চলছে কুম্ভমেলা, সঙ্গে রয়েছে হজ ট্রানজিট। তারই মধ্যে সামনে এল আইসিএমআরের গবেষণা থেকে পাওয়া ফলাফল, যেখানে বলা হয়েছে, ভারতের ৫৬ শতাংশ নাগরিক ঠিক করে মাস্কই পরেন না।
অথচ মাস্ক আবশ্যিক করলে আ঩মেরিকায় বাঁচানো যেত কমপক্ষে ৪৯ হাজার মানুষকে। কানাডার সাপ্তাহিক সংক্রমণ কমপক্ষে ২৫ শতাংশ কমানো সম্ভব হয়েছে মাস্ক আবশ্যিক করেই। ৪০ শতাংশ দৈনিক সংক্রমণ হ্রাস সম্ভব করেছে জার্মানিও, উল্লেখ করেছে আইসিএমআরের গবেষণা। তাই সেই পথেই ভারতেও জাতীয়স্তরে মাস্ক আবশ্যিক করার ভাবনাচিন্তা করছে কেন্দ্র। বিশেষত, বাস, ট্রাম, লোকাল ট্রেনের মতো পরিবহণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা অসম্ভব।
যদিও দু’বছরের কম বয়সি এবং সেরিব্রাল পলসির মতো রোগী বা যারা নিজেরা মাস্ক পরতে-খুলতে অক্ষম, তাদের মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই বলেই জানিয়েছেন আইসিএমআরের মহামারী বিদ্যা বিভাগের প্রধান ডাঃ সমীরণ পাণ্ডা। তিনি বলেন, সেরোলজিক্যাল সার্ভেই সতর্ক করে দিয়েছে, এখনও ৭৯ শতাংশ নাগরিকের সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। ঝুঁকি কমাতে সাধারণ নাগরিকের জন্য কাপড়ের মাস্কই যথেষ্ট। স্রেফ সেটি ঠিক করে নাক-মুখ ঢেকে পরতে হবে। গলার কাছে মাফলারের মতো ঝুলিয়ে রাখলেই ঝুঁকি। বাকি স্বাস্থ্যকর্মীরা যাঁরা কোভিডের হাই রিস্কে রয়েছেন, তাঁদের জন্য মেডিকেল অথবা রেসপিরেটর মাস্ক পরা প্রয়োজন।
মন্ত্রক সূত্রের খবর, একদিকে যেমন রাজধানী দিল্লির মতো দেশজুড়ে মাস্ক পরার বিষয়টিকে আবশ্যিক করার চর্চা চলছে, একইসঙ্গে জায়গা বিশেষে সাময়িক লকডাউনের পরিকল্পনাও চলছে। যদিও লকডাউনের বিষয়টি রাজ্যের হাতেই ছেড়েছে কেন্দ্র। সেই মতো নাগপুরের কিছু অংশে আংশিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সপ্তাহন্তে বন্ধ থাকবে বাজার। বন্ধ করা হচ্ছে স্কুল, কলেজ ও কোচিং ক্লাস। আগামী ৭ মার্চ পর্যন্ত এটি কার্যকর হবে। মহারাষ্ট্রে বেশিরভাগ করোনা আক্রান্ত উপসর্গহীন বলেই জানা গিয়েছে। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেই বুধবার থেকে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের স্কুলে আসার নির্দেশিকা জারি করেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি স্কুল খোলার বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত স্কুল চলবে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী জানিয়েছেন, কোভিড যোদ্ধাদের পরেই টোকিও ওলিম্পিকসে অংশ নেওয়া ভারতীয় অ্যাথলিটদের করোনার টিকা দেওয়া হবে। 

23rd     February,   2021
 
 
কলকাতা
 
রাজ্য
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
কিংবদন্তী গৌতম
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
6th     March,   2021