বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

বৈদ্যুতিক যানের হাত ধরে
হিন্দমোটরে ফের গাড়ি তৈরির উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তরপাড়ায় হিন্দুস্তান মোটরসের পরিত্যক্ত কারখানায় নতুন করে গাড়ি উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এখনই সেখানে চার চাকার গাড়ি তৈরি হবে না। দু’চাকার বৈদ্যুতিক গাড়ি দিয়েই কারখানা চালু করতে চায় সিকে বিড়লা গোষ্ঠীর এই সংস্থা।
হুগলির হিন্দমোটর স্টেশন সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অ্যাম্বাসাডর গাড়ির যে কারখানা ছিল, তার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছে দীর্ঘদিন। সেই জমির অনেকটাই চলে গিয়েছে অন্য সংস্থার হাতে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, প্রায় ৮০০ একর জায়গা জুড়ে এখানে গাড়ি তৈরি হতো। কিন্তু এখনও হিন্দুস্তান মোটরসের হাতে প্রায় ৩০০ একর জমি আছে, যেখানে তারা নতুন করে গাড়ি উৎপাদন শুরু করতে চায়। জানা গিয়েছে, বৈদ্যুতিক দু’চাকা গাড়ি উৎপাদনের জন্য একটি ইউরোপীয় সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে চুক্তি করেছে এইচএম। তারা যৌথ উদ্যোগে সেখানে গাড়ি উৎপাদন করবে। গোটা বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ পেতে এখনও মাস তিনেক সময় লাবে বলে মনে করা হচ্ছে। সংস্থার শেয়ারহোল্ডারদের জানানো হয়েছে, এক্ষেত্রে মূলত জমি দেবে সংস্থাটি।
উত্তরপাড়ায় হিন্দুস্তান মোটরস কারখানার উদ্বৃত্ত জমিতে আবাসন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে অনেকদিন আগেই। শ্রীরাম গ্রুপ সেখানে বড় আবাসন প্রকল্প তৈরি করছে। প্রথম দফার ফ্ল্যাট তৈরির কাজও এগিয়ে গিয়েছে অনেকটাই। তাদের হাতে আছে ৩১৪ একর জমি। পাশাপাশি হিরানন্দানি গ্রুপকেও প্রায় ১০০ একর জমি দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে গাড়ি প্রস্তুতকারক এই সংস্থা। সেখানে লজিস্টিকস পার্ক এবং অত্যাধুনিক ডেটা সেন্টার গড়ার কথা সেই সংস্থার। চলতি বছরের বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটে সেই ব্যাপারে ঘোষণাও হয়ে গিয়েছে। 
সূত্রের খবর, হিন্দমোটরে গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থাটিতে কাজ বন্ধ হওয়ার পরও বেশি কয়েকজন কর্মী খাতায় কলমে রয়ে গিয়েছেন। ২০১৪ সালের মে মাসে এখানে সাসপেনশন অব ওয়ার্কের নোটিস টাঙানো হয়। মূলধন না থাকা, প্রতিযোগিতার বাজারে গাড়ির চাহিদা না থাকা ছাড়াও সংস্থার নিজস্ব ডামাডোলের জেরে বন্ধ করে দিতে হয় উৎপাদন। কিন্তু এরপরও সংস্থার কিছু দায় রয়ে গিয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম কর্মীদের পাওনাগন্ডা। সূত্রে খবর, এখানে যখন কাজ বন্ধের নোটিস টাঙানো হয়, তখন কর্মী সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩০০। এঁদের মধ্যে প্রায় দু’হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছাবসরের সুযোগ দেওয়া হয়। এখনও প্রায় ৩০০ কর্মী রয়ে গিয়েছেন। সংস্থার কর্তৃপক্ষের দাবি, কর্মীদের পাওনা ও অন্যান্য কিছু ধারবাকি ছাড়া বাজারে বড় অঙ্কের কোনও দেনা নেই এই সংস্থার। গত অর্থবর্ষ পর্যন্ত সংস্থার মোট ক্ষতির অঙ্ক ১৪৮.৫৫ কোটি টাকা। গাড়ি তৈরির চুক্তি এই কারখানায় কতটা প্রাণ সঞ্চার করে, তার দিকেই নজর থাকবে সবার।    

26th     May,   2022
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ