বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

মমতাকে আমসত্ত্ব দিতে মালদহ থেকে
সাইকেলে কলকাতায় আসছে ছাত্রী

 

সৌম্য দে সরকার, মালদহ: সাইকেলে প্রায় সাড়ে ৩০০ কিমি রাস্তা পাড়ি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে আমসত্ত্ব তুলে দিতে চায় মালদহের খুদে পড়ুয়া সায়ন্তিকা দাস। সবুজসাথী, কন্যাশ্রী, ঐক্যশ্রী, শিক্ষাশ্রীর মতো প্রকল্পের পাশাপাশি সম্পূর্ণ নিখরচায় বই, খাতা, স্কুল ইউনিফর্ম, বইয়ের ব্যাগ, জুতো সরকারের এসব সহযোগিতায় রাজ্যের পড়ুয়াদের দিন বদলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে চায় এই একরত্তি মেয়ে। ইতিমধ্যেই সড়কপথে সাইকেল চালিয়ে কলকাতার কালীঘাটে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা জানিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছে মালদহের বিভূতিভূষণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির এই পড়ুয়া। ২৬ মে মালদহ থেকে রওনা দিয়ে ২৯ তারিখ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চায় সে। ইংলিশবাজার পুরসভার ঝলঝলিয়ায় মনস্কামনাপল্লির বাসিন্দা সায়ন্তিকা। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর ‘অন্ধভক্ত’ তাঁদের মেয়ে। টিভিতে মুখ্যমন্ত্রীকে দেখলেই অপলকে তাঁকে দেখতে থাকে সে। শুনতে থাকে কী বলছেন তিনি। ওর জেদ, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবে। সায়ন্তিকার বাবা প্রদীপ দাস গাড়ি চালান। মা উমা দাস গৃহবধূ। বড়দিদি দিয়া এমএ পড়ছেন। মেজদি পাপিয়া স্নাতক স্তরে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। দুই দিদিই সবুজসাথী প্রকল্পের সাইকেল পেয়েছেন। ১৮ বছর হতেই পেয়েছেন কন্যাশ্রীর ২৫ হাজার টাকা। সায়ন্তিকাও নিশ্চিত, উঁচু ক্লাসে উঠলে তারও হবে নিজস্ব একটি সাইকেল। এখন বাবার কিনে দেওয়া সাইকেলেই কলকাতা পাড়ি দিতে চায় সে। পাশে অবশ্য থাকবেন মা, বাবা। ২৬ মে সকাল ১০টায় মালদহ থেকে রওনা হয়ে বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, বৈদ্যবাটি, ডানকুনি হয়ে আমসত্ত্ব সঙ্গে নিয়ে কলকাতার কালীঘাটে পৌঁছনোর পরিকল্পনা করেছে সে। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মালদহে এসে আমসত্ত্ব খেতে চেয়েছেন। তখন থেকেই মনের মধ্যে নিজের হাতে তাঁকে আমসত্ত্ব খাওয়ানোর পরিকল্পনা করে সায়ন্তিকা। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে সে জানাতে চায়, কীভাবে তাঁর মতো রাজ্যের লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া প্রতিদিন মুখ্যমন্ত্রীর একের পর এক জনমুখী প্রকল্প থেকে উপকৃত হচ্ছে। সায়ন্তিকার কথায়, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের দিন বদলে দিয়েছেন। এখন সবাই স্কুলে গেলে মিড ডে মিল পাই, তারসঙ্গে লেখাপড়ার সরঞ্জাম। একটু বড় হলে কন্যাশ্রী প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে তারা। লেখাপড়ার খরচ নিয়ে ভাবতে হয় না। খুদে ছাত্রীর মা উমাদেবী বলেন, আমরা যখন পড়াশোনা করতাম, তখন এত সুযোগ সুবিধা ছিল না। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া অনেক পরিবারই ছেলেমেয়েদের উচ্চশিক্ষার খরচ বহন করতে পারত না। মেয়েদের অনেক সময় কম বয়সে বিয়ে হয়ে যেত। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিস্থিতি বদলে দিয়েছেন। আমার মেয়েদের মতো অসংখ্য মেয়ে এখন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। ইংলিশবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী বলেন, সায়ন্তিকা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।

25th     May,   2022
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ