বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

মাটি খুঁড়তে গিয়ে বিপুল
অস্ত্র উদ্ধার গোয়ালতোড়ে

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: এ যেন কেঁচো খুঁড়তে কেউটে! গোয়ালতোড় থানার নলবনা গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়ডাঙা গ্রামে মাটি খুঁড়তে গিয়ে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ বন্দুক ও কার্তুজ। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তার মধ্যে কিছু আগ্নেয়াস্ত্র লালপার্টির একটি ব্যানারে মোড়া ছিল। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ১০ থেকে ১৫ বছরের পুরনো বলে অনুমান পুলিসের। বেশিরভাগ বন্দুকেই জং ধরে গিয়েছে। সেগুলি যে বড় সাদা ব্যানারে মোড়া ছিল, তাতে লেখা রয়েছে ‘চলো সবাই গ্রামসভায় যাই’। জেলার পুলিস সুপার দীনেশ কুমার বলেন, ‘মোট ৩৬টি বন্দুক ও প্রায় সাড়ে ৪০০ কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। এগুলি কীভাবে এখানে এল, তা তদন্ত করে দেখা হবে।’ এনিয়ে সিপিএমকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল। যদি সিপিএম নেতৃত্ব উদ্ধার হওয়া অস্ত্র তাদের আমলের নয় বলে দাবি করেছে।
বুধবার সকালে বড়ডাঙা গ্রামের মানুষ স্থানীয় একটি খাসজঙ্গলকে চাষযোগ্য করার জন্য মাটি সমান করছিলেন। দুপুর ১টা নাগাদ মাটি খুঁড়তে গিয়ে হঠাৎই কোদালের সঙ্গে ধাতব কোনও বস্তুতে আঘাত লাগার আওয়াজ পান তাঁরা। সন্দেহ হওয়ায় ফের মাটি খুঁড়তে শুরু করেন। আর তাতেই মাটির তলা থেকে বেরিয়ে আসে ত্রিপলে মোড়া বেশ কিছু বন্দুক। আরও কিছুটা মাটি খোঁড়ার পর উদ্ধার হয় দু’টি বড়সড় প্লাস্টিকের বালতি। সেই বালতির ভিতরে ছিল কয়েকশো কার্তুজ। খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিস আসার পর ফের মাটি খোঁড়া শুরু হয়। তারপর আরও বন্দুক ও কার্তুজ উদ্ধার হয়।
এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক অজিত মাইতি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ে না পেরে উঠে খুনের রাজনীতি করার জন্য প্রচুর অস্ত্র মজুত করেছিল সিপিএমের হার্মাদ বাহিনী। বাম আমলে অখণ্ড মেদিনীপুর অস্ত্রের ভাণ্ডার হয়ে উঠেছিল। ২০১১ সালে বিদায় আসন্ন বুঝতে পেরে সেসব লুকিয়ে রেখেছিল তারা। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা অবশ্য পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় নতুন কিছু নয়। বছর দুয়েক আগেও গোয়ালতোড়ের উখলা গ্রাম লাগোয়া জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে গড়বেতার দাপুটে সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষ বলেন, ‘আমরা বহু বছর ধরে এসবের বাইরে আছি। তাছাড়া যে এলাকা থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, সেই এলাকায় কখনও অস্ত্রের রাজনীতি সিপিএম করেনি।’ তাহলে কি জঙ্গলমহলের অন্যত্র সিপিএম অস্ত্রের রাজনীতি করেছে? রাজনৈতিক মহলের একাংশ এই প্রশ্ন তুলেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক তরুণ রায় বলেন, সিপিএমকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এসব অস্ত্র মাওবাদী ও তৃণমূল নেতারা মিলে মজুত করেছিল। ১০ বছর পর এখন সিপিএমের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে। 

20th     January,   2022
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ