বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন জবরদখলকারীদের 
রেলের জমিতে পুনর্বাসন দিতে চাইছে রাজ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দৈনিক কিছু অর্থের বিনিময়ে রেল তার জমিতে ১২৮ জনকে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু, সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন সেই জমিতে রাতারাতি ১৬০টি পাকা বাড়ি তৈরি করে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু হয়ে যায়। যাদের উচ্ছেদের নোটিস ধরিয়েছে রেল। কিন্তু, রাজ্য সরকার ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালকে জানাল, এদের সরাতে গেলে আইন-শৃঙ্খলার পাশাপাশি আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এদের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। যদি রেল তার জন্য জমি দেয়। কিন্তু, এই জবরদখলকারীদের সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালেও হল না। 
পরিবেশবিদ সুভাষ দত্ত এই ঝিলের দূষণ দূর করার লক্ষ্যে যে মামলা করেছিলেন, তার জেরেই এই জবরদখলকারীদের বিষয়টি সামনে আসে। যে জবরদখলকারীরা ঝিলের দূষণের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়। অন্যদিকে এও স্পষ্ট হয় যে, হাওড়া পুরসভা সহ রেল নিজেও সংলগ্ন এলাকায় আবর্জনা ফেলার ফলে ঝিলের দূষণ বেড়েই চলেছে। তরল ও কঠিন বর্জ্য নাগাড়ে পড়তে থাকায় যে ঝিলে একসময় শীতের মরশুমে পরিযায়ী পাখিদের ভিড় লেগে থাকত, তাদের কলকাকলিতে সরগরম থাকত, সেখানে এখন ভিনদেশি সেই অতিথিদের অনেকেই উধাও। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাইব্যুনাল রাজ্যের মুখ্যসচিব ও হাওড়ার জেলাশাকসের রিপোর্ট তলব করেছিল। এই দু’তরফের হলফনামা এদিন ট্রাইব্যুনালে জমা হয়। 
সেখানে জবরদখলকারীদের প্রসঙ্গটি ছাড়াও স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (এসটিপি) তৈরি করা ও বসানোর জন্য বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (ডিপিআর) তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়। এতে সম্ভাব্য  খরচ প্রায় ২৮ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা। বলা হয়েছে, জবরদখলকারীরা যে অংশে রয়েছে, তা এড়িয়েই এই প্রকল্প স্থাপন করা যেতে পারে। ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, সেখানে যে পরিমাণ আবর্জনা পড়ে, তার প্রায় ৮১.৯৩ শতাংশ ফেলে হাওড়া পুরসভা। রেলের আবর্জনার পরিমাণ মোটামুটি ১৮.০৭ শতাংশ। তাই ওই খরচের আর্থিক দায়ভারও ওই আবর্জনার পরিমাণের হিসেবেই দু’পক্ষকে বহন করতে হবে। উল্লেখ্য, রেল এই ডিপিআর সম্পর্কে কিছু আপত্তি তুলেছে। ট্রাইব্যুনাল বলেছে, এই বিষয়টি সম্পর্কে যে কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছিল, তারা ওই ডিপিআরটি পর্যালোচনা করে দেখবে। রেলের বক্তব্যের সারবত্তাও খতিয়ে দেখবে। 
প্রশাসন এই দূষণ কমাতে ঝিল এলাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক বায়ো-টয়লেট এবং ওয়েস্ট বিন বসাতে চায়। কিন্তু, কোথায় সেগুলি বসানো যায়, সেই ব্যাপারে রেল কিছুই জানায়নি বলে রাজ্যের অভিযোগ। অন্যদিকে, ট্রাইব্যুনাল গঠিত কমিটি জানিয়েছে, তাদের তরফে ৯ অক্টোবর ঝিল এলাকা পরিদর্শন সাপেক্ষে একটি রিপোর্ট পরবর্তী শুনানিতে পেশ করা হবে।  
 

3rd     December,   2021
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ