বর্তমান পত্রিকা : Bartaman Patrika | West Bengal's frontliner Newspaper | Latest Bengali News, এই মুহূর্তে বাংলা খবর
রাজ্য
 

সাড়ে চার হাজার টন ইলিশের
রপ্তানিতে ছাড়পত্র বাংলাদেশের
সিঁদুরে মেঘ দেখছেন ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর মুখে ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গকে ইলিশ ‘উপহার’ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু উপহারের ‘চাপ’ এতটাই বেশি, তা নিয়ে রীতিমতো টেনশন শুরু হয়ে গিয়েছে। কী সেই টেনশন? ইলিশ মাছের আমদানিকারী সংস্থাগুলি বলছে, এদেশে ইলিশ ঢোকার যে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, তা কার্যত অসম্ভব। যদিও বা ইলিশ পৌঁছয়, তবে তা কতটা বাজার পাবে, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। প্রথম ধাপে বাংলাদেশ সরকার এদেশে ২ হাজার ৮০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল। তা প্রায় গতবারের সমান। তার জন্য সময়সীমা রাখা হয়েছিল ১০ অক্টোবর। মোট ৫২টি সংস্থাকে এই আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়। এদিকে, ফের বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, এদেশের আরও ৬৩টি সংস্থা ইলিশ আমদানি করতে পারবে। আরও ২ হাজার ৫২০ টন ইলিশ আনতে পারবে ওই সংস্থাগুলি। তবে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৩ অক্টোবর। গোল বেঁধেছে এখানেই। এত অল্প সময়ে ইলিশ নিয়ে আসার ব্যাপারে কার্যত প্রমাদ গুণছেন আমদানিকারী সংস্থার কর্তারা। এর জন্য তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়ে আর্জি জানিয়েছেন পদক্ষেপ করার।
এদেশে এখনও পর্যন্ত সামান্য পরিমাণ ইলিশ এসেছে। কিন্তু এর মধ্যে সমস্যা তৈরি হয়েছে সীমান্তে। পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, প্রথমত, ব্যবসায়ীরা সময় যত কম পাবেন, সমস্যা তত বাড়বে। তার কারণ, বাজারে যে পরিমাণ ইলিশের জোগান থাকলে বাজার বা দাম ধরে রাখা যায়, তার চেয়ে যদি কয়েকগুণ বেশি ইলিশ চলে আসে, তাহলে দাম তলানিতে নামতে বাধ্য। এতে আমদানিকারী সংস্থাগুলি উৎসাহ হারাবে। ফলে গোটা প্রক্রিয়াটিই থমকে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, এদেশে মুরগির খাদ্য সোয়া মিল আমদানির জন্যও ছাড়পত্র মিলেছে, যার পরিমাণ ১২ লক্ষ টন। তার সময়সীমা ৩১ অক্টোবর। পেট্রাপোল একমাত্র স্থলবন্দর, যেখান দিয়ে ওই পণ্য আসবে। এর থেকে সহজেই ধারণা করা যায়, কী পরিমাণ চাপ বাড়ছে সীমান্তে। যেখানে দিনে ১৫০ থেকে ১৭৫টি লরি এদেশে আসতে পারে, সেখানে তিনশোর বেশি লরি আসতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই সেদেশের বর্ডারে প্রায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার লম্বা লাইন পড়েছে লরির। এর উপর ইলিশের চাপ বাড়লে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে।
ইলিশ এমনিতেই পচনশীল পণ্যের মধ্যে পড়ে। তাই মাছ রাখা কঠিন। যদিওবা হিমঘরে রাখা যায়, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশি ইলিশের সেই গরিমা থাকবে না। সামনেই শীতকাল। তখন ইলিশ মাছের চাহিদা সেভাবে থাকে না। তাই সব মিলিয়ে সমস্যার সমাধান কোন পথে, তা ভেবে পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। 

25th     September,   2021
 
 
কলকাতা
 
দেশ
 
বিদেশ
 
খেলা
 
বিনোদন
 
আজকের দিনে
 
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
এখনকার দর
দিন পঞ্জিকা
 
শরীর ও স্বাস্থ্য
 
বিশেষ নিবন্ধ
 
সিনেমা
 
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 
হরিপদ
 
31st     May,   2021
30th     May,   2021